অহিদুজ্জামান
অহিদুজ্জামান | |
|---|---|
| পাকিস্তানের বাণিজ্যমন্ত্রী | |
| কাজের মেয়াদ জুন ১৯৬২ – ১৯৬৫ | |
| ব্যক্তিগত বিবরণ | |
| জন্ম | ১৯১২ সীতারামপুর, গোপালগঞ্জ মহকুমা, ফরিদপুর জেলা, বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি, ব্রিটিশ ভারত |
| মৃত্যু | ২১ অক্টোবর ১৯৭৬ ঢাকা, বাংলাদেশ |
| রাজনৈতিক দল | কাইয়ুম মুসলিম লীগ |
| অন্যান্য রাজনৈতিক দল | নিখিল ভারত মুসলিম লীগ পাকিস্তান মুসলিম লীগ কনভেনশন মুসলিম লীগ |
অহিদুজ্জামান ওরফে ঠান্ডা মিয়া বাংলাদেশের গোপালগঞ্জ জেলার একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন।
প্রারম্ভিক জীবন
[সম্পাদনা]অহিদুজ্জামান ১৯১২ সালে ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমায় অবস্থিত সীতারামপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৩২ সালে কলকাতা ইসলামিয়া কলেজ থেকে স্নাতক করার পর ১৯৩৫ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএল ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ছাত্র ইউনিয়নের সদস্য ছিলেন।[১]
কর্মজীবন
[সম্পাদনা]অহিদুজ্জামান নিখিল ভারত মুসলিম লীগের কাউন্সিলর হন। তিনি বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লীগের ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য ছিলেন।[১] ১৯৪২ সালে তিনি বঙ্গীয় আইন পরিষদে নির্বাচিত হন।[১] তিনি পাকিস্তান আন্দোলনের একজন সক্রিয় সদস্য ছিলেন। ১৯৪৭ থেকে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত তিনি পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম লীগের ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য এবং ১৯৬২ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত তিনি কনভেনশন মুসলিম লীগের সদস্য ছিলেন। মুসলিম লীগের দলীয় বিরোধের সময় তিনি কাইয়ুম দলকে সমর্থন করেছিলেন।[১]
১৯৫১ সালে অহিদুজ্জামান পাকিস্তান গণপরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন।[১] ১৯৫৪ সালে তিনি বাংলাদেশের ভবিষ্যত রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে আইনসভা নির্বাচনে হেরে যান।[২] ১৯৬২ সালে তিনি ফরিদপুর-৩ আসন থেকে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে নির্বাচিত হন।[১] তিনি ১৯৬২ থেকে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত আইয়ুব খানের মন্ত্রিসভায় বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৬৫ সালে ফরিদপুর থেকে পুনরায় নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৭০ সালের নির্বাচনে ফরিদপুর-৬ আসনে দাঁড়িয়ে হেরে যান। তিনি পূর্ব পাকিস্তান সমবায় ব্যাংকের চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি জামান ইন্ডাস্ট্রিয়াল কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠা করেন।[১] তিনি স্টেট ব্যাংক অফ পাকিস্তানের একজন পরিচালক ছিলেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে তিনি পাকিস্তানকে সমর্থন করেছিলেন।[১]
পারিবারিক জীবন ও মৃত্যু
[সম্পাদনা]অহিদুজ্জামানের ছয় ও পুত্র ও তিন কন্যা ছিল। তিনি ১৯৭৬ সালের ২১ অক্টোবরে ঢাকার নিউ ইস্কাটনে নিজের বাসভবনে মেনিনজাইটিসে ভুগে মৃত্যুবরণ করেন। তাকে বনানী কবরস্থানে দাফনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।[৩]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 4 5 6 7 8 Khan, Muazzam Hussain। "Wahiduzzaman"। en.banglapedia.org। Banglapedia। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮।
- ↑ "Gopalganj 3 constituency: Sheikh Hasina to remain unchallenged"। ঢাকা ট্রিবিউন। ৫ অক্টোবর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জানুয়ারি ২০২৩।
- ↑ "Wahiduzzaman dead"। দ্য বাংলাদেশ অবজার্ভার (ইংরেজি ভাষায়)। ২২ অক্টোবর ১৯৭৬। পৃ. ১।