বিষয়বস্তুতে চলুন

অ্যান ব্রডবেল্ট

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
অ্যান ব্রডবেল্ট
জন্মঅ্যান পেনোয়ার
১ জানুয়ারি ১৭৫১
স্প্যানিশ টাউন, জ্যামাইকা উপনিবেশ
মৃত্যু৬ সেপ্টেম্বর ১৮২৭(1827-09-06) (বয়স ৭৬)
বাথ, সমারসেট, ইংল্যান্ড
জাতীয়তাব্রিটিশ
ধরনচিঠি লেখা
দাম্পত্যসঙ্গীফ্রান্সিস রিগবি ব্রডবেল্ট
সন্তানফ্রান্সিস রিগবি ব্রডবেল্ট স্টলার্ড পেনোয়ার

অ্যান ব্রডবেল্ট ( জন্মসূত্রে অ্যান পেনোয়ার) (১ জানুয়ারি ১৭৫১ – ৬ সেপ্টেম্বর ১৮২৭) ছিলেন একজন ব্রিটিশ-জ্যামাইকান পত্রলেখক এবং সমাজ পর্যবেক্ষক।

ব্রডবেল্ট জ্যামাইকা কলোনির স্প্যানিশ টাউনে এক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন, যেটি সেখানে দীর্ঘকাল ধরে প্রতিষ্ঠিত ছিল। তিনি ফ্রান্সিস রিগবি ব্রডবেল্ট নামক একজন চিকিৎসককে বিবাহ করেন, যিনি নিজেও একটি ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান পরিবারের সদস্য ছিলেন। এই পরিবারের সদস্যরা বহু প্রজন্ম ধরে ঔপনিবেশিক ওয়েস্ট ইন্ডিজে ডাক্তার, বিধানসভার সদস্য বা বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা অথবা সৈনিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পেনোয়ার এবং ব্রডবেল্ট উভয় পরিবারেরই জ্যামাইকাতে চাষ-আবাদ ছিল।

ব্রডবেল্ট তাঁর সন্তানদের লেখা দীর্ঘ বর্ণনামূলক চিঠির কারণে আজ বিখ্যাত হয়ে আছেন, তাঁর সন্তানরা ওয়েস্ট ইন্ডিজের দাস-মালিকানা আভিজাত্য থেকে দূরে ইংল্যান্ডে শিক্ষাগ্রহণ করছিল। সেই চিঠিগুলিতে তাঁর জীবন এবং স্থানীয় ঘটনাগুলির বর্ণনা রয়েছে।[] তাঁর স্বামী ১৭৯৫ সালে মারা যান এবং জন বেকন তাঁর জন্য একটি স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করেন।[] ব্রডবেল্ট বাথ শহরে ফিরে যান এবং ১৮২৭ সালে সেখানে তিনি মারা যান।

উত্তরাধিকার

[সম্পাদনা]

ব্রডবেল্টের চিঠিগুলির উত্তরাধিকার বংশপরম্পরায় পরিবারে চলে আসছিল, এবং অবশেষে ১৯৩৮ সালে তাঁর প্রপৌত্রী জেরাল্ডিন মোজলি[] চিঠিগুলি প্রকাশ করেন। কাউন্সিলের একজন সদস্য এবং পেশায় চিকিৎসক হওয়ার পাশাপাশি, তাঁর ছেলে ফ্রান্সিস বেশ কয়েকজন হিতৈষীর কাছ থেকে জ্যামাইকায় স্থাবর সম্পত্তি, ইংল্যান্ডে ভূ-সম্পত্তি, লন্ডন শহরের সম্পত্তি এবং ১,২০,০০০ পাউন্ড উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছিলেন। এই হিতৈষীদের মধ্যে ছিলেন অ্যানের আত্মীয়, দ্য মুর-এর টমাস স্ট্যালার্ড পেনয়র, যিনি লন্ডনের একজন বণিক ও ঔষধবিক্রেতা এবং হেয়ারফোর্ডশায়ারের ভূস্বামী অভিজাত শ্রেণির সদস্য ছিলেন। পেনোয়ার উত্তরাধিকারের শর্ত হিসেবে, ফ্রান্সিস ১৮২৪ সালে তাঁর নাম পরিবর্তন করে ফ্রান্সিস রিগবি ব্রডবেল্ট স্ট্যালার্ড পেনোয়ার রাখেন এবং তিনি হিয়ারফোর্ডশায়ার, লন্ডন এবং বাথে স্থানান্তরিত হন।[]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 "LETTERS TO JANE FROM JAMAICA (1788–1796) | Edited by Geraldine Mozley"The Spectator Archive। ১৯ আগস্ট ১৯৩৮। পৃ. ৩২। সংগ্রহের তারিখ ১১ এপ্রিল ২০১৮
  2. "The Jamaican commissions of John Bacon the elder"www.victorianweb.org। সংগ্রহের তারিখ ১১ এপ্রিল ২০১৮
  3. Duncumb, John (১৮৯৭)। "Collections Towards the History and Antiquities of the County of Hereford: Hundred of Grimsworth" Google Books এর মাধ্যমে।