অভিধম্মপিটক

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

অভিধর্ম পিটক, বৌদ্ধ মতানুযায়ী ধর্মাতিরিক্ত ব্যাখা, বিশ্লেষণ; অন্যভাবে বলা যায় ধর্মের বিশেষত্ব, ধর্মের বিশ্লেষিত অর্থ বা ধর্মের গূঢ়তত্ব; সামগ্রিকভাবে ধর্মের সর্বোত্তম বিকাশই অভিধর্ম। 'ধর্ম' (সুত্তসমুহ) শব্দের সাথে 'অভি-' উপসর্গ যোগে 'অভিধর্ম' পদ গঠিত হয়েছে।

উৎস[সম্পাদনা]

ত্রিপিটকের তিন মূল ধারার অন্যতম একটি হলো অভিধর্ম পিটক। এটিকে বৌদ্ধ দর্শনের সংহত সংস্করণ বলা হয়। এখানে বৌদ্ধ দর্শনের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ রয়েছে। তথাগত বুদ্ধ নানা উপদেশের মাধ্যমে যে তত্ত্বসমূহ উপস্থাপন করেছেন, যে নৈতিক আদর্শিক বিষয়সমুহ তিনি অনুসরণ, অণুকরণ ও অণুধাবন করতে উপদেশ দিয়েছেন সে তত্ত্বসমুহের বিন্যস্ত বিশ্লেষণ করা হয়েছে বিনয় পিটকে।[১]

বিশ্লেষণ[সম্পাদনা]

বাঙ্গালী অভিধর্ম গবেষকদের মধ্যে অন্যতম বিরেন্দ্র লাল মুৎসদ্দি অভিধর্ম পিটক সম্বন্ধে বলেছেন:

== বৈশিষ্ট্য = চিত্ত, চৈতসিক, রূপ ও নির্বান। এই চারি বিষয় নিয়ে সবিস্তার বিশ্লেষণ দেখা যায় এই পিটকে। ১২১;প্রকার চিত্ত, ৫২ প্রকার চৈতসিক, ১৮ প্রকার রূপ এবং নির্বান সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা এই অভিধর্ম পিটকে পাওয়া যায়। তাই অনেকে এই পিটককে বৌদ্ধ মনোবিজ্ঞান ও বলে।

গ্রন্থসমূহ[সম্পাদনা]

১) ধর্মসঙ্গনী ২) ধাতুকথা ৩) যমক ৪) পুদগল প্রজ্ঞপ্তি ৫) পট্ঠান ৬)কথাবত্থু ৭) বিভঙ্গ

অভিধর্মের গ্রন্থগুলো[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ত্রিপিটক পরিচিতি, DR. Shukomal Barua and Suman Kanti Barua, Pg. 81, Ch. Ovidhormo Pitok; বাংলা একাডেমী, ডিসেম্বর ২০০০।
  2. অভিধর্মার্থ সংগ্রহ, বিরেন্দ্র লাল মুৎসদ্দি, পাতা- ২৩।

টেমপ্লেট:অভিধম্মপিটক