অমরগড়ি দুর্গ
| অমরগড়ি দুর্গ | |
|---|---|
অমরগড়ি দুর্গের প্রবেশদ্বারে রাখা অমরসিংহ থাপার ভাস্কর্য | |
![]() | |
| সাধারণ তথ্যাবলী | |
| ধরন | দুর্গ |
| শহর | কিশোরগঞ্জ |
| দেশ | নেপাল |
| অন্যান্য তথ্য | |
| কক্ষসংখ্যা | ১০-১২ |
অমরগড়ি দুর্গ ডডেলধুরা জেলার একটি পুরনো এবং খুব সুন্দর জায়গা। যা ডডেলধুরা সদর দপ্তর থেকে ১ কি.মি. দূরে অবস্থিত। পুরোনো দিনে ইংরেজদের সাথে যুদ্ধ করার সময় এই দুর্গেই অবস্থান নিয়ে নেপালের বীর সেনারা বড় যুদ্ধ করেছিলেন। বর্তমানে এই দুর্গে নেপালি সেনাবাহিনী অবস্থান করছে।
ইতিহাস
[সম্পাদনা]ঐতিহাসিক অমরগড়ি দুর্গের কোলে অবস্থিত ডডেলধুরা বাজার, যা ডডেলধুরা জেলার সদর দপ্তরও বটে, তাই এই পৌরসভার নামকরণ জাতীয় বিভূতি অমরসিংহ থাপার তৈরি অমরগড়ি দুর্গের নামেই করা হয়েছে। এই দুর্গটি যেখানে অবস্থিত, সেই জায়গার উচ্চতা আনুমানিক ৬৫০০ ফুট। এর নির্মাণ শ্রী রণবাহাদুর শাহের শাসনকাল এবং রাজকুমার বাহাদুর শাহের নায়েবগিরি (প্রতিনিধিত্ব) সময়ে পরিচালিত নেপাল একত্রীকরণের সিলসিলায় হয়েছিল। বিক্রম সম্বত १८४७ সালের ৩১শে ভাদ্র, রবিবার সেতি নদীর নারীদাঙে অধিনায়ক রণবীর খত্রীর নেতৃত্বে আসা দশ কোম্পানির গোর্খালি সেনা জওয়ান এবং ডোটেলি সেনাবাহিনীর মধ্যে এক ঘমঘোর (ভয়াবহ) যুদ্ধ হয়। সেই যুদ্ধে গোর্খালি বাহিনীর সামনে ডোটেলি বাহিনী পরাজিত হওয়ার পর ডোটি রাজ্যও বিশাল নেপাল সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয় এবং এই ভূখণ্ডের সুশাসন সুদৃঢ় ও বিস্তার করার জন্য শ্রী অমরসিংহ থাপা এই অঞ্চলের প্রথম প্রশাসক হিসেবে নিযুক্ত হয়ে আসেন।
চিত্রশালা
[সম্পাদনা]- অমরগড়ি বাজার, খলঙ্গা থেকে তোলা ছবি
- অমরগড়ি দুর্গ
- অমরগড়ি মন্দির
- দুর্গের একটি অংশ
- ডডেলধুরা বাজার
