অপারেশন ক্লিন হার্ট
| অপারেশন ক্লিন হার্ট | |||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|
| বাংলাদেশে অপরাধ এবং বাংলাদেশে মাওবাদী বিদ্রোহের অংশ | |||||||
| |||||||
| বিবাদমান পক্ষ | |||||||
|
অপরাধী চক্র মাওবাদী বিদ্রোহী | |||||||
| সেনাধিপতি ও নেতৃত্ব প্রদানকারী | |||||||
| কোনও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ছিল না | |||||||
| শক্তি | |||||||
| ৪০,০০০ | অজানা | ||||||
| হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতি | |||||||
| নগণ্য |
শতাধিক আহত[quantify] ১১,২৪৫ জন গ্রেপ্তার ৪০ জন হেফাজতে মৃত্যু | ||||||
| অজানা বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] | |||||||
অপারেশন ক্লিন হার্ট অপরাধ বিরোধী একটি যৌথ অপারেশনের নাম। এটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বাংলাদেশ রাইফেলস, বাংলাদেশ পুলিশ এবং বাংলাদেশ আনসার সদস্যদের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত হয়েছিলো। [১] এই আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০১২ সালে মানবাধিকার আইনজীবী জেড আই খান পান্না হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন। অবশেষে ২০১৫ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশ হাইকোর্ট রায় দিয়ে ওই আইনকে অবৈধ ঘোষণা করে তা বাতিল করে দেয়।[২][৩]
অভিযান
[সম্পাদনা]অপারেশন ক্লিন হার্ট ২০০২ সালের ১৬ অক্টোবর শুরু হয়ে ২০০৩ সালের ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত চলে। [৪] এই অভিযানে প্রায় ৫০ হাজারেরও বেশি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য অংশ নেন। [৫] অভিযান চলাকালে যৌথবাহিনী ১১ হাজার ২৪৫ জন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করে। [৬] বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, শতাধিক মানুষ আহত হন এবং ৫০ জনেরও বেশি হেফাজতে মারা যান।[২]
এই অভিযানটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত হয়েছিল।[৭] হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া পরিচালক ব্র্যাড অ্যাডামস ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার আশরাফুল হুদার জারি করা ‘‘দেখামাত্র গুলি’’ নির্দেশের কড়া সমালোচনা করেন।[৮] অভিযানে ৪০ হাজারেরও বেশি সদস্য অংশ নেন, যার মধ্যে ছিলেন ২৪,০২৩ জন সেনা সদস্য ও ৩৩৯ জন নৌবাহিনীর সদস্য। এছাড়াও বাংলাদেশ পুলিশ, বাংলাদেশ আনসার এবং বাংলাদেশ রাইফেলস (বর্তমান বিজিবি)-এর সদস্যরাও অংশগ্রহণ করেন।[৯][১০] যৌথবাহিনী অভিযানের সময় ১১,২৪৫ জন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করে এবং ২,০২৮টি আগ্নেয়াস্ত্র ও প্রায় ৩০,০০০ রাউন্ড গুলি জব্দ করে।[১]
অভিযানের সময় শতাধিক ব্যক্তি আহত হন এবং ৪৪ জনের মৃত্যু ঘটে।[১] হিউম্যান রাইটস ওয়াচ দাবি করে যে অভিযানে মোট ৬০ জন নিহত হয়েছিলেন।[৭] অন্যদিকে বাংলাদেশ সরকার জানায়, হেফাজতে মারা যাওয়া ১২ জনের মৃত্যু হৃদ্রোগে (হার্ট অ্যাটাক) হয়েছে।[৭] আওয়ামী লীগ নেতা সাবের হোসেন চৌধুরী এবং শেখ ফজলুল করিম সেলিম, যিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই, তাঁদেরও অভিযানের সময় গ্রেপ্তার করা হয়।[১১] সেনাবাহিনী তখন আওয়ামী লীগের কার্যালয়েও অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন নথি ও দলিল জব্দ করে।[১১]
২০০৩ সালের ৯ জানুয়ারি বাংলাদেশ সরকার একটি দায়মুক্তি অধ্যাদেশ জারি করে, যা অভিযানে অংশ নেওয়া নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের আইনি সুরক্ষা দেয়।[১] একই বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি এটি জাতীয় সংসদে অনুমোদিত হয়। মানবাধিকার কর্মী সুলতানা কামাল এই অধ্যাদেশের কড়া সমালোচনা করেন।[১০] বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকও এই অভিযান ও দায়মুক্তি আইনকে ‘‘ইচ্ছেমতো হত্যার অনুমতি’’ বলে মন্তব্য করেন।[১২]
অভিযান শেষ হওয়ার পর ২০০৪ সালে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) গঠিত হয়, যেখানে বাংলাদেশ পুলিশ, বাংলাদেশ আনসার, বাংলাদেশ রাইফেলস, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ বিমানবাহিনী ও বাংলাদেশ নৌবাহিনী থেকে সদস্য নেওয়া হয়।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
২০০৩ সালের ৯ জানুয়ারি বিএনপি সরকার দায়মুক্তি আইন পাস করে, যা অভিযানে অংশ নেওয়া নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের আইনি সুরক্ষা দেয়। [১]
বৈধতা
[সম্পাদনা]জেড. আই. খান পান্না, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী, ১৪ জুন ২০১২ তারিখে দায়মুক্তি অধ্যাদেশের বিরুদ্ধে একটি রিট আবেদন দায়ের করেন।[১৩] তাঁকে প্রতিনিধিত্ব করেন আইনজীবী শাহদীন মালিক।[১৪] ২০১২ সালের ২৯ জুলাই বিচারপতি মির্জা হুসেইন হায়দার ও কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দ বাংলাদেশ সরকারকে নির্দেশ দেন ব্যাখ্যা দিতে, কেন এই অধ্যাদেশকে অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং কেন ভুক্তভোগীদের এক বিলিয়ন টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হবে না।[১৩]
২০১৫ সালের নভেম্বর মাসে বাংলাদেশ হাইকোর্ট এই দায়মুক্তি অধ্যাদেশকে অবৈধ ঘোষণা করে এবং তা বাতিল করে দেন।[১৩] এই রায় প্রদান করেন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি আশরাফুল কামাল।[১৩]
২০২০ সালের ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবাধিকার বিষয়ে তাঁর সরকারের রেকর্ডের পক্ষে সাফাই গাইতে গিয়ে অপারেশন ক্লিন হার্ট-এর প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন, যখন বিরোধীদল বিএনপি এই অভিযানের সময় ক্ষমতায় ছিল। তিনি প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সমালোচনা করে।[১৫]
অভিযানে মৃত্যুর ঘটনা
[সম্পাদনা]| নাম | বয়স | পেশা | গ্রেপ্তারের তারিখ | মৃত্যুর তারিখ | মন্তব্য | অবস্থান | তথ্যসূত্র |
|---|---|---|---|---|---|---|---|
| শফিকুল ইসলাম | ১৬ | জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কর্মী | ১৭ অক্টোবর ২০০৩ | ১৭ অক্টোবর ২০০৩ | প্রদর্শনকারীদের ওপর গুলিবর্ষণে নিহত | বগুড়া | [১৬] |
| মো. ইয়াকুব আলী | ৪০ | বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল কর্মী | ১৭ অক্টোবর ২০০৩ | ১৭ অক্টোবর ২০০৩ | হেফাজতে মৃত্যু | ঢাকা | [১৬] |
| জাহাঙ্গীর হোসেন | ৩৮ | বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল কর্মী | ১৭ অক্টোবর ২০০৩ | ১৭ অক্টোবর ২০০৩ | হেফাজতে মৃত্যু | ঢাকা | [১৬] |
| আবুল খায়ের মোল্লা | ৫০ | বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল কর্মী | ১৯ অক্টোবর ২০০৩ | ১৯ অক্টোবর ২০০৩ | গ্রেপ্তারের পর গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে মৃত্যু | গোপালগঞ্জ | [১৬] |
| আফজাল হোসেন | ২৫ | বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল কর্মী | ২১ অক্টোবর ২০০৩ | ২১ অক্টোবর ২০০৩ | গ্রেপ্তারের পর সাভার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মৃত্যু | সাভার | [১৬] |
| আমিরুল ইসলাম রকেট | ৩৫ | আওয়ামী লীগ ভোলা জেলা সাধারণ সম্পাদক | ২২ অক্টোবর ২০০৩ | ২২ অক্টোবর ২০০৩ | গ্রেপ্তারের পর ভোলা সদর হাসপাতালে মৃত্যু | ভোলা | [১৬] |
| সৈয়ফুজ্জামান | ২১ অক্টোবর ২০০৩ | ২২ অক্টোবর ২০০৩ | গাইবান্ধা | [১৬] | |||
| নাজমুল ইসলাম মিলন | ৪০ | আওয়ামী যুবলীগ কর্মী | ২৩ অক্টোবর ২০০৩ | ২৩ অক্টোবর ২০০৩ | গ্রেপ্তারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাজশাহী মেডিকেল কলেজে মৃত্যু | রাজশাহী | [১৬] |
| আবদুল আজিজ সরদার | ৪৭ | বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল কর্মী | ২৩ অক্টোবর ২০০৩ | ২৫ অক্টোবর ২০০৩ | পাংশা | [১৬] | |
| খোরশেদ | ৩৫ | শ্রমিক | ২৬ অক্টোবর ২০০৩ | ২৬ অক্টোবর ২০০৩ | ঘুমন্ত অবস্থায় সেনাদের মারধরে নিহত | রামগতি | [১৬] |
| মাসুম বিশ্বাস | ৩৮ | আওয়ামী যুবলীগ কর্মী | ২৭ অক্টোবর ২০০৩ | ২৭ অক্টোবর ২০০৩ | শেখ হেলাল-এর চাচাত ভাই, সংসদ সদস্য | ঢাকা | [১৬] |
| কালা চাঁদ ত্রিপুরা | পুলিশ কনস্টেবল | ২৮ অক্টোবর ২০০৩ | ২৮ অক্টোবর ২০০৩ | চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু | চট্টগ্রাম | [১৬] | |
| আবুল হোসেন লিটু | ২৭ | কৃষক | ২৮ অক্টোবর ২০০৩ | ২৮ অক্টোবর ২০০৩ | সেনাবাহিনী দাবি করে পালানোর সময় মৃত্যু | সাভার | [১৬] |
| জামির উদ্দিন | ২৯ অক্টোবর ২০০৩ | ২৯ অক্টোবর ২০০৩ | গোপালগঞ্জ থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মৃত্যু | গোলাপগঞ্জ | [১৬] | ||
| আবু সায়েদ দেলু | ২২ | ২৯ অক্টোবর ২০০৩ | ২৯ অক্টোবর ২০০৩ | চেস্ট ডিজিজ হাসপাতালে মৃত্যু | ঢাকা | [১৬] | |
| জেনিফার সায়েদ কিং | ২৫ | জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কর্মী | ২৯ অক্টোবর ২০০৩ | ৩০ অক্টোবর ২০০৩ | পঞ্চগড় | [১৬] | |
| টোটো মিয়া | ৩৭ | আওয়ামী যুবলীগ কর্মী | ৩০ অক্টোবর ২০০৩ | ৩০ অক্টোবর ২০০৩ | গ্রেপ্তারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মৃত্যু | মাদারীপুর | [১৬] |
| মিজানুর রহমান বুশা | ৪০ | যুবদল কর্মী | ২৯ অক্টোবর ২০০৩ | ১ নভেম্বর ২০০৩ | চুয়াডাঙ্গা | [১৬] | |
| লেবু মিয়া | ৪৫ | কৃষক | ৩০ অক্টোবর ২০০৩ | ১ নভেম্বর ২০০৩ | হবিগঞ্জ | [১৬] | |
| আবদুল হক | ৩২ | মাইক্রোবাস চালক | ২৫ অক্টোবর ২০০৩ | ৪ নভেম্বর ২০০৩ | ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু | সিলেট | [১৬] |
| রাশেদুল হাসান | ৩৫ | সহকারী চলচ্চিত্র পরিচালক | ২ নভেম্বর ২০০৩ | ৭ নভেম্বর ২০০৩ | [১৬] | ||
| সাইফুল ইসলাম | ২২ | যুবদল কর্মী | ৮ নভেম্বর ২০০৩ | ৮ নভেম্বর ২০০৩ | ফেনী সদর হাসপাতাল | ফেনী | [১৬] |
| আবু সুফিয়ান | ৩০ | ৯ নভেম্বর ২০০৩ | ৯ নভেম্বর ২০০৩ | সেনাবাহিনীর মোহাম্মদপুর ক্যাম্পে মৃত্যু | ঢাকা | [১৬] | |
| হাজি আবুল কাশেম | ৭৩ | ১ নভেম্বর ২০০৩ | ১০ নভেম্বর ২০০৩ | টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল | টাঙ্গাইল | [১৬] | |
| জহিরুল ইসলাম মিয়া | ২৫ | যুবদল কর্মী | ১৯ নভেম্বর ২০০৩ | ১৯ নভেম্বর ২০০৩ | মিটফোর্ড হাসপাতাল | ঢাকা | [১৬] |
| অজ্ঞাতনামা | ৪০ | ১৯ নভেম্বর ২০০৩ | ১৯ নভেম্বর ২০০৩ | মিটফোর্ড হাসপাতাল; সেনারা গুরুতর আহত অবস্থায় পুলিশে হস্তান্তর করে | ঢাকা | [১৬] | |
| তাসু মিয়া | ৪৫ | ব্যবসায়ী | ১৯ নভেম্বর ২০০৩ | ২০ নভেম্বর ২০০৩ | সেনাবাহিনীর দাবি, তিনি বাসে ধাক্কা খেয়ে মারা যান | ঢাকা | [১৬] |
| মাসুম | ৩০ | ১৯ নভেম্বর ২০০৩ | ২১ নভেম্বর ২০০৩ | ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু | ঢাকা | [১৬] | |
| হাকিম | শ্রমিক | ১৩ নভেম্বর ২০০৩ | ২১ নভেম্বর ২০০৩ | সেনা ও অপরাধীদের গোলাগুলিতে আহত হয়ে মৃত্যু | ঢাকা | [১৬] | |
| শরিফুল মালিক | ২৬ | ১ নভেম্বর ২০০৩ | ২১ নভেম্বর ২০০৩ | খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু | খুলনা | [১৬] | |
| আর্জু মিয়া | ৩৮ | ২৫ নভেম্বর ২০০৩ | ২১ নভেম্বর ২০০৩ | গাজীপুর সদর হাসপাতাল | গাজীপুর | [১৬] | |
| টিপু বিশ্বাস | ৩৫ | যুবদল কর্মী | ৩০ নভেম্বর ২০০৩ | ৩০ নভেম্বর ২০০৩ | সেনা হেফাজতে মৃত্যু | খুলনা | [১৬] |
| আব্দুস সাত্তার | ব্যবসায়ী | ১০ ডিসেম্বর ২০০৩ | ১০ ডিসেম্বর ২০০৩ | বগুড়া মোহাম্মদপুর হাসপাতাল | বগুড়া | [১৬] | |
| নবী হোসেন খান | ৫০ | রিকশাচালক | ১৪ ডিসেম্বর ২০০৩ | ১৪ ডিসেম্বর ২০০৩ | সেনা হেফাজতে থাকার পর পুকুরে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় | নরসিংদী | [১৬] |
| জসিম উদ্দিন | ২৫ | ১৫ ডিসেম্বর ২০০৩ | ১৫ ডিসেম্বর ২০০৩ | সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল | ঢাকা | [১৬] | |
| শফিউদ্দিন স্বপন | ৩৫ | যুবদল কর্মী | ১৬ ডিসেম্বর ২০০৩ | ১৬ ডিসেম্বর ২০০৩ | ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল | ঢাকা | [১৬] |
| ওমর ফারুক | ৪৬ | ১৫ ডিসেম্বর ২০০৩ | ১৬ ডিসেম্বর ২০০৩ | বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের এক কর্মীর ভাই | ঢাকা | [১৬] | |
| ইব্রাহিম খলিল ইবু | ছাত্রলীগ কর্মী | ১৫ ডিসেম্বর ২০০৩ | ১৬ ডিসেম্বর ২০০৩ | ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল | ঢাকা | [১৬] | |
| মির জহিরুল রবিন | ২২ | তেজগাঁও কলেজের ছাত্র | ৪ ডিসেম্বর ২০০৩ | ১৬ ডিসেম্বর ২০০৩ | ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল | ঢাকা | [১৬] |
| আবু বারেক রুবেল | ২৪ | ১৬ ডিসেম্বর ২০০৩ | ১৬ ডিসেম্বর ২০০৩ | বোয়ালখালী হাসপাতাল | বোয়ালখালী | [১৬] | |
| ইউসুফ | ৩৪ | ২০ ডিসেম্বর ২০০৩ | ২০ ডিসেম্বর ২০০৩ | যৌথ সামরিক হাসপাতাল | ঢাকা | [১৬] | |
| মোহাম্মদ রাশেদ | ২৫ | ২৫ ডিসেম্বর ২০০৩ | ২৫ ডিসেম্বর ২০০৩ | সন্দ্বীপ | [১৬] | ||
| অজ্ঞাতনামা | একটি নিষিদ্ধ দলের নেতা | ৬ জানুয়ারি ২০০৪ | ৬ জানুয়ারি ২০০৪ | গ্রেপ্তারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মৃত্যু | পাবনা | [১৬] | |
| আবদুল খালেক সরকার | ২৮ | ব্যবসায়ী | ৮ জানুয়ারি ২০০৪ | ৮ জানুয়ারি ২০০৪ | গাজীপুর সদর হাসপাতাল | গাজীপুর | [১৬] |
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 4 5 "Operation Clean Heart indemnity law illegal: HC"। thedailystar.net। দ্য ডেইলি স্টার। ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১৬ নভেম্বর ২০১৬।
- 1 2 "অপারেশন ক্লিনহার্ট দায়মুক্তি আইনকে অবৈধ ঘোষণা"। BBC News বাংলা। ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫।
- ↑ "Bangladesh Court Declares Indemnity Act Illegal"। benarnews.org (ইংরেজি ভাষায়)। BenarNews। সংগ্রহের তারিখ ১৬ নভেম্বর ২০১৬।
- ↑ "HC scraps law giving indemnity for 'Operation Clean Heart'"। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। সংগ্রহের তারিখ ১৬ নভেম্বর ২০১৬।
- ↑ "Bangladesh winds down crime fight"। news.bbc.co.uk। BBC NEWS। সংগ্রহের তারিখ ১৬ নভেম্বর ২০১৬।
- ↑ "Operation Clean Heart indemnity revoked"। observerbd.com। ১৭ নভেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ নভেম্বর ২০১৬।
- 1 2 3 "'অপারেশন ক্লিন হার্ট'-এর জন্য দায়মুক্তি দেওয়া আইন বাতিল"। bdnews24.com। সংগ্রহের তারিখ ১৬ নভেম্বর ২০১৬।
- ↑ "বাংলাদেশ: 'দেখামাত্র গুলি' নির্দেশ প্রত্যাহার করুন"। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। ৪ জুন ২০০৩। সংগ্রহের তারিখ ২৫ অক্টোবর ২০২২।
- ↑ Report, Star Online (১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫)। "Operation Clean Heart indemnity law illegal: HC"। The Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১২ অক্টোবর ২০২৫।
- 1 2 মানিক, জুলফিকার আলী (৮ জুন ২০০৯)। "'অপারেশন ক্লিন হার্ট' পুনরায় তদন্তের দাবি"। দ্য ডেইলি স্টার। সংগ্রহের তারিখ ২৫ অক্টোবর ২০২২।
- 1 2 "বাংলাদেশ: 'অপারেশন ক্লিন হার্ট'-এ জবাবদিহি প্রয়োজন"। www.amnesty.org.uk। সংগ্রহের তারিখ ২৫ অক্টোবর ২০২২।
- ↑ "'অপারেশন ক্লিন হার্ট': ইচ্ছেমতো হত্যার উন্মুক্ত অনুমতি"। ডেইলি সান। সংগ্রহের তারিখ ২৫ অক্টোবর ২০২২।
- 1 2 3 4 উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;bdnews24.com3নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ "'অপারেশন ক্লিন হার্ট'-এর ভুক্তভোগীদের সেনা নেতৃত্বাধীন যৌথবাহিনীর বিরুদ্ধে মামলা করার অনুমতি দেয় হাইকোর্ট"। নিউ এজ। সংগ্রহের তারিখ ২৫ অক্টোবর ২০২২।
- ↑ "'অপারেশন ক্লিন হার্ট' ভুলে গেছেন? — সমালোচকদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা"। bdnews24.com। সংগ্রহের তারিখ ২৫ অক্টোবর ২০২২।
- 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 "যৌথ অভিযানে মৃত্যুর কালানুক্রম"। দ্য ডেইলি স্টার। ১২ জানুয়ারি ২০০৩। সংগ্রহের তারিখ ২৫ অক্টোবর ২০২২।