বিষয়বস্তুতে চলুন

অতলান্তিকে বসতি

অতলান্তিকে বসতি
২০১৮ সালের জানুয়ারিতে 'অতলান্তিকে বসতি'
শিল্পীমৃণাল হক
বছর২০০৮
মাধ্যমকাচ তন্তু, সিমেন্ট
উপজীব্যনৌ ও সামুদ্রিক জীবন
অবস্থানঢাকা
স্থানাঙ্ক২৩°৪৮′১১″ উত্তর ৯০°২৪′০৮″ পূর্ব / ২৩.৮০২৯৫৭° উত্তর ৯০.৪০২২২৬° পূর্ব / 23.802957; 90.402226
মালিকবাংলাদেশ নৌবাহিনী

অতলান্তিকে বসতি মৃণাল হক নির্মিত ভাস্কর্য।[][] এটি ঢাকায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান কার্যালয়ের প্রবেশদ্বারের বিপরীতে এয়ারপোর্ট সড়কের পাশে স্থাপিত। ২০০৮ সালে ঢাকা মহানগরীর সৌন্দর্য বর্ধন প্রকল্পের অংশ হিসেবে মৃণাল হকের নিজস্ব নকশা ও ব্যক্তিগত অর্থায়নে ভাস্কর্যটি নির্মিত হয়েছিল। ২০১২ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি ভাস্কর্যটি দুর্বৃত্তরা ভেঙ্গে ফেললে[] একই বছর সেপ্টেম্বরে নকশার পরিবর্তন এনে পুননির্মাণ করা হয়। বাংলাদেশ নৌবাহিনী ভাস্কর্যটির রক্ষণাবেক্ষণ করে।[]

পটভূমি ও বর্ণনা

[সম্পাদনা]

২০০৮ সালে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন ভাস্কর্যটি জন্য স্থান বরাদ্দ দেয়। মৃণাল হক নির্মাণের সময় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কর্মকে প্রাধাণ্য দিয়েছিলেন। প্রথমে নৌবাহিনী পছন্দ করলেও পরবর্তিতে নকশা নিয়ে আপত্তি জানায়।[] ২০১২ সালের দুর্বৃত্তরা ভাস্কর্যটি ভাঙলে পুননির্মাণের সময় নকশা প্রণয়নে নৌবাহিনী মৃণাল হকের সহযোগী ছিল। প্রাথমিক ভাস্কর্যের বিষয় ছিল সামুদ্রিক মাছের জীবন। পুননির্মাণের সময় নৌবাহিনীর সমর সম্ভারের কিছু নমুনাও যুক্ত করা হয়।[]

অতলান্তিকে বসতি সিমেন্ট ও কাচ তন্তু দিয়ে নির্মিত ভাস্কর্য। ভাস্কর্যে নৌবাহিনীর ব্যবহৃত একটি যুদ্ধজাহাজ, হেলিকপ্টার, নোঙ্গর, অ্যাংকর, হুইল, সামুদ্রিক উদ্ভিদ, বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছের প্রতিকৃতি এবং সাগরের তলদেশের দৃশ্য ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।[] সমুদ্রের নীল জলের আবহে সমুদ্রের তলদেশ ও উপরিভাগের আবহ তৈরি করা হয়েছে।[] প্রাথমিক পরিকল্পনায় একটি ৪০-৫০ ফুট লম্বা তিমির প্রতিকৃতি ছিল।[] সাঁতারের ভঙ্গিমায় ১৮টি ডলফিন, সোর্ড ফিশ ও হাঙ্গর রয়েছে।[]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. মীম, আয়শা মাহমুদ (১১ সেপ্টেম্বর ২০২০)। "স্মৃতিতে ভাস্বর- ভাস্কর মৃণাল হক"সাম্প্রতিক দেশকাল। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ আগস্ট ২০২৪
  2. খান, হামিদুজ্জামান (২৪ আগস্ট ২০২০)। "'মৃণাল কাজ করে যাও'"বণিক বার্তা। ২০ আগস্ট ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ আগস্ট ২০২৪
  3. 1 2 "মৃণাল হকের 'অতলান্তিকে বসতি' ভাস্কর্য ভাঙচুর"বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম। ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১২। ২০ আগস্ট ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ আগস্ট ২০২৪
  4. 1 2 3 ইসলাম, মনোয়ারুল (১৪ সেপ্টেম্বর ২০১২)। "নতুনভাবে নির্মিত হচ্ছে মৃণালের 'অতলান্তিকে বসতি'"বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম। ২০ আগস্ট ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ আগস্ট ২০২৪
  5. 1 2 মতিহার, মোস্তফা (১৮ মে ২০২১)। "নীরব সৌন্দর্য রাজধানীর ভাস্কর্যগুলো"বাংলাদেশ প্রতিদিন। সংগ্রহের তারিখ ২১ আগস্ট ২০২৪
  6. কমল, এরশাদ (৬ মে ২০০৮)। "Mrinal Haque's "Protyasha" to be unveiled today"দ্য ডেইলি স্টার (বাংলাদেশ) (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২১ আগস্ট ২০২৪

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]