অবিরত ও বোধগম্য মূল্যায়ন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
অবিরত এবং বোধগম্য মূল্যায়ন
অবিরত ও বোধগম্য মূল্যায়ন লোগো.png
CCE's official logo
শিক্ষা পরিষদ
CBSE
পরীক্ষা
গঠনীয়
সংখ্যাত্মক
মান৯ পয়েণ্ট
গ্রেড৬ষ্ঠ থেকে ১০ম এবং ১২শ
পাঠ্যক্রম
প্রধান বিষয়ইংরাজী, গণিত, পদার্থ বিদ্যা, রসায়ন বিজ্ঞান, জীব বিদ্যা, ইতিহাস, রাজনীতি, ভূতত্ এবং অর্থনীতি
অতিরিক্ত বিষয় (বিকল্প)জাপানী ভাষা, হিন্দী ভাষা, অসমীয়া ভাষা, বাংলা ভাষা, গুজরাটি ভাষা, কাশ্মিরী ভাষা, কানাড়া ভাষা, মারাঠি ভাষা, মালায়ালাম ভাষা, মণিপুরী ভাষা, উড়িয়া ভাষা, পাঞ্জাবী ভাষা, সিন্ধী ভাষা, তামিল ভাষা, তেলেগু ভাষা, উর্দু ভাষা, সংস্কৃত ভাষা, আরবী ভাষা, ফার্সি ভাষা, ফরাসি ভাষা, তিব্বতী ভাষা, জার্মান ভাষা, পতুর্গীজ ভাষা, রুশ ভাষা, স্প্যানিশ ভাষা, নেপালী ভাষা, লিম্বু ভাষা, লেপ্কা ভাষা, ভূটীয়া ভাষা, এবং মিজো ভাষা

অবিরত এবং বোধগম্য মূল্যায়ন (ইংরেজি: Continuous and Comprehensive Evaluation CCE) হলো কেন্দ্রীয় মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদ এর দ্বারা ভারতের ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রবর্তন করা একটি নতুন শিক্ষা পদ্ধতি।

মূল্যায়নের নতুন পদ্ধতি[সম্পাদনা]

এই নতুন পদ্ধতিতে, শিক্ষার্থীদের বিদ্যায়তনের সাথে পাঠ্যক্রমিক ও সহ-পাঠ্যক্রমিক বিষয়ে মূল্যায়নের সঙ্গে তাদের কৃতিত্ব এবং অর্হতাসমূহ নির্ণয় করা হয়। শিক্ষার্থীদের নম্বরের পরিবর্তে গ্রেড প্রদান করা হয়। এর উদ্দেশ্য বিভিন্ন ক্রিয়াকলাপের মূল্যায়নের দ্বারা শিক্ষার্থীদের কাজের বোঝা হ্রাস করা এবং সামগ্রিক কৃতিত্ব এবং অর্হতাসমূহের বিকাশ সাধন করা। মূল্যায়নের জন্য শিক্ষার্থীর কর্ম অভিজ্ঞতা, দক্ষতা, সৃষ্টিশীলতা, দৃঢ়তা, সহযোগিতা, কথা-বার্তা, আচরণ ইত্যাদির ভিত্তিতে গ্রেড প্রদান করা হয় এবং শিক্ষার্থীর যোগ্যতার সামগ্রিক মান নিরুপণ করা হয়। এর ফলে বিদ্যায়তনিক দিকে দুর্বল কিন্তু অন্যদিকে যেমন কলা, মানবতা, খেলা, সংগীত ইত্যাদি দিকে এগোনো শিক্ষার্থীরাও তাদের যোগ্যতা প্রদর্শন করার সুবিধা পায়।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

রূপরেখা[সম্পাদনা]

এই পদ্ধতিতে দুটো ভিন্ন প্রকারের অভীক্ষা নেওয়া হয়। সেই দুটি হল, গঠনীয় অভীক্ষা এবং সংখ্যাত্মক অভীক্ষা বা যোগাত্মক অভীক্ষা

  • গঠনীয় অভীক্ষা: শিক্ষার্থীর বিষয়শ্রেণী কার্য এবং গৃহ কার্য, মৌখিক পরীক্ষা, কুইজ, প্রকল্প ইত্যাদি হল গঠনীয় অভীক্ষা। প্রতি শিক্ষা বর্ষে চারটি করে গঠনীয় অভীক্ষা থাকতে পারে, এবং শতকরা ৪০% গভীরতা থাকে। কিছু বিদ্যালয়ে বহুবিধ মৌখিক পরীক্ষার পরিবর্তে একটি অতিরিক্ত লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয় যদিও নূন্যতম একটি হলেও মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়।
  • সংখ্যাত্মক অভীক্ষা: সংখ্যাত্মক অভীক্ষা হল তিন ঘণ্টা ধরে চলা দীর্ঘ লিখিত পরীক্ষা, একটি শিক্ষা বর্ষে দুবার করে নেওয়া হয়। প্রথম দুটি গঠনীয় অভীক্ষা সম্পূর্ণ হওয়ার পরে প্রথম সংখ্যাত্মক অভীক্ষা বা Summative Assessment 1 (SA-1) নেওয়া হয়। পরের দুটি গঠনীয় অভীক্ষা সম্পূর্ণ হওয়ার পরে দ্বিতীয় সংখ্যাত্মক অভীক্ষা বা (SA-2) নেওয়া হয়। প্রতিটি সংখ্যাত্মক অভীক্ষার শতকরা ৩০% করে মোট ৬০% গভীরতা থাকে। প্রতিটি সংখ্যাত্মক অভীক্ষা বিদ্যালয়ে নিজে সম্পাদন করে যদিও প্রশ্নপত্র আংশিকভাবে CBSE প্রস্তুত করে সাথে উত্তরপত্রও CBSE কঠোরভাবে নিরীক্ষণ করে। একটি সংখ্যাত্মক অভীক্ষা একবার সম্পাদিত হওয়ার পরে সেই পাঠ্যক্রম দ্বিতীয় সংখ্যাত্মক অভীক্ষাতে পুনরাবৃত্তি করা হয় না, ফলত শিক্ষার্থীরা পরবর্তী সংখ্যাত্মক অভীক্ষার নতুন বিষয়ে সম্পুর্ণভাবে মনোনিবেশ করতে পারে।

শিক্ষাবর্ষে অন্তত, পরিষদ গঠনীয় এবং সংখ্যাত্মক অভীক্ষা প্রাপ্তাংকর ভিত্তিতে ফলাফল প্রকাশ করে, i.e. ৪০% + ৬০% = ১০০%।

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:ভারতের বিদ্যালয় শিক্ষা