অরুন্ধতী দেবী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
অরুন্ধতী দেবী

অরুন্ধতী দেবী (জন্ম: ১৯২৩ - মৃত্যু: ৩১ জানুয়ারি, ১৯৯০) একজন ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্রের অভিনেত্রী ও পরিচালক। [১][২]

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

তিনি ১৯২৩ সালে বাংলাদেশেবরিশালের বিখ্যাত গুহঠাকুরতা পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পারিবারিকভাবে সাংস্কৃতিক পরিবেশের মধ্যে বেড়ে উঠেছিলেন। ছোটবেলায় নৃত্য ও সংগীতের অনুশীলন করেন ও গান শেখেন। বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শৈলজারঞ্জন মজুমদার ছিলেন তার সঙ্গীত শিক্ষক। সংগীত ও নৃত্য ছাড়াও অভিনয়ের প্রতি আকর্ষণ ছিল। মাত্র ছয় বছর বয়সে অভিনয়ে হাতেখড়ি হয়। রবীন্দ্রনাথের ডাকঘর নাটকে অমলের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। এরপর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর বাড়িতে ‘মায়ার খেলা’ নাটকে অভিনয় করেন তিনি।[৩]

অভিনয় ও পরিচালনা[সম্পাদনা]

খ্যাতনামা চিত্রনির্মাতা প্রতিষ্ঠান নিউ থিয়েটার্সের ‘মহাপ্রস্থানের পথে’ (১৯৫২) ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্র জীবনে প্রবেশ করেন। চিত্রনাট্যকার বিনয় চট্টোপাধ্যায় একাজে তাকে প্রথম সহায়তা করেন। প্রথম ছবিতেই অভিনয় দক্ষতা প্রমাণ করেন এবং একের পর এক বাংলা সিনেমায় সফলভাবে অভিনয় করে গেছেন অরুন্ধতী দেবী। এর মধ্যে ‘নদ ও নদী’ (১৯৫৪), ‘বকুল’ (১৯৫৪), ‘সতী’ (১৯৫৪), ‘প্রশ্ন’ (১৯৫৪), ‘গোধূলি’ (১৯৫৫), ‘মা’ (১৯৬০), ‘পঞ্চতপা’ (১৯৬০), ক্ষুধিত পাষাণ (১৯৬০) ও ‘দুজনার’ (১৯৫৫) অন্যতম। ভগিনী নিবেদিতার জীবনাবলম্বনে তার অভিনীত ভগিনী নিবেদিতা সাড়া ফেলে। তিনি বেশ কয়েকটি ছবি পরিচালনাও করেন। চল্লিশের দশকে তার বিবাহ হয় প্রভাত কুমার মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে এবং তাদের অনুরাধা নামে একটি কন্যা হয়। বিবাহ বিচ্ছেদের পরে তিনি বিখ্যাত পরিচালক তপন সিংহের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।তাদের এক পুত্র অনিন্দ্য সিংহ পেশায় বিজ্ঞানী।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Arundhati Devi - Bengali women filmmakers who have made India proud"The Times of India। সংগ্রহের তারিখ ৯ নভেম্বর ২০১৯ 
  2. "Arundhati Devi movies, filmography, biography and songs - Cinestaan.com"Cinestaan। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৩-১০ 
  3. "স্মরণ : অরুন্ধতী দেবী"শেয়ার বিজ। ৩১ জানুয়ারি ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মার্চ ২০১৭ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]