অক্সিজেনবিহীন জলাশয়
এই নিবন্ধটির রচনা সংশোধনের প্রয়োজন হতে পারে। কারণ ব্যাকরণ, রচনাশৈলী, বানান বা বর্ণনাভঙ্গিগত সমস্যা রয়েছে। |

অক্সিজেনবিহীন জলাশয় বলতে সমুদ্র, মিঠা পানি বা ভূগর্ভস্থ পানির এমন সব অঞ্চলকে বোঝায়, যেখানে দ্রবীভূত অক্সিজেন সম্পূর্ণ ফুরিয়ে গেছে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার সংজ্ঞানুযায়ী, অক্সিজেনের অভাবগ্রস্ত ভূগর্ভস্থ পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের ঘনমাত্রা প্রতি লিটারে ০.৫ মিলিগ্রামের কম থাকে।[১] সাধারণত যেসব জলাশয়ে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বা বিনিময় সীমিত, সেখানে এই ধরনের অবস্থা তৈরি হয়।
অক্সিজেনবিহীন জলাশয়ের সাথে অক্সিজেনের ঘাটতিযুক্ত (হাইপক্সিক) জলাশয়ের পার্থক্য রয়েছে। হাইপক্সিক বা অক্সিজেনের ঘাটতিযুক্ত জলাশয়ে দ্রবীভূত অক্সিজেনের মাত্রা কম থাকলেও তা একেবারে শূন্য হয় না।
অধিকাংশ ক্ষেত্রে,[২] পানির ঘনত্বের স্তরবিন্যাসের কারণে অক্সিজেন প্রাকৃতিকভাবে গভীর স্তরে পৌঁছাতে পারে না। উদাহরণস্বরূপ, অতিলোনা হ্রদের ভারী পানি অববাহিকার তলদেশে স্থির হয়ে থাকে। এছাড়া, পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের সরবরাহের তুলনায় ব্যাকটেরিয়া দ্বারা জৈব পদার্থের জারণের হার বেশি হলে অক্সিজেনবিহীন অবস্থার সৃষ্টি হয়।
অক্সিজেনবিহীন জলাশয় একটি প্রাকৃতিক ঘটনা[৩] এবং পৃথিবীর সমগ্র ভূতাত্ত্বিক ইতিহাস জুড়েই এমনটি ঘটে এসেছে। প্রকৃতপক্ষে, অনেকের মতে পার্মিয়ান-ট্রায়াসিক বিলুপ্তির ঘটনাটি ছিল বিশ্বের মহাসাগরগুলোতে ব্যাপক অক্সিজেনহীনতা সৃষ্টির ফল, যার কারণে সামুদ্রিক জীবকুলের এক বিশাল বিলুপ্তি ঘটেছিল। বর্তমানেও কিছু অক্সিজেনবিহীন অববাহিকা রয়েছে, যেমন— বাল্টিক সাগরে[৪] এবং আরও কিছু স্থানে (নিচে দেখুন)। সাম্প্রতিক কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে, বাল্টিক সাগর, মেক্সিকো উপসাগর[৫] এবং ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের হুড খালের মতো অঞ্চলগুলোতে ইউট্রোফিকেশনের (পুষ্টি উপাদানের অতিবৃদ্ধি) কারণে অক্সিজেনবিহীন অঞ্চলের পরিধি আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।[৬]
কারণ এবং প্রভাব
[সম্পাদনা]জলাশয়ে অক্সিজেনহীনতা বিভিন্ন কারণে তৈরি হতে পারে। যেমন— পানির স্থবিরতা, ঘনত্বের স্তরবিন্যাস,[৭] জৈব পদার্থের আধিক্য এবং শক্তিশালী থার্মোক্লাইন। এর অন্যতম উদাহরণ হলো সমুদ্রের খাঁড়ি (যেখানে প্রবেশপথের অগভীর তলদেশ পানির সঞ্চালনে বাধা দেয়) এবং গভীর সমুদ্রের পশ্চিম সীমানা, যেখানে তলদেশের প্রবাহ অত্যন্ত কম হলেও উপরিভাগের পানির প্রবাহ অনেক বেশি থাকে। [তথ্যসূত্র প্রয়োজন] বর্জ্য পানির ক্ষেত্রে কেবল অক্সিজেনের অনুপস্থিতিকেই 'অক্সিজেনবিহীন' অবস্থা বলা হয়। অন্যদিকে, 'অবাত' শব্দটি দিয়ে যেকোনো সাধারণ ইলেকট্রন গ্রহীতার (যেমন— নাইট্রেট, সালফেট বা অক্সিজেন) অনুপস্থিতিকে বোঝানো হয়।
কোনো অববাহিকায় অক্সিজেন ফুরিয়ে গেলে, ব্যাকটেরিয়া বিকল্প ইলেকট্রন গ্রহীতা ব্যবহার করতে শুরু করে। সমুদ্রের পানির ক্ষেত্রে এই বিকল্পটি হলো নাইট্রেট। ফলে পানিতে থাকা নাইট্রেট দ্রুত শেষ হয়ে যায়। অন্যান্য কিছু গৌণ উপাদান হ্রাস পাওয়ার পর, ব্যাকটেরিয়া সালফেট বিজারণ শুরু করে। এর ফলে উপজাত হিসেবে হাইড্রোজেন সালফাইড (H2S) উৎপন্ন হয়, যা অধিকাংশ জীবের জন্য অত্যন্ত বিষাক্ত। এই গ্যাসের কারণেই পচা ডিমের মতো গন্ধ বের হয় এবং তলদেশে গাঢ় কালো রঙের অধঃক্ষেপ জমা হয়।[৮]
SO4−2 + H+1 → H2S +H2O + রাসায়নিক শক্তি
যদি অক্সিজেনবিহীন সমুদ্রের পানি পুনরায় অক্সিজেনের সংস্পর্শে আসে, তবে নিচের রাসায়নিক সমীকরণ অনুযায়ী সালফাইডের জারণ ঘটে এবং তা পুনরায় সালফেটে পরিণত হয়: [তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
HS− + 2 O2 → HSO4−
অথবা আরও স্পষ্টভাবে:
(CH2O)106(NH3)16H3PO4 + 53 SO42− → 53 CO2 + 53 HCO3− + 53 HS− +16 NH3 + 53 H2O + H3PO4
কর্দমাক্ত সমুদ্রতলে অক্সিজেনহীনতা খুবই সাধারণ একটি বিষয়। কারণ সেখানে একদিকে যেমন উচ্চমাত্রায় জৈব পদার্থ থাকে, অন্যদিকে পলির মধ্যবর্তী পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণও খুব কম থাকে। কাদার উপরিভাগ থেকে মাত্র কয়েক সেন্টিমিটার গভীরেই পলির মধ্যবর্তী পানি সম্পূর্ণ অক্সিজেনমুক্ত হয়ে পড়ে।
অক্সিজেনহীনতা জৈব রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদার (বিওডি) ওপরও নির্ভর করে। বিওডি হলো পানিতে থাকা জৈব পদার্থ ভেঙে ফেলার প্রক্রিয়ায় অণুজীবদের দ্বারা ব্যবহৃত অক্সিজেনের পরিমাণ। পানিতে উপস্থিত অণুজীবের ধরন, পানির পিএইচ, তাপমাত্রা এবং জৈব পদার্থের প্রকৃতির ওপর বিওডি নির্ভর করে। নদী এবং ছোট প্রবাহিত জলাশয়ে বিওডির সাথে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ সরাসরি সম্পর্কিত। বিওডির মান যত বাড়ে, পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ তত কমে যায়, যা বড় জলজ প্রাণীদের জন্য মারাত্মক সংকটের সৃষ্টি করে। বিওডি প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট উভয় উৎস থেকেই বাড়তে পারে; যেমন— মৃত জীবদেহ, সার, নর্দমার পানি এবং শহরের বর্জ্য।[৯]
পচন প্রক্রিয়া অত্যন্ত ধীর হওয়ার কারণে অক্সিজেনবিহীন পরিবেশ জীবাশ্ম সংরক্ষণে সাহায্য করে। এর ফলে 'লেগারস্টাটেন' (Lagerstätten)-এর মতো স্থানে নরম দেহাবশেষের চমৎকার জীবাশ্ম সংরক্ষিত অবস্থায় পাওয়া গেছে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] [১০]
মানবজনিত কারণে সৃষ্ট অক্সিজেনবিহীন অবস্থা
[সম্পাদনা]কৃষিকাজ এবং নর্দমার বর্জ্য থেকে আসা অতিরিক্ত পুষ্টি উপাদান (যেমন— ফসফেট ও নাইট্রেট) জলাশয়ে প্রবেশ করলে ইউট্রোফিকেশন ঘটে। এর ফলে শৈবালের ব্যাপক ও দ্রুত বংশবৃদ্ধি ঘটে, যাকে 'অ্যালগাল ব্লুম' বলা হয়। এই শৈবালগুলো মারা যাওয়ার পর তলদেশে জমা হয় এবং ব্যাকটিরিয়া দ্বারা এগুলো পচনের সময় পানির সমস্ত অক্সিজেন শেষ হয়ে যায়। মেক্সিকো উপসাগরে প্রতি বছর এমন একটি 'মৃত অঞ্চল' (Dead zone) তৈরি হয়, যা হারিকেন বা গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড়ের মতো আবহাওয়াগত কারণে বিঘ্নিত হতে পারে। নর্দমার বর্জ্য, বিশেষ করে পুষ্টিসমৃদ্ধ কাদা, জলজ বাস্তুতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। অক্সিজেনহীন পরিবেশ সহ্য করতে পারে না এমন সংবেদনশীল প্রজাতিগুলো বিলুপ্ত হয়ে যায় এবং তাদের স্থান দখল করে অল্প কিছু সহনশীল প্রজাতি। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলের জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে হ্রাস পায়।[৮]
ইউট্রোফিকেশন বা ভূমণ্ডলীয় উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে পরিবেশের ক্রমান্বয়ী পরিবর্তনগুলো জলাশয়কে হঠাৎ করেই অক্সিজেনযুক্ত অবস্থা থেকে অক্সিজেনবিহীন অবস্থায় রূপান্তর করতে পারে। কিছু গাণিতিক মডেলের গবেষণা অনুযায়ী, সায়ানোব্যাকটেরিয়া দ্বারা নিয়ন্ত্রিত অক্সিজেনযুক্ত অবস্থা থেকে সালফেট-বিজারণকারী ও ফটোট্রফিক সালফার ব্যাকটেরিয়া দ্বারা নিয়ন্ত্রিত অক্সিজেনবিহীন অবস্থায় এই রূপান্তরটি অত্যন্ত আকস্মিকভাবে ঘটতে পারে।[১১]
দৈনিক এবং ঋতুচক্র
[সম্পাদনা]পানির তাপমাত্রা সরাসরি তার অক্সিজেন ধারণক্ষমতাকে প্রভাবিত করে। হেনরির সূত্র অনুযায়ী, পানির তাপমাত্রা যত বাড়ে, অক্সিজেনের দ্রবণীয়তা তত কমে যায়। এই ধর্মের কারণে ছোট ভৌগোলিক পরিসরে দৈনিক অক্সিজেন চক্র এবং বৃহত্তর পরিসরে অক্সিজেনহীনতার ঋতুভিত্তিক চক্র দেখা যায়। ফলে দিনের উষ্ণতম সময়ে এবং গ্রীষ্মকালে জলাশয়গুলো অক্সিজেনহীন হয়ে পড়ার সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকে। শিল্পকারখানার আশপাশের জলাশয়ে এই সমস্যা আরও প্রকট হয়, কারণ যন্ত্রপাতি ঠান্ডা করতে ব্যবহৃত গরম পানি যখন জলাশয়ে ফেলা হয়, তখন তা খুব কম অক্সিজেন ধরে রাখতে পারে।
দৈনিক অক্সিজেন চক্র সালোকসংশ্লেষণকারী জীবদের কার্যকলাপের ওপরও নির্ভর করে। রাতে আলোর অভাবে সালোকসংশ্লেষণ বন্ধ থাকে কিন্তু শ্বসন প্রক্রিয়া চালু থাকে। এর ফলে ভোরের দিকে সূর্যোদয়ের ঠিক আগে জলাশয়ে অক্সিজেনের ঘাটতি সবচেয়ে তীব্র আকার ধারণ করে।[১২]
জৈবিক অভিযোজন
[সম্পাদনা]অক্সিজেনবিহীন পলির মধ্যে বেঁচে থাকার জন্য বিভিন্ন জীব নানা ধরনের অভিযোজন কৌশল গ্রহণ করেছে। কিছু জীব পানির ওপরের স্তর থেকে অক্সিজেন টেনে নিচে পলিতে নিয়ে যেতে পারে। অন্যান্য অভিযোজনের মধ্যে রয়েছে কম অক্সিজেনযুক্ত পরিবেশের উপযোগী বিশেষ হিমোগ্লোবিন, বিপাকের হার কমিয়ে ধীরগতিতে চলা এবং অবাত ব্যাকটেরিয়ার সাথে মিথজীবী সম্পর্ক তৈরি করা। তবে যেসব এলাকা সাধারণত অক্সিজেনবিহীন থাকে না, সেখানে হঠাৎ বিষাক্ত হাইড্রোজেন সালফাইডের প্রাদুর্ভাব ঘটলে জৈবিক ক্রিয়াকলাপ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয় এবং জীববৈচিত্র্য ব্যাপকভাবে হ্রাস পায়।[৮]
অক্সিজেনবিহীন অববাহিকা
[সম্পাদনা]- পূর্ব ভূমধ্যসাগরের লেভানটাইন সাগরে অবস্থিত ব্যানক অববাহিকা (Bannock Basin);
- কৃষ্ণ সাগর অববাহিকা, পূর্ব ইউরোপের ৫০ মিটার (১৫০ ফুট) গভীরতার নিচে;
- কাস্পিয়ান সাগর অববাহিকা, ১০০ মিটার (৩০০ ফুট) গভীরতার নিচে;
- কারিয়াকো অববাহিকা (Cariaco Basin), উত্তর-মধ্য ভেনেজুয়েলার উপকূলে;
- গটল্যান্ড খাঁদ (Gotland Deep), সুইডেনের বাল্টিক সাগরে;
- এল'আটালান্টে অববাহিকা (L'Atalante basin), পূর্ব ভূমধ্যসাগর;
- মারিয়েগার ফিয়র্ড (Mariager Fjord), ডেনমার্কে;
- ওর্কা অববাহিকা (Orca Basin), উত্তর-পূর্ব মেক্সিকো উপসাগরে;
- সানিচ ইনলেট (Saanich Inlet), কানাডার ভ্যানকুভার দ্বীপের কাছে;
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Volatile Organic Compounds in the Nation's Ground Water and Drinking-Water Supply Wells: Supporting Information: Glossary"। US Geological Survey। সংগ্রহের তারিখ ৩ ডিসেম্বর ২০১৩।
- ↑ Bjork, Mats; Short, Fred (২০০৮)। Managing Sea-grasses for Resilience to Climate Change। Volume 3 of IUCN Resilience Science Group Working Papers। International Union for Conservation of Nature (IUCN)। পৃ. ২৪। আইএসবিএন ৯৭৮-২-৮৩১৭-১০৮৯-১।
- ↑ Richards, 1965; Sarmiento 1988-B
- ↑ Jerbo, 1972;Hallberg, 1974
- ↑ "Streamflow and Nutrient Delivery to the Gulf of Mexico for October 2009 to May 2010 (Preliminary)"। ২৯ নভেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১১।
- ↑ "Archived copy" (পিডিএফ)। ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০১৩।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: শিরোনাম হিসাবে আর্কাইভকৃত অনুলিপি (লিঙ্ক) - ↑ Gerlach, 1994
- 1 2 3 Castro, Peter; Huber, Michael E. (২০০৫)। Marine Biology 5th ed.। McGraw Hill। আইএসবিএন ৯৭৮-০-০৭-২৫০৯৩৪-২।
- ↑ "5.2 Dissolved Oxygen and Biochemical Oxygen Demand"। Water: Monitoring & Assessment। US Environmental Protection Agency। ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ ডিসেম্বর ২০১৩।
- ↑ Nudds, John; Selden, Paul (১ জুলাই ২০০৮)। "Fossil–Lagerstätten" (ইংরেজি ভাষায়): ১৫৩–১৫৮। ডিওআই:10.1111/j.1365-2451.2008.00679.x। আইএসএসএন 1365-2451।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - ↑ Bush (২০১৭)। "Oxic-anoxic regime shifts mediated by feedbacks between biogeochemical processes and microbial community dynamics": ৭৮৯। ডিওআই:10.1038/s41467-017-00912-x। পিএমসি 5630580। পিএমআইডি 28986518।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - ↑ "Dissolved Oxygen Depletion in Lake Erie"। Great Lakes Monitoring। US Environmental Protection Agency। সংগ্রহের তারিখ ৩ ডিসেম্বর ২০১৩।
উৎসপঞ্জি
[সম্পাদনা]- গেরলাচ, এস. (১৯৯৪)। "Oxygen conditions improve when the salinity in the Baltic Sea decreases": ৪১৩–৪১৬। ডিওআই:10.1016/0025-326X(94)90126-0।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - হলবার্গ, আর. ও. (১৯৭৪) "Paleoredox conditions in the Eastern Gotland Basin during the recent centuries"। মেরেনটুকিমুস্লেইট (Merentutkimuslaitoksen Julkaisu) / হাভসফর্স্কনিংসইনস্টিটিউটটস স্ক্রিফট (Havsforskningsinstitutet Skrift), ২৩৮: ৩–১৬।
- জারবো, এ (১৯৭২)। "Är Östersjöbottnens syreunderskott en modern företeelse?": ৪০৪–৪০৮।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - ফেনচেল, টম এবং ফিনলে, ব্ল্যান্ড জে. (১৯৯৫) এনোক্সিক ওয়ার্ল্ডসে বাস্তুবিদ্যা এবং বিবর্তন (বাস্তুশাস্ত্র ও বিবর্তনে অক্সফোর্ড সিরিজ), অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস। আইএসবিএন ০-১৯-৮৫৪৮৩৮-৯
- রিচার্ডস, এফ. এ. (১৯৬৫) "অ্যানোক্সিক অববাহিকা এবং সমুদ্রের খাঁড়ি", রিলে, জে. পি. এবং স্কিরো, জি. (সম্পাদনা) রাসায়নিক ওশিয়ানোগ্রাফি, লন্ডন, একাডেমিক প্রেস, ৬১১–৬৪৩।
- Sarmiento, জে. এল.; হার্বার্ট, টি. ডি. (১৯৮৮)। "Causes of anoxia in the world ocean": ১১৫। ডিওআই:10.1029/GB002i002p00115।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - সারমিয়েন্টো, জে. এ. এবং অন্যান্য (১৯৮৮-বি) "ওশান কার্বন-সাইকেল ডায়নামিক্স এবং বায়ুমণ্ডলীয় পিসিও২"। রয়্যাল সোসাইটি অফ লন্ডনের ফিলোসফিক্যাল ট্রানজেকশনস, সিরিজ এ, গাণিতিক ও শারীরিক বিজ্ঞান, খণ্ড ৩২৫, নং ১৫৮৩, মহাসাগরে ট্রেসারস (২৫শে মে, ১৯৮৮), পৃ. ৩–২২।
- ভ্যান ডের উইলেন, পি. ডব্লিউ. জে. জে.; বলহুইস, এইচ. (২০০৫)। "The Enigma of Prokaryotic Life in Deep Hypersaline Anoxic Basins": ১২১–১২৩। ডিওআই:10.1126/science.1103569। পিএমআইডি 15637281।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য)।