অলক রায়
অলক রায় | |
|---|---|
| জন্ম | ২৩ আগস্ট ১৯৫০ |
| জাতীয়তা |
|
| শিক্ষা | চারুকলায় স্নাতকোত্তর |
| মাতৃশিক্ষায়তন | |
| দাম্পত্য সঙ্গী |
|
| সন্তান | ১ |
| পুরস্কার | নিচে দেখুন |
| পেশা |
|
| কর্মজীবন | ১৯৮১–বর্তমান |
অলক রায় একজন বাংলাদেশি ভাস্কর এবং ম্যুরাল শিল্পী। তিনি চারুকলা ইনস্টিটিউট, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক।[২] বাংলাদেশের মাটি ও সংস্কৃতির সাথে সম্পর্কিত তার কাজের জন্য তিনি পরিচিত। তিনি আন্তর্জাতিক ভাস্কর্য কেন্দ্রের একজন সদস্য।[৩] এছাড়াও তিনি ভাস্কর্য কেন্দ্র চট্টগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।[৪] বাংলাদেশের বাইরে, ইউরোপ ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশে, বিশেষত দক্ষিণ কোরিয়া,[৫] চীনের বিভিন্ন ভাস্কর্য উদ্যানে তার বেশকিছু ভাস্কর্য স্থাপিত হয়েছে।[৬]
প্রাথমিক জীবন ও শিক্ষা
[সম্পাদনা]অলক রায় ১৯৫০ সালের ২৩ আগস্টে[৭] তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তামানে বাংলাদেশ) ময়মনসিংহে জন্ম নেন।
তিনি ১৯৭৩ সালে ঢাকার বাংলাদেশ সরকারি শিল্প ও কারুকলা মহাবিদ্যালয় থেকে চিত্রকলায় স্নাতক সম্পন্ন করেন।[৬] পরবর্তীতে উচ্চশিক্ষার জন্য ভারতে যান। সেখানে তিনি ১৯৭৮ সালে বরোদা মহারাজা সায়াজিরাও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ম্যুরাল বিষয়ে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।[৬][৮] ভারতে অধ্যয়নকালে তিনি কে জি সুব্রহ্মণ্যনের ছাত্র ছিলেন।[৫] ২০১৬ সালে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা থেকে অবসরে নেনে।[৩] তিনি চারুকলা ইনস্টিটিউট, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্য বিভাগের প্রধানে দ্বায়িত্ব পালন করেন।[৫]
কাজ
[সম্পাদনা]
অলক রায় প্রায় তিন দশক ধরে মাটিকে উপজীব্য করে ভাস্কর্য নির্মাণ করছেন।[৯] ভাস্কর্য তৈরি করতে তিনি টেরাকোটা, কাদামাটি ইত্যাদি মাধ্যম ব্যবহার করেছেন।[১০] আশির দশকে তার পরপর তিনটি একক প্রদর্শনী আয়োজিত হয়েছিল। ১৯৮১ সালে "মাটির কান্না" শিরোনামে ঢাকার বাংলাদেশ সরকারি শিল্প ও কারুকলা মহাবিদ্যালয়ে তার প্রথম একক প্রদর্শনী হয়। এই প্রদর্শনীতে কিছু সূক্ষ্মভাবে করা পোড়ামাটির কাজের মধ্যদিয়ে তার শিল্পকে সমৃদ্ধ জীবনের দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন যা সমসাময়িক সামাজিক ও রাজনৈতিক সমস্যার স্থায়ী সমাধানের সন্ধানে পৃথিবীকে উজ্জীবিত করে।[১১] ১৯৮৩ সালে "আবদ্ধ" নামে তার দ্বিতীয় একক প্রদর্শনীটি একটি শৈলীগত বৈচিত্র্যের উপর কেন্দ্রীভূত ছিল।[১১] তার "মাটির কান্না" (১৯৮১), "আবদ্ধ" (১৯৮৩) এবং "শহীদ" (১৯৮৫) শিরোনামে তিনটি প্রদর্শনীতে তিনি লাল ও কালো পোড়ামাটিতে রিলিফধর্মী ও মুক্ত ত্রিমাত্রিক ভাস্কর্য উপস্থাপন করেন।[৬] এসময়কার তার ভাস্কর্যসমূহের মূল প্রেরণা ছিল সামাজিক অনিয়ম, অত্যাচার ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং ভাষা, জাতীয়তা, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের সংগ্রামের প্রতি সমর্থন। পরবর্তীকালে তার ভাস্কর্যে রাজনীতির প্রত্যক্ষ প্রতিক্রিয়ার বদলে প্রকৃতি ও মনের দ্বান্দ্বিক সম্পর্কযুক্ত অন্তর্গত দার্শনিকবোধের অভিপ্রায় লক্ষনীয়।[৬]
এরপর ২২ বছর পর, ২০০৭ সালে তার চতুর্থ একক ভাস্কর্য প্রদর্শনী আয়োজিত হয়।[৯] "স্টেপস টু ইকোলজি অব মাইন্ড-১" শিরোনামে এই একক প্রদর্শনীতে তিনি মানুষ এবং প্রকৃতির মধ্যে সম্পর্ক অন্বেষণ করেন। যেই প্রদর্শনীতে তিনি কিছু বড় আকারের ভাস্কর্যকে একত্রিত করেন যেগুলি তার দার্শনিক উদ্বেগকে পর্যাপ্তভাবে প্রকাশ করে।[১১] ২০০৮ সালে বেঙ্গল গ্যালারি অব ফাইন আর্টসে তার ৫ম একক ভাস্কর্য প্রদর্শনী "ইকোলজি অব মাইন্ড-২" আয়োজিত হয়। মোটাদাগে এই প্রদর্শনীতে পাথর, কাঠ এবং কাদামাটির বিশাল সৃষ্টি প্রদর্শিত হয়েছিল।[১২] ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে ফ্রান্সের প্যারিসে প্রথম বাংলাদেশি ভাস্কর হিসেবে অলক রায়ের সপ্তাহব্যাপী প্রথম একক প্রদর্শনী আয়োজিত হয়।[১৩] তার ভাস্কর্যের অনুষঙ্গী হয়ে উঠেছে আকাশ, আলো, জল, বাতাস, শব্দ, বৃক্ষ ও বীজের মতোরজীবনের অনিবার্য সব উপাদান।[৯]
ভাস্কর্য কেন্দ্র
[সম্পাদনা]তিনি ভাস্কর্য কেন্দ্র চট্টগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। চট্টগ্রাম শহর থেকে প্রায় ১৬ কিলোমিটার (৯.৯ মাইল) দূরে হাটহাজারীর চৌধুরী হাটে তার নিজ বাড়ির একটা অংশজুড়ে এই ভাস্কর্য কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে।[২][১৪] ভাস্কর্য কেন্দ্রটি ভাস্কর্য কর্মশালা, আর্টিস্ট ইন রেসিডেন্স সহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে।
উল্লেখযোগ্য ভাস্কর্য
[সম্পাদনা]- হেলেন কেলারের স্মরণে (পোড়ামাটি ও সিরামিক)[৪]
উল্লেরখযোগ্য কাজ
[সম্পাদনা]| বছর | কাজ | স্থান | টিকা |
|---|---|---|---|
| ১৯৭৮ | ম্যুরাল | ভিএস হল, বরোদা মহারাজা সায়াজিরাও বিশ্ববিদ্যালয়, ভারত | [৮] |
| ১৯৮৭ | ম্যুরাল | গ্রামীণ ব্যাংক, ঢাকা | |
| ১৯৯০ | ম্যুরাল, ভাস্কর্য ও ল্যান্ডস্কেপ | বেঙ্গল শিপিং, ঢাকা | |
| ১৯৯৪ | ভাস্কর্য ও ল্যান্ডস্কেপ | ডানকান ব্রাদার্স, ঢাকা | |
| ১৯৯৫ | স্বাধীনতা মনচিত্র (ভাস্কর্য ও ম্যুরাল) | বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি, চট্টগ্রাম | |
| ম্যুরাল | সফুরা টাওয়ার, ঢাকা | ||
| ১৯৯৬ | ম্যুরাল | বাংলাদেশ ব্যাংক, চট্টগ্রাম | |
| ম্যুরাল ও ভাস্কর্য | ইয়ংওয়ান লিমিটেড, সিইপিজেড, চট্টগ্রাম | ||
| ১৯৯৭ | ম্যুরাল | ইয়ংওয়ান লিমিটেড, ডিইপিজেড, ঢাকা | |
| ১৯৯৮ | ম্যুরাল | ইয়ংওন লিমিটেড, সিইপিজেড, চট্টগ্রাম | |
| ভাস্কর্য ও ল্যান্ডস্কেপ | খুলশী, চট্টগ্রাম | ||
| ১৯৯৯ | ম্যুরাল | গ্রামীণ ব্যাংক, ঢাকা | |
| ম্যুরাল | বিএনএসবি, চট্টগ্রাম | ||
| ম্যুরাল | রয়্যাল পার্ক হোটেল, ঢাকা | ||
| ২০০০ | ম্যুরাল | রংপুর-দিনাজপুর রুরাল সার্ভিস (আরডিআরএস), রংপুর | |
| স্বাধীনতা মনচিত্র | বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি, চট্টগ্রাম | ||
| ২০০১ | ম্যুরাল | এসএমসি টাওয়ার বনানী, ঢাকা | |
| ম্যুরাল | রেকিট অ্যান্ড কোলম্যান, ঢাকা | ||
| ম্যুরাল, ভাস্কর্য ও ল্যান্ডস্কেপ | বারিধারা, ঢাকা | ||
| ২০০২ | ভাস্কর্য ও ম্যুরাল | মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ, টাঙ্গাইল | |
| ২০০৩ | ম্যুরাল | কুলিয়ারচর সি ফুডস লি, কক্সবাজার | |
| ২০০৪ | ভাস্কর্য, ফোয়ারা ও ল্যান্ডস্কেপ | বেঙ্গল শিপিং, গুলশান, ঢাকা | |
| ২০০৫ | ম্যুরাল | সার্ক ফোয়ারা, ঢাকা | |
| ২০০৬ | ভাস্কর্য | ঢাকা ব্যাংক, ঢাকা | |
| ম্যুরাল, ভাস্কর্য ও ফোয়ারা | অ্যাসুরেন্স ডেভেলপমেন্টস লিমিটেড, ঢাকা | ||
| ২০০৭ | ভাস্কর্য | অ্যাসুরেন্স ডেভেলপমেন্টস লিমিটেড, ঢাকা |
ব্যক্তিগত জীবন
[সম্পাদনা]অলক রায় ১৯৭৮ সালে ভাস্কর নিলুফার চামানকে বিয়ে করেন।[১][৫] তাদের একমাত্র মেয়ে অরনি রায়।[২]
প্রদর্শনী
[সম্পাদনা]একক প্রদর্শনী
[সম্পাদনা]| বছর | প্রদর্শনী | স্থান | টিকা |
|---|---|---|---|
| ১৯৮১ | "মাটির কান্না" | চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয়, ঢাকা | [৬][৮] |
| ১৯৮৩ | "আবদ্ধ" | চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয়, ঢাকা | [৬][৮] |
| ১৯৮৫ | "শহীদ" | ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা | [৬][৮] |
| ২০০৭ | "স্টেপস টু ইকোলজি অব মাইন্ড-১" | ডিসি হিল, চট্টগ্রাম | উন্মুক্ত প্রদর্শনী[৮][১১] |
| ৫-১৯ জানুয়ারি ২০০৮ | "ইকোলজি অব মাইন্ড-২" | বেঙ্গল গ্যালারি অব ফাইন আর্টস এবং ব্রিটিশ কাউন্সিল, ঢাকা | [১৫][১২] |
| সেপ্টেম্বর ২০১৩ | সিতে আঁতেরন্যাশিওনাল দে আত, প্যারিস, ফ্রান্স | আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ আয়োজিত[১৩] |
যৌথ প্রদর্শনী
[সম্পাদনা]| বছর | প্রদর্শনী | স্থান | টিকা |
|---|---|---|---|
| ১৯৮১ | "নমনীয় ও কঠিন" | জেলা শিল্পকলা একাডেমি, চট্টগ্রাম | প্রদর্শনীতে প্রায় ৩০জন শিল্পী অঙ্কিত ৩২টি শিল্পকর্ম প্রদর্শিত হয়েছে।[৪] |
| ৫ নভেম্বর - ১০ ডিসেম্বর ২০০৩ | ৪র্থ আন্তর্জাতিক ভাস্কর্য সিম্পোজিয়াম | ভিয়েতনাম | ১৬জন শিল্পী[১৬] |
| সেপ্টেম্বর ২০০৮ | "অব দা বিটেন পাথ" | বৃত্ত আর্টস ট্রাস্ট, ঢাকা | |
| ২০২১ | ৫ম জাতীয় ভাস্কর্য প্রদর্শনী | বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি | আবদুর রাজ্জাক, আনোয়ার জামান, নিতুন কুন্ডু, সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ, ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী, হামিদুজ্জামান খান, শামীম শিকদার সহ ১৬জন শিল্পী[১৭] |
পুরস্কার
[সম্পাদনা]| বছর | পুরস্কার | সংগঠন | সূত্র |
|---|---|---|---|
| ১৯৭৯ | শ্রেষ্ঠ ভাস্কর্য, তরুণ শিল্প প্রদর্শনী | বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি | [৮] |
| ১৯৮৫ | সম্মানসূচক পুরস্কার, ৩য় এশিয় শিল্প দ্বিবার্ষিক | বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি | [৮] |
| ১৯৮৯ | গ্র্যান্ড পুরস্কার, ৪র্থ এশীয় শিল্প দ্বিবার্ষিক | এশিয়ান আর্ট বিয়েনাল | [৮] |
| ১৯৮৭-১৯৯৬ | সম্মানসূচক পুরস্কার (ভাস্কর্য) | ৮ম জাতীয় শিল্প প্রদর্শনী | [৮] |
| সম্মানসূচক পুরস্কার (ভাস্কর্য) | ৯ম জাতীয় শিল্প প্রদর্শনী | ||
| সম্মানসূচক পুরস্কার (ভাস্কর্য) | ১২ম জাতীয় শিল্প প্রদর্শনী | ||
| ২০০৬ | বেইজিং অলিম্পিক ল্যান্ডস্কেপ ভাস্কর্য পুরস্কার | বেইজিং অলিম্পিক ল্যান্ডস্কেপ প্রতিযোগিতা | [৮] |
চিত্রশালা
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 "ভাস্কর অলক রায়ের 'সিরামিক সিম্পোজিয়াম' উদ্বোধন আজ"। জয়নিউজ২৪.কম। ৬ অক্টোবর ২০১৮। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- 1 2 3 নাঈম, আবু (১০ জুলাই ২০১৩)। "Where art resides: The house of sculptor Alak Roy"। দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- 1 2 কাগজ প্রতিবেদক (৩ মে ২০২০)। "মানুষের অসহায়ত্বটাই বেশি নাড়া দিচ্ছে"। ভোরের কাগজ। ৩১ জুলাই ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- 1 2 3 মুন্নী, মরিয়ম জাহান (২ মার্চ ২০২০)। "ভাস্কর্য শিল্পীরা মানুষের অদেখা ভাবনাগুলোকে তুলে আনে"। দৈনিক পূর্বকোণ। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- 1 2 3 4 হক, ফায়েজা (৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০)। "In Quest of Treasure Troves of Art"। শিল্প। দা স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। দ্য ডেইলি স্টার (বাংলাদেশ)। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- 1 2 3 4 5 6 7 8 খবির, নাসিমুল (৭ নভেম্বর ২০১২)। "প্রসঙ্গ : বাংলাদেশের সমকালীন ভাস্কর্য"। শিল্প ও শিল্পী। ৭ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ "প্রখ্যাত ভাস্কর অলক রায়ের ৭০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সংবর্ধনাসভা"। বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম। ২৩ আগস্ট ২০২০। ২৪ আগস্ট ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 "অলক রায়"। বেঙ্গল ফাউন্ডেশন। বেঙ্গল ফাউন্ডেশন। ৫ মে ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- 1 2 3 মনসুর, আবুল (২৫ জানুয়ারি ২০০৮)। "মৃৎ-ভাস্কর্যের তাৎপর্যময় বিন্যাস"। প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ ""Think global; however, stay true to your roots."- Alak Roy"। শোকেস। ৫ মার্চ ২০১৯। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- 1 2 3 4 ইসলাম, সৈয়দ মনজুরুল। "In search of nature's fine balance : Alak Roy's sculptures" (ইংরেজি ভাষায়)। বেঙ্গল ফাউন্ডেশন। সংগ্রহের তারিখ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- 1 2 হক, ফায়েজা (৬ জানুয়ারি ২০০৮)। "Nature's largesse and allure"। দ্য ডেইলি স্টার (বাংলাদেশ)। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- 1 2 "প্যারিসে অলক রায়ের একক ভাস্কর্য প্রদর্শনী"। বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ মুনির, আহমেদ (২ জুন ২০২৩)। "স্থাপত্য আর ভাস্কর্য মিলেমিশে একাকার"। চট্টগ্রাম: প্রথম আলো। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ "Ecology of Mind-2"। বেঙ্গল ফাউন্ডেশন। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ "International Sculpture Symposium 2003 in Vietnam"। লরি ডিজেনগ্রেমেল। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ রিয়াসাদ, নাহিদ (৪ ডিসেম্বর ২০২১)। "5th Nat'l Sculpture Exhibition under way at Shilpakala"। নিউ এজ (বাংলাদেশ)। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪।