বিষয়বস্তুতে চলুন

অলকা লাম্বা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
অলকা লাম্বা
সর্বভারতীয় মহিলা কংগ্রেসের সভাপতি
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
৫ জানুয়ারি ২০২৪
পূর্বসূরীনেটা ডি'সুজা
দিল্লি বিধানসভার সদস্য
কাজের মেয়াদ
৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫  ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯
পূর্বসূরীপারলাদ সিং সাহনি
উত্তরসূরীপারলাদ সিং সাহনি
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম (1975-09-21) ২১ সেপ্টেম্বর ১৯৭৫ (বয়স ৫০)
নতুন দিল্লি, ভারত
রাজনৈতিক দলভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস (১৯৯৪–২০১৪ এবং ২০১৯–বর্তমান)
অন্যান্য
রাজনৈতিক দল
আম আদমি পার্টি (২০১৪–২০১৯)
পেশারাজনীতিবিদ

অলকা লাম্বা (জন্ম: ২১ সেপ্টেম্বর ১৯৭৫) একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ যিনি সর্বভারতীয় মহিলা কংগ্রেসের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।[] ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করার পর, তিনি ২০১৪ সালের ২৬শে ডিসেম্বর আম আদমি পার্টিতে (আপ) যোগদানের জন্য পদত্যাগ করেন।[] ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে, লাম্বা চাঁদনী চক থেকে দিল্লি বিধানসভার সদস্য নির্বাচিত হন। দলের মধ্যে তাঁর প্রতি অসম্মান হয়েছে এই অভিযোগ তুলে তিনি ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে আপ ত্যাগ করেন। ২০১৯ সালের ৬ই সেপ্টেম্বর তারিখে, তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে কংগ্রেস দলে ফিরে আসেন।[] তবে, দল পরিবর্তনের নিয়ম লঙ্ঘনের জন্য দিল্লি বিধানসভার স্পিকার তাঁকে বিধানসভায় অযোগ্য ঘোষণা করেন এবং দলত্যাগীদের কঠোর সতর্কবার্তা দেন।[]

লাম্বা তাঁর কর্মজীবন শুরু করেছিলেন একজন ছাত্রনেতা হিসেবে এবং তিনি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ইউনিয়নের প্রাক্তন সভাপতি, ভারতের জাতীয় ছাত্র ইউনিয়নের প্রাক্তন জাতীয় সভাপতি, দিল্লি প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক এবং সর্বভারতীয় কংগ্রেস কমিটির প্রাক্তন সচিব হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি গো ইণ্ডিয়া ফাউণ্ডেশন নামে একটি বেসরকারি সংগঠনের চেয়ারপারসন।[] ২০২৪ সালের ৫ই জানুয়ারি তিনি সর্বভারতীয় মহিলা কংগ্রেসের সভাপতি হিসেবে নিযুক্ত হন।[]

প্রাথমিক জীবন

[সম্পাদনা]

অলকা লাম্বা ভারতের নতুন দিল্লিতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর একজন বেসামরিক প্রকৌশলী অমর নাথ লাম্বা এবং রাজ কুমারী লাম্বার ঘরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছয় ভাইবোনের একজন। [ তথ্যসূত্র প্রয়োজন ]

শিক্ষা

[সম্পাদনা]

লাম্বা দিল্লির সরকারি বালিকা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় নং ১ থেকে তাঁর স্কুলজীবন শেষ করেন। পরবর্তীতে তিনি ১৯৯৬ সালে দিল্লির দয়াল সিং কলেজ (দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে বিএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন। সেখানে তিনি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। পরবর্তীকালে, তিনি উত্তর প্রদেশের বুন্দেলখণ্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়ন ও শিক্ষায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।[]

ব্যক্তিগত জীবন

[সম্পাদনা]

লাম্বা লোকেশ কাপুরকে বিয়ে করেছিলেন কিন্তু তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে গেছে। তাঁদের একটি ছেলে আছে যার নাম ঋত্বিক লাম্বা।[]

১৯৯৪ সালে বি.এসসি. দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী হিসেবে যখন লাম্বা তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন, তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ১৯ বছর। তিনি কংগ্রেস দলের ছাত্র সংগঠন ন্যাশনাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ ইণ্ডিয়াতে (এনএসইউআই) যোগ দেন এবং তাঁকে দিল্লি স্টেট গার্ল কনভেনারের দায়িত্ব দেওয়া হয়। ১৯৯৫ সালে, তিনি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ইউনিয়নের (ডিইউএসইউ) সভাপতি পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন। ১৯৯৬ সালে, তিনি এনএসইউআই-এর সর্বভারতীয় গার্ল কনভেনার হিসেবে কাজ করেন এবং ১৯৯৭ সালে তিনি এনএসইউআই-এর সভাপতি নিযুক্ত হন।[][১০]

২০০২ সালে, তিনি সর্বভারতীয় মহিলা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক নিযুক্ত হন। ২০০৩ সালে, তিনি দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে মতি নগর আসন থেকে বিজেপি নেতা মদন লাল খুরানার বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং ব্যর্থ হন। ২০০৬ সালে তিনি অল ইণ্ডিয়া কংগ্রেস কমিটির (এআইসিসি) সদস্য হন এবং দিল্লি প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির (ডিপিসিসি) সাধারণ সম্পাদক নিযুক্ত হন। একই সাথে তিনি ভারত সরকারের নারী ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রকের একটি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ পাবলিক কোঅপারেশন অ্যাণ্ড চাইল্ড ডেভেলপমেন্টের (এনআইপিসিডি) ভাইস চেয়ারপারসনও নিযুক্ত হন।[] তিনি ২০০৭ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসে অল ইণ্ডিয়া কংগ্রেস কমিটির (এআইসিসি) সচিব ছিলেন।[১১][১২][১৩] তিনি ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ত্যাগ করে আম আদমি পার্টিতে যোগ দেন।[১৪] ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে, লাম্বা আম আদমি পার্টির টিকিটে চাঁদনী চক আসন থেকে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ভারতীয় জনতা পার্টির সুমন কুমার গুপ্তকে ১৮,২৮৭ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন।[১৫][১৬]

২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে, তিনি আম আদমি পার্টি ছেড়ে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস দলে পুনরায় যোগদান করেন কারণ তিনি বেশ কিছুদিন ধরে আপ নেতৃত্বের প্রতি অসন্তুষ্ট ছিলেন। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর ভারতরত্ন প্রত্যাহারের প্রস্তাব পাসের বিষয়ে আপ নেতৃত্বের সাথে প্রকাশ্যে দ্বিমত পোষণ করেছিলেন লাম্বা।[১৭]

লাম্বা যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং ভেনেজুয়েলা সফর করেছেন তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলিতে নারীর ক্ষমতায়ন, মানবাধিকার এবং স্থিতিশীল উন্নয়ন সম্পর্কে সেমিনারে যোগদান করার এবং বক্তৃতা দেওয়ার জন্য। ২০০৫ সালে, তিনি যুব ও ছাত্রদের বিশ্ব উৎসবে যোগদানের জন্য ভেনেজুয়েলা সফর করেছিলেন। ২০০৬ সালে, তিনি আন্তর্জাতিক নারী নেতৃত্ব কর্মসূচির উপর একটি সম্মেলনে যোগদানের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফর করেছিলেন। ২০০৭ এবং ২০০৮ সালে, তিনি জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক বিধবা দিবস এবং পর্যটন ও সাংস্কৃতিক উৎসবে যোগদানের জন্য লন্ডন সফর করেছিলেন। ২০০৮ - ২০০৯ সালে, লাম্বা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মসূচির ওপর একটি সেমিনারে যোগদানের জন্য নেপাল সফর করেছিলেন। ২০১০ সালে, লাম্বা ২০১০ দিল্লি কমনওয়েলথ গেমসের কুইন'স ব্যাটন রিলেতে ব্রুনাই, সিঙ্গাপুর, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া এবং মালদ্বীপ ভ্রমণ করেছিলেন।[][১৩]

২০১৯ সালে পুরনো দিল্লিতে কংগ্রেস সদস্যদের সাথে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে লাম্বা অংশ নিয়েছিলেন। সিএএ এবং এনআরসি-র অধীনে বৈষম্যের শিকার ব্যক্তিদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে এবং আইন প্রবর্তনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি হিজাবও পরেছিলেন।[১৮][১৯]

বিতর্ক

[সম্পাদনা]

২০১৫ সালের আগস্ট মাসে, চাঁদনী চক আসনের বিধায়ক নির্বাচিত হওয়ার কয়েক মাস পর, লাম্বার বিরুদ্ধে তাঁর নিজের নির্বাচনী এলাকার মধ্যেই ঘটে যাওয়া একটি ঘটনায় ভাঙচুর এবং সম্পত্তি ধ্বংসের অভিযোগ আনা হয়। ২০১৫ সালের ১০ই আগস্ট, লাঠি, ডাণ্ডা এবং ক্রিকেট ব্যাট নিয়ে সশস্ত্র একদল জনতা পুরনো দিল্লির কাশ্মীরি গেট এলাকায় অবস্থিত একটি মদের দোকানে আক্রমণ করে এবং ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে যে লাম্বা তাঁর সমর্থকদের সাথে নিয়ে আক্রমণের নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং দোকানে ভাঙচুর করছেন।[২০] ফুটেজে দেখা যাচ্ছে যে তিনি সরাসরি দোকানের কাউন্টারে পৌঁছেছেন এবং জোরে জোরে ধাক্কা দিচ্ছেন, কাউন্টারে থাকা জিনিসপত্র ছিটিয়ে দিচ্ছেন এবং ফেলে দিচ্ছেন। এর পরে, তাঁর সমর্থকরাও দোকানে ভাঙচুর চালাচ্ছে।[২০] প্রতিবেদন অনুসারে, দোকানদার একজন বিজেপি সমর্থক ছিলেন। তাঁর দোকানের সামনে আপ দলের পক্ষ থেকে লাম্বা ও তাঁর দলের প্রশংসা করে পোস্টার লাগানোয় তিনি প্রতিবাদ করেছিলেন।

২০১২ সালের গুয়াহাটি যৌন নির্যাতন মামলার তদন্ত দলের একজন সদস্য হিসেবে, ২০১২ সালের ১৬ই জুলাই তারিখে জাতীয় মহিলা কমিশনের প্রতিনিধিত্বকারী লাম্বা গুয়াহাটি যৌন নির্যাতন মামলার নির্যাতিতার সাথে দেখা করেন, একটি সংবাদ সম্মেলন করেন এবং নির্যাতিতার পরিচয় নিয়ে ইঙ্গিত করেন। এই 'ইঙ্গিতের' কারণে স্থানীয় মিডিয়া হাউসগুলি নির্যাতিতার আসল পরিচয় খুঁজে বের করার জন্য অতিরিক্ত পরিশ্রম করে। কিছু টিভি চ্যানেল নির্যাতিতার প্রতিবেশীদের সাক্ষাৎকার নিয়ে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে, মেয়েটি উত্যক্ত এবং প্রায় ছিনতাইয়ের ঘটনা রেকর্ডকারী চ্যানেলের কাছে যে নাম বলতে বাধ্য করা হয়েছিল তা তার আসল নাম নয়। লাম্বার এই ধরনের কর্মকাণ্ডের ব্যাপক সমালোচনা করা হয়েছিল। এর পর, তাঁকে জাতীয় মহিলা কমিশনের তথ্য অনুসন্ধান কমিটি থেকে অপসারণ করা হয়।[২১]

সামাজিক কাজ

[সম্পাদনা]

২০১০ সালে অলকা লাম্বা পরিচালিত গো ইণ্ডিয়া ফাউণ্ডেশন নামে একটি বেসরকারি সংস্থা রক্তদান অভিযানের সময় মনোযোগ আকর্ষণ করে। উল্লেখযোগ্যভাবে, একদিনে ৬৫০০০ এরও বেশি মানুষ রক্তদান করেছিলেন।[২১] সালমান খান এই অভিযানের জন্য প্রচার করেন।[২২]

প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন

[সম্পাদনা]
বছর নির্বাচনী এলাকা পার্টি ফলাফল ভোটের শতাংশ বিরোধী প্রার্থী বিরোধী দল বিরোধী দলের ভোটের শতাংশ তথ্যসূত্র
২০০৩ মতি নগর আইএনসিপরাজিত ৩৬.২০% মদন লাল খুরানা বিজেপি ৬১.৩৫%
২০১৫ চাঁদনী চক এএপিবিজয়ী ৪৯.৩৫% সুমন কুমার গুপ্ত বিজেপি ২৪.৭৯% [২৩]
২০২০ চাঁদনী চক আইএনসি| পরাজিত ৫.০৩% পারলাদ সিং সাওনি এএপি ৬৫.৯২%
২০২৫ কালকাজি আইএনসি পরাজিত ৪.১১% আতিশী মার্লেনা এএপি ৪৮.৮০%

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "Chandni Chowk redevelopment plan draws conflicting views"The Pioneer
  2. "Alka Lamba, former student leader, quits Congress to join AAP"
  3. "Alka Lamba returns to Congress fold: Leaving 'Khas Aadmi Party'"। Express News Service। ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ The Indian Express এর মাধ্যমে।
  4. "Delhi Speaker disqualifies Alka Lamba from the legislative assembly"www.aninews.in (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  5. "Indian national overseas congress pays tribute to Alka Lamba senior leader, India congress committee"। triblocal.com। ৯ নভেম্বর ২০১১। ৪ অক্টোবর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৩
  6. ThePrint (৫ জানুয়ারি ২০২৪)। "Congress appoints Alka Lamba chief of its women's wing, Varun Choudhary to head NSUI"। ২২ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ জানুয়ারি ২০২৪
  7. "Know Your Delhi Leader: Alka Lamba"NDTV.com। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০২১
  8. "Lamba's spouse wants son's custody, flat | Delhi News - Times of India"The Times of India (ইংরেজি ভাষায়)। ১৮ নভেম্বর ২০০৩। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুলাই ২০২১
  9. 1 2 3 "Go India Foundation – Our Chairperson: Alka Lamba"। Go India Foundation। ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ১ অক্টোবর ২০১৫
  10. "The valuable PM : COLUMN: OFF THE RECORD, News – India Today"India Today। ৪ নভেম্বর ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ২ অক্টোবর ২০১৩
  11. "It's youth Congress: Rahul is AICC general secretary – Indian Express Mobile"The Indian Express। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০০৭। সংগ্রহের তারিখ ১ অক্টোবর ২০১৩
  12. "Moily dropped in AICC rejig – Financial Express Mobile"The Financial Express। ৫ মার্চ ২০১১। ৪ অক্টোবর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ অক্টোবর ২০১৩
  13. 1 2 "Indian Youth Congress: Alka Lamba"Indian Youth Congress। ২০১২। ১১ আগস্ট ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ অক্টোবর ২০১৩
  14. "Congress Leader Alka Lamba to join AAP on December 29. She contested from the Chandni Chowk seat and won in 2014 Delhi Legislative election."Biharprabha News। সংগ্রহের তারিখ ২৭ ডিসেম্বর ২০১৩
  15. "Arvind Kejriwal defeats BJP's Nupur Sharma by over 31,000 votes"Livemint। ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৫
  16. "Only six women make it to Delhi assembly" (ইংরেজি ভাষায়)। India Today। ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৫। ৩১ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জানুয়ারি ২০২৫
  17. "Alka Lamba Quits AAP For Congress With Parting Shot At Arvind Kejriwal"NDTV.com। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুলাই ২০২১
  18. "Delhi: Protesters just ordinary people, says congress MLA Alka Lamba at Jama Masjid"The Indian Express। ২৮ ডিসেম্বর ২০১৯।
  19. "Alka Lamba dons Hijab, dares PM to identify her"Siasat Daily। ২৮ ডিসেম্বর ২০১৯।
  20. 1 2 "New twist in Alka Lamba issue: CCTV footage shows AAP MLA vandalised shop with supporters"। ৯ আগস্ট ২০১৫।
  21. 1 2 "Alka Lamba hogs limelight from Guwahati molestation case – News Oneindia"Oneindia.in। ১৮ জুলাই ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ৩ অক্টোবর ২০১৩
  22. "Salman Khan extends support to blood donation camp – Indian Express"The Indian Express। ১৩ আগস্ট ২০১০। ৪ অক্টোবর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ অক্টোবর ২০১৩
  23. "Meet the six women MLAs of Delhi" (ইংরেজি ভাষায়)। The Indian Express। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫। ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
বিধানসভার আসন

টেমপ্লেট:IN Assembly succession box