অপূর্ব সেনগুপ্ত

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এ.কে. সেনগুপ্ত
এ.কে. সেনগুপ্ত.jpg
ক্রিকেট তথ্য
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনলেগব্রেক গুগলি
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ৪৫
রানের সংখ্যা ১৬৯৫
ব্যাটিং গড় ৪.৫০ ২৬.৪৮
১০০/৫০ -/- ২/৮
সর্বোচ্চ রান ১৪৬*
বল করেছে - ১২৩১
উইকেট - ২১
বোলিং গড় - ৩১.১৪
ইনিংসে ৫ উইকেট -
ম্যাচে ১০ উইকেট - -
সেরা বোলিং - ৬/৩২
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং -/- ২৪/-
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ১৭ নভেম্বর ২০১৭

লেফটেন্যান্ট জেনারেল অপূর্ব কুমার সেনগুপ্ত (এই শব্দ সম্পর্কেউচ্চারণ ; জন্ম: ৩ আগস্ট, ১৯৩৮ - মৃত্যু: ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৩) উত্তরপ্রদেশের লক্ষ্ণৌ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিশিষ্ট ভারতীয় সেনা কর্মকর্তা ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা ছিলেন। ভারত ক্রিকেট দলের পক্ষে ১৯৫৯ সালে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ লাভ করেন অপূর্ব সেনগুপ্ত। দলে তিনি মূলতঃ অল-রাউন্ডারের দায়িত্ব পালন করতেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি লেগ ব্রেক গুগলি বোলিংয়ে পারদর্শীতা দেখিয়েছেন তিনি।

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

সেনগুপ্ত বেশ ভালোমানের অল-রাউন্ডার, ডানহাতি উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান, লেগ ব্রেক ও গুগলি বোলার এবং স্লিপ ফিল্ডার হিসেবে সুনাম কুড়িয়েছেন।[১] ঐ মৌসুমের শুরুতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। সার্ভিসেস দলের সদস্যরূপে তিনি ৩২ ও অপরাজিত ১০০ রান তুলেছিলেন। দুই মাস পর রঞ্জি ট্রফিতে প্রথমবারের মতো খেলে দিল্লির বিপক্ষে ৬/৩২ লাভ করেন। এ দুটি ফলাফলই টেস্ট খেলায় অংশগ্রহণের জন্য দল নির্বাচকমণ্ডলী কর্তৃক আহুত হন তিনি। এরপর তিনি পরবর্তী দশ বছর প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশগ্রহণ অব্যাহত রাখেন।

১৯৫৯-৬০ মৌসুমের রঞ্জি ট্রফি প্রতিযোগিতার সেমি-ফাইনালে বোম্বের বিপক্ষে আরেকটি শতক হাঁকিয়েছিলেন। অপরাজিত ১৪৬ রানের মনোজ্ঞ শতরান করেন অপূর্ব সেনগুপ্ত।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

এ. কে. সেনগুপ্তের টেস্ট ক্রিকেটে অংশগ্রহণ ভারতীয় ক্রিকেটের মাঝামাঝি সময়ে বড় ধরনের বিতর্কের সৃষ্টি করে। ১৯৫৮-৫৯ মৌসুমে সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাদ্রাজ টেস্ট শুরুর কয়েকদিন পূর্বে গুলাম আহমেদ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে তার অবসরের কথা ঘোষণা করেন। আঘাতের কারণে বিজয় মাঞ্জরেকার ঐ টেস্ট থেকে বাদ পড়েন। এ পরিস্থিতিতে জসু প্যাটেল, এ. জি. কৃপাল সিং, মনোহর হারিদকর ও সেনগুপ্ত - প্রত্যেকেই খেলার দাবীদার হন। অধিনায়ক পলি উমরিগড় হারিদকরকে পেতে চাইলেন। তবে, বিসিসিআই সভাপতি প্যাটেলকে অন্তর্ভূক্ত করলে খেলা শুরুর পূর্ব-রাত্রে উমরিগড় পদত্যাগ করেন। শেষ পর্যন্ত সেনগুপ্ত ও কৃপাল সিং খেলার জন্য বিবেচিত হন। সেনগুপ্ত ১ ও ৮ রান তুলে যথাক্রমে ওয়েস হলরয় গিলক্রিস্টের বলে আউট হন।[২]

সামরিক জীবন[সম্পাদনা]

ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কর্মকর্তা হিসেবে চাকুরী করেন। এ সময় তিনি পিভিএসএম ও এভিএসএম পদবীতে ভূষিত হন। তিন তারকা বিশিষ্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল স্তরে উপনীত হন তিনি। ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থান করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় প্রতিরক্ষাবিষয়ক সহ-দূতরূপে কাজ করেন।

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

ভারতীয় সেনাবাহিনী থেকে অবসর নেয়ার পর স্বীয় স্ত্রী মীনা সেনগুপ্তাকে নিয়ে নতুন দিল্লিতে অবস্থান করেন। অমিতাভ ও সুরজিৎ সেনগুপ্ত নামীয় দুই সন্তান রয়েছে তাদের। ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৩ তারিখে নতুন দিল্লিতে তার দেহাবসান ঘটে।[৩]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Christopher Martin-Jenkins, Who's who of Test cricketers
  2. Mihir Bose, A History of Indian Cricket, Andre-Deutsch (1990), pp. 213-214
  3. Obituary in the Times of India (accessed 3 August 2014)

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]