বিষয়বস্তুতে চলুন

অবৈধ মাদক ব্যবসা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
কোকেন নামক মাদকদ্রব্যটিকে সাধারণত ইটের আকার দিয়ে পরিবহন করা হয়।

অবৈধ মাদক ব্যবসা, মাদক পাচার বা মাদক চোরাচালান বলতে নিষিদ্ধ মাদকের চাষ, উৎপাদন, বিতরণ এবং বিক্রয়ের সাথে জড়িত বৈশ্বিক কালোবাজারকে বোঝায়। বেশিরভাগ বিচারিক এখতিয়ারে মাদক প্রতিরোধ আইনের মাধ্যমে অনুমতিপত্র ব্যতীত বহু ধরনের মাদকের ব্যবসা নিষিদ্ধ করা হয়েছেগ্লোবাল ফিনান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি চিন্তাকেন্দ্রটির প্রকাশিত ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম অ্যান্ড দ্য ডেভেলপিং ওয়ার্ল্ড শীর্ষক প্রতিবেদনে অনুমান করা হয় ২০১৪ সালে বৈশ্বিক অবৈধ মাদক বাজারের আকার ৪২ হাজার ৬ শত কোটি থেকে ৬৫ হাজার ২০০ কোটি মার্কিন ডলারের মধ্যে বলে অনুমান করা হয়েছে।[] ঐ একই বছরে বিশ্বের মোট (স্থূল) উৎপাদন ছিল ৭৮ লক্ষ কোটি মার্কিন ডলার। সেই হিসাবে অবৈধ মাদক ব্যবসাকে মোট বৈশ্বিক বাণিজ্যের প্রায় ১% হিসাবে অনুমান করা যেতে পারে। বিশ্বব্যাপী অবৈধ মাদকের ব্যবহার সারা বিশ্ব জুড়ে ব্যাপ্ত এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষগুলির পক্ষে মাদক সেবনের হার হ্রাস এখন পর্যন্ত অত্যন্ত দুরূহ প্রতিভাত হয়েছে।

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

বিংশ শতাব্দীর আগে সরকারগুলি বিনোদনমূলক মাদক (বৃহত্তর অর্থে ড্রাগ) ব্যবহার নিষিদ্ধ করার জন্য খুব কমই বড় ধরনের প্রচেষ্টা চালাত, যদিও প্রারম্ভিক আধুনিক যুগে ইউরোপ ও এশিয়ার কর্তৃপক্ষগুলি বেশ কয়েকটি ধূমপানের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল।[] তামাকআফিম ছিল প্রথম দুইটি মাদক, যেগুলি সরকারি নিষেধাজ্ঞামূলক আইনের আওতায় আসে। নতুন স্পেন, উসমানীয় সাম্রাজ্য, জার্মানি, অস্ট্রিয়া এবং রুশ সাম্রাজ্যের কর্মকর্তারা তামাকের ধূমপানের বিরুদ্ধে আইন প্রণয়ন করেন; চীনের ছিং রাজবংশের সরকার ১৭৩০, ১৭৯৬ এবং ১৮০০ সালে আফিমের ধূমপান নিষিদ্ধ করে আদেশ জারি করে।[] অষ্টাদশ শতাব্দী থেকে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি (EIC) ভারতীয় আফিম চীনা বণিকদের কাছে পাচার করতে শুরু করে, যার ফলে চীনে একটি অবৈধ মাদক ব্যবসার সৃষ্টি হয়। ১৮৩৮ সাল নাগাদ চীনে ৪০ লক্ষ থেকে ১ কোটি ২০ লক্ষ আফিমাসক্ত ব্যক্তি ছিল। ছিং সরকারের কর্মকর্তারা এর প্রতিক্রিয়ায় অবৈধ আফিম ব্যবসার উপর তাদের দমন-পীড়ন জোরদার করে। হুমেনে আফিম ধ্বংসের মতো ঘটনাগুলির ফলে ১৮৩৯ সালে চীন ও ব্রিটেনের মধ্যে প্রথম আফিম যুদ্ধ শুরু হয়; ১৮৪২ সালে স্বাক্ষরকৃত নানচিংয়ের সন্ধিচুক্তি যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটায়, তবে এতে চীন আফিম আমদানিকে বৈধতা দেয়নি। কিন্তু তা সত্ত্বেও পশ্চিমা বণিকরা ক্রমবর্ধমান পরিমাণে চীনা বণিকদের কাছে এই মাদক পাচার অব্যাহত রাখে।[] ১৮৫৮ সালের থিয়েনচিন সন্ধিচুক্তিটি দ্বিতীয় আফিম যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটায়; এতে বলা হয়েছিল যে ছিং সরকার আফিমসহ বিদেশী বাণিজ্যের জন্য বেশ কয়েকটি বন্দর খুলে দেবে।[]

ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে ও বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে পশ্চিমা সরকারগুলি আসক্তি সৃষ্টিকারী মাদকদ্রব্যগুলি নিষিদ্ধ করতে শুরু করে।[][][] ১৮৬৮ সালে, ব্রিটেনে আফিমের ব্যবহার বৃদ্ধির ফলে, ব্রিটিশ সরকার ১৮৬৮ সালের ফার্মেসি আইন বাস্তবায়নের মাধ্যমে আফিমের বিক্রয় সীমিত করে।[] মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, ১৯১২ সালে ১২টি আন্তর্জাতিক শক্তি প্রথম আন্তর্জাতিক আফিম বিষয়ক সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করার পর, ১৯১৪ সালে হ্যারিসন আইন প্রবর্তনের আগ পর্যন্ত আফিমের নিয়ন্ত্রণ স্বতন্ত্র মার্কিন অঙ্গরাজ্যগুলির হাতেই ন্যস্ত ছিল। ১৯২০ থেকে আনু.১৯৩৩ সাল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের অষ্টাদশ সংশোধনী দ্বারা যুক্তরাষ্ট্রে অ্যালকোহল নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। কিন্তু এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা প্রায় অসম্ভব প্রমাণিত হয়েছিল এবং এর ফলে আধুনিক মার্কিন মাফিয়াসহ সংঘবদ্ধ অপরাধের উত্থান ঘটে, যারা অবৈধ মদের উৎপাদন, চোরাচালান এবং বিক্রয়ে বিশাল ব্যবসায়িক সুযোগ খুঁজে পায়।

একবিংশ শতাব্দীর শুরুতে উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপে মাদকের ব্যবহার বৃদ্ধি পায়, বিশেষ করে গাঁজা এবং কোকেনের চাহিদা বৃদ্ধি পায়।[১০][১১] এর ফলস্বরূপ সিনালোয়া মাদক ব্যবসায়ী চক্র এবং এনড্রাঙ্গেটা-র মতো আন্তর্জাতিক সংগঠিত অপরাধ চক্রগুলি আন্তঃআটলান্টিক মাদক পাচার সহজ করার জন্য একে অপরের সাথে সহযোগিতা বাড়িয়েছে।[১২] ইউরোপে আরেকটি অবৈধ মাদক হাশিশের ব্যবহারও বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্বজুড়ে আইন প্রণেতাদের দ্বারা মাদক পাচারকে ব্যাপকভাবে একটি গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। শাস্তি প্রায়শই মাদকের ধরন (এবং যে দেশে এটি পাচার করা হচ্ছে, সেখানে সেটির শ্রেণীবিভাগ), পাচারকৃত মাদকের পরিমাণ, মাদক কোথায় বিক্রি করা হয় এবং কীভাবে বিতরণ করা হয় তার উপর নির্ভর করে। যদি মাদক অপ্রাপ্তবয়স্কদের কাছে বিক্রি করা হয়, তাহলে পাচারের শাস্তি অন্যান্য পরিস্থিতির চেয়ে কঠোর হতে পারে।

অনেক দেশে মাদক পাচারের কঠোর শাস্তি রয়েছে। শাস্তির মধ্যে দীর্ঘ কারাদণ্ড, বেত্রাঘাত এবং এমনকি মৃত্যুদণ্ডও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে (সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং অন্যান্য দেশে)। সিঙ্গাপুরে ২৫ বছর বয়সী অস্ট্রেলীয় মাদক পাচারকারী ভ্যান টুয়ং এনগুয়েনকে ২০০৪ সালের মার্চে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর ২০০৫ সালের ডিসেম্বরে ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল।[১৩] ২০১০ সালে মালয়েশিয়ায় ১ কিলোগ্রাম (২.২ পাউন্ড) গাঁজা পাচারের জন্য দুইজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।[১৪] মৃত্যুদণ্ড বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ অপরাধ নিবৃত্তকারক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। অনেকেই মাদক পাচার মোকাবেলায় দেশগুলিকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।[১৫] একটি পদক্ষেপের উদাহরণ হল নির্দিষ্ট অপরাধী সংগঠনগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা, যারা প্রায়শই অন্যান্য পণ্য (যেমন বন্যপ্রাণী) এবং এমনকি মানুষ পাচারেও সক্রিয়।[১৬][১৭] অনেক ক্ষেত্রে রাজনীতিবিদ ও অপরাধী সংগঠনগুলোর মধ্যে যোগসূত্র থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে।[১৮] ২০২১ সালের জুন মাসে, ইন্টারপোল ৯২টি দেশে একটি অভিযানের কথা প্রকাশ করে, যা এক মাস আগে নকল বা অবৈধ ঔষধ এবং চিকিৎসা সামগ্রী বিক্রি করা ১,১৩,০০০ টি ওয়েবসাইট এবং অনলাইন বাজার বন্ধ করে দেয়, বিশ্বব্যাপী ২২৭ জনকে গ্রেপ্তার করে, ২ কোটি ৩০ লক্ষ ডলার মূল্যের ঔষধ ও ঔষধীয় দ্রব্য উদ্ধার করে এবং বিপুল পরিমাণে নকল কোভিড-১৯ পরীক্ষা ও স্বাস্থ্য মুখোশসহ প্রায় ৯০ লক্ষ যন্ত্র ও ঔষধ জব্দ করে। [১৯]

২০২৫ সালে একটি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিদেশী অবৈধ মাদক ব্যবসায়ী চক্রগুলিকে বিদেশী সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করে তার মাদকবিরোধী অভিযানের পরিধি প্রসারিত করে। এর ফলে মার্কিন সামরিক বাহিনী মাদক ব্যবসায়ী চক্রগুলির বিরুদ্ধে সামরিক শক্তি প্রয়োগ করা ও সরাসরি সামরিক পদক্ষেপের মাধ্যমে সেগুলির নেতাদের লক্ষ্যবস্তু হিসেবে হামলা করার ব্যাপক ক্ষমতা লাভ করে।[২০][২১][২২]

সামাজিক প্রভাব

[সম্পাদনা]

মাদক উৎপাদন ও পাচারকারী দেশগুলি এই বাণিজ্যের দ্বারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একই সাথে অবৈধভাবে আমদানিকৃত মাদক গ্রহণকারী দেশগুলোও এর দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। উদাহরণস্বরূপ ইকুয়েডর কলম্বিয়া থেকে গেরিলাযোদ্ধা, আধাসামরিক বাহিনী ও মাদক সম্রাটদের হাত থেকে পালিয়ে আসা প্রায় ৩ লক্ষ শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে। এদের মধ্যে যদিও কেউ কেউ রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য আবেদন করেছে, কিন্তু বাকিদেরকে এখনও অবৈধ অভিবাসী হিসেবে গণ্য করা হয়। কলম্বিয়া থেকে ইকুয়েডরের মধ্য দিয়ে দক্ষিণ আমেরিকার অন্যান্য অংশে পাচার হওয়া মাদক অর্থনৈতিক ও সামাজিক সমস্যা তৈরি করছে।[২৩]

মধ্য আমেরিকার দেশ হন্ডুরাসের মধ্য দিয়ে আনুমানিক ৭৯% কোকেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গমন করে।[২৪] ২০১১ সাল পর্যন্ত দেশটিতে ইচ্ছাকৃত মানবহত্যার হার ছিল বিশ্বের সর্বোচ্চ।[২৫] ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের মতে মধ্য আমেরিকার সবচেয়ে সহিংস অঞ্চলগুলি (বিশেষ করে গুয়াতেমালা-হন্ডুরাস সীমান্ত বরাবর) প্রচুর পরিমাণে মাদক পাচার কার্যকলাপের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।[২৬]

সহিংস অপরাধ

[সম্পাদনা]
মেক্সিকোতে মোট হত্যাকাণ্ড (১৯৯০-২০২৩)

বেশ কয়েকটি দেশে অবৈধ মাদক ব্যবসাকে খুন এবং বন্দুক সহিংসতার মতো সহিংস অপরাধের সাথে সরাসরি যুক্ত বলে মনে করা হয়। এটি বিশেষ করে হন্ডুরাসের মতো সমস্ত উন্নয়নশীল দেশগুলিতে সত্য হলেও বিশ্বব্যাপী অনেক উন্নত দেশের জন্যও এটি একটি সমস্যা।[২৭][২৮] ১৯৯০-এর দশকের শেষের দিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন অনুমান করেছিল যে ৫% খুন মাদক-সম্পর্কিত ছিল।[২৭] কলম্বিয়াতে অর্থনীতি, দুর্বল সরকার ও আইন প্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অভাবের মতো কারণে দ্বারা অবৈধ মাদক ব্যবসাজনিত সহিংসতা ঘটতে পারে।[২৯]

একবিংশ শতাব্দীর প্রথম দশকে ১১ই সেপ্টেম্বরের আক্রমণের পরিপ্রেক্ষিতে সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করার অংশ হিসেবে মার্কিন ও মেক্সিকান কর্তৃপক্ষের কঠোর অভিযানের পর মেক্সিকোর অভ্যন্তরে সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলিতে সহিংসতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। মেক্সিকান সরকারের অনুমান অনুযায়ী ৯০% হত্যাকাণ্ডই মাদক-সম্পর্কিত ছিল।[৩০]

যুক্তরাজ্য সরকারের মাদক কৌশল বিভাগের (ড্রাগ স্ট্র্যাটেজি ইউনিট) একটি প্রতিবেদন সংবাদমাধ্যমে ফাঁস হয়ে যায়। এতে বলা হয় যে হেরোইন ও কোকেনের মতো অত্যন্ত আসক্তিকর মাদকের চড়া দামের কারণে অধিকাংশ অপরাধের জন্য মাদক ব্যবহারই দায়ী, যার মধ্যে রয়েছে ৮৫% দোকান চুরি, ৭০-৮০% সিঁধেল চুরি এবং ৫৪% ডাকাতি। প্রতিবেদনে উপসংহারে বলা হয়, "[অবৈধ কোকেন ও হেরোইনের অভ্যাস মেটাতে সংঘটিত অপরাধের খরচ যুক্তরাজ্যে বছরে ১৬ বিলিয়ন পাউন্ডে পৌঁছায়]"।[৩১]

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

আন্তর্জাতিক সমন্বয়

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. May, Channing (মার্চ ২০১৭)। "Transnational Crime and the Developing World" (পিডিএফ)Global Financial Integrity: ৩। ১৭ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত (পিডিএফ)। সংগ্রহের তারিখ ২৩ আগস্ট ২০২১
  2. "A century of international drug control" (পিডিএফ)। ২০ মার্চ ২০০৯ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত।
  3. "History of the Opium Trade in China"Druglibrary.org। ১৫ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১৮
  4. Hanes, William Travis; Sanello, Frank (২০০৪)। The Opium Wars: The Addiction of One Empire and the Corruption of AnotherSourcebooks, Inc.। পৃ. ৩৪আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪০২২-০১৪৯-৩
  5. Chen, Song-Chuan (১ জানুয়ারি ২০১৭)। Merchants of War and Peace: British Knowledge of China in the Making of the Opium War (ইংরেজি ভাষায়)। Hong Kong University Press। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৮-৮৩৯০-৫৬-৪। ৬ জুলাই ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ মার্চ ২০২২
  6. "Illegal Drugs in America: A Modern History"। Deamuseum.org। ৪ ডিসেম্বর ২০০৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ নভেম্বর ২০১১
  7. "The 1912 Hague International Opium Convention"। Druglibrary.org। ২৮ মে ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ নভেম্বর ২০১১
  8. "History of Legislative Control Over Opium, Cocaine, and Their Derivatives"। Druglibrary.org। ২১ এপ্রিল ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ নভেম্বর ২০১১
  9. Berridge, Virginia; Edwards, Griffith (১৯৮১)। Opium and the People, Opiate Use in Nineteenth-Century England। ২৫ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
  10. "Narconomics"The Economist। ২৫ জুন ২০১৪। ১৭ নভেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মে ২০১৬
  11. "Of bongs and bureaucrats"The Economist। ১৭ জানুয়ারি ২০১৪। ১৭ নভেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মে ২০১৬
  12. Laura Smith-Spark and Hada Messia (১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪)। "Gambino, Bonanno family members held in joint US-Italy anti-mafia raid"CNN। ১৭ নভেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মে ২০১৬
  13. "Australian executed in Singapore"BBC News। ২ ডিসেম্বর ২০০৫। ২ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুন ২০১৩
  14. "Two Friends Sent To The Gallows For Drug Trafficking"। Bernama.com। ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ নভেম্বর ২০১১
  15. Los Angeles Times (১৮ জানুয়ারি ২০১৫)। "Outcry after Indonesia executes 6 for drug trafficking"Los Angeles Times। ১৭ নভেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মে ২০১৬
  16. WIRED। ৩১ জানুয়ারি ২০১১ https://www.wired.com/2011/01/ff_orgchart_crime/। ১৭ নভেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মে ২০১৬ {{ম্যাগাজিন উদ্ধৃতি}}: |title= অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য)
  17. "How the Wildlife Trade Relates to Other Illicit Trades"One Green Planet। ২০ আগস্ট ২০১৪। ৩০ জুলাই ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মে ২০১৬
  18. Bill McCollum (২০০২)। Threat Posed by the Convergence of Organized Crime, Drug Trafficking, and Terrorism: Congressional Hearing। Diane। পৃ. ৩৯। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৭৫৬৭-২০৮২-৭
  19. "Thousands of fake online pharmacies shut in global sting: Interpol"New Indian Express। ৮ জুন ২০২১। ১৯ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুন ২০২১
  20. "Designating Cartels And Other Organizations As Foreign Terrorist Organizations And Specially Designated Global Terrorists"White House। ২০ জানুয়ারি ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  21. Breen, Kerry (৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫)। "U.S.Hegseth warns "narco-terrorists will face the same fate" after U.S. military strikes boat off Venezuela"CBS News। সংগ্রহের তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  22. Brooks, Rosa (২০১৩)। "Drones and the International Rule of Law" (পিডিএফ)Georgetown University Law Center। সংগ্রহের তারিখ ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  23. Linda Helfrich। "Refugees in Ecuador"। ৪ জুন ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মে ২০১০
  24. "Estados Unidos denuncia que el 79 porciento de cocaína pasa por Honduras"Radio HRN। ১১ জুন ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মে ২০১৬
  25. "Honduras Has World's Highest Murder Rate: UN"International Business Times। ২৩ নভেম্বর ২০১১। ১৭ নভেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মে ২০১৬
  26. "The Tunisian Exception: Success and Limits of Consensus"CrisisGroup.org। International Crisis Group। ৫ জুন ২০১৪। ৮ আগস্ট ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০১৪
  27. 1 2 "Drug-Related Crime – Fact sheet – Drug Facts"। Whitehousedrugpolicy.gov। ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ অক্টোবর ২০০৮
  28. "Out of control"The Economist। ৯ মার্চ ২০১৩। ২৫ আগস্ট ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মে ২০১৬
  29. Holmes, Jennifer S.; Piñeres, Sheila Amin Gutiérrez De (১ এপ্রিল ২০০৭)। "A Subnational Study of Insurgency: FARC Violence in the 1990s"। Studies in Conflict & Terrorism৩০ (3): ২৪৯–২৬৫। সাইটসিয়ারএক্স 10.1.1.553.6185ডিওআই:10.1080/10576100601148456আইএসএসএন 1057-610Xএস২সিআইডি 108709139
  30. Traci Carl (৩ নভেম্বর ২০০৯)। "Progress in Mexico drug war is drenched in blood"। Associated Press। ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ মে ২০১০
  31. "Transform"। TDPF। ৭ নভেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ নভেম্বর ২০১১

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]