অ্যালভিন লুয়েডেক
অ্যালভিন লুয়েডেক | |
|---|---|
মেজর জেনারেল অ্যালভিন আর. লুয়েডেক প্রায় ১৯৫৪ | |
| জন্ম | ১ অক্টোবর ১৯১০ এলডোরাডো, টেক্সাস, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। |
| মৃত্যু | ৯ আগস্ট ১৯৯৮ (বয়স ৮৭) সান আন্তোনিও, টেক্সাস, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। |
| সমাধি | ফোর্ট স্যাম হিউস্টন জাতীয় কবরস্থান, সান আন্তোনিও, টেক্সাস |
| আনুগত্য | |
| সেবা/ | |
| কার্যকাল | ১৯৩২–১৯৫৮ |
| পদমর্যাদা | |
| নেতৃত্বসমূহ | |
| যুদ্ধ/সংগ্রাম | দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: |
| পুরস্কার | তালিকা দেখুন |
| মাতৃশিক্ষায়তন | টেক্সাসের এএন্ডএম কলেজ |
| অন্য কাজ | মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক শক্তি কমিশনের মহাব্যবস্থাপক জেট প্রোপালশন ল্যাবরেটরির উপ-পরিচালক টেক্সাস এএন্ডএম বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি |
অ্যালভিন রুবাল লুয়েডেক (ইংরেজি: Alvin Roubal Luedecke, ১০ অক্টোবর ১৯১০-৯ আগস্ট ১৯৯৮) ছিলেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনীর একজন জেনারেল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে তিনি সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ অস্ত্র প্রকল্পের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ১৯৫৮ সালে বিমান বাহিনী থেকে অবসর গ্রহণের পর তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক শক্তি কমিশনের মহাব্যবস্থাপক হিসেবে নিযুক্ত হন। ১৯৬৪ সালে তিনি জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরির উপ-পরিচালক নিযুক্ত হন। ১৯৭০সালের ৩০শে মার্চ থেকে ১৯৭০ সালের ১লা নভেম্বর পর্যন্ত তিনি টেক্সাস এ অ্যান্ড এম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
প্রাথমিক জীবন ও কর্মজীবন
[সম্পাদনা]অ্যালভিন রুবাল লুয়েডেক ১ অক্টোবর ১৯১০ সালে টেক্সাসের এলডোরাডোতে জন্মগ্রহণ করেন।[১] তার বাবা জন এইচ লুয়েডেক ছিলেন একজন রাঁচার ও কৃষক।তার মায়ের নাম লিজি।তার আট ভাইবোনদের মধ্যে তিনি সবচেয়ে বড়। তিনি তাদের পারিবারিক খামারের পাশেই তার ছোটবেলা অতিবাহিত করেছিলেন।[২] তিনি ১৯৩২ সালে টেক্সাস কৃষি ও যান্ত্রিক কলেজ থেকে রাসায়নিক প্রকৌশল বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।[৩]
১৯৩২ সালের ২৮শে মে তারিখে লুয়েডেককে ফিল্ড আর্টিলারি রিজার্ভে দ্বিতীয় লেফটেন্যান্ট হিসাবে কমিশন দেওয়া হয়েছিল। এরপর তাকে টেক্সাসের ক্যাম্প বুলিসে রিজার্ভ অফিসার্স ট্রেনিং কর্পসে ডিউটির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। ১৯৩৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তিনি ফ্লাইং ক্যাডেট হয়েছিলেন। টেক্সাসের রেন্ডলফ ফিল্ডে প্রাথমিক ফ্লাইং স্কুল, ক্যালিফোর্নিয়ার মার্চ ফিল্ড ও ক্যালিফোর্নিয়া হ্যামিল্টন ফিল্ডে অ্যাডভান্সড ফ্লাইং স্কুল বোম্বার কোর্সে প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর ১৯৩৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আর্মি এয়ার কর্পসে সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট হিসাবে একটি রিজার্ভ কমিশন পেয়েছিলেন।[৩][৪]
এরপর লুয়েডেককে হ্যামিল্টন ফিল্ডে ১১তম বোম্বার্ডমেন্ট স্কোয়াড্রনে বদলি করা হয়েছিল। পরের বছর তিনি সেখানে ৭ম বোম্বার্ডমেন্ট গ্রুপের গ্রুপ অপারেশন এবং গোয়েন্দা কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৩৮ সালের ২ অক্টোবরে তিনি আর্মি এয়ার কর্পসে নিয়মিত সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট হিসাবে কমিশন লাভ করেন। এরপর তাকে পানামা খাল অঞ্চলের ফ্রান্স ফিল্ডে ২৫ তম বোম্বার্ডমেন্ট স্কোয়াড্রনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।[৩][৪]
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
[সম্পাদনা]লুয়েডেক ১৯৪০ সালের ২৩শে জানুয়ারি থেকে ১৯৪২ সালের ১৯শে আগস্ট পর্যন্ত কোস্টা রিকা, গুয়াতেমালা, হন্ডুরাস, এল সালভাদর, পানামা এবং নিকারাগুয়ায় মার্কিন এয়ারের সহকারী সামরিক কূটনীতিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর তিনি পানামা খাল অঞ্চলের কোয়ারি হাইটসের মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসের ফিল্ড অফিসে এক্সিকিউটিভ এয়ার অফিসার হিসেবে নিযুক্ত হন। সেখানে তিনি ১৯৪২ সালের ১ ফেব্রুয়ারিতে ক্যাপ্টেন এবং ১৯ নভেম্বর মেজর এবং ৫ জানুয়ারি ১৯৪৩ সালে লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে উন্নীত হন। সেই মাসে, তিনি ফ্লোরিডার মিয়ামি বিচে আমেরিকান ইন্টেলিজেন্স কমান্ডের অপারেশনস ব্রাঞ্চের এয়ার কন্ট্রোল গ্রুপের প্রধান হিসাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসেন। পরের মাসে, তিনি লাতিন আমেরিকান শাখার আমেরিকান ইন্টেলিজেন্স কমান্ডের প্রধান নির্বাচিত হন। মধ্য আমেরিকায় ভূমিকার জন্য তাকে কলম্বিয়ান অর্ডার অফ বয়াকা পদকে ভূষিত করা হয়েছিল।[৩][৪]
১৯৪৩ সালের ১২ই মে তারিখে তিনি অ্যারিজোনার ডেভিস-মন্থন ফিল্ডে অবস্থিত ৩৯তম বোম্বার্ডমেন্ট গ্রুপের ডেপুটি কমান্ডারের দায়িত্বে নিযুক্ত হন। ১৯৪৩ সালের ২২ জুলাইয়ে তাকে কর্নেল পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়। ২৭ জুনে তিনি সেখানে ১৬ তম বোম্বার্ডমেন্ট অপারেশনস ট্রেনিং উইংয়ের নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে নিযুক্ত হন। ১৮৪৩ সালের আগস্ট মাসে, তিনি চীন-বার্মা-ভারত থিয়েটার ও ভারত-বার্মা সেক্টরে সেনা-বিমান বাহিনীর অপারেশনস এবং প্রশিক্ষণ বিভাগের প্রধান হিসেবে নিযুক্ত হন। ১৯৪৪ সালের ১৮ই আগস্ট, ৩৩ বছর বয়সে তিনি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে উন্নীত হন। ১৯৪৪ সালের নভেম্বরে তিনি ডেপুটি চিফ অফ স্টাফ হন। ১৯৪৫ সালের জুলাই মাসে তিনি চায়না থিয়েটারে পরিকল্পনা, অপারেশন, প্রশিক্ষণ এবং গোয়েন্দা বিভাগের সহকারী প্রধান নিযুক্ত হন। চীনে সেবার জন্য তাকে চাইনিজ অর্ডার অফ দ্য ক্লাউড অ্যান্ড ব্যানার পদকে ভূষিত করা হয়েছিল। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের আদেশে তাকে কমান্ডার অফ দ্য অর্ডার অফ দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার পদক দেওয়া হয়েছিল। তিনি ১৯৪৪ সালের ৮ জানুয়ারিতে লিজিয়ন অফ মেরিট, ১৯৪৫ সালের ২৫ অক্টোবরে ওক লিফ ক্লাস্টার, ১৯৪৫ সালের ১৯ নভেম্বরে ব্রোঞ্জ স্টার মেডেল এবং ১৯৪৬ সালের ২৯ মে তারিখে কম্যান্ডেশন রিবন লাভ করেন।[৩][৪] ১৯৪৬ সালে সুং মেই-লিং নিজেই লুয়েডেকেকে চীনা বিমান বাহিনী অর্ডার অফ চি 'এন ইউয়ান প্রদান করেছিলেন।[৫] ১৯৪৬ সালে তিনি টেক্সাসের এ অ্যান্ড এম কলেজ তথা বর্তমানে টেক্সাস এ অ্যান্ড এম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক সম্মানসূচক লেগাম ডক্টর (এলএল.ডি.) ডিগ্রি লাভ করেছিলেন।[৬]
স্নায়ুযুদ্ধ
[সম্পাদনা]১৯৪৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে লুয়েডেক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসেন এবং ওয়াশিংটন ডিসিতে জয়েন্ট ওয়ার প্ল্যানস কমিটিতে সিনিয়র আর্মি এয়ার ফোর্সের সদস্যপদ লাভ করেন। ১৯৪৭ সালের ২২ অক্টোবরে তিনি জয়েন্ট স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানস গ্রুপের সহকারি পরিচালক হিসেবে নিযুক্ত হন। ১৯৪৯ সালের ১৪ ই জুন তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক শক্তি কমিশনের সামরিক যোগাযোগ কমিটিতে নির্বাহী সামরিক সচিব দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৫১ সালের ১৬ মার্চ তিনি সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ অস্ত্র প্রকল্প বিমান বাহিনীর উপ-প্রধান হন।[৩] সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ অস্ত্র প্রকল্পের প্রধান মেজর জেনারেল হারবার্ট বি লপারের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পর তাকে অবসর নিতে বাধ্য করা হয়। এরপর লুয়েডেককে মেজর জেনারেল হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয় এবং সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ অস্ত্র প্রকল্পের প্রধান হিসেবে নিযুক্ত করা হয়।[৭] ১৯৪৬ সালের অপারেশন ক্রসরোডসহ প্রশান্ত মহাসাগরের পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার প্রতিটি সিরিজের পরিকল্পনা ও পরিচালনার জন্য একটি যৌথ টাস্ক ফোর্স গঠন হয়েছিল। এ ধরনের অস্ত্র পরীক্ষা বৃদ্ধির পর জয়েন্ট চিফস একটি স্থায়ী সংস্থা হিসাবে জয়েন্ট টাস্ক ফোর্স সেভেন তৈরি করেছিল।[৭] ১৯৫৭ সালের ১ এপ্রিলে লুয়েডেক জয়েন্ট টাস্ক ফোর্স সেভেনের কমান্ড গ্রহণ করেন।[৪] তার টাস্ক ফোর্সের নেতৃত্বে থাকার সময়েই এনিওয়েটক এবং জনস্টন দ্বীপ পারমাণবিক পরীক্ষা করা হচ্ছিল।[৬] একই বছরের ১০ জুনে রিয়ার অ্যাডমিরাল এডওয়ার্ড এন পার্কার সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ অস্ত্র প্রকল্পের প্রধান হিসাবে তার স্থলাভিষিক্ত হন। তবে সে সময়েও তিনি জয়েন্ট টাস্ক ফোর্স ৭-এর কমান্ডারের দায়িত্বে ছিলেন।[৪] তিনি অপারেশন হার্ডট্যাক-১ এবং অপারেশন হার্ডট্যাক-২ এর পরিকল্পনা, প্রস্তুতি এবং পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেছিলেন।[৮] মার্কিন বিমান বাহিনীতে ভূমিকার জন্য তিনি বিমান বাহিনীর বিশিষ্ট পরিষেবা পদক লাভ করেন।[৪][৯]
পরবর্তী জীবন
[সম্পাদনা]১৯৫৮ সালে লুয়েডেক বিমান বাহিনী থেকে অবসর গ্রহণ করেন। এরপর কেনেথ ডি নিকোলস তাকে পারমাণবিক শক্তি কমিশনের মহাব্যবস্থাপক হিসেবে নিয়োগ দেন।[৮] ১৯৬৪ সালে লুয়েডেক জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরির উপ-পরিচালক নিযুক্ত হন। পরবর্তী তিন বছর ধরে তিনি মানবহীন রেঞ্জার, মেরিনার, সার্ভেয়ার এবং ভয়েজার মহাকাশ অনুসন্ধান কর্মসূচিতে কাজ করেছিলেন। নাসায় অবদানের জন্য তিনি ১৯৬৮ সালে নাসা ব্যতিক্রমী পরিষেবা পদক লাভ করেন।[৯] একই বছর তিনি টেক্সাসের এ অ্যান্ড এম বিশ্ববিদ্যালয়ে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সহযোগী ডিন এবং ইঞ্জিনিয়ারিং গবেষণা সমন্বয়কারী ও টেক্সাস এ অ্যান্ডএম ইঞ্জিনিয়ারিং এক্সপেরিমেন্ট স্টেশনের সহযোগী পরিচালক হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৭০ সালে জেমস আর্ল রুডারের মৃত্যুর পর তিনি সাত মাসের জন্য ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নির্বাচিত হন। এরপর তিনি ছয় বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাহী সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ১৯৯৪ সালে ক্যাম্পাসের একটি বিজ্ঞান ভবন তার নামে নামকরণ করা হয়েছিল।[১০] ৯ আগস্ট ১৯৯৮ সালে তিনি টেক্সাসের সান আন্তোনিওতে মারা যান। তাকে সান আন্তোনিওর ফোর্ট স্যাম হিউস্টন জাতীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়েছিল। মৃত্যুর সময় তিনি স্ত্রী ইসাবেল, পুত্র, অ্যালভিন আর লুয়েডেক জুনিয়র, কন্যা জ্যান লি মেনার্ড এবং মিরিয়াম লুয়েডে ও ছয়জন বোন রেখে গেছেন।[২]
পুরস্কার ও সম্মাননা
[সম্পাদনা]- অর্ডার অফ বয়াকা (কলম্বিয়া)
- ১৯৪৪ লিজিয়ন অফ মেরিট (১৯৫৪ব্রোঞ্জ ওক পাতার গুচ্ছ সহ)
- ১৯৪৫ ব্রোঞ্জ স্টার পদক
- কমান্ডার অফ দ্য অর্ডার অফ দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার
- সি মেন্সেন্ড ইন ডিসপ্যাচস (ইউকে)
- অর্ডার অফ দ্য ক্লাউড অ্যান্ড ব্যানার (চীন প্রজাতন্ত্র)
- ১৯৪৬ এয়ার ফোর্স অর্ডার অফ চি 'এন ইউয়ান, রিপাবলিক অফ চায়না এয়ার ফোর্স [৫]
- ১৯৪৬ নৌবাহিনীর প্রশংসাসূচক ফিতে
- ১৯৪৬ সম্মানসূচক এলএলডি ডিগ্রি, টেক্সাস এ অ্যান্ড এম কলেজ
- বিমান বাহিনীর বিশিষ্ট পরিষেবা পদক
- ১৯৬৭ বিশিষ্ট প্রাক্তন ছাত্র পুরস্কার, টেক্সাস এ অ্যান্ড এম বিশ্ববিদ্যালয় [১১]
- ১৯৬৮ নাসা ব্যতিক্রমী পরিষেবা পদক
টীকা
[সম্পাদনা]- ↑ Ancell ও Miller 1996, পৃ. 417
- 1 2 "Maj. Gen. Alvin Luedecke, Atomic Energy Board Official"। San Antonio Express-News। Sun Sentinel। ১৩ আগস্ট ১৯৯৮। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ আগস্ট ২০১১।
- 1 2 3 4 5 6 Fogerty 1953
- 1 2 3 4 5 6 7 "Major General Alvin R. Luedecke"। United States Air Force। সংগ্রহের তারিখ ২০ আগস্ট ২০১১।
- 1 2 "Brigadier General Alvin R. Luedecke Receiving the Chien Decoration from Soong Mei-Ling (Madame Chiang Kai-Shek)]"। The Museum of Flight। ২৩ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫।
- 1 2 "Tribute Wall"। The Association of Former Students of Texas A&M University। ৬ অক্টোবর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মার্চ ২০১২।
- 1 2 Brahmstedt 2002, পৃ. 99।
- 1 2 Hewlett ও Holl 1989, পৃ. 493।
- 1 2 "A. R. Luedecke"। Chicago Tribune। Tribune News Services। ১৪ আগস্ট ১৯৯৮। ৬ অক্টোবর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ আগস্ট ২০১১।
- ↑ "Ex-A&M President Luedecke dead at 87 /Retired general also served as AEC chief"। Houston Chronicle (3 Star সংস্করণ)। Associated Press। ১২ আগস্ট ১৯৯৮। পৃ. ২৩। ২২ অক্টোবর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ আগস্ট ২০১১।
- ↑ "Major General Alvin R. Luedecke '32"। Texas A&M University Corps of Cadets।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- Ancell, R. Manning; Miller, Christine (১৯৯৬)। The Biographical Dictionary of World War II Generals and Flag Officers: The US Armed Forces। Westport, Connecticut: Greenwood Press। পৃ. ৪৫৭। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৩১৩-২৯৫৪৬-১। ওসিএলসি 231681728।
- Brahmstedt, Christian (২০০২)। Defense's Nuclear Agency, 1947–1997 (পিডিএফ)। DTRA history series। Washington, DC: Defense Threat Reduction Agency, US Department of Defense। ওসিএলসি 52137321। ১১ জুন ২০১১ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ আগস্ট ২০১১।
- Fogerty, Dr Robert O. (১৯৫৩)। Biographical data on Air Force General Officers (পিডিএফ)। Maxwell Air Force Base, Alabama: Air University। সংগ্রহের তারিখ ২০ অক্টোবর ২০০৬।[অকার্যকর সংযোগ]
- Hewlett, Richard G.; Holl, Jack M. (১৯৮৯)। Atoms for Peace and War, Volume III, 1953–1961 Eisenhower and the Atomic Energy Commission। A History of the United States Atomic Energy Commission। University Park, Pennsylvania: Pennsylvania State University Press। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৫২০-০৬০১৮-০।
| অ্যাকাডেমিক অফিস | ||
|---|---|---|
| পূর্বসূরী জেমস আর্ল রুডার |
টেক্সাস এঅ্যান্ডএম বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) ১৯৭০ |
উত্তরসূরী জ্যাক কেনি উইলিয়ামস |
| সামরিক দপ্তর | ||
| পূর্বসূরী হার্বার্ট বি লোপার |
সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ অস্ত্র প্রকল্পের প্রধান ১৯৫৩–১৯৫৭ |
উত্তরসূরী এডওয়ার্ড এন পার্কার |