অহিংস যোগাযোগ


অহিংস যোগাযোগ বা ননভায়োলেন্ট কমিউনিকেশন (সংক্ষেপে এনভিসি, যাকে সমবেদনামূলক যোগাযোগ বা সহযোগী যোগাযোগও বলা হয়) মার্শাল রোজেনবার্গ উনিশ শতকের ষাটে দশকের শুরুতে অহিংস জীবনযাপনের একটি পদ্ধতি হিসেবে শুরু করেন। [১][২][৩]
এনভিসি তাত্বিকভাবে বিশ্বাস করে, সমস্ত মানুষই সহানুভূতি গুণসমৃদ্ধ। সবারই সহানুভূতির ক্ষমতা রয়েছে। মানুষের যখন সমাজ বা অন্যের কাছ থেকে প্রয়োজনীয়তা পূরণের জন্য তেমন কোন কার্যকর উপায় থাকে না তখনই তারা হিংসাত্মক আচরণ বা সহিংসতা বেছে নেয়। [৪]
এনভিসি তত্ত্ব অনুসারে, সব মানুষের আচরণ নির্ভর করে সর্বজনীন মানবিক চাহিদা পূরণের প্রয়াসের ওপর। এমন চাহিদার কারণে সমস্যা তৈরি হয় না, বরং প্রয়োজন মেটাতে ব্যর্থ হলেই তখন বিরোধ দেখা দেয়। এনভিসি তত্ত্ব অনুসারে, সব মানুষের তার চাহিদা বা প্রয়োজনকে বুঝতে হবে। প্রয়োজনের কারণ নিয়ে চিন্তা ও অনুভূতিকে ভিত্তি করে চাহিদা ও প্রয়োজনকে বুঝতে হবে। কি কি প্রয়োজন তা জানার পরে তা অর্জনের জন্য কৌশলগুলি বিকাশ করতে হবে। সবশেষে, পরস্পরের চাহিদা পূরণের জন্য একে অপরকে সহযোগিতা করতে হবে। মূললক্ষ্য হচ্ছে পরস্পরের প্রতি সম্প্রীতি ও ভবিষ্যতের জন্য সহযোগিতার সুযোগ তৈরি করতে সম্পর্কে জানা।
এনভিসির লক্ষ্য হচ্ছে তিনটি বিষয়কে সংযুক্ত করা। সরল অর্থে, ব্যক্তি নিজের মধ্যে, অন্যের মধ্যে এবং সবশেষে গোষ্ঠী ও সামাজিক ব্যবস্থার মধ্যে সংযোগ স্থাপনের কাজ করে এনভিসি। এনভিসি ব্যক্তি হিসেবে মানুষকে যোগাযোগের কৌশল বা প্রক্রিয়া শেখায় যার মাধ্যমে অন্য ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর প্রতি সহানুভূতি বা মমত্বপূর্ণ সংযোগ স্থাপন করা যায় ও তা জোরালো করা যায়। এই ধারণার অনুসারীরা অহিংস যোগাযোগের ইতিবাচক বিষয় হিসেবে নির্দিষ্ট মূল্যবোধসমূহ নিয়ে চর্চার সুযোগকে গুরুত্ব দেন। ইতিবাচক দিক হিসেবে আধ্যাত্মিক মানবিকতার অনুশীলন, পিতামাতার দায়িত্বের অংশ, সামাজিক পরিবর্তনের একটি মাধ্যম, সংঘাতে মধ্যস্থতার মাধ্যম, বিশেষ ধরনের শিক্ষাদান ও বিশ্বদর্শন হিসাবে এই তত্ত্বের গুরুত্ব আছে।
প্রয়োগ
[সম্পাদনা]অহিংস যোগাযোগ তত্ত্বের সাংগঠনিক ও ব্যবসায়িক দিকে প্রয়োগ করা হয়। [৫][৬] এছাড়াও প্যারেন্টিংয়ে,[৭][৮][৯] শিক্ষায়,[১০][১১][১২][১৩] মধ্যস্থতায়,[১৪] সাইকোথেরাপি,[১৫] স্বাস্থ্যসেবা,[১৬] খাওয়ার সংক্রান্ত সমস্যাগুলি সমাধান করার ক্ষেত্রে,[১৭] ন্যায়বিচারে,[১৮][১৯][২০] এবং একটি শিশুদের বই রচনার ভিত্তি হিসাবে,[২১] ব্যবহারসহ অন্যান্য বিষয়গুলিতে ব্যবহার করতে দেখা যায়।
রোজেনবার্গ রুয়ান্ডা, বুরুন্ডি, নাইজেরিয়া, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলঙ্কা, কলম্বিয়া, সার্বিয়া, ক্রোয়েশিয়া, আয়ারল্যান্ড এবং মধ্য প্রাচ্যের পশ্চিম তীর সহ বিভিন্ন অঞ্চলে শান্তি রক্ষার কর্মসূচিতে অহিংস যোগাযোগ তত্ত্বে ব্যবহার করেছেন। [২২]
ইতিহাস ও বিকাশ
[সম্পাদনা]সেন্টার ফর ননভায়োলেন্ট কমিউনিকেশনের (সিএনভিসি) ওয়েবসাইটে বলা হচ্ছে, রোজেনবার্গ কার্যকর শান্তিরক্ষার প্রচেষ্টা হিসেবে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ থেকে অহিংস যোগাযোগসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে ধারণা তৈরি করেন। ১৯৬০-এর দশকের নাগরিক অধিকারকর্মী হিসেবে কাজ করার সময় এনভিসি বিষয়টি সম্পর্কে ধারণা তৈরি করতে শুরু করেন। সেই সময়ে তিনি দাঙ্গাকারী শিক্ষার্থী ও কলেজ প্রশাসকদের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছিলেন। [২৩]
মেরিয়ন লিটল (২০০৮) এর একটি মাস্টার্স থিসিস থেকে জানা যায়, এনভিসির মডেলের উন্নয়ন শুরু হয় ষাটের দশকের শেষ দিকে। যখন রোজেনবার্গ দক্ষিণ আমেরিকার বিভিন্ন স্কুল ও সংস্থায় জাতিগত সংহতকরণের জন্য কাজ করছিলেন। [২৪] মডেলটির প্রথমতম সংস্করণে পর্যবেক্ষণ, অনুভূতি ও কর্ম-ভিত্তিক চাহিদা সংযুক্ত ছিল। ১৯৭২ সালে রোজেনবার্গ একটি প্রশিক্ষণের ম্যানুয়াল হিসেবে এই মডেল তৈরি করেন। ১৯৯২ সালে মডেলটি তার বর্তমান রুপ লাভ করে। পর্যবেক্ষণ, অনুভূতির সঙ্গে প্রয়োজনীয়তা ও অনুরোধ বিষয়টি সংযুক্ত করা হয়।
রোজেনবার্গ ও এনভিসি চর্চাকারী প্রশিক্ষকরা পরবর্তী মডেলটিতে আরও পরিবর্তন আনেন। ২০০০ দশকের শেষ দিকে মডেলে কার্যকারিতার চাবিকাঠি হিসাবে আত্ম-সহানুভূতির উপর আরও জোর দেয়া হয়। ২০০০ সালের পরে মডেলটিকে প্রসেস বা ধাপ হিসেবে প্রয়োগ করা হয়। সেই সময়ে এনভিসি চর্চাকারীদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে আরও বেশি জোর দেয়া হয়। বলার ক্ষেত্রে, অন্যরা যা চায় সেই কাজটি কি করার উদ্দেশ্য বোঝা, বা আরও অর্থবহ সম্পর্ক ও পারস্পরিক গভীর সম্পর্ক গড়ে তোলার অভিপ্রায় কি তা জানার দিকে বেশি জোর দেয়া হয়। আর শোনার ক্ষেত্রে, একজন যা বলবে তা শোনার জন্য প্রস্তুত থাকার উদ্দেশ্য বোঝা, বা অন্যের প্রতি আন্তরিক, শ্রদ্ধাশীল মনোযোগ বাড়ানোর জন্য কি করা যায় তা বোঝা। এবং অন্যের সাথে সংযোগের গুণগত মান বিকাশে জোর দেয়া হয়।
লিটলের ভাষ্যে, রোজেনবার্গ এরিক ফ্রম, জর্জ আলবি এবং জর্জ মিলার দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন। তাদের প্রভাবেই ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি থেকে কমিউনিটি কেন্দ্রিক কাজে আগ্রহী হন রোজেনবার্গ। রোজেনবার্গের প্রভাবিত হওয়ার কারণের মধ্যে অন্যতম:
১. ব্যক্তি হিসেবে মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের মাত্রা নির্ভর করে সামাজিক কাঠামোর ওপর (ফ্রম)
২. থেরাপিস্টরা একাকী সমাজের মানসিক প্রত্যাশা পূরণ করতে পারে না (আলবি)
৩. মানুষের আচরণ সম্পর্কে জানার পরিধি বিকাশিত হবে ততই যতই না সামাজিক কাঠামোতে মনোবিজ্ঞান সংশ্লিষ্ট হবে (মিলার).[২৪]
লিটলের মতে, রোজেনবার্গ অহিংসা যোগাযোগ ধারণার ভিত্তি হিসেবে মহাত্মা গান্ধীর জীবনাদর্শকে অনুপ্রেরণা হিসেবে ব্যবহার করেন। অহিংসা দর্শনের মাধ্যমে একটি প্রক্রিয়া তৈরির চেষ্টা করে রোজেনবার্গ। লিটলের ভাষ্যে, রোজেনবার্গ অহিংসাকে সেই উপচে পড়া ভালোবাসা হিসেবে মনে করতেন যার প্রভাবে হৃদয় থেকে যত অসুস্থতা, রাগ এবং ঘৃণা আছে সব কমে যাবে।"[২৪]
যোগাযোগের প্রকৃতি ও ভিন্নতা বোঝাতে রোজেনবার্গ দুটি প্রাণী উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার করেন। সহিংস যোগাযোগের জন্য তিনি মাংসাশী শেয়ালকে প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করে আগ্রাসন বিষয়টি প্রকাশ করেন। অন্যদিকে, তৃণভোজী জিরাফকে উপস্থাপন করেন। জিরাফের মাধ্যমে ভবিষ্যতমুখি বক্তাদের উদাহরণ দেয়া হয়, যে কিনা অন্যান্য বক্তাদের অভিব্যক্তি ও অনুভূতি সম্পর্কে সচেতন। জিরাফ বিনয়ী ও দয়াশীল, যে কিনা এনভিসি তত্ত্বের সহানুভূতির দিকটি প্রকাশ করে। রোজেনবার্গ যোগাযোগের ভিন্নতা বোঝাতে প্রাণী অবয়ব ব্যবহার করেন। [২৫]
সংক্ষিপ্ত বিবরণ
[সম্পাদনা]
অহিংস যোগাযোগ ধারণা অনুসারে, ব্যক্তি বা দলের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি হওয়ার কারণে হচ্ছে তাদের চাহিদা সম্পর্কে না জানা, না বোঝা। ভাষাগত পাথর্কের কারণে ভয়, অপরাধবোধ, লজ্জা, ইত্যাদি বিষয়গুলো জন্ম নেয়। এমন "হিংসাত্মক" যোগাযোগের পদ্ধতিগুলি সংঘাত বা দ্বন্দ্ব চলাকালে ব্যবহৃত হলে অংশগ্রহণকারীরা তাদের প্রয়োজনীয়তা, তাদের অনুভূতি, উপলব্ধি ও অনুরোধগুলি স্পষ্ট করার বদলে তাদের সংঘাতকে স্থায়ী করে তোলার দিকে মনোযোগ দেন। [তথ্যসূত্র প্রয়োজন] [২৬]
অহিংস যোগাযোগের প্রতিষ্ঠাতা মার্শাল রোজেনবার্গ মৌলিক সামাজিক পরিবর্তন আনার জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণ উপকরণ তৈরি করেন। [২৭] তিনি "জিজ্ঞাসা, জিজ্ঞাসা, জিজ্ঞাসা" নামের একটি পদ্ধতির মাধ্যমে "গ্যাং সংস্কৃতি ও আধিপত্য কাঠামো"-তে রুপান্তর করতে গুরুত্ব দেন। তার মতে, "জিজ্ঞাসা, জিজ্ঞাসা, জিজ্ঞাসা" করার মাধ্যমে সবার জীবনে পরিবর্তন আনা যায়। [২৮]
ধারণাসমূহ
[সম্পাদনা]দুজন এনভিসি প্রশিক্ষক এনভিসিসংশ্লিষ্ট ধারণা বা অনুমানগুলোকে নিম্নলিখিতভাবে প্রকাশ করেছেন:[৪]
- সকল মানুষ একই ধরনের চাহিদা অনুভব করে
- আমাদের পৃথিবী প্রত্যেকের প্রাথমিক চাহিদা মেটাতে পর্যাপ্ত জিনিষপত্র সরবরাহ করতে পারে
- সমস্ত কাজের পেছনে চাহিদা মেটানোর প্রয়োজন থাকে।
- মানুষের অনুভূতিগুলো আসলে চাহিদা পূরণ করা বা অপূরণের সঙ্গে যুক্ত
- সবারই মমত্ববোধ ক্ষমতা রয়েছে
- মানুষ দান বিষয়টি উপভোগ করে
- মানুষ পরস্পরের উপর নির্ভরশীল মানবিক সম্পর্কের মাধ্যমে নিজের চাহিদা পূরণ করে
- মানুষ বদলে যায়
- পছন্দ বিষয়টি অভ্যন্তরীণ
- শান্তি অর্জনের সরাসরি একটি পথ হচ্ছে আত্ম-সংযোগ বা সেলফ কানেকশন তৈরির মাধ্যমে
উদ্দেশ্য
[সম্পাদনা]এনভিসি প্রশিক্ষকরা আরও এনভিসি অনুশীলন করার সাথে নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যগুলি জড়িত:বলে মনে করেন:[৪]
- খোলামেলা বা মুক্ত মনের জীবনযাপন
- স্ব-সমবেদনা বা সেলফ কমপ্যাশন
- হৃদয় থেকে প্রকাশ করা
- সহানুভূতি সংযুক্ত প্রাপ্তি
- সংযোগ বা সম্পর্ককে অগ্রাধিকার দেওয়া
- ঠিক-ভুল বিষয়কে ছাপিয়ে প্রয়োজন-ভিত্তিক মূল্যায়ন ব্যবহার করার দিকে গুরুত্ব দেয়
- পছন্দ, দায়িত্ব, শান্তি
- আমরা মানুষ হিসেবে আমাদের অনুভূতির দায়িত্ব আমরা নিচ্ছি
- আমাদের কর্মের জন্য আমরাই দায় গ্রহণ করছি
- চাহিদা পূরণ না করেও শান্তিতে বাস করা
- চাহিদা পূরণের জন্য সক্ষমতা বৃদ্ধি করা
- বর্তমান মুহুর্তকে গ্রহণের জন্য ব্যক্তি সক্ষমতা বাড়ানো
- ভাগ করে নেওয়ার শক্তি (অংশীদারিত্ব)
- সকলের প্রয়োজনের সমভাবে যত্ন নেওয়া
- অন্য কাউকে শাস্তি বা শিক্ষা দেয়ার বদলে ন্যূনতম বল প্রয়োগ করা ও সুরক্ষা করা; শর্তবিহীনভাবে যা চাই তাই পাওয়া
যোগাযোগসংশ্লিষ্ট যে বিষয় সমবেদনাকে বাধা দেয়
[সম্পাদনা]রোজেনবার্গ বলেছেন, যোগাযোগের কিছু নির্দিষ্ট উপায় মানুষকে :ch.২ সমবেদনা থেকে দূরে সরিয়ে দেয়:[২৯] :ch.২
- নৈতিকতা ভিত্তিক বিচার
- চাহিদা বা দাবি
- দায়িত্ব অস্বীকার
- তুলনা করার প্রবণতা
- যোগ্যতা ভিত্তিক প্রাপ্তি
চারটি উপাদান
[সম্পাদনা]
রোজনবার্গ এনভিসি তত্ত্বে চারটি উপাদানের দিকে মনোযোগ দেয়ার কথা জানান।
- পর্যবেক্ষণ : যেকোনো ঘটনার ক্ষেত্রে অনুভূতিকেন্দ্রিক বিষয়গুলোর (আমরা কী দেখছি, শ্রবণ করছি বা স্পর্শ করছি) সঙ্গে আমাদের বোঝার অর্থ ও গুরুত্ব বেশ ভিন্ন। এনভিসি তত্ত্ব অনুসারে যেকোনো ঘটনাকে সরলীকরণ বা সাধারণীকরণকে নিরুৎসাহিত করা হয়। বলা হয়ে থাকে, "যখন আমরা পর্যবেক্ষণকে আমাদের মূল্যায়নের সাথে একত্রিত করি তখন অন্যেরা সমালোচনা শুনতে ও আমরা যা বলছি তা প্রতিরোধ করার জন্য প্রস্তুত থাকে।" এই আচরণের পরিবর্তে, সময় ও প্রাসঙ্গিকতাকে গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষণে ফোকাস দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। [২৯] :ch.৩
- অনুভূতি : আবেগ বা সংবেদনকে আমাদের মানবিক চিন্তা ও ভাবনা থেকে মুক্ত রাখতে হবে। যেমন, 'আমি মনে করছি যে আমি ন্যায্য ভাগ পাইনি- এমন ভাবনা; কিছু শব্দ যা থেকে অনুভূতি বোঝায় (যেমন, "অপর্যাপ্ত"); আমরা যেভাবে অন্যরা আমাদের মূল্যায়ন করছে বলে মনে করে (যেমন, "গুরুত্বহীন"), বা অন্যরা আমাদের সাথে কী করছে তা নিয়ে আমরা যা মনে করি (যেমন, "ভুল বোঝাবুঝি", "উপেক্ষা করা") এড়িয়ে চলতে হবে। অনুভূতিগুলি প্রতিফলিত হয় আমরা যখন আমাদের প্রয়োজনগুলি পূরণ করি বা করতে পারি না তার উপর। অনুভূতি সনাক্তকরণের গুণ আমাদের আরও সহজে একে অপরের সাথে সংযোগ স্থাপনের সুযোগ তৈরি করে দেয়। :ch.৪
- প্রয়োজন : মানুষের সার্বজনীন চাহিদা আর প্রয়োজনের মধ্যে পাথর্ক্য থাকে। বলা হয়, "আমরা যা কিছু করি তা আমাদের প্রয়োজন থেকেই করি।" [৩০]
- অনুরোধ : চাহিদা ছাড়াই আমাদের সুনির্দিষ্ট কর্মের জন্য অনুরোধ করতে হবে। অনুরোধ আর দাবীর মধ্যে পার্থক্য আছে। অনুরোধের ক্ষেত্রে না শুনলে তখন প্রতিক্রিয়া তৈরি হওয়া যাবে না। কেউ যদি কেউ অনুরোধ করে ও উত্তরে "না" শোনে তবে হাল না ছেড়ে দিয়ে কীভাবে কথোপকথনটি চালিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে কেন অন্য ব্যক্তি "হ্যাঁ" বলছে না তা সহানুভূতি নিয়ে জানতে হবে। অনুরোধ করতে স্পষ্ট, ইতিবাচক, নির্দিষ্ট কাজসংশ্লিষ্ট ভাষা ব্যবহার করতে হবে। :ch.৬
মাধ্যম
[সম্পাদনা]এনভিসি প্রয়োগের প্রধানত প্রাথমিক পদ্ধতি হচ্ছে তিনটি:
- আত্ম-সহানুভূতি বা সেলফ এমপ্যাথি: যা আমাদের মন বা মননের ভেতরে যা চলছে তার সঙ্গে সহানুভূতিপূর্ণভাবে জড়িত হওয়ার বিষয়টি বোঝায়। এই ভাগটি আমাদের নিরপক্ষভাবে চিন্তাভাবনা ও বিচারবুদ্ধিকে পর্যবেক্ষণ করা, আমাদের অনুভূতিগুলি লক্ষ্য করা এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে আমাদের যে প্রয়োজনগুলো আছে তার সঙ্গে আমাদের সংযোগ স্থাপন করে। [৩০] :ch.৪
- সহানুভূতভাবে প্রাপ্তি: এ বিষয়টি "অন্য ব্যক্তির মধ্যে যা আছে এবং কী কী কারণে তাদের জীবন সুন্দর করে তুলছে তার সম্পৃক্ততা বোঝায়। এ বিষয়টি শুধুমাত্র অন্য ব্যক্তি কী বলছে তা মানসিকভাবে বুঝতে পারাকে বোঝায় না, সহানুভূতি বা এম্পেথেটিক সংযোগ আমাদের হৃদয়সংশ্লিষ্ট গুণকে বোঝায়। যা অন্য ব্যক্তির মধ্যে সৌন্দর্য দেখতে, অন্য ব্যক্তির মধ্যে ঐশ্বরিক শক্তি, তাদের মধ্যে যে জীবন্ত বিষয়টি আছে তা বুঝতে সহায়তা করে।"" :ch.৫ সহানুভূতি "মনকে ফাঁকা করে আমাদেরকে নিজেদের শুনতে" কাজ করে। এনভিসি তত্ত্বে বলা হয়, অন্য ব্যক্তি নিজেকে যেভাবেই প্রকাশ করুক না কেন ব্যক্তি হিসেবে আমাদের অন্তর্নিহিত পর্যবেক্ষণ, অনুভূতি, প্রয়োজনীয়তা এবং অনুরোধগুলি শোনার দিকে বেশি বেশি মনোনিবেশ করা প্রয়োজন। [২৯] :ch.৭
- সততার সাথে প্রকাশ করা: কোনও পর্যবেক্ষণ, অনুভূতি, প্রয়োজন এবং অনুরোধ বিষয়টিকে এনভিসি সততার সঙ্গে প্রকাশের কথা বলে।
আধ্যাত্মিকতার সঙ্গে সম্পর্ক
[সম্পাদনা]থেরেসা লাটিনির ভাষ্যে, "রোজেনবার্গ এনভিসি বিষয়টিকে মৌলিকভাবে আধ্যাত্মিক অনুশীলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে ভাবতেন।"[৩১] মার্শাল রোজেনবার্গ এনভিসি তত্ত্বের ওপর তার নিজের আধ্যাত্মিক জীবনের প্রভাব ছিল বলে জানান।
আমি মনে করি এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে মানুষ আধ্যাত্মিকতার সঙ্গে অহিংস যোগাযোগের সূত্র খুঁজে পায়। এই যোগাযোগের কৌশল তারা মানসিক প্রক্রিয়ায় শেখার সুযোগ পায়। এটা সত্যিই একটি আধ্যাত্মিক অনুশীলন যা আমি জীবনে বেঁচে থাকার একটি উপায় হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করেছি। আমরা উল্লেখ না করলেও মানুষ অহিংসা যোগাযোগের দ্বারা বিমোহিত হতে অনুশীলন করে।.[৩২]
রোজেনবার্গের এনভিসি তৈরির পেছনে অন্যতম কারণ ছিল "সচেতন হওয়ার ক্ষেত্র" বিষয়টি যা কিনা তিনি "বিলাভড ডিভাইন এনার্জি" বা "স্নেহের ঐশ্বরিক শক্তি" হিসেবে বলতেন।[৩২]
অনেক খ্রিস্টান ধর্মালম্বী এনভিসি তত্ত্বকে তাদের খ্রিস্টান বিশ্বাসের.[৩১][৩৩][৩৪][৩৫][৩৬] সঙ্গে তুলনা করেন। আবার, অহিংস যোগাযোগ , বৌদ্ধ ধর্ম সম্পৃক্ত বলে অনেকেই এনভিসি তত্ত্বকে বৌদ্ধ আদর্শের অনুশীলন.[৩৭][৩৮][৩৯] হিসেবে তুলনা করেন।
সংগঠন
[সম্পাদনা]মার্শাল রোজেনবার্গ অহিংস যোগাযোগকেন্দ্রিক এনভিসি, অহিংস যোগাযোগ ও সহমর্মী যোগাযোগসহ বেশ কিছু শব্দের ট্রেডমার্কের অধিকারী। রোজেনবার্গ দ্য সেন্টার ফর ননভায়োলেন্ট কমিউনিকেশ প্রতিষ্ঠা করেন। .[৪০]
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "The Center for Collaborative Communication"। সংগ্রহের তারিখ ১১ নভেম্বর ২০১১।
- ↑ Jane Branscomb (2011), Summation Evaluation of a Workshop in Collaborative Communication ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে, M.A. Thesis, Rollins School of Public Health of Emory University.
- ↑ Gates, Bob; Gear, Jane (২০০০)। Behavioural Distress: Concepts & Strategies। Bailliere Tindall।
- 1 2 3 Inbal Kashtan, Miki Kashtan, Key Assumptions and Intentions of NVC, BayNVC.org
- ↑ Miyashiro, Marie R. (২০১১)। The Empathy Factor: Your Competitive Advantage for Personal, Team, and Business Success। Puddledancer Press। পৃ. ২৫৬। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৮৯২০০৫-২৫-০।
- ↑ Lasater, Ike; Julie Stiles (২০১০)। Words That Work In Business: A Practical Guide to Effective Communication in the Workplace। Puddledancer Press। পৃ. ১৬০। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৮৯২০০৫-০১-৪।
- ↑ Hart, Sura; Victoria Kindle Hodson (২০০৬)। Respectful Parents, Respectful Kids: 7 Keys to Turn Family Conflict into Cooperation। Puddledancer Press। পৃ. ২০৮। আইএসবিএন ১-৮৯২০০৫-২২-০।
- ↑ Kashtan, Inbal (২০০৪)। Parenting From Your Heart: Sharing the Gifts of Compassion, Connection, and Choice। Puddledancer Press। পৃ. ৪৮। আইএসবিএন ১-৮৯২০০৫-০৮-৫।
- ↑ Rosenberg, Marshall B. (২০০৪)। Raising Children Compassionately: Parenting the Nonviolent Communication Way। Puddledancer Press। পৃ. ৪৮। আইএসবিএন ১-৮৯২০০৫-০৯-৩।
- ↑ Hart, Sura; Victoria Kindle Hodson (২০০৮)। The No-Fault Classroom: Tools to Resolve Conflict & Foster Relationship Intelligence। Puddledancer Press। পৃ. ২৪০। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৮৯২০০৫-১৮-২।
- ↑ Cadden, Catherine Ann (২০০৯)। Peaceable Revolution Through Education। Baba Tree। পৃ. ১৬০। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৯৮২৫৫৭৮-০-৮।
- ↑ Hart, Sura; Victoria Kindle Hodson (২০০৪)। The Compassionate Classroom: Relationship Based Teaching and Learning। Puddledancer Press। পৃ. ২০৮। আইএসবিএন ১-৮৯২০০৫-০৬-৯।
- ↑ Rosenberg, Marshall B.; Riane Eisler (২০০৩)। Life-Enriching Education: Nonviolent Communication Helps Schools Improve Performance, Reduce Conflict, and Enhance Relationships। Puddledancer Press। পৃ. ১৯২। আইএসবিএন ১-৮৯২০০৫-০৫-০।
- ↑ Larsson, Liv (২০১১)। A Helping Hand, Mediation with Nonviolent Communication। Friare Liv Konsult। পৃ. ২৫৮। আইএসবিএন ৯৭৮-৯১-৯৭৬৬৭২-৭-২।
- ↑ "Open Hearted Therapy: A Year-long Program for Therapists"। NVC Academy। ২০ এপ্রিল ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ নভেম্বর ২০১১।
- ↑ Sears, Melanie (২০১০)। Humanizing Health Care: Creating Cultures of Compassion With Nonviolent Communication। Puddledancer Press। পৃ. ১১২। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৮৯২০০৫-২৬-৭।
- ↑ Haskvitz, Sylvia (২০০৫)। Eat by Choice, Not by Habit: Practical Skills for Creating a Healthy Relationship with Your Body and Food। Puddledancer Press। পৃ. ১২৮। আইএসবিএন ১-৮৯২০০৫-২০-৪।
- ↑ "Freedom Project Seattle"। ২২ এপ্রিল ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ এপ্রিল ২০১৬।
- ↑ "Oregon Prison Project Teaches Empathy, A Key in Lowering Recidivism"। ২ এপ্রিল ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০১১।
- ↑ "BayNVC Restorative Justice Project"। ৩১ মার্চ ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০১১।
- ↑ Allen, J.P.; Marci Winters (২০১১)। Giraffe Juice: The Magic of Making Life Wonderful। www.GiraffeJuice.com। পৃ. ১৪২। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৬১৫-২৬৩৯৩-৯। ৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ সেপ্টেম্বর ২০১১।
- ↑ Rosenberg, Marshall (২০০১)। Nonviolent Communication: A Language of Compassion। Puddledancer Press। পৃ. ২১২।
- ↑ Our founder's bio ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১ সেপ্টেম্বর ২০১৪ তারিখে, cnvc.org
- 1 2 3 Little, Marion (2008) Total Honesty/Total Heart: Fostering empathy development and conflict resolution skills. A violence prevention strategy ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২ নভেম্বর ২০১৪ তারিখে. MA Thesis, Dispute Resolution, Victoria, B.C., Canada: University of Victoria, 286.
- ↑ "Learning to speak Giraffe - Nonviolent Communication in action"। Seed of Peace (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১ ডিসেম্বর ২০১৭। ৩০ আগস্ট ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ নভেম্বর ২০১৯।
- ↑ "What is Violent Communication?" (পিডিএফ)। Heartland Community College। ১৫ আগস্ট ২০২০ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ নভেম্বর ২০১৯।
- ↑ Rosenberg, Marshall (২০০৬)। The Nonviolent Communication Training Course। Sounds True, Inc.। পৃ. Disc Eight, "How Nonviolent Communication Supports Social Change"। আইএসবিএন ১-৫৯১৭৯-৪৪৩-৯।
- ↑ Rosenberg, Marshall (২০০৫)। The Heart of Social Change: How You Can Make a Difference in Your World। PuddleDancer Press। পৃ. ১০–১২। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৮৯২০০৫-৪৬-৫।
- 1 2 3 Rosenberg, Marshall (২০০৩)। Nonviolent Communication: A Language of Life। Puddledancer Press। আইএসবিএন ১-৮৯২০০৫-০৩-৪।
- 1 2 Rosenberg, Marshall B. (২০০৫)। Speak Peace in a World of Conflict: What You Say Next Will Change Your World। Puddledancer Press। পৃ. ২৪০। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৮৯২০০৫-১৭-৫।
- 1 2 Latini, Theresa (২০০৯)। "Nonviolent Communication: A Humanizing Ecclesial and Educational Practice" (পিডিএফ)। Kuyer's Institute for Christian Teaching and Learning: ১৯–৩১। সাইটসিয়ারএক্স 10.1.1.614.8339। ডিওআই:10.1177/205699710901300104। ৮ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জানুয়ারি ২০১১।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - 1 2 "Spiritual Basis of Nonviolent Communication: A Question and Answer Session with Marshall B. Rosenberg, Ph.D"। Center for Nonviolent Communication। সংগ্রহের তারিখ ১ ডিসেম্বর ২০১১।
- ↑ Prieto, Jaime L. Jr. (২০১০)। The Joy of Compassionate Connecting: The Way of Christ through Nonviolent Communication। CreateSpace। পৃ. ২৯৮। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪৫১৫-১৪২৫-৪।
- ↑ Rohlfs, Allan (১৪ নভেম্বর ২০১২)। "Beyond anger and blame: How to achieve constructive conflict"। সংগ্রহের তারিখ ১৬ মে ২০১৪।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - ↑ van Deusen Hunsinger, Deborah (অক্টোবর ২০০৯)। "Practicing Koinonia" (পিডিএফ): ৩৪৬–৩৬৭। ডিওআই:10.1177/004057360906600306। ৪ এপ্রিল ২০১২ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ অক্টোবর ২০১১।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - ↑ Latini, Theresa F. (মে ২০০৭)। "Nonviolent Communication and the Image of God"। ২৫ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ নভেম্বর ২০১১।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - ↑ Shantigarbha (৮ মে ২০০৮)। "NVC in the FWBO: Heart-to-Heart Communication"। FWBO & TBMSG News। ৩ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ এপ্রিল ২০২০।
- ↑ Little, Jason (৩১ জানুয়ারি ২০০৯)। "Buddhism and Nonviolent Communication"। Shambhala Times। ২৫ জুন ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ মার্চ ২০১০।
- ↑ Lasater, Judith Hanson; Lasater, Ike K. (২০০৯)। What We Say Matters: Practicing Nonviolent Communication। Rodmell Press। পৃ. ১৯২। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৯৩০৪৮৫-২৪-২।
- ↑ Guidelines for sharing NVC ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১১ মে ২০১২ তারিখে, cnvc.org
আরও পড়ুন
[সম্পাদনা]- অ্যাটলি, টি। "অহিংস যোগাযোগ এবং সামাজিক পরিবর্তনের উপর চিন্তাভাবনা"। কো-ইন্টেলিজেন্স ইনস্টিটিউট।
- শাখা, কে। (2017) "এই স্মার্ট সংঘাত-পরিচালন কৌশলটির সাথে থ্যাঙ্কসগিভিং নাটক কীভাবে বেঁচে থাকবেন" ভোগ ম্যাগাজিন নভেম্বর, 2017।
- ইভান্স, লুইস (২০১)) পাঁচটি চেয়ার: আপনার আচরণের মালিক হন, আপনার যোগাযোগকে আয়ত্ত করুন, আপনার সাফল্য নির্ধারণ করুন (বই ; টিইডিএক্স টক)
- কাব্যাটজনিক, আর এবং এম কুলেন (2004) "দ্য ট্র্যাভেলিং পিস মেকার : মার্শাল রোজেনবার্গের সাথে একটি কথোপকথন।" মন জিজ্ঞাসা, পতন সমস্যা।
- কাশতান, এম। (২০১০-চলমান), বে এরিয়া অহিংস যোগাযোগের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এনভিসি দ্য ফিয়ারলেস হার্ট প্রয়োগ সম্পর্কিত ব্লগ
- কাশতান, এম। (২০১২) "অহিংস যোগাযোগ: গান্ধিয়ান প্রিন্সিপালস ফর রোজকার জীবন", সত্যগ্রাহ ফাউন্ডেশন ফর অহিংস স্টাডিজ, এপ্রিল ২০১২।
- লাতিনী, টি। (২০০৯) অহিংস যোগাযোগ: একটি হিউম্যানাইজিং ক্লাসিয়াল এবং এডুকেশনাল অনুশীলন । শিক্ষা ও খ্রিস্টান বিশ্বাসের জার্নাল ।
- মুর, পি। (2004) "মার্শাল রোজেনবার্গের বিপ্লবীয় ইমপিটিভ-দ্য ইনারভিউ হিসাবে অহিংস যোগাযোগ" বিকল্প, সংখ্যা 29, বসন্ত।
- সৌর, এম। (2004) "সংঘাত নিরসনে বিশেষজ্ঞ বিশ্বাস করেন যে অহিংসা আমাদের প্রকৃতির মধ্যে রয়েছে" সান দিয়েগো ইউনিয়ন-ট্রিবিউন, 14 ই অক্টোবর, 2004।
- ভ্যান গ্যাল্ডার, এস। (1998) "অহিংসার ভাষা" হ্যাঁ ম্যাগাজিন, সামার 1998।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- দাপ্তরিক ওয়েবসাইট অহিংস যোগাযোগের কেন্দ্র, অলাভজনক আন্তর্জাতিক সংস্থা
- অহিংস ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২৯ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে যোগাযোগকারী: এমন যোগাযোগ তৈরির জন্য একটি অনলাইন সরঞ্জাম যা এনভিসি ফর্ম্যাটকে সম্মান করে
[[বিষয়শ্রেণী:যোগাযোগ]]