দক্ষিণ সুদান: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

স্থানাঙ্ক: ৭° উত্তর ৩০° পূর্ব / ৭° উত্তর ৩০° পূর্ব / 7; 30
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
বিষয়বস্তু বিয়োগ হয়েছে বিষয়বস্তু যোগ হয়েছে
"South Sudan" পাতাটির "Economy" অনুচ্ছেদ অনুবাদ করে যোগ করা হয়েছে
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা বিষয়বস্তুঅনুবাদ অনুচ্ছেদঅনুবাদ
"South Sudan" পাতাটির "Humanitarian situation" অনুচ্ছেদ অনুবাদ করে যোগ করা হয়েছে
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা বিষয়বস্তুঅনুবাদ অনুচ্ছেদঅনুবাদ
৫২৭ নং লাইন: ৫২৭ নং লাইন:


দক্ষিণ সুদান [[কমনওয়েলথ অব নেশনস|কমনওয়েলথ অফ নেশনসে]] যোগদানের জন্য আবেদন করেছে, <ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|তারিখ=8 July 2011|শিরোনাম=South Sudan Launches Bid to Join Commonwealth|ইউআরএল=http://www.gurtong.net/ECM/Editorial/tabid/124/ctl/ArticleView/mid/519/articleId/5418/South-Sudan-Launches-Bid-to-Join-Commonwealth.aspx|ইউআরএল-অবস্থা=live|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20170711061322/http://www.gurtong.net/ECM/Editorial/tabid/124/ctl/ArticleView/mid/519/articleId/5418/South-Sudan-Launches-Bid-to-Join-Commonwealth.aspx|আর্কাইভের-তারিখ=11 July 2017|সংগ্রহের-তারিখ=23 July 2017|ওয়েবসাইট=Gurtong.net}}</ref> এই বিবেচনায় যে দক্ষিণ সুদান অ্যাংলো-মিশরীয় সুদানের অংশ ছিল এবং প্রতিবেশী দেশ হিসেবে কমনওয়েলথ অফ নেশনসে [[কেনিয়া]] এবং [[উগান্ডা|উগান্ডায়]] এর ২টি প্রজাতন্ত্র রয়েছে।
দক্ষিণ সুদান [[কমনওয়েলথ অব নেশনস|কমনওয়েলথ অফ নেশনসে]] যোগদানের জন্য আবেদন করেছে, <ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|তারিখ=8 July 2011|শিরোনাম=South Sudan Launches Bid to Join Commonwealth|ইউআরএল=http://www.gurtong.net/ECM/Editorial/tabid/124/ctl/ArticleView/mid/519/articleId/5418/South-Sudan-Launches-Bid-to-Join-Commonwealth.aspx|ইউআরএল-অবস্থা=live|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20170711061322/http://www.gurtong.net/ECM/Editorial/tabid/124/ctl/ArticleView/mid/519/articleId/5418/South-Sudan-Launches-Bid-to-Join-Commonwealth.aspx|আর্কাইভের-তারিখ=11 July 2017|সংগ্রহের-তারিখ=23 July 2017|ওয়েবসাইট=Gurtong.net}}</ref> এই বিবেচনায় যে দক্ষিণ সুদান অ্যাংলো-মিশরীয় সুদানের অংশ ছিল এবং প্রতিবেশী দেশ হিসেবে কমনওয়েলথ অফ নেশনসে [[কেনিয়া]] এবং [[উগান্ডা|উগান্ডায়]] এর ২টি প্রজাতন্ত্র রয়েছে।

== মানবিক পরিস্থিতি ==
{{আরও দেখুন|Health in South Sudan|Child marriage in South Sudan}}জাতিসংঘের মতে, ২০২১ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত দক্ষিণ সুদানে ৮৩ লাখ মানুষের মানবিক সহায়তা প্রয়োজন রয়েছে। <ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ভাষা=en|শিরোনাম=South Sudan Humanitarian Needs Overview 2021 (January 2021) - South Sudan|ইউআরএল=https://reliefweb.int/report/south-sudan/south-sudan-humanitarian-needs-overview-2021-january-2021|সংগ্রহের-তারিখ=2021-10-12|ওয়েবসাইট=ReliefWeb}}</ref> দক্ষিণ সুদানে বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ স্বাস্থ্য সূচক আছে বলে স্বীকৃত। <ref name="health">{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.sudantribune.com/spip.php?article1616|শিরোনাম=Southern Sudan has unique combination of worst diseases in the world&nbsp;— Sudan Tribune: Plural news and views on Sudan|কর্ম=Sudan Tribune|সংগ্রহের-তারিখ=21 December 2013|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20140408090727/http://www.sudantribune.com/spip.php?article1616|আর্কাইভের-তারিখ=8 April 2014|ইউআরএল-অবস্থা=live}}</ref> <ref>{{সাময়িকী উদ্ধৃতি|শেষাংশ=Moszynski|প্রথমাংশ=P.|বছর=2005|শিরোনাম=Conference plans rebuilding of Southern Sudan's health services|পাতা=179|doi=10.1136/bmj.331.7510.179|pmc=1179754}}</ref> <ref name="SSMJ">{{সাময়িকী উদ্ধৃতি|তারিখ=December 2007|শিরোনাম=South Sudan Household Survey|ইউআরএল=http://www.southernsudanmedicaljournal.com/assets/files/misc/SHHS.pdf|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20110612082122/http://www.southernsudanmedicaljournal.com/assets/files/misc/SHHS.pdf|আর্কাইভের-তারিখ=12 June 2011|ইউআরএল-অবস্থা=live|সংগ্রহের-তারিখ=20 June 2010}}</ref>পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুমৃত্যুর হার প্রতি ১,০০০ জনে ১৩৫.৩, যেখানে প্রতি ১০০,০০০ জীবিত জন্মে [[মাতৃমৃত্যু|মাতৃমৃত্যুর হার]] ২,০৫৩.৯ জন, যা বিশ্বে সর্বোচ্চ। <ref name="SSMJ" />২০০৪ সালে, দক্ষিণ সুদানে তিনটি সঠিক হাসপাতাল সহ শুধুমাত্র তিনজন সার্জন ছিল এবং কিছু এলাকায় প্রতি ৫০০,০০০ জন মানুষের জন্য মাত্র একজন ডাক্তার ছিল।<ref name="health" />

দক্ষিণ সুদানে [[এইচআইভি/এইডস]]-এর বিস্তার সংক্রান্ত সম্পর্কে খুব খারাপভাবে নথিভুক্ত করা হয়েছে কিন্তু এর প্রাদুর্ভাব প্রায় ৩.১% বলে মনে করা হয়। <ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শেষাংশ=Hakim|প্রথমাংশ=James|তারিখ=August 2009|প্রকাশক=South Sudan Medical Journal|শিরোনাম=HIV/AIDS: an update on Epidemiology, Prevention and Treatment|ইউআরএল=http://www.southernsudanmedicaljournal.com/archive/2009-08/untitled-resource.html|ইউআরএল-অবস্থা=live|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20110312032025/http://www.southernsudanmedicaljournal.com/archive/2009-08/untitled-resource.html|আর্কাইভের-তারিখ=12 March 2011|সংগ্রহের-তারিখ=20 June 2010}}</ref>২০১৩ সালের একটি গবেষণা অনুসারে, দক্ষিণ সুদানে "সম্ভবত সাব-সাহারান আফ্রিকায় ম্যালেরিয়ার বোঝা সবচেয়ে বেশি"।<ref>{{সাময়িকী উদ্ধৃতি|শেষাংশ=Pasquale|প্রথমাংশ=Harriet|শেষাংশ২=Jarvese|প্রথমাংশ২=Martina|বছর=2013|শিরোনাম=Malaria control in South Sudan, 2006–2013: strategies, progress and challenges|পাতা=374|doi=10.1186/1475-2875-12-374|pmc=3816306|pmid=24160336}}</ref>দক্ষিণ সুদান এমন কয়েকটি দেশের মধ্যে একটি যেখানে এখনও ড্রাকুনকুলিয়াসিস দেখা যায়। <ref>{{সাময়িকী উদ্ধৃতি|শেষাংশ=Visser|প্রথমাংশ=BJ|তারিখ=Jul 2012|শিরোনাম=Dracunculiasis eradication—finishing the job before surprises arise.|পাতাসমূহ=505–10|doi=10.1016/S1995-7645(12)60088-1|pmid=22647809|doi-access=free}}</ref> <ref>{{সাময়িকী উদ্ধৃতি|শেষাংশ=Hopkins|প্রথমাংশ=DR|শেষাংশ২=Ruiz-Tiben|প্রথমাংশ২=E|তারিখ=Jul 2013|শিরোনাম=Dracunculiasis eradication: and now, South Sudan.|পাতাসমূহ=5–10|doi=10.4269/ajtmh.13-0090|pmc=3748487|pmid=23843492}}</ref> <ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=WHO&nbsp;— Dracunculiasis (Guinea-worm disease)|ইউআরএল=https://www.who.int/dracunculiasis/en/|ইউআরএল-অবস্থা=live|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20140405212912/http://www.who.int/dracunculiasis/en/|আর্কাইভের-তারিখ=5 April 2014|সংগ্রহের-তারিখ=24 August 2014|ওয়েবসাইট=World Health Organization}}</ref>

২০০৫ সালের ব্যাপক শান্তি চুক্তির সময়, দক্ষিণ সুদানে মানবিক চাহিদা ব্যাপক ছিল।যাইহোক, জাতিসংঘ [[মানবিক বিষয়ক সমন্বয় দপ্তর]] (ওসিএইচএ) এর নেতৃত্বে মানবিক সংস্থাগুলি স্থানীয় জনগণের জন্য ত্রাণ আনতে পর্যাপ্ত তহবিল নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছিল।পুনরুদ্ধার এবং উন্নয়ন সহায়তার পাশাপাশি মানবিক প্রকল্পগুলি জাতিসংঘ এবং অংশীদারদের ২০০৭ সালের কর্ম পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত ছিল।সমগ্র সুদানের মাথাপিছু জিডিপি ১২০০ মার্কিন ডলার (৩.২৯ মার্কিন ডলার/দিন) হওয়া সত্ত্বেও, দক্ষিণ সুদানের জনসংখ্যার ৯০%

% এরও বেশি দৈন১ ডলারের এর কম আয় করে। <ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://fifthinternational.org/content/support-freedom-southern-sudan-and-fight-workers-unity-against-imperialism|শিরোনাম=Support freedom for Southern Sudan and fight for workers' unity against imperialism|শেষাংশ=Ambler|প্রথমাংশ=Sean|তারিখ=10 January 2011|কর্ম=[[League for the Fifth International]]|সংগ্রহের-তারিখ=24 July 2011|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20140709140536/http://fifthinternational.org/content/support-freedom-southern-sudan-and-fight-workers-unity-against-imperialism|আর্কাইভের-তারিখ=9 July 2014|ইউআরএল-অবস্থা=live}}</ref>


২০০৭ সালে, জাতিসংঘের ওসিএইচএ (এলিয়ান ডুথোইটের নেতৃত্বে) দক্ষিণ সুদানে তার সম্পৃক্ততা হ্রাস করে, কারণ মানবিক চাহিদাগুলি ধীরে ধীরে হ্রাস পায়, ধীরে ধীরে তবে এনজিও এবং সম্প্রদায়-ভিত্তিক সংস্থাগুলির পুনরুদ্ধার এবং উন্নয়ন কার্যক্রমের নিয়ন্ত্রণের দিকে মনোনিবেশ করে।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.irinnews.org/Report.aspx?ReportId=71676|শিরোনাম=SUDAN: Peace bolsters food security in the south|তারিখ=18 April 2007|কর্ম=[[The New Humanitarian|IRIN]]|সংগ্রহের-তারিখ=24 July 2011|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20100828092901/http://www.irinnews.org/Report.aspx?ReportId=71676|আর্কাইভের-তারিখ=28 August 2010|ইউআরএল-অবস্থা=dead}}</ref>

২০১১ সালের মাঝামাঝি সময়ে উত্তর বাহর এল গজল এবং ওয়ারাপ রাজ্যে দুর্ভিক্ষের কারণে মৃত্যু হয়েছিল বলে জানা গেছে। যদিও উভয়ের রাজ্য সরকারই ক্ষুধার কথা অস্বীকার করেছিল, তবে তা মৃত্যুর কারণ হওয়ার পক্ষে যথেষ্ট গুরুতর ছিল।

। <ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.sudantribune.com/South-Sudan-s-N-Bahr-el-Ghazal,39863|শিরোনাম=South Sudan's N. Bahr el Ghazal denies reports that hunger caused death|তারিখ=17 August 2011|সংগ্রহের-তারিখ=18 August 2011|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20110921161921/http://www.sudantribune.com/South-Sudan-s-N-Bahr-el-Ghazal,39863|আর্কাইভের-তারিখ=21 September 2011|ইউআরএল-অবস্থা=dead|এজেন্সি=Sudan Tribune}}</ref>


২০১১ সালের ডিসেম্বর এবং ২০১২ সালের জানুয়ারী মাসে জংলেই রাজ্যে অবস্থিত পিবর কাউন্টিতে, গবাদি পশুর অভিযানের ফলে সীমান্তে সংঘর্ষ শুরু হয় যা শেষ পর্যন্ত ব্যাপক জাতিগত সহিংসতায় পরিণত হয়, যার ফলে হাজার হাজার লোক মারা যায় এবং দক্ষিণ সুদানের হাজার হাজার লোক বাস্তুচ্যুত হয় এবং শত শত মেডেকিনস সানস ফ্রন্টিয়ারেস কর্মী নিখোঁজ হয়। সরকার এলাকাটিকে একটি দুর্যোগ অঞ্চল হিসাবে ঘোষণা করে এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে। <ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://web1.globalpost.com/dispatch/news/regions/africa/120105/south-sudan-news-ethnic-clashes-must-be-solved-long-term|শিরোনাম=South Sudan News: Ethnic clashes must be solved in the long term|শেষাংশ=Meldrum|প্রথমাংশ=Andrew|তারিখ=6 January 2012|কর্ম=GlobalPost|সংগ্রহের-তারিখ=6 January 2012|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20120205004734/http://web1.globalpost.com/dispatch/news/regions/africa/120105/south-sudan-news-ethnic-clashes-must-be-solved-long-term|আর্কাইভের-তারিখ=5 February 2012}}</ref>দক্ষিণ সুদানে [[বাল্যবিবাহ|বাল্যবিবাহের]] হার অনেক বেশি। <ref>According to the WHO: "The 10 countries with the highest rates of child marriage are: Niger, 75%; Chad and Central African Republic, 68%; Bangladesh, 66%; Guinea, 63%; Mozambique, 56%; Mali, 55%; Burkina Faso and South Sudan, 52%; and Malawi, 50%. </ref>দেশটিতে নারীর প্রতি সহিংসতা খুবই সাধারণ বিষয় এবং দক্ষিণ সুদানের আইন ও নীতিকে সুরক্ষা প্রদানের ক্ষেত্রে অপর্যাপ্ত বলে সমালোচনা করা হয়েছে। <ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=Archived copy|ইউআরএল=http://www.smallarmssurveysudan.org/fileadmin/docs/facts-figures/south-sudan/womens-security/HSBA-women-security-law.pdf|ইউআরএল-অবস্থা=dead|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20140826115725/http://www.smallarmssurveysudan.org/fileadmin/docs/facts-figures/south-sudan/womens-security/HSBA-women-security-law.pdf|আর্কাইভের-তারিখ=26 August 2014|সংগ্রহের-তারিখ=24 August 2014}}</ref> <ref>Inter-Agency Standing Committee (2014). </ref>

=== পানির সংকট ===
{{অধিকতর|দক্ষিণ সুদানে পানি সরবরাহ}}দক্ষিণ সুদানে পানি সরবরাহ অনেক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে। যদিও শ্বেত নদ দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়, তবে নদীর উপর অবস্থিত নয় এমন অঞ্চলে শুষ্ক মৌসুমে জলের অভাব রয়েছে।

প্রায় অর্ধেক জনসংখ্যার এক কিলোমিটারের মধ্যে একটি সুরক্ষিত কূপ, স্ট্যান্ডপাম্প বা হ্যান্ডপাম্প হিসাবে সংজ্ঞায়িত একটি [[মানসম্মত পানির উৎস|উন্নত পানির উত্সে]]<nowiki/>র প্রবেশ নেই।বিদ্যমান কয়েকটি পাইপযুক্ত পানি সরবরাহ ব্যবস্থা প্রায়শই ভালভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা হয় না এবং এগুলি যে পানি সরবরাহ করে তা প্রায়শই পান করার জন্য নিরাপদ নয়।বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিরা ঘরে ফিরে আসা অবকাঠামোর উপর একটি বিশাল চাপ সৃষ্টি করে এবং এই খাতের দায়িত্বে থাকা সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হয়ে পড়ে। পানি সরবরাহের উন্নতির জন্য অসংখ্য সরকারি সংস্থা এবং বেসরকারি সংস্থার কাছ থেকে উল্লেখযোগ্য বাহ্যিক তহবিল পাওয়া যায়।

অনেক বেসরকারী সংস্থা দক্ষিণ সুদানে পানি সরবরাহে সমর্থন করে, যেমন ওয়াটার ইজ বেসিক, ওয়াটার ফর সাউথ সুদান, ওবাক্কি ফাউন্ডেশন <ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|প্রকাশক=ObakkiFoundation.com|শিরোনাম=Obakki Foundation|ইউআরএল=https://obakkifoundation.org/projects|ইউআরএল-অবস্থা=live|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20190120004231/https://obakkifoundation.org/projects/|আর্কাইভের-তারিখ=20 January 2019|সংগ্রহের-তারিখ=2 May 2013}}</ref> এবং উত্তর আমেরিকা থেকে ব্রিজটন -লেক অঞ্চল রোটারি ক্লাব <ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|প্রকাশক=Lakeregionrotary.com|শিরোনাম=Rotary Club of Bridgton Lake-Region|ইউআরএল=http://lakeregionrotary.com|ইউআরএল-অবস্থা=live|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20190611161653/https://www.lakeregionrotary.com/|আর্কাইভের-তারিখ=11 June 2019|সংগ্রহের-তারিখ=2 May 2013}}</ref> ।

=== উদ্বাস্তু ===
[[File:The_scale_of_the_problem_Jamam_refugee_camp_from_the_air_(6972523516).jpg|থাম্ব|জাম শরণার্থী শিবির]]

২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত, দক্ষিণ সুদান ২৩০,০ এরও বেশি শরণার্থীর আশ্রয় নিয়েছিল, দারফুর যুদ্ধের কারণে ২০৯,০০০ এরও বেশি লোক সম্প্রতি সুদান থেকে এসেছিল।অন্যান্য আফ্রিকান দেশগুলি যা দক্ষিণ সুদানে সবচেয়ে বেশি শরণার্থী অবদান রাখে সেগুলি হল মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, ইথিওপিয়া এবং কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র। <ref name="UNHCR Regional Update">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|তারিখ=2 February 2014|প্রকাশক=UNHCR|শিরোনাম=South Sudan Emergency Situation-Regional Update|ইউআরএল=http://data.unhcr.org/SouthSudan/download.php?id=832|ইউআরএল-অবস্থা=live|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20140222140349/http://data.unhcr.org/SouthSudan/download.php?id=832|আর্কাইভের-তারিখ=22 February 2014|সংগ্রহের-তারিখ=14 February 2014}}</ref>2013 সালের ডিসেম্বরে শুরু হওয়া যুদ্ধের ফলস্বরূপ, 2.3 মিলিয়নেরও বেশি লোক - দক্ষিণ সুদানে প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন - তাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে, যার মধ্যে 1.66 মিলিয়ন অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত মানুষ (53.4 শতাংশ অনুমান করা হয়েছে শিশু ছিল) ) এবং প্রতিবেশী দেশগুলিতে প্রায় 644,900 শরণার্থী।প্রায় 185,000 অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত মানুষ (আইডিপি) ইউএন প্রটেকশন অফ সিভিলিয়ানস (পিওসি) সাইটে আশ্রয় চেয়েছে, যেখানে প্রায় 90 শতাংশ আইডিপি পলাতক বা PoC সাইটের বাইরে আশ্রয় নিয়েছে। <ref name="reliefweb">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|তারিখ=5 January 2016|শিরোনাম=2016 South Sudan Humanitarian Needs Overview|ইউআরএল=https://reliefweb.int/report/south-sudan/2016-south-sudan-humanitarian-needs-overview|ইউআরএল-অবস্থা=live|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20171227235414/https://reliefweb.int/report/south-sudan/2016-south-sudan-humanitarian-needs-overview|আর্কাইভের-তারিখ=27 December 2017|সংগ্রহের-তারিখ=27 December 2017|ওয়েবসাইট=[[United Nations Office for the Coordination of Humanitarian Affairs|UN Office for the Coordination of Humanitarian Affairs]]}}<cite class="citation web cs1" data-ve-ignore="true">[https://reliefweb.int/report/south-sudan/2016-south-sudan-humanitarian-needs-overview "2016 South Sudan Humanitarian Needs Overview"]. </cite></ref>ফলস্বরূপ, UNHCR মানবিক সমন্বয়কারীর নেতৃত্বে একটি আন্তঃ-এজেন্সি সহযোগিতামূলক পদ্ধতির মাধ্যমে এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (IOM)-এর সাথে কাজ করে তার প্রতিক্রিয়া বাড়াচ্ছে।2013 সালের ফেব্রুয়ারির শুরুতে, UNHCR দক্ষিণ সুদানের মালাকালের জাতিসংঘ ঘাঁটির বাইরে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ শুরু করে, যা 10,000 লোকে পৌঁছানোর আশা করা হয়েছিল। <ref name="UNHCR Regional Update" />

=== 2017 দুর্ভিক্ষ ===
{{অধিকতর|2017 South Sudan famine}}২০১৭ সালের ২০ শে ফেব্রুয়ারী দক্ষিণ সুদান এবং জাতিসংঘ প্রাক্তন ইউনিটি রাজ্যের কিছু অংশে দুর্ভিক্ষ ঘোষণা করে এবং সতর্ক করে দেয় যে এটি পরবর্তী পদক্ষেপ ছাড়াই দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।১০০,০০০ এরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।[[বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি|জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি]] বলেছে যে দক্ষিণ সুদানের জনসংখ্যার ৪০% অর্থাৎ ৪৯ লাখ মানুষের জরুরি ভিত্তিতে খাদ্যের প্রয়োজন। <ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|তারিখ=20 February 2017|প্রকাশক=World Food Programme|শিরোনাম=Famine Hits Parts of South Sudan|ইউআরএল=https://www.wfp.org/news/news-release/famine-hits-parts-south-sudan|ইউআরএল-অবস্থা=live|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20170221105459/https://www.wfp.org/news/news-release/famine-hits-parts-south-sudan|আর্কাইভের-তারিখ=21 February 2017|সংগ্রহের-তারিখ=21 February 2017}}</ref> <ref name="BBC">{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.bbc.com/news/world-africa-39025927|শিরোনাম=South Sudan declares famine in Unity State|তারিখ=20 February 2017|কর্ম=BBC News|সংগ্রহের-তারিখ=21 July 2018|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20180722044156/https://www.bbc.com/news/world-africa-39025927|আর্কাইভের-তারিখ=22 July 2018|ইউআরএল-অবস্থা=live}}</ref>জাতিসংঘের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে প্রেসিডেন্ট সালভা কির মায়ার্দিত কিছু এলাকায় খাদ্য সরবরাহে বাধা দিচ্ছেন। <ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|তারিখ=20 February 2017|প্রকাশক=WHIO|শিরোনাম=Famine declared in part of South Sudan by government and UN|ইউআরএল=http://www.whio.com/news/world/famine-declared-part-south-sudan-government-and/ZT9UT22sGQUWxH1w5rIjYJ/|ইউআরএল-অবস্থা=dead|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20170221105314/http://www.whio.com/news/world/famine-declared-part-south-sudan-government-and/ZT9UT22sGQUWxH1w5rIjYJ/|আর্কাইভের-তারিখ=21 February 2017}}</ref>অধিকন্তু, ইউনিসেফ সতর্ক করেছে যে দক্ষিণ সুদানে 1 মিলিয়নেরও বেশি শিশু অপুষ্টির শিকার হয়েছে। <ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.cnn.com/2017/02/20/africa/south-sudan-famine/index.html|শিরোনাম=Famine declared in South Sudan|শেষাংশ=Sevenzo|প্রথমাংশ=Farai|কর্ম=CNN|সংগ্রহের-তারিখ=7 March 2017|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20170307014524/http://www.cnn.com/2017/02/20/africa/south-sudan-famine/index.html|আর্কাইভের-তারিখ=7 March 2017|ইউআরএল-অবস্থা=live|শেষাংশ২=Jones|প্রথমাংশ২=Bryony}}</ref>

পতনশীল আর্মিওয়ার্মের প্রাদুর্ভাব ২০১৭ সালের জুলাইয়ের মধ্যে জোরা এবং ভুট্টা উৎপাদনকে আরও হুমকির মুখে ফেলেছিল। <ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=FAO trains village facilitators to fight Fall Armyworm in South Sudan &#124; FAO in South Sudan &#124; Food and Agriculture Organization of the United Nations|ইউআরএল=http://www.fao.org/south-sudan/news/detail-events/en/c/1145120/|ইউআরএল-অবস্থা=live|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20180720110207/http://www.fao.org/south-sudan/news/detail-events/en/c/1145120/|আর্কাইভের-তারিখ=20 July 2018|সংগ্রহের-তারিখ=20 July 2018}}</ref>


== তথ্যসূত্র ==
== তথ্যসূত্র ==

০১:৪৬, ২৫ মার্চ ২০২২ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ

দক্ষিণ সুদান প্রজাতন্ত্র

দক্ষিণ সুদানের জাতীয় পতাকা
পতাকা
দক্ষিণ সুদানের কুলচিহ্ন
কুলচিহ্ন
নীতিবাক্য: "ন্যায়বিচার, স্বাধীনতা, সমৃদ্ধি"
জাতীয় সঙ্গীত: "সাউথ সুদান ওয়ি!"
গাঢ় সবুজে দক্ষিণ সুদান, হালকা সবুজে বিতর্কিত অঞ্চল
রাজধানী
ও বৃহত্তম নগরী বা বসতি
জুবা
০৪°৫১′ উত্তর ৩১°৩৬′ পূর্ব / ৪.৮৫০° উত্তর ৩১.৬০০° পূর্ব / 4.850; 31.600
সরকারি ভাষাইংরেজি[১]
স্বীকৃত জাতীয় ভাষা
এবং প্রায় ৬০টি অন্যান্য ভাষা
[note ১]
কথ্য ভাষাসমূহ[৭]
ধর্ম
(২০২০)[৮]
জাতীয়তাসূচক বিশেষণদক্ষিণ সুদানি
সরকারফেডারেল অস্থায়ী সরকার[৯]
সালভা কির মায়ারডিত
রিক মাচার
জেম্মা নুনু কুম্বা
চ্যান রিক মাদুত
আইন-সভাপরিবর্তনকালীন জাতীয় আইনসভা
অঙ্গরাজ্য কাউন্সিল
পরিবর্তনকালীন জাতীয় আইনসভা পরিষদ
প্রতিষ্ঠিত
১০৭০ বি.সি.
১৮৮৫
১৮৯৯
• স্বাধীনতা এবং অ্যাংলো-মিশরীয় শাসনের সমাপ্তি
১ জানুয়ারি ১৯৫৬
৬ জানুয়ারি ২০০৫
৯ জুলাই ২০০৫
• যুক্তরাজ্যমিশরের সুদান থেকে স্বাধীনতা
৯ জুলাই ২০১১
১৩ জুলাই ২০১১
আয়তন
• মোট
৬,৪৪,৩২৯ কিমি (২,৪৮,৭৭৭ মা) (৪১তম)
জনসংখ্যা
• ২০১৯ আনুমানিক
১২,৭৭৮,২৫০ (৭৫তম)
• ২০০৮ আদমশুমারি
8,260,490 (বিতর্কিত)[১০]
• ঘনত্ব
১৩.৩৩/কিমি (৩৪.৫/বর্গমাইল) (২১৪তম)
জিডিপি (পিপিপি)২০১৮ আনুমানিক
• মোট
১৮.৪৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার[১১]
• মাথাপিছু
১,৪২০ মার্কিন ডলার[১১] (২২২তম)
জিডিপি (মনোনীত)২০১৮ আনুমানিক
• মোট
৩.১৯৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার[১১]
• মাথাপিছু
২৪৬ মার্কিন ডলার[১১]
জিনি (২০১৬)ধনাত্মক হ্রাস ৪৪.১[১২]
মাধ্যম
মানব উন্নয়ন সূচক (২০১৯)বৃদ্ধি ০.৪৩৩[১৩]
নিম্ন · ১৮৫তম
মুদ্রাদক্ষিণ সুদানীয় পাউন্ড (SSP)
সময় অঞ্চলইউটিসি+২ (কেন্দ্রীয় আফ্রিকার সময়)
তারিখ বিন্যাসdd/mm/yyyy
গাড়ী চালনার দিকডানদিকে[১৪]
কলিং কোড+211[১৫]
আইএসও ৩১৬৬ কোডSS
ইন্টারনেট টিএলডি.ss[১৬]a
  1. নিবন্ধিত, কিন্তু এখনও কার্যকর নয়।
ইউনিটি রাজ্যের ইয়িডা শরণার্থী শিবিরে বাচ্চাদের খেলাধুলা করতে দেখা যাচ্ছে।

দক্ষিণ সুদান বা সাউথ সুদান (/ˌsθ sˈdæn/ (শুনুন) or /sˈdɑːn/), সরকারি নাম রিপাবলিক অফ সাউথ সুদান[১৭] এবং আগেকার নাম সাউদার্ন সুদান, হল পূর্ব-মধ্য আফ্রিকার একটি রাষ্ট্র।[১৭] বর্তমান রাজধানী জুবা। এটিই দেশের বৃহত্তম শহর। তবে ভবিষ্যতে দেশের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত রামসিয়েল শহরে রাজধানী স্থানান্তরণের পরিকল্পনা রয়েছে।[১৮] দক্ষিণ সুদানের পূর্বদিকে ইথিওপিয়া, দক্ষিণ-পূর্বে কেনিয়া, দক্ষিণে উগান্ডা, দক্ষিণ-পশ্চিমে কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, পশ্চিমে মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র এবং উত্তরে সুদান। শ্বেতনীল নদের সৃষ্ট বিরাট জলাভূমি অঞ্চল এই দেশের অন্তর্গত; এই অঞ্চলটির স্থানীয় নাম "বার আল জাবাল"।

ইতিহাস

দক্ষিণ সুদানের নিলোটিক লোক— ডিনকা, আনুয়াক, বারি, আচোলি, নুয়ের, শিলুক, কালিগি (আরবি ফেরোঘে), এবং অন্যান্যরা- মধ্যযুগীয় নুবিয়ার পতনের সাথে একত্রে দশম শতাব্দীর কিছু আগে দক্ষিণ সুদানে প্রথম প্রবেশ করেছিল।পঞ্চদশ থেকে ঊনবিংশ শতাব্দী পর্যন্ত, বাহর এল গজল অঞ্চল থেকে উপজাতীয় অভিবাসনগুলি আনুয়াক, ডিনকা, নুয়ের এবং শিল্লুককে বাহর এল গজল এবং উচ্চ নীল অঞ্চলে তাদের আধুনিক অবস্থানে নিয়ে আসে, যখন আচোলি এবং বারি নিরক্ষীয় অঞ্চলে বসতি স্থাপন করেছিল। জান্দে, মুন্ডু, আউকায়া এবং বাকা, যারা ষোড়শ শতাব্দীতে দক্ষিণ সুদানে প্রবেশ করেছিল, তারা এই অঞ্চলের বৃহত্তম রাজ্য নিরক্ষীয় অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করেছিল।

দক্ষিণ সুদানের জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে ডিনকা বৃহত্তম, নুয়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম, জান্দে তৃতীয় বৃহত্তম এবং বারি চতুর্থ বৃহত্তম।এদের পশ্চিম নিরক্ষীয় অঞ্চলের ক্রান্তীয় অতিবৃষ্টি অরণ্য বলয়ের মারিডি, ইয়াম্বিও ও টোম্বুরা জেলায় এবং ইয়েই, মধ্য নিরক্ষীয় এবং পশ্চিম বাহর এল গজলের আজান্দে আশ্রিতদের অ্যাডিওতে পাওয়া যায়।অষ্টাদশ শতাব্দীতে আভাঙ্গারা সিব আজানদে সমাজের বাকি অংশের উপর ক্ষমতায় আসে, একটি আধিপত্য যা বিংশ শতাব্দী পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। [১৯]১৯২২ সালের ক্লোজড ডিস্ট্রিক্ট অর্ডিন্যান্সের মতো খ্রিস্টান মিশনারিদের পক্ষে ব্রিটিশ নীতিগুলি (অ্যাংলো-মিশরীয় সুদানের ইতিহাস দেখুন), এবং ভৌগলিক বাধা যেমন শ্বেত নীল নদ বরাবর জলাভূমি দক্ষিণে ইসলামের বিস্তারকে হ্রাস করে, এইভাবে দক্ষিণের উপজাতিদের তাদের বেশিরভাগ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, পাশাপাশি তাদের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলি ধরে রাখতে দেয়।

সুদানে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক নীতিতে আরব উত্তরের উন্নয়নের উপর জোর দেওয়ার দীর্ঘ ইতিহাস ছিল এবং মূলত দক্ষিণের কৃষাঙ্গ আফ্রিকানদের উপেক্ষা করা হয়েছিল, যেখানে বিদ্যালয়, হাসপাতাল, রাস্তা, সেতু এবং অন্যান্য মৌলিক অবকাঠামোর অভাব ছিল।১৯৫৮ সালে সুদানের প্রথম স্বাধীন নির্বাচনের পর খার্তুম সরকার কর্তৃক দক্ষিণাঞ্চলের ক্রমাগত অবহেলার ফলে অভ্যুত্থান, বিদ্রোহ এবং এই মহাদেশের দীর্ঘতম গৃহযুদ্ধ শুরু হয়েছিল। [২০] [২১]সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে রয়েছে ডিনকা, নুয়ের, শিল্লুক, অনুয়াক , মুরি, বারি,

মুন্ডারি, বাকা, বালান্দা বিভিরি, বোয়া, দিডিঙ্গা, জিয়া, কালিগ , কুকু, লোটুকা, নিলোটিক, তোপোসা এবং জানদে । [২২]


ইতিহাস জুড়ে দাসত্ব সুদানী জীবনের একটি প্রচলন ছিল। ঊনবিংশ শতাব্দীতে দক্ষিণে ক্রীতদাস বাণিজ্য তীব্রতর হয় এবং ব্রিটিশরা সাব-সাহারান আফ্রিকার বেশিরভাগ অংশে দাসত্ব দমন করার পরেও অব্যাহত ছিল।অমুসলিম অঞ্চলগুলিতে বার্ষিক সুদানী দাস অভিযানের ফলে অগণিত হাজার হাজার দক্ষিণ সুদানীকে বন্দী করা হয় এবং এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতা ও অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে যায়।

Profile of John Garang
জন গ্যারাং ডি মাবিওর ২০০৫ সালে তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সুদান পিপলস লিবারেশন আর্মির নেতৃত্ব দেন।

অষ্টাদশ শতাব্দী তাদের রাজা গবুডওয়ের সম্প্রসারণবাদী নীতির কারণে আজান্দেদের পার্শবএএর প্রতিবেশী, যেমন মোরু, মুন্ডু, পোজুলু, আউকায়া, বাকা এবং বাহর এল গজলের ছোট দলগুলির সাথে ভাল সম্পর্ক ছিল।আজান্দে তাদের স্বাধীনতা বজায় রাখার জন্য ফরাসি, বেলজিয়ান এবং মাহদিস্টদের সাথে যুদ্ধ করেছিল।খেদিভ ইসমাইল পাশার শাসনামলে উসমানীয় মিশর ১৮৭০-এর দশকে প্রথম এই অঞ্চলটি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করে, দক্ষিণ অংশে নিরক্ষীয় প্রদেশ প্রতিষ্ঠা করে।মিশরের প্রথম নিযুক্ত গভর্নর ছিলেন স্যামুয়েল বেকার, যিনি ১৮৬৯ সালে কমিশন পেয়েছিলেন, তারপরে ১৮৭৪ সালে চার্লস জর্জ গর্ডন এবং ১৮৭৮ সালে এমিন পাশা। [২৩]

১৮৮০-এর মাহদিস্ট বিদ্রোহ নতুন প্রদেশটিকে অস্থিতিশীল করে তোলে এবং ১৮৮৯ সালে নিরক্ষীয় একটি মিশরীয় ফাঁড়ি হিসাবে অস্তিত্ব বন্ধ করে দেয়।নিরক্ষীয় অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ বসতিগুলির মধ্যে রয়েছে লাডো, গন্ডোকোরো, ডুফাইল এবং ওয়াদেলাই।এই অঞ্চলে ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক কৌশলগুলি ১৮৯৮ সালে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে, যখন ফাশোদা ঘটনা বর্তমান কোডোকে সংঘটিত হয়; ব্রিটেন ও ফ্রান্স এই অঞ্চল নিয়ে প্রায় যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছিল। [২৩]১৯৪৭ সালে, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের অংশ হিসাবে পশ্চিম ইকুয়েটোরিয়া ছেড়ে যাওয়ার সময় উগান্ডার সাথে দক্ষিণ সুদানে যোগ দেওয়ার ব্রিটিশ আশা উত্তর ও দক্ষিণ সুদানকে একত্রিত করার জন্য রাজাফ সম্মেলনের দ্বারা ধূলিসাৎ হয়ে যায়।

দক্ষিণ সুদানের আনুমানিক জনসংখ্যা ৮ মিলিয়ন, [২৪] কিন্তু, কয়েক দশকে আদমশুমারির অভাবের কারণে এই অনুমান মারাত্মকভাবে বিকৃত হতে পারে।অর্থনীতি প্রধানত গ্রামীণ এবং প্রধানত জীবিকা নির্বাহের উপর নির্ভরশীল। [২৪]২০০৫ সালের দিকে, অর্থনীতি এই গ্রামীণ আধিপত্য থেকে একটি রূপান্তর শুরু করে এবং দক্ষিণ সুদানের মধ্যে শহুরে এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন দেখা গেছে।

সুদানের স্বাধীনতার পর থেকে এই অঞ্চলটি দুটি গৃহযুদ্ধ দ্বারা নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত হয়েছে: ১৯৫৫ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত, সুদানের সরকার প্রথম সুদানের গৃহযুদ্ধের সময় আনিয়া বিদ্রোহী সেনাবাহিনীর (আনিয়া-নিয়া মাদি ভাষায় একটি শব্দ যার অর্থ "সাপের বিষ") বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল, তারপরে ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে দ্বিতীয় সুদানের গৃহযুদ্ধে সুদান পিপলস লিবারেশন আর্মি / মুভমেন্ট (এসপিএলএ/এম) দ্বারা অনুসরণ করা হয়েছিল।

ফলস্বরূপ, দেশটি গুরুতর অবহেলা, অবকাঠামোগত উন্নয়নের অভাব এবং বড় ধরনের ধ্বংস ও স্থানচ্যুতির শিকার হয়েছিল। ২.৫ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে এবং আরও লক্ষ লক্ষ দেশের ভিতরে ও বাইরে উদ্বাস্তু হয়েছে।

স্বাধীনতা (২০১১)

স্বাধীনতা উৎসবে দক্ষিণ সুদানের এক মেয়ে

২০১১ সালের ৯ থেকে ১৫ জানুয়ারির মধ্যে, দক্ষিণ সুদানকে একটি স্বাধীন দেশ এবং সুদান থেকে পৃথক করা উচিত কিনা তা নির্ধারণের জন্য একটি গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে জনসংখ্যার ৯৮.৮৩% স্বাধীনতার পক্ষে ভোট দিয়েছিল। [২৫]২০১১ সালের ২৩ শে জানুয়ারী, স্বাধীনতা-পরবর্তী সরকার সম্পর্কিত একটি স্টিয়ারিং কমিটির সদস্যরা সাংবাদিকদের বলেছিলেন যে স্বাধীনতার পরে এই জমিটি "পরিচিতি এবং সুবিধার বাইরে" দক্ষিণ সুদান প্রজাতন্ত্র নামে নামকরণ করা হবে।অন্যান্য যে নামগুলো বিবেচনা করা হয়েছিল সেগুলো হল আজানিয়া, নীল প্রজাতন্ত্র, কুশ প্রজাতন্ত্র এবং এমনকি জুওয়ামা, জুবা, ওয়াউ এবং মালাকালের তিনটি প্রধান শহর।

[২৬]

দক্ষিণ সুদান আনুষ্ঠানিকভাবে ৯ জুলাই সুদান থেকে স্বাধীন হয়, যদিও তেল রাজস্বের বিভাজন সহ কিছু বিরোধ এখনও রয়ে গেছে, কারণ সাবেক সুদানের সমস্ত তেলের মজুদের ৭৫% দক্ষিণ সুদানে রয়েছে।[২৭]আবেই অঞ্চলটি এখনও বিরোধপূর্ণ রয়ে গেছে এবং তারা সুদান বা দক্ষিণ সুদানে যোগ দিতে চায় কিনা তা নিয়ে আবেইতে একটি পৃথক গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।[২৮]নুবা পর্বতমালাকে কেন্দ্র করে সুদানের সেনাবাহিনী এবং এসপিএলএ-এর মধ্যে ২০১১ সালের জুনে দক্ষিণ কর্ডোফান দ্বন্দ্ব শুরু হয়।


২০১১ সালের ৯ জুলাই, দক্ষিণ সুদান আফ্রিকার ৫৪তম স্বাধীন দেশ হয় [২৯] ((৯ জুলাই এখন স্বাধীনতা দিবস, একটি জাতীয় ছুটির দিন হিসাবে উদযাপিত হয়) [৩০] এবং ২০১১ সালের ১৪ জুলাই থেকে দক্ষিণ সুদান জাতিসংঘের ১৯৩তম সদস্য।

[৩১]

২০১১ সালের ২৭ জুলাই দক্ষিণ সুদান ৫৪তম দেশ হিসেবে আফ্রিকান ইউনিয়নে যোগদান করে।[৩২] [৩৩]২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে, একটি বিশাল ক্রাউডসোর্সিং ম্যাপিং উদ্যোগ চালু হওয়ার পরে, গুগল ম্যাপস দক্ষিণ সুদানকে একটি স্বাধীন দেশ হিসাবে স্বীকৃতি দেয়। [৩৪]


২০১১ সালে জানা যায় যে দক্ষিণ সুদান তার ১০ টি রাজ্যের মধ্যে ৯ টিতে কমপক্ষে সাতটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সাথে যুদ্ধে লিপ্ত ছিল, যার ফলে হাজার হাজার লোক বাস্তুচ্যুত হয়েছিল।[৩৫]যোদ্ধারা অভিযোগ করে যে সরকার অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্ষমতায় থাকার ষড়যন্ত্র করছে, গ্রামীণ এলাকায় উন্নয়নকে উপেক্ষা করে সব উপজাতীয় গোষ্ঠীর ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব ও সমর্থন করছে না। [৩৫] [৩৬]জোসেফ কোনির লর্ডস রেজিস্ট্যান্স আর্মি (এলআরএ) দক্ষিণ সুদানের অন্তর্ভুক্ত একটি বিস্তৃত এলাকায়ও কাজ করে।

আন্তঃ-জাতিগত যুদ্ধ যা কিছু ক্ষেত্রে স্বাধীনতা যুদ্ধের পূর্বাভাস দেয় তা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।২০১১ সালের ডিসেম্বরে, জংলেইতে উপজাতীয় সংঘর্ষ লউ নুয়ের এবং মুরেলের নুয়ার হোয়াইট আর্মির মধ্যে তীব্রতর হয়ে ওঠে।[৩৭]হোয়াইট আর্মি সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, তারা মুরেলকে নিশ্চিহ্ন করে দেবে এবং পিবরের আশেপাশের এলাকায় পাঠানো দক্ষিণ সুদানী ও জাতিসংঘ বাহিনীর বিরুদ্ধেও লড়াই করবে।[৩৮]

২০১২ সালের মার্চ মাসে, দক্ষিণ সুদানের বাহিনী দক্ষিণ সুদানের ইউনিটি রাজ্যে সুদানী বাহিনীর সাথে সংঘাতের পরে দক্ষিণ কোর্দোফান প্রদেশে সুদান ও দক্ষিণ সুদান উভয়ের দ্বারা দাবিকৃত ভূমিতে হেগলিগ তেল ক্ষেত্রগুলি দখল করে নেয়।[৩৯]দক্ষিণ সুদান ২০ মার্চ প্রত্যাহার করে এবং সুদানী সেনাবাহিনী দুই দিন পরে হেগলিগে প্রবেশ করে।

গৃহযুদ্ধ (2013-2020)

Military situation in South Sudan on 22 March 2020
  Under control of the Government of South Sudan
  Under control of the Government of Sudan

২০১৩ সালের ডিসেম্বরে, রাষ্ট্রপতি কির এবং তার সাবেক ডেপুটি রিক মাচারের মধ্যে একটি রাজনৈতিক ক্ষমতার লড়াই শুরু হয়, কারণ রাষ্ট্রপতি মাচার এবং আরও দশজনকে একটি অভ্যুত্থান প্রচেষ্টার জন্য অভিযুক্ত করেছিলেন। [৪০]দক্ষিণ সুদানের গৃহযুদ্ধকে প্রজ্বলিত করে যুদ্ধ শুরু হয়।বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে দক্ষিণ সুদানের সরকারী বাহিনীর পাশাপাশি লড়াই করার জন্য উগান্ডার সেনা মোতায়েন করা হয়েছিল। [৪১]দক্ষিণ সুদানে জাতিসংঘ মিশনের (UNMISS) অংশ হিসেবে দেশটিতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষীরা রয়েছে।সুদান পিপলস লিবারেশন মুভমেন্ট (SPLM) এবং SPLM - বিরোধীদের মধ্যে ইন্টারগভর্নমেন্টাল অথরিটি অন ডেভেলপমেন্ট ( IGAD ) দ্বারা মধ্যস্থতা করা হয়েছিল এবং পরবর্তীতে ভেঙে দেওয়া হয়েছিল।২০১৫ সালের আগস্টে উভয় পক্ষের জন্য জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞার হুমকির মুখে ইথিওপিয়ায় একটি শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।[৪২] মাচার ২০১৬ সালে জুবায় ফিরে আসেন এবং উপরাষ্ট্রপতি নিযুক্ত হন। [৪৩]জুবায় দ্বিতীয়বার সহিংসতা শুরু হওয়ার পর, মাচারকে উপরাষ্ট্রপতি হিসেবে স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছিল এবং সংঘাত আবার শুরু হওয়ায় তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। [৪৪] [৪৫] বিদ্রোহী-যুদ্ধ সংঘাতের একটি প্রধান অংশ হয়ে উঠেছে। [৪৬]রাষ্ট্রপতি এবং মালং আওয়ানের নেতৃত্বে ডিঙ্কা গোষ্ঠীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতাও লড়াইয়ের দিকে নিয়ে যায়।২০১৮ সালের আগস্টে আরেকটি ক্ষমতা ভাগাভাগি চুক্তি কার্যকর হয়।[৪৭]

২০১৪ সালের বেন্টিউ গণহত্যার[৪৮] মতো উল্লেখযোগ্য নৃশংসতা সহ যুদ্ধে প্রায় ৪০০,০ লোক নিহত হয়েছিল বলে অনুমান করা হয়।[৪৯]যদিও উভয়েরই দক্ষিণ সুদানের জাতিগত বিভাজনের ওপারের সমর্থক রয়েছে, পরবর্তী লড়াইটি সাম্প্রদায়িক হয়েছে, বিদ্রোহীরা কিরের ডিঙ্কা জাতিগত গোষ্ঠীর সদস্যদের লক্ষ্য করে এবং সরকারী সৈন্যরা নুয়ার্সকে আক্রমণ করেছে।[৫০]৪০ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে, যাদের মধ্যে প্রায় ১.৮ মিলিয়ন অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং প্রায় ২.৫ মিলিয়ন প্রতিবেশী দেশ, বিশেষ করে উগান্ডা ও সুদানে পালিয়ে গেছে।[৫১]

২০২০ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি, সালভা কির মায়ারডিট এবং রিক মাচার একটি শান্তি চুক্তিতে সম্মত হন[৫২] এবং ২০২০ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি একটি জাতীয় ঐক্য সরকার গঠন করেন।[৫৩]

ব্যুৎপত্তি

সুদান নামটি পশ্চিম আফ্রিকা থেকে পূর্ব মধ্য আফ্রিকা পর্যন্ত বিস্তৃত সাহারার দক্ষিণে একটি ভৌগোলিক অঞ্চলকে দেওয়া একটি নাম। নামটি আরবি বিলাদ আস-সুদান (بلاد السودان) বা "কালোদের দেশ" থেকে এসেছে।

সরকার এবং রাজনীতি

সরকার

সালভা কির মায়ারডিত, দক্ষিণ সুদানের প্রথম রাষ্ট্রপতি। তার ট্রেডমার্ক স্টেটসন টুপি ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি জর্জ ডব্লিউ বুশের কাছ থেকে পাওয়া একটি উপহার।
স্বাধীনতা দিবসে দক্ষিণ সুদানের রাষ্ট্রপতির প্রহরী, ২০১১ সাল

অধুনালুপ্ত দক্ষিণ সুদান আইনসভা ২০১১ সালের ৯ জুলাই স্বাধীনতার কিছু আগে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান অনুমোদন করেছিল।[৫৪][৫৫] স্বাধীনতা দিবসে সংবিধানে দক্ষিণ সুদানের রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষর করেন এবং এর ফলে কার্যকর হয়েছিল। এটি এখন ২০০৫ সালের অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধানকে বাতিল করে দেশের সর্বোচ্চ আইনে পরিণত হয়েছে।[৫৬]

সংবিধানটি একটি রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছে যার নেতৃত্বে থাকেন একজন রাষ্ট্রপতি যিনি রাষ্ট্রের প্রধান, সরকার প্রধান এবং সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডার-ইন-চিফ। এটি দুটি সভাকক্ষ নিয়ে গঠিত জাতীয় আইনসভাও প্রতিষ্ঠা করেছে: একটি সরাসরি নির্বাচিত সংসদ নিয়ে জাতীয় আইন পরিষদ, এবং রাজ্যগুলির প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত দ্বিতীয় কক্ষ রাজ্য পরিষদ।[৫৭]

জন গারাং, এসপিএলএ/এম-এর প্রতিষ্ঠাতা, ২০০৫ সালের ৩০ জুলাইয়ে তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত স্বায়ত্তশাসিত সরকারের প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন। তার ডেপুটি ছিলেম সালভা কির মায়ারডিত,[১৭] ২০০৫ সালের ১১ আগস্টে সুদানের প্রথম উপরাষ্ট্রপতি এবং দক্ষিণ সুদান সরকারের রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। রিক মাচার[১৭] তাকে সরকারের উপরাষ্ট্রপতি হিসেবে স্থলাভিষিক্ত করেন। আইনসভার ক্ষমতা সরকার এবং দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট জাতীয় আইনসভার উপর ন্যস্ত। সংবিধানে একটি স্বাধীন বিচার বিভাগের ব্যবস্থাও করা হয়েছে যার সর্বোচ্চ অঙ্গ হল সুপ্রিম কোর্ট।

২০২১ সালের ৮ মে, দক্ষিণ সুদানের রাষ্ট্রপতি সালভা কির ২০১৮ সালের শান্তি চুক্তির অংশ হিসাবে একটি নতুন আইন প্রণেতা সংস্থা গঠনের অংশ হিসাবে সংসদ ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা করেছিলেন যার ৫৫০ জন আইনপ্রণেতা থাকবে।[৫৮]

জাতীয় রাজধানী প্রকল্প

দক্ষিণ সুদানের রাজধানী জুবাতে অবস্থিত, যা মধ্য নিরক্ষীয় রাজ্যের রাজধানী ও একই নামে জুবা কাউন্টির কাউন্টি আসন, এবং এটি দেশের বৃহত্তম শহর। যাইহোক, জুবার দুর্বল অবকাঠামো এবং ব্যাপক শহুরে বৃদ্ধির কারণে, সেইসাথে দক্ষিণ সুদানের মধ্যে কেন্দ্রীয়তার অভাবের কারণে দক্ষিণ সুদান সরকার ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সরকারের আসন হিসাবে কাজ করার জন্য একটি নতুন পরিকল্পিত শহর তৈরির বিষয়ে অধ্যয়ন করার জন্য একটি প্রস্তাব গ্রহণ করেছিল।[৫৯][৬০]

এটি পরিকল্পনা করা হয়েছে যে রাজধানী শহরটিকে আরও কেন্দ্রীয়ভাবে অবস্থিত রামসিয়েলে পরিবর্তন করা হবে।[১৮] এই প্রস্তাবটি কার্যত নাইজেরিয়ার আবুজা; ব্রাজিলের ব্রাসিলিয়া; ও অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরা এবং আধুনিক যুগের অন্যান্য পরিকল্পিত জাতীয় রাজধানীগুলির মধ্যে নির্মাণ প্রকল্পের অনুরূপ। সরকার কীভাবে এই প্রকল্পে অর্থায়ন করবে তা স্পষ্ট নয়।

২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে, সরকারের একজন মুখপাত্র বলেছিলেন যে, দেশের রাজনৈতিক নেতারা মধ্য নিরক্ষীয় এবং জংলেই সীমান্তের কাছে হ্রদ রাজ্যের একটি জায়গা রামসিয়েলেতে একটি নতুন রাজধানী নির্মাণের প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন।[৬১] রামসিয়েলকে দেশের ভৌগোলিক কেন্দ্র হিসাবে বিবেচনা করা হয় এবং প্রয়াত স্বাধীনতাপন্থী নেতা জন গারাং ২০০৫ সালে তার মৃত্যুর আগে রাজধানীটি সেখানে স্থানান্তরিত করার পরিকল্পনা করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।[৬২] প্রস্তাবটি হ্রদ রাজ্য সরকার এবং অন্তত একজন রামসিয়েল উপজাতি প্রধান দ্বারা সমর্থিত ছিল।[৬৩] শহরের নকশা, পরিকল্পনা এবং নির্মাণে সম্ভবত পাঁচ বছরের মতো সময় লাগবে, সরকারের মন্ত্রীরা বলেছেন, এবং জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলিকে নতুন রাজধানীতে স্থানান্তর পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।[৬১]

রাজ্য

২০২০-বর্তমান

দক্ষিণ সুদানের দশটি রাজ্য এবং তিনটি প্রশাসনিক এলাকা সুদানের তিনটি ঐতিহাসিক প্রদেশে বিভক্ত

২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে স্বাক্ষরিত একটি শান্তি চুক্তির শর্তাবলীর অধীনে দক্ষিণ সুদানকে ১০টি রাজ্য, দুটি প্রশাসনিক অঞ্চল এবং একটি বিশেষ প্রশাসনিক মর্যাদা সহ একটি অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে।[৬৪][৬৫]

২০০৫ সালে স্বাক্ষরিত বিস্তৃত শান্তি চুক্তির ফলে, আবেই এলাকাকে বিশেষ প্রশাসনিক মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল এবং ২০১২ সালে দক্ষিণ সুদানের স্বাধীনতার পরে, কার্যকরভাবে একটি কনডমিনিয়াম হিসাবে সুদান প্রজাতন্ত্র এবং দক্ষিণ সুদান প্রজাতন্ত্র উভয়েরই অংশ হিসাবে বিবেচিত হয়।

কাফিয়া কিঙ্গি এলাকা নিয়ে দক্ষিণ সুদান ও সুদান এবং ইলেমি ত্রিভুজ নিয়ে দক্ষিণ সুদান ও কেনিয়ার মধ্যে বিরোধ রয়েছে।

রাজ্য এবং প্রশাসনিক এলাকাগুলিকে সুদানের তিনটি সাবেক ঐতিহাসিক প্রদেশে বিভক্ত করা হয়েছে; বাহর এল গজল, নিরক্ষীয় অঞ্চল এবং বৃহত্তর উচ্চ নীল:

বাহর এল গজল
নিরক্ষীয় অঞ্চল
বৃহত্তর উচ্চ নীল
প্রশাসনিক এলাকা
বিশেষ প্রশাসনিক মর্যাদা এলাকা

২০১৫-২০২০

২০১৭ সালে আরও ৪টি রাজ্য যুক্ত হওয়ার পর দক্ষিণ সুদানে মোট ৩২টি রাজ্য রয়েছে

২০১৫ সালের অক্টোবরে, দক্ষিণ সুদানের রাষ্ট্রপতি সালভা কির সাংবিধানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত ১০টি রাজ্যের পরিবর্তে ২৮টি রাজ্য প্রতিষ্ঠার একটি ডিক্রি জারি করেন।[৬৬] ডিক্রিটি মূলত জাতিগত ভিত্তিতে নতুন রাজ্যগুলি প্রতিষ্ঠা করেছিল। বেশ কয়েকটি বিরোধী দল এবং সুশীল সমাজ এই ডিক্রির সাংবিধানিকতাকে চ্যালেঞ্জ করেছিল এবং কির পরে এটিকে সাংবিধানিক সংশোধনী হিসাবে অনুমোদনের জন্য সংসদে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।[৬৭] নভেম্বরে দক্ষিণ সুদানের সংসদ রাষ্ট্রপতি কিরকে নতুন রাজ্য গঠনের ক্ষমতা দেয়।[৬৮]

বাহর এল গজল
  1. আভিয়েল
  2. আভিয়েল পূর্ব
  3. পূর্ব হ্রদ
  4. গোগড়িয়াল
  5. গক
  6. লল
  7. টঞ্জ
  8. টুইক
  9. ওয়াউ
  10. পশ্চিম হ্রদ
নিরক্ষীয় অঞ্চল
  1. আমাদি
  2. গবুদবে
  3. টরিট
  4. জুবেক (জাতীয় রাজধানী শহর জুবা সমন্বিত)
  5. মারিদি
  6. কাপোয়েটা
  7. তম্বুরা
  8. তেরেকেকা
  9. ইয়ে নদী
বৃহত্তর উচ্চ নীল
  1. বোমা
  2. মধ্য উচ্চ নীল
  3. আকোবো
  4. উত্তর উচ্চ নীল
  5. জংলেই রাজ্য
  6. লাটজুর
  7. মাইভুত
  8. উত্তর লিচ
  9. রুওয়েং
  10. দক্ষিণ লিচ
  11. বিহ
  12. ফাশোদা রাজ্য
  13. ফাঙ্গাক রাজ্য

২০১৭ সালের ১৪ জানুয়ারি, আরও চারটি রাজ্য তৈরি করা হয়েছে, মধ্য উচ্চ নীল, উত্তর উচ্চ নীল, তুম্বুরা এবং মাইভুত, ফলে মোট রাজ্য সংখ্যা ৩২-এ দাঁড়িয়েছে।[৬৯][৭০]

আবেই এলাকা সুদানের একটি ছোট অঞ্চল যা উত্তর বাহর এল গজল, ওয়ারাপ এবং ইউনিটির দক্ষিণ সুদানী রাজ্যগুলির সীমান্তবর্তী, বর্তমানে সুদানে এর একটি বিশেষ প্রশাসনিক মর্যাদা রয়েছে এবং এটি আবেই এলাকা প্রশাসন দ্বারা পরিচালিত হয়। দক্ষিণ সুদানে যোগদান বা সুদান প্রজাতন্ত্রের অংশ থাকার বিষয়ে ২০১১ সালে একটি গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু মে মাসে সুদানের সামরিক বাহিনী আবেই দখল করে নেয় এবং গণভোট অনুষ্ঠিত হবে কিনা তা স্পষ্ট ছিলনা।

২০১১-২০১৫

দক্ষিণ সুদানের দশটি রাজ্য সুদানের তিনটি ঐতিহাসিক প্রদেশে বিভক্ত

২০১৫ সালের আগে, দক্ষিণ সুদানকে বর্তমান ১০টি রাজ্যে বিভক্ত করা হয়েছিল, যা তিনটি ঐতিহাসিক অঞ্চলের সাথেও মিলে যায়: বাহর এল গজল, নিরক্ষীয় এবং বৃহত্তর উচ্চ নীল নদ:

বাহর এল গজল
নিরক্ষীয় অঞ্চল
বৃহত্তর উচ্চ নীল

সামরিক

২০০৭ সালে এসপিএলএ বিষয়ক মন্ত্রী ডমিনিক ডিম ডেং একটি প্রতিরক্ষা কাগজ শুরু করেছিলেন এবং ২০০৮ সালে একটি খসড়া তৈরি করা হয়েছিল।এটি ঘোষণা করেছে যে দক্ষিণ সুদান অবশেষে স্থল, বিমান এবং নদী বাহিনী বজায় রাখবে। [৭১] [৭২]

গণমাধ্যম

যদিও সাবেক তথ্যমন্ত্রী বার্নাবা মারিয়াল বেঞ্জামিন যখন অঙ্গীকার করেছিলেন যে দক্ষিণ সুদান সংবাদপত্রের স্বাধীনতাকে সম্মান করবে এবং সাংবাদিকদের দেশে সীমাহীন প্রবেশের অনুমতি দেবে, তবে জুবা পত্রিকা দ্য সিটিজেনের প্রধান সম্পাদক দাবি করেছেন যে, নতুন প্রজাতন্ত্রে একটি আনুষ্ঠানিক গণমাধ্যম আইনের অনুপস্থিতিতে, তিনি এবং তার কর্মীরা নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন। আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার এই অভিযোগকে সুদানের সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহে নেতৃত্ব দেওয়ার কয়েক বছর পর এসপিএলএম একটি বৈধ সরকার হিসেবে নিজেকে সংস্কার করতে যে অসুবিধার মুখোমুখি হয়েছে তার জন্য দায়ী করা হয়েছে। সিটিজেন হল দক্ষিণ সুদানের বৃহত্তম সংবাদপত্র, কিন্তু দুর্বল অবকাঠামো এবং দারিদ্রতার কারণে এর কর্মীদের তুলনামূলকভাবে ছোট এবং জুবার বাইরে প্রতিবেদন এবং এর প্রচার সংখ্যা উভয়ের দক্ষতাই সীমিত করেছে, বাইরের রাজ্যে কোনো ডেডিকেটেড নিউজ ব্যুরো নেই এবং সংবাদপত্রগুলি উত্তর বাহর এল গজলের মতো প্রায়ই রাজ্যগুলিতে পৌঁছতে বেশ কয়েক দিন সময় লাগে।[৭৩] ২০২০ সালের মে মাসে, দক্ষিণ সুদান ফ্রেন্ডশিপ প্রেস দেশের প্রথম ডেডিকেটেড অনলাইন নিউজ ওয়েবসাইট হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।[৭৪]

সেন্সরশিপ

২০১১ সালের ১ নভেম্বর, দক্ষিণ সুদানের ন্যাশনাল সিকিউরিটি সার্ভিসেস (এনএসএস) একটি বেসরকারী জুবা-ভিত্তিক দৈনিক ডেসটিনির সম্পাদককে গ্রেপ্তার করে এবং অনির্দিষ্টকালের জন্য এর কার্যক্রম স্থগিত করে। এটি কলামিস্ট ডেংডিট আয়োকের একটি মতামত নিবন্ধের প্রতিক্রিয়ায় ছিল, যার শিরোনাম ছিল "আমাকে তাই বলতে দাও", যা তার মেয়েকে ইথিওপিয়ার নাগরিককে বিয়ে করার অনুমতি দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতির সমালোচনা করেছিল এবং তাকে "তার দেশপ্রেমকে কলঙ্কিত করার" জন্য অভিযুক্ত করেছিল। একটি সরকারি চিঠিতে পত্রিকাটিকে "গণমাধ্যম আচরণবিধি এবং পেশাদার নীতি" ভঙ্গ করার এবং "অবৈধ সংবাদ" প্রকাশ করার জন্য অভিযুক্ত করেছে যা মানহানিকর, উস্কানিমূলক এবং ব্যক্তিত্বের গোপনীয়তায় হস্তক্ষেপ করেছিল। কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্ট সেপ্টেম্বরে দক্ষিণ সুদানে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল।[৭৫] এনএসএস সাংবাদিকদের ১৮ দিন আটকে রাখার পর কোনো অভিযোগ ছাড়াই ছেড়ে দেয়।[৭৬]

২০১৫ সালে, সালভা কির "দেশের বিরুদ্ধে" প্রতিবেদন করা সাংবাদিকদের হত্যার হুমকি দিয়েছিলেন।[৭৭] সাংবাদিকদের জন্য কাজের অবস্থা ভয়াবহ হয়ে উঠেছে এবং অনেকে দেশ ছেড়েছেন। প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা ওচান হ্যানিংটন তাদের মধ্যে একজন।[৭৮] ২০১৫ সালের আগস্টে, সাংবাদিক পিটার মোই বছরের সপ্তম সাংবাদিক হিসাবে একটি লক্ষ্যবস্তু হামলায় নিহত হওয়ার পরে দক্ষিণ সুদানের সাংবাদিকরা ২৪ ঘন্টা সংবাদ ব্ল্যাকআউট করেছিল।[৭৯]

২০১৭ সালের আগস্টে, ক্রিস্টোফার অ্যালেন নামে ২৬ বছর বয়সী একজন আমেরিকান সাংবাদিক, ইয়েই রিভার স্টেটের কেয়াতে সরকার ও বিরোধী বাহিনীর মধ্যে লড়াইয়ের সময় নিহত হন। ক্রিস্টোফার অ্যালেন একজন ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক ছিলেন যিনি বেশ কয়েকটি মার্কিন সংবাদ মাধ্যমের জন্য কাজ করেছিলেন। তিনি নিহত হওয়ার আগে এক সপ্তাহ ধরে দক্ষিণ সুদানের বিরোধী বাহিনীর সাথে জড়িত ছিলেন বলে জানা গেছে।[৮০] একই মাসে রাষ্ট্রপতি সালভা কির বলেন, দক্ষিণ সুদান থেকে পালিয়ে আসা লাখ লাখ বেসামরিক নাগরিক তার সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীদের অপপ্রচারের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।[৮১] ২০১৭ সালের জুলাই মাসের মাত্র এক মাস আগে সুদান ট্রিবিউন এবং রেডিও তামাজুজসহ প্রধান প্রধান সংবাদ ওয়েবসাইট এবং জনপ্রিয় ব্লগগুলোতে প্রবেশাধিকার সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নোটিশ ছাড়াই বন্ধ করে দিয়েছিল।[৮২] ২০২০ সালের জুনে, এনএসএস দ্বারা মানহানিকর বলে গণ্য করা একটি নিবন্ধ প্রকাশের পরে সরকার কর্তৃক স্থানীয় সংবাদ ওয়েবসাইট সুদান পোস্ট-এ প্রবেশাধিকার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।[৮৩] দুই মাস পরে, একটি সুইডিশ অলাভজনক সংস্থা কুরিয়াম মিডিয়া ফাউন্ডেশন ঘোষণা করে যে তারা ওয়েবসাইটটির জন্য একটি আয়না স্থাপন করেছে যাতে সরকারী অবরোধকে প্রতিহত করা যায়।[৮৪]

বৈদেশিক সম্পর্ক

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি রাষ্ট্রপতি সালভা কিরের সাথে সাক্ষাৎ করছেন, ২৬ মে ২০১৩

স্বাধীনতার পর থেকে সুদানের সাথে সম্পর্কের পরিবর্তন হচ্ছে। সুদানের রাষ্ট্রপতি ওমর আল-বশির ওমর আল-বশির ২০১১ সালের জানুয়ারিতে প্রথমে ঘোষণা করেছিলেন, উত্তর এবং দক্ষিণে দ্বৈত নাগরিকত্বের অনুমতি দেওয়া হবে, [৮৫] কিন্তু দক্ষিণ সুদানের স্বাধীনতার পর তিনি এই প্রস্তাব প্রত্যাহার করে নেন। তিনি একটি ইইউ-শৈলী কনফেডারেশনেরও পরামর্শ দিয়েছেন।[৮৬] ২০১১ সালের মিশরীয় বিপ্লবের পর মিশরের প্রধানমন্ত্রী এসাম শরাফ দক্ষিণ সুদানের বিচ্ছিন্নতার দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় খার্তুমজুবায় তার প্রথম বিদেশ সফর করেন।[৮৭] ইসরায়েল দ্রুত দক্ষিণ সুদানকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়,[৮৮] এবং দক্ষিণ সুদান থেকে হাজার হাজার উদ্বাস্তুকে আশ্রয় দেয়,[৮৯] যারা এখন তাদের নিজ দেশে নির্বাসনের সম্মুখীন হয়।[৯০] [৯১] মার্কিন সূত্র অনুসারে, রাষ্ট্রপতি ওবামা আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন রাষ্ট্রটিকে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন যখন সুদান, মিশর, জার্মানি এবং কেনিয়া ৮ জুলাই ২০১১ সালে দেশের স্বাধীনতাকে প্রথম স্বীকৃতি দেয়।[৯২] [৯৩] একটি স্ব-নিয়ন্ত্রণ গণভোটের মাধ্যমে সমাপ্ত হওয়া আন্তর্জাতিক আলোচনায় অংশগ্রহণকারী বেশ কয়েকটি দেশও অপ্রতিরোধ্য ফলাফলকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য দ্রুত ছিল। যুক্তিবাদী প্রক্রিয়ার মধ্যে কেনিয়া, উগান্ডা, মিশর, ইথিওপিয়া, লিবিয়া, ইরিত্রিয়া, যুক্তরাজ্য এবং নরওয়ে অন্তর্ভুক্ত ছিল।[ক]

দক্ষিণ সুদান জাতিসংঘ[৯৪] আফ্রিকান ইউনিয়ন,[৯৫][৯৬] এবং পূর্ব ও দক্ষিণ আফ্রিকার সাধারণ বাজারের সদস্য রাষ্ট্র। [৯৭] দক্ষিণ সুদান কমনওয়েলথ অফ নেশনস,[৯৮] পূর্ব আফ্রিকান সম্প্রদায়,[৯৯][১০০][১০১] আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল,[১০২] ওপেক+,[১০৩] এবং বিশ্বব্যাংকে যোগদানের পরিকল্পনা করেছে।[১০৪] কিছু আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংস্থা দক্ষিণ সুদানকে আফ্রিকার বৃহত্তর শৃঙ্গের অংশ হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করেছে।[১০৫]

আরব লীগে পূর্ণ সদস্যপদ নিশ্চিত করা হয়েছে, যদি দেশটির সরকার এটি চাওয়া পছন্দ করে,[১০৬] যদিও এটি পর্যবেক্ষকের মর্যাদাও বেছে নিতে পারে।[১০৭] ২০১১ সালের ৩ নভেম্বর এটি ইউনেস্কোতে যোগ হয়।[১০৮] ২০১১ সালের ২৫ নভেম্বর, এটি পূর্ব আফ্রিকান রাজ্যগুলির একটি আঞ্চলিক গোষ্ঠী আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তঃসরকারি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে যোগ দেয়।[১০৯]

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ সুদানের স্বাধীনতার জন্য ২০১১ সালের গণভোটে সমর্থন করেছিল। নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, "দক্ষিণ সুদান অনেক দিক থেকেই একটি আমেরিকান সৃষ্টি, যা যুদ্ধবিধ্বস্ত সুদান থেকে একটি গণভোটে তৈরি করা হয়েছে, যা মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বারা সংগঠিত হয়েছে, যার ভঙ্গুর প্রতিষ্ঠানগুলো মার্কিন সহায়তায় বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার দিয়ে লালন-পালন করছে।"[১১০] সুদানের বিরুদ্ধে মার্কিন সরকারের দীর্ঘস্থায়ী নিষেধাজ্ঞাগুলি ২০১১ সালের ডিসেম্বরে সদ্য স্বাধীন দক্ষিণ সুদানে প্রযোজ্যতা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে অপসারণ করা হয়েছিল এবং আরএসএস-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ওয়াশিংটন, ডি.সি.-তে একটি উচ্চ-স্তরের আন্তর্জাতিক বিবাদ কনফারেন্সে অংশগ্রহণ করেছিলেন, যাতে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের আরএসএস এবং দক্ষিণ সুদানের বেসরকারী খাতের প্রতিনিধিদের সাথে সংযুক্ত করতে সহায়তা করা যায়।[১১১] দক্ষিণ সুদান প্রজাতন্ত্র এবং সুদান প্রজাতন্ত্রের অর্থনীতির কিছু খাতের মধ্যে পারস্পরিক নির্ভরশীলতা পরিপ্রেক্ষিতে, কিছু কার্যক্রমের জন্য এখনও ওএফএসির অনুমোদনের প্রয়োজন হয়। একটি লাইসেন্সের অনুপস্থিতিতে বর্তমান সুদানী নিষেধাজ্ঞা প্রবিধানগুলি সুদান বা সুদান সরকারকে উপকার করে এমন সম্পত্তি এবং স্বার্থের লেনদেন থেকে মার্কিন ব্যক্তিদেরকে নিষিদ্ধ করতে থাকবে।[১১২] ২০১১ সালের একটি কংগ্রেসনাল রিসার্চ সার্ভিসের "দক্ষিণ সুদান প্রজাতন্ত্র: আফ্রিকার নতুন দেশের জন্য সুযোগ এবং চ্যালেঞ্জ" শীর্ষক প্রতিবেদনে অসামান্য রাজনৈতিক এবং মানবিক সমস্যাগুলি চিহ্নিত করে কারণ দেশটি তার ভবিষ্যত তৈরি করে৷[১১৩]

২০১৯ সালের জুলাইয়ে, দক্ষিণ সুদান সহ ৩৭টি দেশের জাতিসংঘের রাষ্ট্রদূতরা জিনজিয়াং অঞ্চলে উইঘুরদের প্রতি চীনের আচরণের পক্ষে ইউএনএইচআরসি-তে একটি যৌথ চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন।[১১৪]

মানবাধিকার

বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে নৃশংসতার প্রচারাভিযানগুলির জন্য এসপিএলএ-কে দায়ী করা হয়েছে।[১১৫] এসপিএলএ/এম-এর প্রচেষ্টায় শিলুক এবং মুরলেদের মধ্যে বিদ্রোহকে নিরস্ত্র করার প্রচেষ্টায় তারা অসংখ্য গ্রাম জ্বালিয়ে দেয়, শত শত নারী ও বালিকাকে ধর্ষণ করেছে এবং অসংখ্য বেসামরিক নাগরিককে হত্যা করেছে।[১১৬] নির্যাতনের অভিযোগকারী বেসামরিক ব্যক্তিরা দাবি করেন যে, আঙ্গুলের নখ ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে, তাদের বাবা-মাকে অস্ত্র হস্তান্তর করার জন্য শিশুদের উপর প্লাস্টিকের ব্যাগ পোড়ানো হচ্ছে এবং বিদ্রোহীরা সেখানে রাত কাটিয়েছে বলে সন্দেহ হলে গ্রামবাসীরা তাদের কুঁড়েঘরে জীবন্ত পুড়িয়ে মেরেছে।[১১৬] ২০১১ সালের মে মাসে, এসপিএলএ ইউনিটি রাজ্যে ৭,০০০ এরও বেশি বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিল।[১১৭]

জাতিসংঘ এই ধরনের লঙ্ঘনের বিষয়ে অনেক প্রতিবেদন করেছে এবং একটি জুবা-ভিত্তিক আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থার হতাশ পরিচালক এগুলিকে " রিখটার স্কেলে মানবাধিকার লঙ্ঘন" বলে অভিহিত করেছেন।[১১৬] ২০১০ সালে, সিআইএ একটি সতর্কতা জারি করেছিল যে "আগামী পাঁচ বছরে,...দক্ষিণ সুদানে একটি নতুন গণহত্যা বা গণহত্যা ঘটার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।"[১১৬] নুয়ের হোয়াইট আর্মি বলেছে যে, তারা "নুয়েরের গবাদি পশুর দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একমাত্র সমাধান হিসাবে পৃথিবীর মুখ থেকে সমগ্র মুরলে উপজাতিকে নিশ্চিহ্ন করতে চায়"[৩৮] এবং সংখ্যালঘু অধিকার গ্রুপ আন্তর্জাতিক সহ কর্মীরা জংলেইতে গণহত্যার বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছিল।[১১৮] ২০১৭ সালের শুরুতে, গণহত্যা আবার আসন্ন ছিল।[১১৯]

প্রধান বিরোধী দল ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফোরামের নেতা পিটার আবদুল রহমান সুলেকে সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করা একটি নতুন বিদ্রোহী দল গঠনের সাথে তার সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে ২০১১ সালের ৩ নভেম্বর থেকে গ্রেপ্তার রয়েছেন।[১২০][১২১]

দক্ষিণ সুদানে বাল্যবিবাহের হার ৫২%।[১২২] সমকামী কাজ অবৈধ।[১২৩]

শিশু সৈনিক নিয়োগকেও দেশে একটি গুরুতর সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।[১২৪] ২০১৪ সালের এপ্রিলে, জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার নাভি পিল্লাই বলেছিলেন যে দক্ষিণ সুদানের গৃহযুদ্ধে ৯,০০০ এরও বেশি শিশু সৈন্য লড়াই করছে।[১২৫]

জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর দেশটির পরিস্থিতিকে "বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ মানবাধিকার পরিস্থিতিগুলোর একটি" হিসেবে বর্ণনা করেছে। এটি সেনাবাহিনী এবং সহযোগী মিলিশিয়াদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের অর্থ প্রদানের জন্য যোদ্ধাদের নারীদের ধর্ষণের অনুমতি দেওয়ার পাশাপাশি "তুমি যা করতে পারো, যা করতে পারো তা নাও" এই চুক্তিতে গবাদি পশু আক্রমণ করার অভিযোগ এনেছিল।[১২৬]অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল দাবি করেছে যে সেনাবাহিনী বিরোধীদের সমর্থন করার অভিযোগে ৬০ জনেরও বেশি লোককে একটি শিপিং কনটেইনারে শ্বাসরোধে হত্যা করেছিল।[১২৭]

২০১৭ সালের ২২ ডিসেম্বর, এই অঞ্চলে ১২ দিনের সফর শেষে, দক্ষিণ সুদানের মানবাধিকার কমিশন বলেছিল, "দক্ষিণ সুদানের বর্তমান সংঘাত শুরু হওয়ার চার বছর পরেও, বেসামরিক নাগরিকরা যে সংঘাতের শিকার হচ্ছে তার সমস্ত পক্ষের দ্বারা ব্যাপকভাবে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে।"[১২৮] ২০১৬ সালের মার্চ মাসে মানবাধিকার কাউন্সিল কর্তৃক দক্ষিণ সুদানে মানবাধিকার কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়।[১২৮]

ভূগোল

দক্ষিণ সুদানে সুরক্ষিত এলাকা

দক্ষিণ সুদান ৩° এবং ১৩°উত্তর অক্ষাংশ এবং ২৪° এবং ৩৬°পশ্চিম দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত। এটি ক্রান্তীয় বন, জলাভূমি এবং তৃণভূমিতে আচ্ছাদিত।শ্বেত নীল নদ জুবার পাশ দিয়ে দেশের মধ্যে দিয়ে গেছে।[৮৫]

দক্ষিণ সুদানের বান্দিঙ্গিলো জাতীয় উদ্যানের সংরক্ষিত এলাকা বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম বন্যপ্রাণী অভিবাসনের আতিথ্যকর্তা।জরিপে দেখা গেছে, ইথিওপিয়ান সীমান্তের পশ্চিমে বোমা জাতীয় উদ্যান, পাশাপাশি কঙ্গো সীমান্তের কাছে সুড জলাভূমি এবং দক্ষিণ জাতীয় উদ্যান

হার্টেবিস্ট, কোব, টোপি, মহিষ, হাতি, জিরাফ এবং সিংহের বিশাল জনসংখ্যার জন্য আবাসস্থল সরবরাহ করেছিল।


দক্ষিণ সুদানের বন সংরক্ষণাগারগুলি বোঙ্গো, দৈত্যাকার বন শূকর, রেড রিভার হগ, বন্য হাতি, শিম্পাঞ্জি এবং বন বানরের জন্য আবাসস্থল সরবরাহ করেছিল।দক্ষিণ সুদানের আধা-স্বায়ত্তশাসিত সরকারের সাথে অংশীদারিত্বে ২০০৫ সালে ডাব্লুসিএস দ্বারা শুরু করা জরিপগুলি প্রকাশ করে যে উল্লেখযোগ্য, যদিও হ্রাসপ্রাপ্ত বন্যপ্রাণীর জনসংখ্যা এখনও বিদ্যমান, এবং আশ্চর্যজনকভাবে, দক্ষিণ-পূর্বদিকে ১.৩ মিলিয়ন অ্যান্টিলোপের বিশাল অভিবাসন যথেষ্ট পরিমাণে অক্ষত রয়েছে।

দেশের আবাসস্থলগুলির মধ্যে রয়েছে তৃণভূমি, উচ্চ-উচ্চতার মালভূমি এবং খাড়া উঁচু পাহাড়, জঙ্গল এবং ঘাসযুক্ত সাভানা, প্লাবনভূমি এবং জলাভূমি। সংশ্লিষ্ট বন্যপ্রাণী প্রজাতির মধ্যে রয়েছে স্থানীয় সাদা কানের কোব এবং নীল লেচওয়ে, সেইসাথে হাতি, জিরাফ, কমন ইল্যান্ড, জায়ান্ট ইল্যান্ড, অরিক্স, সিংহ, আফ্রিকান বন্য কুকুর, কেপ বাফেলো এবং টপি (স্থানীয়ভাবে তিয়াং বলা হয়)।সাদা-কানযুক্ত কোব এবং তিয়াং সম্পর্কে খুব কমই জানা যায়, উভয় প্রকারের হরিণ, যাদের দুর্দান্ত অভিবাসন গৃহযুদ্ধের আগে কিংবদন্তি ছিল।বোমা-জংলেই প্রাকৃতিক ভূদৃশ্য অঞ্চল বোমা জাতীয় উদ্যান, বিস্তৃত চারণভূমি এবং প্লাবনভূমি, ব্যান্ডিংগিলো ন্যাশনাল পার্ক এবং সুডের জলাভূমির একটি বিস্তীর্ণ এলাকা এবং মৌসুমীভাবে প্লাবিত তৃণভূমি যা জেরাফ বন্যপ্রাণী সংরক্ষণকে অন্তর্ভুক্ত করে।

দক্ষিণ সুদানের ছত্রাক সম্পর্কে খুব কমই জানা যায়।সুদানে ছত্রাকের একটি তালিকা এস এ জে তারর দ্বারা প্রস্তুত করা হয়েছিল এবং ১৯৫৫ সালে তৎকালীন কমনওয়েলথ মাইকোলজিক্যাল ইনস্টিটিউট (কেউ, সারে, যুক্তরাজ্য) দ্বারা প্রকাশিত হয়েছিল।১৭৫ টি গণের মধ্যে ৩৮৩ টি প্রজাতির তালিকায় দেশের তৎকালীন সীমানার মধ্যে পর্যবেক্ষণ করা সমস্ত ছত্রাক অন্তর্ভুক্ত ছিল।এই রেকর্ডগুলির অনেকই বর্তমানে দক্ষিণ সুদানের সাথে সম্পর্কিত।নথিভুক্ত অধিকাংশ প্রজাতি ফসলের রোগের সাথে যুক্ত ছিল।দক্ষিণ সুদানে ছত্রাকের প্রজাতির প্রকৃত সংখ্যা সম্ভবত অনেক বেশি।

2006 সালে, রাষ্ট্রপতি কির ঘোষণা করেছিলেন যে তার সরকার দক্ষিণ সুদানী প্রাণী এবং উদ্ভিদের সুরক্ষা এবং প্রচারের জন্য সম্ভাব্য সবকিছু করবে এবং দাবানল, বর্জ্য ডাম্পিং এবং জল দূষণের প্রভাব হ্রাস করার চেষ্টা করবে।অর্থনীতি ও অবকাঠামোর উন্নয়নে পরিবেশ হুমকির মুখে পড়েছে।২০১৯ সালের বন প্রাকৃতিক ভূদৃশ্য অখণ্ডতা সূচকে দেশটির গড় স্কোর ছিল ৯.৪৫/১০, এটি ১৭২টি দেশের মধ্যে বিশ্বব্যাপী চতুর্থ স্থানে রয়েছে। [১২৯]

বেশ কিছু ইকোরিজিয়ন দক্ষিণ সুদান জুড়ে বিস্তৃত: পূর্ব সুদানিয়ান সাভানা, উত্তর কঙ্গোলিয়ান বন-সাভানা মোজাইক, সাহারান প্লাবিত তৃণভূমি (সুড), সাহেলিয়ান অ্যাকাসিয়া সাভানা, পূর্ব আফ্রিকার পাহাড়ী বন এবং উত্তর বাবলা-কমিফোরা গুল্মভূমি এবং ঝোপঝাড় । [১৩০]

জলবায়ু

কোপেন জলবায়ু শ্রেণীবিভাগের দক্ষিণ সুদান মানচিত্র।

দক্ষিণ সুদানের একটি ক্রান্তীয় জলবায়ু রয়েছে, যার বৈশিষ্ট্য হল উচ্চ আর্দ্রতার বর্ষাকাল এবং প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টিপাতের পরে একটি শুষ্ক মৌসুম আসে।গড় তাপমাত্রা সর্বদাই বেশি থাকে এবং জুলাই শীতলতম মাস হয় যার গড় তাপমাত্রা ২০ এবং ৩০ °সে (৬৮ এবং ৮৬ °ফা) এর মধ্যে পড়ে এবং মার্চ হল উষ্ণতম মাস যার গড় তাপমাত্রা ২৩ থেকে ৩৭ °সে (৭৩ থেকে ৯৮ °ফা) পর্যন্ত। [১৩১]

সর্বাধিক বৃষ্টিপাত মে থেকে অক্টোবরের মধ্যে হতে দেখা যায়, তবে বর্ষাকাল এপ্রিল মাসে শুরু হতে পারে এবং নভেম্বর পর্যন্ত চলতে পারে।মে মাস হচ্ছে সবচেয়ে গড় আর্দ্র মাস।ঋতুটি "আন্তঃ-ক্রান্তীয় অঞ্চলের বার্ষিক পরিবর্তন দ্বারা প্রভাবিত" [১৭] এবং দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় বাতাসে পরিবর্তন হয় যার ফলে সামান্য কম তাপমাত্রা, উচ্চ আর্দ্রতা এবং অধিক মেঘের পরিধির দিকে নিয়ে যায়। [১৩২]

জনসংখ্যা

জুবার জন গারং স্কোয়ার

দক্ষিণ সুদানের জনসংখ্যা প্রায় 11 মিলিয়ন [১৩৩][১৩৪]

 এবং একটি প্রধানত গ্রামীণ, জীবিকানির্ভর অর্থনীতি।এই অঞ্চলটি ১৯৫৬ সাল থেকে ১০ বছর ব্যতীত সকলের জন্য যুদ্ধ দ্বারা নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত হয়েছে, যার ফলে গুরুতর অবহেলা, অবকাঠামোগত উন্নয়নের অভাব এবং বড় ধরনের ধ্বংস ও স্থানচ্যুতি ঘটেছে।গৃহযুদ্ধ এবং এর প্রভাবের ফলে ২ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ মারা গেছে এবং ৪ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছে বা উদ্বাস্তু হয়েছে।

নগরায়ন

দক্ষিণ সুদানের পশ্চিম নিরক্ষীয়ের ইয়াম্বিও-তে শিশুরা
ইউএসএআইডি-এর অর্থায়নে সাউদার্ন সুদান ইন্টারেক্টিভ রেডিও ইনস্ট্রাকশন প্রকল্পে অংশ নেওয়া গ্রামীণ স্কুল শিশুরা, জুলাই ২০১০

জাতিগোষ্ঠী

দক্ষিণ সুদানে উপস্থিত প্রধান জাতিগত গোষ্ঠীগুলি হল ডিঙ্কা ১ মিলিয়নেরও বেশি (একত্রে প্রায় ১৫ শতাংশ), নুয়ের (প্রায় পাঁচ শতাংশ), বারি এবং আজান্দে। শ্বেত নীল নদের তীরে শিল্লুক একটি ঐতিহাসিকভাবে প্রভাবশালী রাজ্য গঠন করে ও তাদের ভাষা ডিনকা এবং নুয়েরের সাথে মোটামুটিভাবে সম্পর্কিত।শিলুক এবং উত্তর-পূর্ব ডিঙ্কার ঐতিহ্যবাহী অঞ্চলগুলি পাশাপাশি অবস্থিত।বর্তমানে, আফ্রিকা শৃঙ্গের প্রায় ৮০০,০০০ প্রবাসী দক্ষিণ সুদানে বসবাস করছে।

শিক্ষা

আঞ্চলিক দক্ষিণ সুদানের পূর্ববর্তী শিক্ষাব্যবস্থার বিপরীতে - যা ১৯৯০ সাল থেকে সুদান প্রজাতন্ত্রে ব্যবহৃত পদ্ধতির পরে মডেল করা হয়েছিল - দক্ষিণ সুদান প্রজাতন্ত্রের বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা ৮ + ৪ + ৪ পদ্ধতি অনুসরণ করে (কেনিয়ার মতো)।প্রাথমিক শিক্ষা আট বছর, তারপরে চার বছরের মাধ্যমিক শিক্ষা এবং এরপরে চার বছরের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা নিয়ে গঠিত।

সুদান প্রজাতন্ত্রের তুলনায় সকল স্তরে প্রাথমিক ভাষা ইংরেজি, যেখানে শিক্ষার ভাষা আরবি।২০০৭ সালে দক্ষিণ সুদান যোগাযোগের দাপ্তরিক ভাষা হিসাবে ইংরেজি গ্রহণ করেছে।বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে ইংরেজি শিক্ষক এবং ইংরেজিভাষী শিক্ষকের তীব্র ঘাটতি রয়েছে।

২০১৯ সালের ১ অক্টোবর, দক্ষিণ সুদান গ্রন্থাগার ফাউন্ডেশন দক্ষিণ সুদানের প্রথম গণগ্রন্থাগার জুবা পাবলিক পিস লাইব্রেরি, গুডেল ২ এ চালু করেছিল।[১৩৫] [১৩৬]লাইব্রেরিতে বর্তমানে ৪০ জনেরও বেশি স্বেচ্ছাসেবকের একটি কর্মীবাহিনী নিযুক্ত রয়েছে এবং ১৩,০০০-এরও বেশি বইয়ের সংগ্রহ রক্ষণাবেক্ষণ করে। [১৩৬]দক্ষিণ সুদান গ্রন্থাগার ফাউন্ডেশন যৌথভাবে প্রতিষ্ঠা করেন ইয়াউসা কিন্থা ও কেভিন লেনাহান। [১৩৫] [১৩৬] [১৩৭]

ভাষা

দক্ষিণ সুদানের সরকারী ভাষা ইংরেজি। [১]

এখানে ৬০টিরও বেশি আদিবাসী ভাষা রয়েছে, বেশিরভাগকে নিলো-সাহারান ভাষা পরিবারের অধীনে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে; সম্মিলিতভাবে, তারা নীল সুদানিক এবং মধ্য সুদানিকের প্রথম সারির দুটি বিভাগের প্রতিনিধিত্ব করে।

সংবিধান হালনাগাদ

২০০৫ সালের অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান অংশ ১, অধ্যায় ১, নং ৬ (১) এ ঘোষণা করেছে যে "[ক] দক্ষিণ সুদানের আদিবাসী ভাষাগুলিকে জাতীয় ভাষা এবং এগুলির সম্মান, বিকাশ ও প্রচার করা হবে"।অংশ ১, অধ্যায় ১, নং ৬ (২) এ বলা হয়েছে: "ইংরেজি ও আরবি দক্ষিণ সুদান ও রাজ্যগুলির সরকার এবং উচ্চশিক্ষার জন্য শিক্ষার ভাষাগুলির পর্যায়ে সরকারী কাজের ভাষা হবে।" [১৩৮]

নতুন স্বাধীন রাষ্ট্রের সরকার পরে সরকারি ভাষা হিসেবে আরবিকে মুছে দেয় এবং একমাত্র সরকারী ভাষা হিসেবে ইংরেজিকে বেছে নেয়।

২০১১ সালের দক্ষিণ সুদান প্রজাতন্ত্রের নতুন অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধানের অংশ ১, অধ্যায় ১, নং ৬ (১) এ ঘোষণা করে যে "[ক] দক্ষিণ সুদানের আদিবাসী ভাষাগুলিকে জাতীয় ভাষা ও সম্মান, বিকশিত এবং প্রচার করা হবে"।অংশ ১, অধ্যায় ১, নং ৬ (২)-এ, এটি সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে যে: "ইংরেজি দক্ষিণ সুদান প্রজাতন্ত্রের সরকারী কাজের ভাষা হবে, সেইসাথে শিক্ষার সমস্ত স্তরে শিক্ষার ভাষা হবে।"[১৩৯]

২০১৭ সালের ৬ জুলাই, দক্ষিণ সুদান জানায় যে এটি সোয়াহিলি শিক্ষকদের দেশে পাঠানোর জন্য তানজানিয়ার সহায়তা চাওয়ার কারণে সোয়াহিলিকে একটি অতিরিক্ত সরকারী ভাষা হিসাবে গ্রহণ করতে পারে কারণ এটি একটি সরকারী ভাষা হিসাবে সম্ভাব্য গ্রহণের আগে স্কুল পাঠ্যক্রমে ভাষাটি চালু করেছে।[১৪০]

কিছু এলাকা

পশ্চিম বাহর এল গজল রাজ্য এবং সুদানের মধ্যবর্তী সীমান্ত অঞ্চলে পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলির একটি অনির্দিষ্ট সংখ্যক লোক রয়েছে যারা মক্কা থেকে ফেরার পথে এখানে বসতি স্থাপন করেছিল – তারা ঐতিহ্যগতভাবে যাযাবর জীবন ধারণ করেছে – তারা হয় মৌসুমী বা স্থায়ীভাবে বসবাস করে।তারা প্রাথমিকভাবে চাদিয়ান ভাষায় কথা বলে এবং তাদের ঐতিহ্যবাহী অঞ্চলগুলি উত্তর কুরদুফান ও দারফুরের সুদানী অঞ্চলের দক্ষিণ অংশে অবস্থিত।

রাজধানী জুবায়, এমন কয়েক হাজার লোক আছে যারা অ-ধ্রুপদী আরবি ব্যবহার করে, সাধারণত জুবা আরবি নামে পরিচিত একটি পিজিন, কিন্তু কেনিয়াতে দক্ষিণ সুদানের রাষ্ট্রদূত ২০১১ সালের ২ আগস্ট বলেছিলেন যে, সুদান এবং আরব লীগের পরিবর্তে পূর্ব আফ্রিকান সম্প্রদায়ের দিকে দেশটির অভিমুখীকরণের অভিপ্রায়ের সাথে সামঞ্জস্য রেখে দক্ষিণ সুদানে সোয়াহিলিকে একটি ভাষা ফ্রাঙ্কা হিসাবে আরবির পরিবর্তে চালু করা হবে। [১৪১]তা সত্ত্বেও, দক্ষিণ সুদান ২০১৪ সালের ২৫ মার্চ আরব লীগে সদস্য রাষ্ট্র হিসাবে যোগদানের জন্য একটি আবেদন জমা দেয়, যা এখনও মুলতবি রয়েছে।আশারক আল-আওসাত পত্রিকাকে দেওয়া একটি সাক্ষাত্কারে দক্ষিণ সুদানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দেং আলোর কুওল বলেছেন: দক্ষিণ সুদান আরব বিশ্বের সবচেয়ে কাছের আফ্রিকান দেশ, এবং আমরা জুবা আরবি নামে পরিচিত একটি বিশেষ ধরণের আরবি ভাষায় কথা বলি।সুদান দক্ষিণ সুদানের আরব লীগে যোগদানের অনুরোধকে সমর্থন করে।[১৪২] জুবা আরবি দক্ষিণ সুদানের একটি লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা[১৪৩]

জনসংখ্যা

২০০৮ সালের আদমশুমারি

দক্ষিণ সুদানের মহিলা
দক্ষিণ সুদানের একটি গ্রাম

"সুদানের পঞ্চম জনসংখ্যা এবং আবাসন শুমারি", সমগ্র সুদানের জন্য ২০০৮ সালের এপ্রিলে পরিচালিত হয়েছিল।আদমশুমারিতে দক্ষিণ সুদানের জনসংখ্যা ৮.২৬ মিলিয়ন গণনা করা হয়েছে [১৪৪] তবে, দক্ষিণ সুদানের কর্মকর্তারা দক্ষিণ সুদানের আদমশুমারির ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছিলেন কারণ "খার্তুমের কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ব্যুরো জনগণনা, পরিসংখ্যান এবং মূল্যায়নের জন্য দক্ষিণ সুদান কেন্দ্রের সাথে জাতীয় সুদানের অনভিজ্ঞ আদমশুমারির তথ্য ভাগ করতে অস্বীকার করেছিল।" [১৪৫]

এছাড়াও, রাষ্ট্রপতি কির "সন্দেহজনক পরিসংখ্যান কিছু অঞ্চলে বিস্ফীত করা হয়েছিল ও অন্যগুলিতে স্ফীত করা হয়েছিল এবং এটি চূড়ান্ত সংখ্যাকে 'অগ্রহণযোগ্য' করে তুলেছিল।" [১৪৬]তিনি দাবি করেন যে দক্ষিণ সুদানের জনসংখ্যা প্রকৃতপক্ষে সুদানের এক-তৃতীয়াংশ, যদিও আদমশুমারিতে দেখা গেছে তা মাত্র ২২%। [১৪৪]

অনেক দক্ষিণ সুদানীও বলেছেন যে বলা হয় "খারাপ আবহাওয়া, দুর্বল যোগাযোগ ও পরিবহন নেটওয়ার্কের কারণে এবং কিছু এলাকায় পৌঁছানো সম্ভব ছিল না, যখন দক্ষিণ সুদানী কর্তৃপক্ষের মতে অনেক দক্ষিণ সুদানী প্রতিবেশী দেশে নির্বাসনে রয়ে গেছে, যার ফলে 'অগ্রহণযোগ্য ফলাফল' হয়েছে।" [১৪৬]দক্ষিণে আদমশুমারির জন্য প্রধান আমেরিকান প্রযুক্তি উপদেষ্টা বলেছেন যে আদমশুমারি গ্রহণকারীরা সম্ভবত জনসংখ্যার মাত্র ৮৯% পৌঁছেছেন। [১৪৭]

২০০৯ সালের আদমশুমারি

২০০৯ সালে, সুদান ২০১১ সালের স্বাধীনতা গণভোটের আগে দক্ষিণ সুদানের একটি আদমশুমারি শুরু করেছিল যার মধ্যে দক্ষিণ সুদানের প্রবাসীরাও অন্তর্ভুক্ত ছিল; তবে এই উদ্যোগটি দক্ষিণ সুদানের প্রবাসীদের একটি উচ্চ অংশ সহ দেশগুলিকে বাদ দেওয়ার জন্য সমালোচিত হয়েছিল, বরং এমন দেশগুলি গণনা করে যেখানে প্রবাসীদের অংশ কম ছিল। [১৪৮]

ধর্ম

রুম্বেকের রোমান ক্যাথলিক ডায়োসিসে সানডে মাস

দক্ষিণ সুদানীদের অনুসরণ করা ধর্মের মধ্যে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী আদিবাসী ধর্ম, খ্রিস্টান এবং ইসলাম[১৪৯] [১৫০]দক্ষিণের ধর্মের উল্লেখ করার জন্য সর্বশেষ আদমশুমারিটি ১৯৫৬ সালে শুরু হয়েছিল যেখানে একটি সংখ্যাগরিষ্ঠকে প্রথাগত বিশ্বাসের অনুসরণ হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছিল বা খ্রিস্টান ছিল যখন মুসলিম ছিল ১৮%। [১৫১]পাণ্ডিত্যপূর্ণ [১৫২] [১৫৩] [১৫৪] এবং কিছু মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর [২৪] সূত্রে জানা গেছে যে দক্ষিণ সুদানের সংখ্যাগরিষ্ঠরা সংখ্যালঘু খ্রিস্টধর্ম অনুসরণকারীদের সাথে প্রথাগত আদিবাসী (কখনও কখনও অ্যানিমিস্ট হিসাবে উল্লেখ করা হয়) বিশ্বাস বজায় রাখে।তবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ২০১২ সালের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা প্রতিবেদন অনুসারে জনসংখ্যার অধিকাংশই খ্রিস্টান ধর্মকে মেনে চলে, যদিও অ্যানিমিস্ট এবং মুসলিম বিশ্বাসের উপর নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান পাওয়া যায় না। [১৫৫]

ইউএস লাইব্রেরি অব কংগ্রেসের ফেডারেল রিসার্চ বিভাগ বলেছে যে "১৯৯০-এর দশকের গোড়ার দিকে দক্ষিণ সুদানের জনসংখ্যার ১০% এরবেশি খ্রিস্টান ছিল না"।[১৫৬]১৯৯০-এর দশকের গোড়ার দিকে, সুদানের সরকারী রেকর্ডে দাবি করা হয়েছিল যে তখন দক্ষিণ সুদান হিসাবে অন্তর্ভুক্ত জনসংখ্যার ২৫% মানুষ ঐতিহ্যবাহী ধর্ম অনুসরণ করেছিল এবং ৫% খ্রিস্টান ছিল। [১৫৭]তবে, কিছু সংবাদ প্রতিবেদন খ্রিস্টান সংখ্যাগরিষ্ঠ দাবি করে। [১৫৮] [১৫৯]

ওয়ার্ল্ড ক্রিশ্চিয়ান এনসাইক্লোপিডিয়া অনুসারে, ক্যাথলিক চার্চ হল ১৯৫৫ সাল থেকে সুদানের বৃহত্তম একক খ্রিস্টান সংস্থা, যেখানে ২.৭ মিলিয়ন ক্যাথলিক প্রধানত দক্ষিণ সুদানে কেন্দ্রীভূত।[১৬০]মার্কিন এপিস্কোপাল চার্চ দাবি করে যে, ২০০৫ সালে সুদানের এপিস্কোপাল চার্চের ২ মিলিয়ন সদস্য নিয়ে বিপুল সংখ্যক অ্যাংলিকান অনুসারীদের অস্তিত্ব রয়েছে। [১৬১]সুদানের প্রেসবিটারিয়ান চার্চ দক্ষিণ সুদানের তৃতীয় বৃহত্তম সম্প্রদায়।২০১২ সালে ৫০০টি ধর্মসভাতে এর প্রায় ১০ লক্ষ সদস্য রয়েছে।[১৬২]

ধর্ম ও জনজীবন নিয়ে পিউ রিসার্চ সেন্টারের ২০১২ সালের ১৮ ডিসেম্বর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১০ সালে দক্ষিণ সুদানের মোট জনসংখ্যার ৬০.৫% খ্রিস্টান, ৩২.৯% ঐতিহ্যবাহী আফ্রিকান ধর্মের অনুসারী এবং ৬.২% মুসলিম।[১৬৩]কিছু প্রকাশক দেশভাগের পূর্বের দ্বন্দ্বকে মুসলিম-খ্রিস্টান যুদ্ধ হিসাবে বর্ণনা করেছেন, কিন্তু অন্যরা এই ধারণাটিকে প্রত্যাখ্যান করেছেন, দাবি করেছেন যে মুসলিম এবং খ্রিস্টান পক্ষ কখনও কখনও যুগপৎ ছিল।[১৬৪]

জুবার সেন্ট থেরেসা ক্যাথেড্রালে বক্তৃতাকালে, দক্ষিণ সুদানের রাষ্ট্রপতি কির, যিনি একজন রোমান ক্যাথলিক, তিনি বলেছিলেন যে, দক্ষিণ সুদান এমন একটি দেশ হবে যা ধর্মের স্বাধীনতাকে সম্মান করে।[১৬৫]খ্রিস্টানদের মধ্যে, বেশিরভাগই ক্যাথলিক বা অ্যাংলিকান, যদিও অন্যান্য সম্প্রদায়গুলিও সক্রিয়, এবং অ্যানিমিস্ট বিশ্বাসগুলি প্রায়শই খ্রিস্টান বিশ্বাসের সাথে মিশ্রিত হয়। [১৬৬]

অভিবাসী

দক্ষিণ সুদানী অভিবাসী বিদেশে বসবাসরত দক্ষিণ সুদানের নাগরিকদের নিয়ে গঠিত।সুদান থেকে স্বাধীনতার সংগ্রাম শুরু হওয়ার পর থেকে দক্ষিণ সুদানের বাইরে দক্ষিণ সুদানীদের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে।প্রায় দেড় মিলিয়ন দক্ষিণ সুদানী শরণার্থী হিসাবে দেশ ছেড়েছে, হয় স্থায়ীভাবে বা অস্থায়ী কর্মী হিসাবে, যার ফলে দক্ষিণ সুদানী অভিবাসী জনসংখ্যা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

দক্ষিণ সুদানী অভিবাসীদের বৃহত্তম সম্প্রদায়গুলি উত্তর আমেরিকা, পশ্চিম ইউরোপ এবং ওশেনিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়ায় এবং ছোট সম্প্রদায়গুলি ফ্রান্স, ইতালি, জার্মানি, সুইডেন এবং নিউজিল্যান্ডে রয়েছে।[১৬৭]

কর্মী আচোল জোক মাচ একটি অভিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে বেড়ে উঠেছেন এবং তার পরিচয়ের উপর এর প্রভাব সম্পর্কে তিনি বলেছেন: "আমাকে শুধুমাত্র বলা হয়েছিল, "তুমি দক্ষিণ সুদানী"।..অনেক পরে আমি জানতে পারি যে আমি ডিনকা।" [১৬৮]

সংস্কৃতি

স্ক্যারিফাইড উপজাতি মহিলা, দক্ষিণ সুদান, ২০১১

বহু বছরের গৃহযুদ্ধের কারণে, দক্ষিণ সুদানের সংস্কৃতি এর প্রতিবেশীদের দ্বারা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয়।অনেক দক্ষিণ সুদানী ইথিওপিয়া, কেনিয়া এবং উগান্ডায় পালিয়ে যায় যেখানে তারা নাগরিকদের সাথে যোগাযোগ করে এবং তাদের ভাষা ও সংস্কৃতি শিখে।যারা দেশে থেকে গেছেন, বা উত্তরে সুদান এবং মিশরে চলে গেছেন তাদের বেশিরভাগের জন্য তারা মূলত আরব সংস্কৃতিকে আত্মস্থ করেছিল।

বেশিরভাগ দক্ষিণ সুদানীরা নির্বাসিত এবং প্রবাসী থাকাকালীনও নিজের উপজাতীয় উত্স, এর ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি এবং উপভাষা জানার মূল্য দেয়।যদিও প্রচলিত সাধারণ ভাষাগুলি হল জুবা আরবি এবং ইংরেজি, এর পূর্ব আফ্রিকান প্রতিবেশীদের সাথে দেশের সম্পর্ক উন্নত করার জন্য সোয়াহিলি চালু করা যেতে পারে।

সঙ্গীত

দক্ষিণ সুদানের অনেক সঙ্গীত শিল্পী ইংরেজি, সোয়াহিলি, জুবা আরবি, তাদের আফ্রিকান ভাষা বা সব কিছুর মিশ্রণ ব্যবহার করেন।বারবজ, ইয়াবা অ্যাঞ্জেলোসি, ডি পিস চাইল্ডের মতো জনপ্রিয় শিল্পীরা আফ্রো-বীট, আর অ্যান্ড বি এবং জুকের গান করেন; ডায়নামক তার রেগে রিলিজের জন্য জনপ্রিয়; এবং ইমানুয়েল কেম্বে যিনি লোক, রেগে এবং আফ্রো-বীট গান করেন।এছাড়াও ইমানুয়েল জল, এফটিজি মেট্রো, ফ্লিজামে এবং দুগ্গা মোল্লার (এফএমজি) মতো হিপ হপ শিল্পীরা রয়েছেন।ইমানুয়েল হলেন দক্ষিণ সুদানী সঙ্গীত শিল্পীদের মধ্যে একজন যিনি তার হিপ হপের অনন্য ফর্ম এবং তার গানের মধ্যে একটি ইতিবাচক বার্তা দিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে [১৬৯] জনপ্রিয় হয়েছেন। [১৭০]জল, যিনি একজন সাবেক শিশু সৈনিক থেকে সঙ্গীতশিল্পী হয়েছিলেন, যুক্তরাজ্যে ভালো এয়ারপ্লে এবং অ্যালবাম পর্যালোচনা পেয়েছেন [১৭১] এবং টেড-এর মতো জনপ্রিয় টকফেস্টে প্রধান আলোচনার সাথে বক্তৃতা সার্কিটের জন্যও তাকে খুঁজে বের করা হয়েছে। [১৭২]

গেমস এবং খেলাধুলা

দক্ষিণ সুদানে জন্মগ্রহণকারী বাস্কেটবল খেলোয়াড় লুওল ডেং

অনেক ঐতিহ্যবাহী এবং আধুনিক গেমস এবং খেলাধুলা দক্ষিণ সুদানে জনপ্রিয়, বিশেষ করে কুস্তি এবং উপহাস যুদ্ধ।ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা প্রধানত ফসল কাটার মৌসুমের পরে ফসল উদযাপন এবং চাষের মৌসুম শেষ করার জন্য খেলা হত।ম্যাচের সময়, তারা নিজেদেরকে গৈরিক মাটি দিয়ে মেখেছিল – সম্ভবত কবজা প্রবলতর বা তাদের উপলব্ধি বৃদ্ধির জন্য।ম্যাচগুলি বিপুল সংখ্যক দর্শকদের আকর্ষণ করেছিল যারা তাদের প্রিয় কুস্তিগীরদের সমর্থনে গান গেয়েছিল, ড্রাম বাজিয়েছিল এবং নাচ করেছিল।যদিও এগুলিকে প্রতিযোগিতা হিসাবে বিবেচনা করা হয়েছিল, তবে এগুলি মূলত বিনোদনের জন্য ছিল।[১৭৩]

এসোসিয়েশন ফুটবল দক্ষিণ সুদানেও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে, এবং দক্ষিণ সুদানের সরকার এবং অন্যান্য অংশীদারদের দ্বারা খেলাধুলার প্রচার এবং খেলার স্তর উন্নত করার জন্য অনেক গুলি উদ্যোগ রয়েছে।এই উদ্যোগগুলির মধ্যে একটি হল দক্ষিণ সুদান যুব ক্রীড়া সংস্থা (এসএসওয়াইএসএ)।এসএসওয়াইএসএ ইতিমধ্যেই জুবার কোনয়োকোনিও এবং মুনিকি এলাকায় ফুটবল নিদানশালা পরিচালনা করছে যেখানে অল্প বয়স্ক ছেলেদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।যুব ফুটবল নিয়ে এই প্রচেষ্টার স্বীকৃতিস্বরূপ, দেশটি সম্প্রতি সিইসিএএফএ যুব ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল।মাত্র এক মাস আগে, এটি বৃহত্তর ইস্ট আফ্রিকান স্কুল স্পোর্টস টুর্নামেন্টও আয়োজন করেছিল।

দক্ষিণ সুদান জাতীয় এসোসিয়েশন ফুটবল দল ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারিতে আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশনে যোগ দেয় এবং ২০১২ সালের মে মাসে ফিফার পূর্ণ সদস্য পদ লাভ করে। [১৭৪] দলটি ২০১১ সালের ১০ জুলাই স্বাধীনতা উদযাপনের অংশ হিসাবে জুবায় কেনিয়া প্রিমিয়ার লিগের টাস্কর এফসির বিরুদ্ধে তার প্রথম ম্যাচ খেলেছিল, শুরুতে গোল করেছিল কিন্তু অধিকতর অভিজ্ঞ দলের কাছে ১-৩ গোলে হেরেছিল।[১৭৫] [১৭৬]দক্ষিণ সুদানের বিখ্যাত ফুটবলাররা হলেন জেমস মোগা, রিচার্ড জাস্টিন, আথির থমাস, গোমা গেনারো আওয়াদ, খামিস লেয়ানো, খামিস মার্টিন, উইলিয়াম আফানি ক্লিকস এবং রায় গুলওয়াক।

দক্ষিণ সুদানীরা শীর্ষস্থানীয় বাস্কেটবল খেলোয়াড়দের সম্পর্ক নিয়ে গর্ব করতে পারে।লুওল ডেং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন জাতীয় বাস্কেটবল অ্যাসোসিয়েশন তারকা ছিলেন; আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তিনি গ্রেট ব্রিটেনের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।দক্ষিণ সুদানের অন্যান্য নেতৃস্থানীয় আন্তর্জাতিক বাস্কেটবল খেলোয়াড়দের মধ্যে রয়েছে মানুতে বোল, কুয়েথ ডুয়ানি, দেং গাই, আটার মাজোক, ওয়েনিয়েন গ্যাব্রিয়েল এবং থন মেকার।দক্ষিণ সুদান জাতীয় বাস্কেটবল দল ২০১১ সালের ১০ জুলাই জুবাতে উগান্ডা জাতীয় বাস্কেটবল দলের বিপক্ষে এর প্রথম ম্যাচ খেলেছিল। [১৭৫]

দক্ষিণ সুদানের একজন ক্রীড়াবিদ গুওর মারিয়াল, যিনি ২০১২ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে অংশ নিয়েছিলেন।দক্ষিণ সুদানের এখনও কোনও সরকারী অলিম্পিক সংস্থার মালিক না হওয়ায়, এবং মারিয়ালের এখনও আমেরিকান নাগরিকত্ব না থাকার কারণে, তিনি প্রাক্তন নেদারল্যান্ডস এন্টিলসের তিনজন ক্রীড়াবিদের সাথে স্বাধীন অলিম্পিক ক্রীড়াবিদদের ব্যানারে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।

২ আগস্ট ১২৮তম আইওসি অধিবেশনে দক্ষিণ সুদানকে এর জাতীয় অলিম্পিক কমিটির পূর্ণ স্বীকৃতি দেওয়া হয়।দক্ষিণ সুদান ২০১৬ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে ট্র্যাক এবং ফিল্ডে তিনজন ক্রীড়াবিদ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল।এই অলিম্পিকে কোন পদক জেতেনি। [১৭৭]

পরিবহন

ওয়াউ-এর দিকে যাত্রা করা ট্রেনের উপরে যাত্রীরা
জুবা বিমানবন্দরে দুটি মিল এমআই-১৭ হেলিকপ্টার

রেলওয়ে

দক্ষিণ সুদানে সুদানের সীমান্ত থেকে ওয়াউ টার্মিনাস পর্যন্ত ২৪৮ কিমি (১৫৪ মা) একক ট্র্যাক ১,০৬৭ মিলিমিটার (৩ ফুট ৬ ইঞ্চি) গেজ রেললাইন রয়েছে।ওয়াউ থেকে জুবা পর্যন্ত প্রস্তাবিত এক্সটেনশন রয়েছে।কেনিয়ান এবং উগান্ডার রেলওয়ে নেটওয়ার্কের সাথে জুবাকে যুক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

বিমান

দক্ষিণ সুদানের সবচেয়ে ব্যস্ততম এবং সবচেয়ে উন্নত বিমানবন্দর হল জুবা বিমানবন্দর, যার সাথে আসমারা, এনতেবে, নাইরোবি, কায়রো, আদ্দিস আবাবা এবং খার্তুমের নিয়মিত আন্তর্জাতিক সংযোগ রয়েছে।জুবা বিমানবন্দরটি ফিডার এয়ারলাইন্স কোম্পানি এবং সাউদার্ন স্টার এয়ারলাইন্সের হোম বেস ছিল।[১৭৮]

অন্যান্য আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মধ্যে রয়েছে মালাকাল, আদ্দিস আবাবা এবং খার্তুমের আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সহ; ওয়াউ, খার্তুমে সাপ্তাহিক পরিষেবা সহ; এবং রুম্বেক, খার্তুমের সাপ্তাহিক ফ্লাইট সহ।সাউদার্ন সুদান এয়ারলাইন্স নিমুলে এবং আকোবোও পরিষেবা প্রদান করে, যেগুলির অপ্রশস্ত রানওয়ে রয়েছে।দক্ষিণ সুদান জুড়ে বেশ কয়েকটি ছোট বিমানবন্দর রয়েছে যার বেশিরভাগই ময়লা রানওয়ের চেয়ে সামান্য বেশি।

২০১২ সালের ৪ এপ্রিল, দক্ষিণ সুদানের একটি জাতীয় বিমান সংস্থা চালু করার পরিকল্পনা প্রকাশ করা হয়েছিল, প্রাথমিকভাবে অভ্যন্তরীণ পরিষেবার জন্য কিন্তু শেষ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক পরিষেবায় প্রসারিত হয়েছিল।[১৭৯]

অর্থনীতি

দক্ষিণ সুদান রপ্তানির একটি আনুপাতিক চিত্র, ২০১৯
লোকা সেগুন আফ্রিকার বৃহত্তম সেগুন বাগান। [তথ্যসূত্র প্রয়োজন] [ উদ্ধৃতি প্রয়োজন ]

দক্ষিণ সুদানের অর্থনীতি বিশ্বের সবচেয়ে অনুন্নত অর্থনীতিগুলির মধ্যে একটি এবং দক্ষিণ সুদানে সামান্য বিদ্যমান অবকাঠামো রয়েছে এবং ২০১১-এর হিসাব অনুযায়ী বিশ্বে মাতৃমৃত্যু ও মহিলা নিরক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি।[১৮০]দক্ষিণ সুদান আন্তর্জাতিক বাজারে কাঠ রপ্তানি করে।এই অঞ্চলে পেট্রোলিয়াম, লৌহ আকরিক, তামা, ক্রোমিয়াম আকরিক, দস্তা, টংস্টেন, মাইকা, রৌপ্য, সোনা, হীরা, শক্ত কাঠ, চুনাপাথর এবং জলবিদ্যুতের মতো অনেক প্রাকৃতিক সম্পদও রয়েছে। [১৮১]অন্যান্য অনেক উন্নয়নশীল দেশের মতো দেশের অর্থনীতিও কৃষির ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল।

প্রাকৃতিক সম্পদ-ভিত্তিক কোম্পানিগুলি ছাড়া, এই ধরনের অন্যান্য সংস্থাগুলির মধ্যে রয়েছে সাবমিলার-এর একটি সহায়ক সংস্থা সাউদার্ন সুদান বেভারেজ লিমিটেড।

তেল

দক্ষিণের তেলক্ষেত্রগুলি বিংশ শতাব্দীর শেষভাগ থেকে অর্থনীতির জন্য তাৎপর্যপূর্ণ ছিল।দক্ষিণ সুদানে সাব-সাহারান আফ্রিকার তৃতীয় বৃহত্তম তেল মজুদ রয়েছে। [১৮২]তবে, ২০১১ সালের জুলাই মাসে দক্ষিণ সুদান একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হয়ে ওঠার পরে, দক্ষিণ ও উত্তরের আলোচকরা তাৎক্ষণিকভাবে এই দক্ষিণের তেলক্ষেত্রগুলি থেকে রাজস্ব ভাগ করার বিষয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে সক্ষম হননি।[১৮৩]

সুদানে তেল ও গ্যাস ছাড় - ২০০৪

এটি ধারণা করা হয় যে, দক্ষিণ সুদানে সুদানের প্রায় ৪ গুণ তেল মজুদ রয়েছে।সমন্বিত শান্তি চুক্তি (সিপিএ) অনুসারে তেলের আয় চুক্তির সময়কালের জন্য সমানভাবে বিভক্ত ছিল।[১৮৪]যেহেতু দক্ষিণ সুদান সুদানের লোহিত সাগর রাজ্যে পাইপলাইন, শোধনাগার এবং পোর্ট সুদানের সুবিধার উপর নির্ভর করে, তাই চুক্তিতে বলা হয়েছে যে খার্তুমে সুদান সরকার সমস্ত তেল রাজস্বের ৫০% ভাগ পাবে।[১৮৪] [১৮৫]এই ব্যবস্থাটি ২০০৫ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত স্বায়ত্তশাসনের দ্বিতীয় সময়কালে বজায় রাখা হয়েছিল।

স্বাধীনতার আগে, উত্তরের আলোচকরা তেল রাজস্বের ৫০-৫০ বিভাজন বজায় রাখার জন্য একটি চুক্তির জন্য চাপ দিয়েছিলেন বলে জানা গেছে, পক্ষান্তরে দক্ষিণ সুদানীরা আরও অনুকূল শর্তের জন্য আঁকড়ে ধরেছিল।[১৮৫]দক্ষিণ সুদান সরকারের অর্থ ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মতে, তেলের রাজস্ব দক্ষিণ সুদানের বাজেটের ৯৮% এরও বেশি এবং শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের পর থেকে এর পরিমাণ ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি হয়েছে।[১৮৪]

স্বাধীনতার পর, দক্ষিণ সুদান পোর্ট সুদানের তেল টার্মিনালে পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল পরিবহনের জন্য ব্যারেল প্রতি ৩৪ মার্কিন ডলার চার্জ করার বিষয়ে সুদানের প্রতি আপত্তি জানায়।প্রতিদিন প্রায় ৩০,০০০ ব্যারেল উৎপাদনের ফলে প্রতিদিন এক মিলিয়ন ডলারেরও বেশি খরচ হয়েছিল।২০১২ সালের জানুয়ারিতে, দক্ষিণ সুদান তেল উৎপাদন স্থগিত করে, যার ফলে রাজস্ব এবং খাদ্য খরচ ১২০% বেড়ে যায়। [১৮৬]২০১৭ সালে, নীল তুরপুন ও সেবা দক্ষিণ সুদানের প্রথম স্থানীয় মালিকানাধীন এবং পরিচালিত পেট্রোলিয়াম ড্রিলিং কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে।

চায়না ন্যাশনাল পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (সিএনপিসি) দক্ষিণ সুদানের তেল খাতে একটি বড় বিনিয়োগকারী।[১৮২]আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) অনুসারে, দক্ষিণ সুদানের অর্থনীতি তেল থেকে বহুমুখী হওয়ার জন্য চাপের মধ্যে রয়েছে কারণ ২০২০ সালের মধ্যে তেলের রিজার্ভ সম্ভবত অর্ধেক হয়ে যাবে, যদি নতুন কোনো সন্ধান না পাওয়া যায়।[১৮৭]

ঋণ

দক্ষিণ সুদানের বৈদেশিক ঋণের ক্ষেত্রে, সুদান এবং দক্ষিণ সুদান প্রায় ৩৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি ভাগ করা ঋণ বজায় রেখেছে, যার সবকটিই গত পাঁচ দশক ধরে জমা হয়েছে।[১৮৮]যদিও এই ঋণের একটি ছোট অংশ বিশ্বব্যাংক এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলির কাছে পাওনা (২০০৯ সালের সুদান ব্যাংকের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, আনুমানিক US$5.3 বিলিয়ন মার্কিন ডলার), এর বেশিরভাগ ঋণের বোঝা আসলেই পাওনা। প্যারিস ক্লাব (US$11 বিলিয়ন) এবং নন-প্যারিস ক্লাব দ্বিপাক্ষিক ঋণদাতা (US$13 বিলিয়নের বেশি) সহ অসংখ্য বিদেশী অভিনেতা যারা জাতিকে আর্থিক ঋণ প্রদান করেছে। [১৮৯]

প্যারিস ক্লাব বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী অর্থনীতির 19টি আর্থিক কর্মকর্তাদের একটি অনানুষ্ঠানিক গোষ্ঠীকে বোঝায়, যার মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স এবং কানাডার মতো সদস্য দেশগুলি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যেখানে প্যারিস ক্লাবের দ্বিপাক্ষিক ঋণদাতারা যে কোনও সত্তাকে বোঝায়। যেটি প্যারিস ক্লাবের সদস্য হিসাবে স্থায়ী/সম্পর্কিত মর্যাদা ভোগ করে না। [১৯০]বেসরকারী দ্বিপাক্ষিক ঋণদাতারা (যেমন বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং ব্যক্তিগত ক্রেডিট সরবরাহকারী) অবশিষ্টাংশের (মোট ঋণের প্রায় ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) জন্য দায়ী। [১৯১]

পূর্ব আফ্রিকান সম্প্রদায়ের সদস্যপদ

কেনিয়া এবং রুয়ান্ডার রাষ্ট্রপতিরা দক্ষিণ সুদানের স্বায়ত্তশাসিত সরকারকে ২০১১ সালে দক্ষিণ সুদানের স্বাধীনতার পরে পূর্ব আফ্রিকান সম্প্রদায়ের সদস্যপদ পাওয়ার জন্য আবেদন করার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন,[৯৯] [১৯২] এবং দক্ষিণ সুদান ২০১১ সালের জুলাইয়ের মাঝামাঝি পর্যন্ত একটি আবেদনকারী দেশ ছিল বলে জানা গেছে। [৯৯] [১৯৩]বিশ্লেষকরা পরামর্শ দিয়েছেন যে কেনিয়া এবং উগান্ডার সিস্টেমের সাথে রেল সংযোগ এবং তেল পাইপলাইন সহ [১৯৪] অবকাঠামোকে সংহত করার জন্য দক্ষিণ সুদানের প্রাথমিক প্রচেষ্টা সুদানের উপর নির্ভরশীলতা থেকে দূরে এবং ইএসি-এর দিকে জুবার অভিপ্রায়ের ইঙ্গিত দেয়।

২০১১ সালের ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ডেইলি নেশন দক্ষিণ সুদানের একজন সংসদ সদস্যকে উদ্ধৃত করে বলেছিল যে তার সরকার ইএসিতে যোগ দিতে আগ্রহী হলেও, এটি সম্ভবত এর সদস্যপদ বিলম্বিত করবে এই উদ্বেগের কারণে যে এর অর্থনীতি ইএসি সদস্য রাষ্ট্রগুলির সাথে প্রতিযোগিতা করার জন্য যথেষ্ট পরিমাণে বিকশিত হয়নি এবং কেনিয়া, তানজানিয়ান এবং উগান্ডার রপ্তানির জন্য একটি "ডাম্পিং গ্রাউন্ড" হয়ে উঠতে পারে। [১৯৫]রাষ্ট্রপতি সালভা কির এটির বিরোধিতা করেছিলেন, যিনি ঘোষণা করেছিলেন যে দক্ষিণ সুদান আনুষ্ঠানিকভাবে এক মাস পরে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করেছে। [১৯৬]২০১২ সালের ডিসেম্বর মাসে ইএসি প্রাথমিকভাবে এই আবেদনটি স্থগিত করে দেয়[১৯৭] এবং দক্ষিণ সুদানে উগান্ডার বোদা-বোদা অপারেটরদের সাথে ঘটনা রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি করেছিল। [১৯৮]

২০১২ সালের ডিসেম্বরে, তানজানিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে দক্ষিণ সুদানের ইএসি-তে যোগদানের আহবানের সাথে সম্মত হয়, যা আঞ্চলিক ব্লকের ষষ্ঠ সদস্য হওয়ার জন্য বিশ্বের নতুনতম রাষ্ট্রের পথ পরিষ্কার করে দেয়।২০১৩ সালের মে মাসে, ইএসি প্রবেশ প্রক্রিয়ার জন্য ৮২,০০০ মার্কিন ডলার বরাদ্দ করেছিল।২০১৩ সালের আগস্টে ইএসি মমন্ত্রিপরিষদের বৈঠকের পর থেকে শুরু করে কমপক্ষে চার বছর সময় লাগবে বলে ধারণা করা হয়েছিল।২০১২ সালে নাইরোবিতে অনুষ্ঠিত ১৪তম সাধারণ শীর্ষ সম্মেলনে, ইএসি রাষ্ট্রপ্রধানরা মন্ত্রীপরিষদ দ্বারা উপস্থাপিত যাচাইকরণ প্রতিবেদনটি অনুমোদন করেছিলেন, তারপরে দক্ষিণ সুদানের সাথে আলোচনার প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।[১৯৯]

দক্ষিণ সুদানের বিড মূল্যায়নের জন্য একটি দল গঠন করা হয়েছিল; তবে, ২০১৪ সালের এপ্রিলে, দেশটি সম্ভবত দক্ষিণ সুদানী গৃহযুদ্ধের কারণে প্রবেশন প্রক্রিয়াতে বিলম্বের জন্য অনুরোধ করেছিল। [২০০] [২০১]

দক্ষিণ সুদানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বার্নাবা মারিয়াল বেঞ্জামিন ২০১৫ সালের অক্টোবরে প্রকাশ্যে দাবি করেন যে, মে, জুন, আগস্ট, সেপ্টেম্বর এবং অক্টোবরে একটি বিশেষ প্রযুক্তিগত কমিটির অপ্রকাশিত মূল্যায়ন এবং বৈঠকের পরে, কমিটি সুপারিশ করেছে যে দক্ষিণ সুদানকে পূর্ব আফ্রিকান সম্প্রদায়ে যোগদানের অনুমতি দেওয়া হোক।[২০২]

অবশেষে ২০১৬ সালের মার্চে দক্ষিণ সুদানকে পূর্ব আফ্রিকান সম্প্রদায়ের সদস্যপদের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয় এবং ২০১৬ সালের এপ্রিলে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তির স্বাক্ষরের সাথে যুক্ত করা হয়।[২০৩] [২০৪]

দক্ষিণ সুদান এবং কমনওয়েলথ নেশনস

দক্ষিণ সুদান কমনওয়েলথ অফ নেশনসে যোগদানের জন্য আবেদন করেছে, [২০৫] এই বিবেচনায় যে দক্ষিণ সুদান অ্যাংলো-মিশরীয় সুদানের অংশ ছিল এবং প্রতিবেশী দেশ হিসেবে কমনওয়েলথ অফ নেশনসে কেনিয়া এবং উগান্ডায় এর ২টি প্রজাতন্ত্র রয়েছে।

মানবিক পরিস্থিতি

জাতিসংঘের মতে, ২০২১ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত দক্ষিণ সুদানে ৮৩ লাখ মানুষের মানবিক সহায়তা প্রয়োজন রয়েছে। [২০৬] দক্ষিণ সুদানে বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ স্বাস্থ্য সূচক আছে বলে স্বীকৃত। [২০৭] [২০৮] [২০৯]পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুমৃত্যুর হার প্রতি ১,০০০ জনে ১৩৫.৩, যেখানে প্রতি ১০০,০০০ জীবিত জন্মে মাতৃমৃত্যুর হার ২,০৫৩.৯ জন, যা বিশ্বে সর্বোচ্চ। [২০৯]২০০৪ সালে, দক্ষিণ সুদানে তিনটি সঠিক হাসপাতাল সহ শুধুমাত্র তিনজন সার্জন ছিল এবং কিছু এলাকায় প্রতি ৫০০,০০০ জন মানুষের জন্য মাত্র একজন ডাক্তার ছিল।[২০৭]

দক্ষিণ সুদানে এইচআইভি/এইডস-এর বিস্তার সংক্রান্ত সম্পর্কে খুব খারাপভাবে নথিভুক্ত করা হয়েছে কিন্তু এর প্রাদুর্ভাব প্রায় ৩.১% বলে মনে করা হয়। [২১০]২০১৩ সালের একটি গবেষণা অনুসারে, দক্ষিণ সুদানে "সম্ভবত সাব-সাহারান আফ্রিকায় ম্যালেরিয়ার বোঝা সবচেয়ে বেশি"।[২১১]দক্ষিণ সুদান এমন কয়েকটি দেশের মধ্যে একটি যেখানে এখনও ড্রাকুনকুলিয়াসিস দেখা যায়। [২১২] [২১৩] [২১৪]

২০০৫ সালের ব্যাপক শান্তি চুক্তির সময়, দক্ষিণ সুদানে মানবিক চাহিদা ব্যাপক ছিল।যাইহোক, জাতিসংঘ মানবিক বিষয়ক সমন্বয় দপ্তর (ওসিএইচএ) এর নেতৃত্বে মানবিক সংস্থাগুলি স্থানীয় জনগণের জন্য ত্রাণ আনতে পর্যাপ্ত তহবিল নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছিল।পুনরুদ্ধার এবং উন্নয়ন সহায়তার পাশাপাশি মানবিক প্রকল্পগুলি জাতিসংঘ এবং অংশীদারদের ২০০৭ সালের কর্ম পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত ছিল।সমগ্র সুদানের মাথাপিছু জিডিপি ১২০০ মার্কিন ডলার (৩.২৯ মার্কিন ডলার/দিন) হওয়া সত্ত্বেও, দক্ষিণ সুদানের জনসংখ্যার ৯০%

% এরও বেশি দৈন১ ডলারের এর কম আয় করে। [২১৫]


২০০৭ সালে, জাতিসংঘের ওসিএইচএ (এলিয়ান ডুথোইটের নেতৃত্বে) দক্ষিণ সুদানে তার সম্পৃক্ততা হ্রাস করে, কারণ মানবিক চাহিদাগুলি ধীরে ধীরে হ্রাস পায়, ধীরে ধীরে তবে এনজিও এবং সম্প্রদায়-ভিত্তিক সংস্থাগুলির পুনরুদ্ধার এবং উন্নয়ন কার্যক্রমের নিয়ন্ত্রণের দিকে মনোনিবেশ করে।[২১৬]

২০১১ সালের মাঝামাঝি সময়ে উত্তর বাহর এল গজল এবং ওয়ারাপ রাজ্যে দুর্ভিক্ষের কারণে মৃত্যু হয়েছিল বলে জানা গেছে। যদিও উভয়ের রাজ্য সরকারই ক্ষুধার কথা অস্বীকার করেছিল, তবে তা মৃত্যুর কারণ হওয়ার পক্ষে যথেষ্ট গুরুতর ছিল।

[২১৭]


২০১১ সালের ডিসেম্বর এবং ২০১২ সালের জানুয়ারী মাসে জংলেই রাজ্যে অবস্থিত পিবর কাউন্টিতে, গবাদি পশুর অভিযানের ফলে সীমান্তে সংঘর্ষ শুরু হয় যা শেষ পর্যন্ত ব্যাপক জাতিগত সহিংসতায় পরিণত হয়, যার ফলে হাজার হাজার লোক মারা যায় এবং দক্ষিণ সুদানের হাজার হাজার লোক বাস্তুচ্যুত হয় এবং শত শত মেডেকিনস সানস ফ্রন্টিয়ারেস কর্মী নিখোঁজ হয়। সরকার এলাকাটিকে একটি দুর্যোগ অঞ্চল হিসাবে ঘোষণা করে এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে। [২১৮]দক্ষিণ সুদানে বাল্যবিবাহের হার অনেক বেশি। [২১৯]দেশটিতে নারীর প্রতি সহিংসতা খুবই সাধারণ বিষয় এবং দক্ষিণ সুদানের আইন ও নীতিকে সুরক্ষা প্রদানের ক্ষেত্রে অপর্যাপ্ত বলে সমালোচনা করা হয়েছে। [২২০] [২২১]

পানির সংকট

দক্ষিণ সুদানে পানি সরবরাহ অনেক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে। যদিও শ্বেত নদ দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়, তবে নদীর উপর অবস্থিত নয় এমন অঞ্চলে শুষ্ক মৌসুমে জলের অভাব রয়েছে।

প্রায় অর্ধেক জনসংখ্যার এক কিলোমিটারের মধ্যে একটি সুরক্ষিত কূপ, স্ট্যান্ডপাম্প বা হ্যান্ডপাম্প হিসাবে সংজ্ঞায়িত একটি উন্নত পানির উত্সের প্রবেশ নেই।বিদ্যমান কয়েকটি পাইপযুক্ত পানি সরবরাহ ব্যবস্থা প্রায়শই ভালভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা হয় না এবং এগুলি যে পানি সরবরাহ করে তা প্রায়শই পান করার জন্য নিরাপদ নয়।বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিরা ঘরে ফিরে আসা অবকাঠামোর উপর একটি বিশাল চাপ সৃষ্টি করে এবং এই খাতের দায়িত্বে থাকা সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হয়ে পড়ে। পানি সরবরাহের উন্নতির জন্য অসংখ্য সরকারি সংস্থা এবং বেসরকারি সংস্থার কাছ থেকে উল্লেখযোগ্য বাহ্যিক তহবিল পাওয়া যায়।

অনেক বেসরকারী সংস্থা দক্ষিণ সুদানে পানি সরবরাহে সমর্থন করে, যেমন ওয়াটার ইজ বেসিক, ওয়াটার ফর সাউথ সুদান, ওবাক্কি ফাউন্ডেশন [২২২] এবং উত্তর আমেরিকা থেকে ব্রিজটন -লেক অঞ্চল রোটারি ক্লাব [২২৩]

উদ্বাস্তু

জাম শরণার্থী শিবির

২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত, দক্ষিণ সুদান ২৩০,০ এরও বেশি শরণার্থীর আশ্রয় নিয়েছিল, দারফুর যুদ্ধের কারণে ২০৯,০০০ এরও বেশি লোক সম্প্রতি সুদান থেকে এসেছিল।অন্যান্য আফ্রিকান দেশগুলি যা দক্ষিণ সুদানে সবচেয়ে বেশি শরণার্থী অবদান রাখে সেগুলি হল মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, ইথিওপিয়া এবং কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র। [২২৪]2013 সালের ডিসেম্বরে শুরু হওয়া যুদ্ধের ফলস্বরূপ, 2.3 মিলিয়নেরও বেশি লোক - দক্ষিণ সুদানে প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন - তাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে, যার মধ্যে 1.66 মিলিয়ন অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত মানুষ (53.4 শতাংশ অনুমান করা হয়েছে শিশু ছিল) ) এবং প্রতিবেশী দেশগুলিতে প্রায় 644,900 শরণার্থী।প্রায় 185,000 অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত মানুষ (আইডিপি) ইউএন প্রটেকশন অফ সিভিলিয়ানস (পিওসি) সাইটে আশ্রয় চেয়েছে, যেখানে প্রায় 90 শতাংশ আইডিপি পলাতক বা PoC সাইটের বাইরে আশ্রয় নিয়েছে। [২২৫]ফলস্বরূপ, UNHCR মানবিক সমন্বয়কারীর নেতৃত্বে একটি আন্তঃ-এজেন্সি সহযোগিতামূলক পদ্ধতির মাধ্যমে এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (IOM)-এর সাথে কাজ করে তার প্রতিক্রিয়া বাড়াচ্ছে।2013 সালের ফেব্রুয়ারির শুরুতে, UNHCR দক্ষিণ সুদানের মালাকালের জাতিসংঘ ঘাঁটির বাইরে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ শুরু করে, যা 10,000 লোকে পৌঁছানোর আশা করা হয়েছিল। [২২৪]

2017 দুর্ভিক্ষ

২০১৭ সালের ২০ শে ফেব্রুয়ারী দক্ষিণ সুদান এবং জাতিসংঘ প্রাক্তন ইউনিটি রাজ্যের কিছু অংশে দুর্ভিক্ষ ঘোষণা করে এবং সতর্ক করে দেয় যে এটি পরবর্তী পদক্ষেপ ছাড়াই দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।১০০,০০০ এরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি বলেছে যে দক্ষিণ সুদানের জনসংখ্যার ৪০% অর্থাৎ ৪৯ লাখ মানুষের জরুরি ভিত্তিতে খাদ্যের প্রয়োজন। [২২৬] [২২৭]জাতিসংঘের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে প্রেসিডেন্ট সালভা কির মায়ার্দিত কিছু এলাকায় খাদ্য সরবরাহে বাধা দিচ্ছেন। [২২৮]অধিকন্তু, ইউনিসেফ সতর্ক করেছে যে দক্ষিণ সুদানে 1 মিলিয়নেরও বেশি শিশু অপুষ্টির শিকার হয়েছে। [২২৯]

পতনশীল আর্মিওয়ার্মের প্রাদুর্ভাব ২০১৭ সালের জুলাইয়ের মধ্যে জোরা এবং ভুট্টা উৎপাদনকে আরও হুমকির মুখে ফেলেছিল। [২৩০]

তথ্যসূত্র

  1. "The Transitional Constitution of the Republic of South Sudan, 2011"। Government of South Sudan। ২১ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুলাই ২০১১  Part One, 6(2). "English shall be the official working language in the Republic of South Sudan".
  2. "The Transitional Constitution of the Republic of South Sudan, 2011" (পিডিএফ)। Government of South Sudan। ২৯ জুন ২০১১ তারিখে মূল (পিডিএফ) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ নভেম্বর ২০১৬ 
  3. United Nations Children's Fund (UNICEF): The impact of language policy and practice on children’s learning: Evidence from Eastern and Southern Africa 2016 ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখে (PDF; 672 kB), Pages 1–3, Retrieved 9 September 2018
  4. Manfredi, Stefano (২০১৮)। "Juba Arabic (Árabi Júba): a "less indigenous" language of South Sudan" (পিডিএফ)Sociolinguistic Studies12 (1): 209–230। hdl:2318/1702685এসটুসিআইডি 150503108ডিওআই:10.1558/sols.35596 
  5. Manfredi Stefano; Tosco Mauro (2016), A new state, an old language policy, and a pidgin-creolo: Juba Arabic in South Sudan, Forthcoming: Sociolinguistic Studies 2016 ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে (PDF; 1141 kB), Pages 1–18, Retrieved 9 September 2018
  6. Manfredi Stefano; Tosco Mauro (2013), Language uses vs. language policy: South Sudan and Juba Arabic in the post-independence era ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে (PDF; 301 kB), Pages 798–802, III Congresso Coordinamento Universitario per la Cooperazione allo Sviluppo, Sep 2013, Turin, Italy. JUNCO, Journal of Universities and International Development Cooperation, 2014, Imagining Cultures of Cooperation – Proceedings of the III CUCS Congress, Turin 19–21 September 2013, Retrieved 9 September 2018
  7. Ethnologue: Ethnologue Languages of the World – South Sudan ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে, Retrieved 9 September 2018.
  8. "South Sudan"Global Religious Futures। Pew Research Center। সংগ্রহের তারিখ ১ জুলাই ২০২১ 
  9. "South Sudan's transitional government: realities, challenges and opportunities"Emmaculate Asige Liaga (ইংরেজি ভাষায়)। ২৫ অক্টোবর ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ডিসেম্বর ২০২১ 
  10. "Discontent over Sudan census"News24.com। AFP। ২১ মে ২০০৯। ১৩ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুলাই ২০১১ 
  11. "South Sudan"World Economic Outlook DatabaseInternational Monetary Fund। ১৯ মার্চ ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ অক্টোবর ২০১৮ 
  12. "Gini Index"। World Bank। ১১ মে ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জুন ২০২১ 
  13. Human Development Report 2020 The Next Frontier: Human Development and the Anthropocene (পিডিএফ)। United Nations Development Programme। ১৫ ডিসেম্বর ২০২০। পৃষ্ঠা 343–346। আইএসবিএন 978-92-1-126442-5। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ডিসেম্বর ২০২০ 
  14. "Traffic and Road Conditions in Sudan, South"। Countryreports.org। ২১ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ জানুয়ারি ২০১৯ 
  15. "New country, new number: Country code 211 officially assigned to South Sudan" (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)। International Telecommunication Union। ১৪ জুলাই ২০১১। ৫ অক্টোবর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০ জুলাই ২০১১ 
  16. ".ss Domain Delegation Data"Internet Assigned Numbers AuthorityICANN। ১২ মার্চ ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ সেপ্টেম্বর ২০১১ 
  17. "South Sudan"The World FactbookCIA। ১১ জুলাই ২০১১। ২৪ এপ্রিল ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-০৭-১৪  উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে "factbook" নামটি একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে
  18. "South Sudan profile"। BBC। ৫ জুলাই ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জুলাই ২০১১  উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে "BBCprofile" নামটি একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে
  19. "The Turkiyah, 1821–85"Sudan: A Country Study। Area handbook series। GPO for the Library of Congress। ১৯৯১। আইএসবিএন 978-0-8444-0750-0 
  20. Matthew LeRiche, Matthew Arnold.
  21. Richard Cockett Sudan: Darfur and the failure of an African state. 2010.
  22. Matthew LeRiche, Matthew Arnold.
  23. Levering Lewis, David (১৯৯৫)। The Race to Fashoda। Weidenfeld & Nicolson। 
  24. "Sudan"। State.gov। ২ আগস্ট ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  25. Fick, Maggie (৩০ জানুয়ারি ২০১১)। "Over 99 pct in Southern Sudan vote for secession"USA Today। ২ ফেব্রুয়ারি ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জানুয়ারি ২০১১ 
  26. Kron, Josh (২৩ জানুয়ারি ২০১১)। "Southern Sudan Nears a Decision on One Matter: Its New Name"The New York Times 
  27. "South Sudan profile"BBC News। ৮ জানুয়ারি ২০১৪। ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ 
  28. News, BBC (৩০ জানুয়ারি ২০১১)। "99.57% of Southern Sudanese vote yes to independence"BBC News। ৩০ জানুয়ারি ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জানুয়ারি ২০১১ 
  29. South Sudan becomes an independent nation ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১০ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে, BBC News.
  30. "South Sudan"CIA World Factbook। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুলাই ২০২১ 
  31. "UN welcomes South Sudan as 193rd Member State"UN News। ১৪ জুলাই ২০১১। ২৮ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জানুয়ারি ২০১৯ 
  32. "au.int: African Union Welcomes South Sudan as the 54th Member State of the Union"। ১২ আগস্ট ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  33. "The LRA and Sudan"Al Jazeera English। ৫ জানুয়ারি ২০১১। ১৮ মার্চ ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১২ 
  34. PiersDillonScott (১৭ সেপ্টেম্বর ২০১১)। "Google Maps officially recognises South Sudan as an independent country"The Sociable (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১১ মার্চ ২০২১ 
  35. "South Sudan army kills fighters in clashes"। Al Jazeera English। ২৪ এপ্রিল ২০১১। ২৯ এপ্রিল ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৬ এপ্রিল ২০১১ 
  36. Fick, Maggie; Straziuso, Jason (২ জুন ২০১১)। "Civilians dead in South Sudan battle"। Associated Press। ৩ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩ মে ২০১৩ 
  37. "Thousands flee South Sudan tribal conflict"Al Jazeera English। ৩ জানুয়ারি ২০১২। ২ জানুয়ারি ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১২ 
  38. "United Nations urges South Sudan to Help Avert Possible Attack"Bloomberg Television। ২৭ ডিসেম্বর ২০১১। ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১২  উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে "Bloomberg" নামটি একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে
  39. "Sudan and South Sudan in fierce oil border clashes"। BBC News Africa। ২৭ মার্চ ২০১২। ৯ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মার্চ ২০১২ 
  40. Kulish, Nicholas (৯ জানুয়ারি ২০১৪)। "New Estimate Sharply Raises Death Toll in South Sudan"The New York Times। ১৫ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ 
  41. "Yoweri Museveni: Uganda troops fighting South Sudan rebels"BBC News। ১৬ জানুয়ারি ২০১৪। ৬ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০১৮ 
  42. "South Sudan country profile"BBC News। ৬ আগস্ট ২০১৮। ২০ জুন ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ জুন ২০১৬ 
  43. "South Sudan rebel chief Riek Machar sworn in as vice-president"। bbcnews.com। ২৬ এপ্রিল ২০১৬। ২৯ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ এপ্রিল ২০১৬ 
  44. "South Sudan opposition replaces missing leader Machar"। aljazeera। ২৩ জুলাই ২০১৬। ২৭ জুলাই ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৫ আগস্ট ২০১৬ 
  45. "South Sudan conflict: Sacked VP Riek Machar goes into exile"। bbcnews.com। ১৮ আগস্ট ২০১৬। ১৮ আগস্ট ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৯ আগস্ট ২০১৬ 
  46. "The revenge of Salva Kiir"। foreignpolicy। ২ জানুয়ারি ২০১৭। ২৬ জুন ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮ 
  47. "South Sudan's warring leaders agree to share power, again"The Washington Post। ২৫ জুলাই ২০১৮। ২৬ জুলাই ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ আগস্ট ২০১৮ 
  48. "Study estimates 190,000 people killed in South Sudan's civil war"Reuters। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ 
  49. "Nearly 400,000 'excess deaths' caused by South Sudan war"ABC News। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮। ৮ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৭ অক্টোবর ২০১৮ 
  50. "South Sudan 'coup leaders' face treason trial"BBC News। ২৯ জানুয়ারি ২০১৪। ২ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০১৮ 
  51. "A new report estimates that more than 380,000 people have died in South Sudan's civil war"। Washington Post। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ 
  52. "South Sudan rivals strike power-sharing deal"BBC News। ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 
  53. "South Sudan rivals strike power-sharing deal"BBC News। ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 
  54. "The Transitional Constitution of the Republic of South Sudan, 2011"। Government of South Sudan। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুলাই ২০১১ 
  55. "South Sudan passes interim constitution amid concerns over presidential powers"Sudan Tribune। ৮ জুলাই ২০১১। ১১ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জুলাই ২০১১ 
  56. "The Interim Constitution of Southern Sudan of 2005"। ২০ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  57. Henneberg, Ingo (২০১৩)। "Das politische System des Südsudan" (German ভাষায়): 174–196। ডিওআই:10.5771/0506-7286-2013-2-174অবাধে প্রবেশযোগ্য। ১৮ জুন ২০১৮ তারিখে মূলঅর্থের বিনিময়ে সদস্যতা প্রয়োজন থেকে আর্কাইভ করা। 
  58. "South Sudan president dissolves parliament as part of peace deal"। Al Jazeera। ৯ মে ২০২১। 
  59. "New capital city for South Sudan?"। Radio Netherlands। ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১১। ২৯ জুন ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জুলাই ২০১১ 
  60. "South Sudan to establish a new capital city and relocate from Juba after independence"। Sudan Tribune। ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১১। ২৯ জুন ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জুলাই ২০১১ 
  61. "South Sudan relocates its capital from Juba to Ramciel"। Sudan Tribune। ৩ সেপ্টেম্বর ২০১১। ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০১১ 
  62. Amos, Mashel (২৯ এপ্রিল ২০১১)। "The search for new nation's capital in South Sudan"। The Independent। ১৩ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জুলাই ২০১১ 
  63. "Lakes Leaders Visit Prospective South Sudanese Capital"। Gurtong। ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১১। ২৮ মার্চ ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জুলাই ২০১১ 
  64. "After 6 years of war, will peace finally come to South Sudan?"www.aljazeera.com 
  65. d e k u e k (১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০)। "d e k u e k on Twitter: "So it has been decided that #SouthSudan shall revert to 10 states plus Abyei, Pibor and Ruweng Administrative Areas.‌ ""। Twitter.com। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মে ২০২০ 
  66. "Kiir and Makuei want 28 states in South Sudan"Radio Tamazuj। ৮ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৬ অক্টোবর ২০১৫ 
  67. "Kiir pressured into taking decree to parliament for approval"Radio Tamazuj। ৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৬ অক্টোবর ২০১৫ 
  68. "South Sudan's Kiir appoints governors of 28 new states"Sudan Tribune। ২৬ জানুয়ারি ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জানুয়ারি ২০১৬ 
  69. "South Sudanese President creates four more states"www.sudantribune.com। Sudan Tribune। ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭ 
  70. "Jan2017 South Sudan"International Crisis Group। International Crisis Group। ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৬ মে ২০১৭ 
  71. "Juba parliament authorizes establishment of South Sudan air force"Sudan Tribune। ২৫ জুন ২০০৮। ১৬ নভেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জুলাই ২০১১ 
  72. "Creation of the South Sudan Air Force"aircraft.zurf.info। ৯ জানুয়ারি ২০১১। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  73. Carlstrom, Gregg (১২ জুলাই ২০১১)। "South Sudan journalists facing intimidation"। Al Jazeera English। ১৩ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুলাই ২০১১ 
  74. "South Sudan Friendship Press"South Sudan FP (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৮ মে ২০২০ "South Sudan Friendship Press".
  75. "South Sudan security detains two journalists"। Committee to Protect Journalists। ৭ নভেম্বর ২০১১। ৮ নভেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৮ নভেম্বর ২০১১ "South Sudan security detains two journalists".
  76. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; Sudan Tribune 2011-11-18 নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  77. "South Sudan journalist Peter Moi shot dead"। bbcnews.com। ২০ আগস্ট ২০১৫। ২২ আগস্ট ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ "South Sudan journalist Peter Moi shot dead". bbcnews.com. 20 August 2015.
  78. Hannington, Ochan। "Risking my life"। D+C, development and cooperation। ২২ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০১৫ Hannington, Ochan.
  79. "South Sudan media blackout after reporter shot dead"। dailystar.com.lb। ২১ আগস্ট ২০১৫। ২৫ আগস্ট ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ "South Sudan media blackout after reporter shot dead". dailystar.com.lb. 21 August 2015.
  80. "US journalist killed in Yei River"। southsudan.biz। ২৭ আগস্ট ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭ "US journalist killed in Yei River". southsudan.biz. 27 August 2017.
  81. "South Sudan president downplays refugee crisis, blames social media"। southsudan.biz। ২৮ আগস্ট ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭ "South Sudan president downplays refugee crisis, blames social media". southsudan.biz. 28 August 2017.
  82. "South Sudan blocks access to independent websites"। dw.com। ২১ জুলাই ২০১৭। ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭ "South Sudan blocks access to independent websites". dw.com. 21 July 2017.
  83. World Report 2021: Rights Trends in South SudanHuman Rights Watch (ইংরেজি ভাষায়)। ২৩ ডিসেম্বর ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জুন ২০২১ World Report 2021: Rights Trends in South Sudan.
  84. ""Sudans Post" gets blocked after receiving personal threats from NSS – transcript revealed – Qurium Media Foundation" (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জুন ২০২১ ""Sudans Post" gets blocked after receiving personal threats from NSS – transcript revealed – Qurium Media Foundation".
  85. Ross, Will (৯ জানুয়ারি ২০১১)। "Southern Sudan votes on independence"। BBC। ১ এপ্রিল ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০১১ Ross, Will (9 January 2011). উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে "BBC independence" নামটি একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে
  86. "South Sudan becomes an independent nation"BBC News। ৯ জুলাই ২০১১। ৯ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুলাই ২০১১ "South Sudan becomes an independent nation".
  87. "AlAhram Weekly – Heading for headwaters"। Weekly.ahram.org.eg। ৬ এপ্রিল ২০১১। ২৩ অক্টোবর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ মে ২০১৩ "AlAhram Weekly – Heading for headwaters".
  88. Lior, Ilan (১০ জুলাই ২০১১)। "Netanyahu: Israel recognizes South Sudan as independent state"Haaretz। ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ মে ২০১৩ Lior, Ilan (10 July 2011).
  89. "120 South Sudanese leaving Israel under pressure"Fox News। ১৭ জুন ২০১২। ২৪ জুন ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২২ জুন ২০১২ "120 South Sudanese leaving Israel under pressure".
  90. "Israel launches African migrant deportation drive"Reuters। ১৭ জুন ২০১২। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ জুলাই ২০১৭ "Israel launches African migrant deportation drive".
  91. "IRIN Middle East | SOUTH SUDAN-ISRAEL: Returnees complain of harsh treatment in Israel | Israel | South Sudan | Early Warning | Economy | Governance | Human Rights | Migration"। Irinnews.org। ১৯ জুন ২০১২। ২ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০১৩ "IRIN Middle East | SOUTH SUDAN-ISRAEL: Returnees complain of harsh treatment in Israel | Israel | South Sudan | Early Warning | Economy | Governance | Human Rights | Migration".
  92. Spetalnick, Matt (৯ জুলাই ২০১১)। "Obama grants U.S. recognition of South Sudan"Reuters। ২৮ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ জুলাই ২০১৭ Spetalnick, Matt (9 July 2011).
  93. D. H. Johnson, The Root Causes of Sudan's Civil Wars
  94. "UN welcomes South Sudan as 193rd member"। BBC News। ১৪ জুলাই ২০১১। ১৪ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুলাই ২০১১ "UN welcomes South Sudan as 193rd member".
  95. "South Sudan Becomes African Union's 54th Member"। Voice of America News। ২৮ জুলাই ২০১১। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুলাই ২০১১ "South Sudan Becomes African Union's 54th Member".
  96. "The Peace and Security Council of the African Union (AU), at its 285th meeting held on 13 July 2011, was briefed by the Commissioner for Peace and Security on the accession to independence of the Republic of South Sudan"। African Union। ১৩ জুলাই ২০১১। ৪ মে ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুলাই ২০১১ "The Peace and Security Council of the African Union (AU), at its 285th meeting held on 13 July 2011, was briefed by the Commissioner for Peace and Security on the accession to independence of the Republic of South Sudan".
  97. "COMESA Welcomes New Member"। MENAFN.com। ৩১ অক্টোবর ২০১১। ৩ এপ্রিল ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৩ নভেম্বর ২০১১ "COMESA Welcomes New Member".
  98. "South Sudan Launches Bid to Join Commonwealth"। Gurtong News via Talk of Sudan। ৮ জুলাই ২০১১। ১২ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুলাই ২০১১ "South Sudan Launches Bid to Join Commonwealth".
  99. "South Sudan: Big trading potential for EAC"। IGIHE। ৮ জুলাই ২০১১। ১১ জানুয়ারি ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুলাই ২০১১ "South Sudan: Big trading potential for EAC". উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে "en.igihe.com" নামটি একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে
  100. "Welcome South Sudan to EAC!"। East African Business Week। ১০ জুলাই ২০১১। ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই ২০১১ "Welcome South Sudan to EAC!"
  101. "South Sudan avails new foreign policy, to open 54 embassies"। Sudan Tribune। ২৫ জুলাই ২০১১। ২৯ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৬ আগস্ট ২০১১ "South Sudan avails new foreign policy, to open 54 embassies".
  102. "IMF Receives Membership Application from South Sudan, Seeks Contributions to Technical Assistance Trust Fund to Help New Country"। International Monetary Fund। ২০ এপ্রিল ২০১১। ২৪ এপ্রিল ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই ২০১১ "IMF Receives Membership Application from South Sudan, Seeks Contributions to Technical Assistance Trust Fund to Help New Country".
  103. Akhilesh, Ganti (২৫ মার্চ ২০২১)। "How OPEC (and Non-OPEC) Production Affects Oil Prices"Investopedia। সংগ্রহের তারিখ ১ ডিসেম্বর ২০২১ Akhilesh, Ganti (25 March 2021).
  104. "World Bank Group Congratulates People of South Sudan on Independence"। The Financial। ৯ জুলাই ২০১১। ১১ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই ২০১১ "World Bank Group Congratulates People of South Sudan on Independence".
  105. Maxwell, Daniel, and Ben Watkins.
  106. "South Sudan "entitled to join Arab League""। Sudan Tribune। ১২ জুন ২০১১। ২৯ জুন ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৮ জুলাই ২০১১ "South Sudan "entitled to join Arab League"".
  107. El-Husseini, Asmaa (৭ জুলাই ২০১১)। "Hoping for the best"। Al-Ahram। ১১ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৮ জুলাই ২০১১ El-Husseini, Asmaa (7 July 2011).
  108. "South Sudan is UNESCO's 194th member"। Embassy of the Republic of South Sudan in Washington, DC। ৩ নভেম্বর ২০১১। Archived from the original on ২৯ নভেম্বর ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ১ ডিসেম্বর ২০১১ "South Sudan is UNESCO's 194th member".
  109. "East African bloc admits South Sudan as member"Reuters। ২৫ নভেম্বর ২০১১। ৫ মে ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৫ নভেম্বর ২০১১ "East African bloc admits South Sudan as member".
  110. "U.S. Is Facing Hard Choices in South Sudan"The New York Times। ৩ জানুয়ারি ২০১৪। ৩১ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ "U.S. Is Facing Hard Choices in South Sudan".
  111. "South Sudan"। State.gov। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০১৩ "South Sudan".
  112. "Doing Business in South Sudan | Embassy of the United States Juba, South Sudan"। Southsudan.usembassy.gov। ১ জানুয়ারি ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০১৩ "Doing Business in South Sudan | Embassy of the United States Juba, South Sudan".
  113. Dagne, Ted (২০১১)। "Republic of South Sudan: Opportunities and Challenges for Africa's Newest Country" (পিডিএফ)। Congressional Research Service। ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল (পিডিএফ) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জুন ২০১৭ Dagne, Ted (2011).
  114. "Which Countries Are For or Against China's Xinjiang Policies?"The Diplomat। ১৫ জুলাই ২০১৯। ১৬ জুলাই ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুলাই ২০১৯ "Which Countries Are For or Against China's Xinjiang Policies?"
  115. "Sudan: Transcending tribe"। Al Jazeera English। ১৭ মার্চ ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ এপ্রিল ২০১১ "Sudan: Transcending tribe".
  116. "Sudan: Transcending tribe"Al Jazeera English। ১৭ মার্চ ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ এপ্রিল ২০১১ "Sudan: Transcending tribe".
  117. "SPLA set fire to over 7,000 homes in Unity says Mayom county official"Sudan Tribune। ২৪ মে ২০১১। ২৯ জুন ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুলাই ২০১১ "SPLA set fire to over 7,000 homes in Unity says Mayom county official".
  118. "Activists warn of "genocide" in S.Sudan's Jonglei conflict"Sudan Tribune। ১৬ ডিসেম্বর ২০১১। ২৯ ডিসেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ জানুয়ারি ২০১২ "Activists warn of "genocide" in S.Sudan's Jonglei conflict".
  119. "Slinding towards genocide"D+C, development and cooperation। ১৩ জানুয়ারি ২০১৭। ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ "Slinding towards genocide".
  120. "S. Sudan's opposition leader arrested over rebel links"Sudan Tribune। ৪ নভেম্বর ২০১১। ৪ জুলাই ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৭ নভেম্বর ২০১২ "S. Sudan's opposition leader arrested over rebel links".
  121. "South Sudan arrests opposition leader turned rebel"। AlArabiya। ৪ নভেম্বর ২০১১। ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৭ নভেম্বর ২০১২ "South Sudan arrests opposition leader turned rebel".
  122. "Child Marriage Facts and Figures"। ২৮ আগস্ট ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০১৪ "Child Marriage Facts and Figures".
  123. "Here are the 10 countries where homosexuality may be punished by death"The Washington Post। ১৬ জুন ২০১৬। ১১ নভেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মার্চ ২০১৭ "Here are the 10 countries where homosexuality may be punished by death".
  124. Burridge, Tom (২৭ অক্টোবর ২০১৪)। "Child soldiers still being recruited in South Sudan"BBC News। ১০ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০১৮ Burridge, Tom (27 October 2014).
  125. "South Sudan sides 'recruit 9,000 children to fight'"BBC News। ৩০ এপ্রিল ২০১৪। ১০ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০১৮ "South Sudan sides 'recruit 9,000 children to fight'".
  126. "South Sudan lets fighters rape women as payment"। globalpost.com। ১১ মার্চ ২০১৬। ১৯ মে ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মে ২০১৬ "South Sudan lets fighters rape women as payment". globalpost.com. 11 March 2016.
  127. Beaubien, Jason (১০ মার্চ ২০১৬)। "South Sudan Soldiers Suffocated 60-Plus Men And Boys, Report Says"NPR। ১৪ নভেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৬ এপ্রিল ২০১৮ Beaubien, Jason (10 March 2016).
  128. "OHCHR – UN human rights experts call for perpetrators of widespread human rights violations to be brought to justice in South Sudan"www.ohchr.org। ২৪ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জানুয়ারি ২০১৮ "OHCHR – UN human rights experts call for perpetrators of widespread human rights violations to be brought to justice in South Sudan". www.ohchr.org.
  129. Grantham, H. S.; Duncan, A. (২০২০)। "Anthropogenic modification of forests means only 40% of remaining forests have high ecosystem integrity – Supplementary Material": 5978। আইএসএসএন 2041-1723ডিওআই:10.1038/s41467-020-19493-3অবাধে প্রবেশযোগ্যপিএমআইডি 33293507 |pmid= এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য)পিএমসি 7723057অবাধে প্রবেশযোগ্য |pmc= এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) 
  130. Burgess, Neil; D'Amico Hales, Jennifer (২০০৪)। Terrestrial Ecoregions of Africa and Madagascar: A Conservation Assessment। Island Press। আইএসবিএন 978-1-55963-364-2 Burgess, Neil; D'Amico Hales, Jennifer; Underwood, Emma (2004).
  131. "Average weather in Juba, Sudan"weather-and-climate.com। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৯ এপ্রিল ২০১২ 
  132. "Weather: Juba"bbc.co.uk। ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৯ এপ্রিল ২০১২ 
  133. ""World Population prospects – Population division""population.un.orgUnited Nations Department of Economic and Social Affairs, Population Division। সংগ্রহের তারিখ নভেম্বর ৯, ২০১৯ 
  134. ""Overall total population" – World Population Prospects: The 2019 Revision" (xslx)population.un.org (custom data acquired via website)। United Nations Department of Economic and Social Affairs, Population Division। সংগ্রহের তারিখ নভেম্বর ৯, ২০১৯ 
  135. "The Christian Times – First public library opens in South Sudan, advocates for peace"www.thechristiantimes.net। ৭ নভেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৭ নভেম্বর ২০১৯ 
  136. "Instilling a culture of reading; South Sudan looks forward to new public library"Audioboom (ইংরেজি ভাষায়)। ৭ নভেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৭ নভেম্বর ২০১৯ 
  137. "MBA student establishes NGO to improve literacy in South Sudan"The University of Sydney (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১১ নভেম্বর ২০১৯ 
  138. The Interim Constitution of Southern Sudan, 2005 ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৩ মার্চ ২০১৬ তারিখে (PDF; 484 kB), Part One, Page. 3–4, No. 6 (1), (2), retrieved 6 May 2017
  139. "The Transitional Constitution of the Republic of South Sudan, 2011" (পিডিএফ)। Government of South Sudan। ২৯ জুন ২০১১ তারিখে মূল (পিডিএফ) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৬ মে ২০১৭ 
  140. AfricaNews (৫ জুলাই ২০১৭)। "S. Sudan to adopt Swahili as official language, seeks Tanzania's help – Africanews"। ৮ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৭ অক্টোবর ২০১৭ 
  141. "South Sudanese still in Kenya despite new state"। Xinhua। ২ আগস্ট ২০১১। ১১ এপ্রিল ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ 
  142. Sudan Tribune: Khartoum supports South Sudan demand to join Arab League ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৮ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে, 21 July 2016, retrieved 3 May 2017
  143. The impact of language policy and practice on children’s learning: Evidence from Eastern and Southern Africa 2016 ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখে (PDF; 672 kB), Page. 1, retrieved 20 May 2017
  144. Fick, Maggie (৮ জুন ২০০৯)। "S. Sudan Census Bureau Releases Official Results Amidst Ongoing Census Controversy"!enough The project to end genocide and crimes against humanity। ১৭ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩ ডিসেম্বর ২০০৯ 
  145. "South Sudan parliament throws out census results"SudanTribune। ৮ জুলাই ২০০৯। ১২ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩ ডিসেম্বর ২০০৯ 
  146. Birungi, Marvis (১০ মে ২০০৯)। "South Sudanese officials decry 'unfortunate' announcement of census results"The New Sudan Vision। ১৪ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩ ডিসেম্বর ২০০৯ 
  147. Thompkins, Gwen (১৫ এপ্রিল ২০০৯)। "Ethnic Divisions Complicate Sudan's Census"NPR। ৯ নভেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৬ এপ্রিল ২০১৮ 
  148. "South Sudan says Northern Sudan's census dishonest"Radio Nederland Wereldomroep। ৬ নভেম্বর ২০০৯। ২৪ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  149. "South Sudan's Muslims welcome secession"The Daily Star। ৯ জানুয়ারি ২০১১। ২৪ অক্টোবর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৬ আগস্ট ২০১১ 
  150. "South Sudan profile"BBC News। ৮ জুলাই ২০১১। ৮ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুলাই ২০১১ 
  151. "South Sudan's Muslims welcome secession"Agence France-Presse। ৮ জানুয়ারি ২০১১। ২৪ অক্টোবর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৫ আগস্ট ২০১১ 
  152. Kaufmann, Eric (২০০৪)। Rethinking ethnicity: majority groups and dominant minorities। Routledge। পৃষ্ঠা 45। আইএসবিএন 978-0-203-56339-7 
  153. Minahan, J. (২০০২)। Encyclopedia of the Stateless Nations: S-Z। Greenwood Press। পৃষ্ঠা 1786। আইএসবিএন 978-0-313-32384-3 
  154. Arnold, G (২০০৩)। "Book Review: Douglas H. Johnson, The Root Causes of Sudan's Civil Wars": 147। 
  155. "International Religious Freedom Report 2012 – South Sudan"U.S. Department of State। ১২ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুলাই ২০১৩ 
  156. "Sudan: A Country Study; Ethnicity, Regionalism and Ethnicity"। Federal Research Division, Library of Congress। ৩০ জুন ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ জানুয়ারি ২০১১ 
  157. Geographica. The Complete Illustrated Atlas of the world। ১৯৯৯। পৃষ্ঠা 336। 
  158. "More than 100 dead in south Sudan attack-officials"। SABC News। ২১ সেপ্টেম্বর ২০০৯। ২৮ জুন ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৫ এপ্রিল ২০১১ "More than 100 dead in south Sudan attack-officials".
  159. Hurd, Emma (৮ ফেব্রুয়ারি ২০১১)। "Southern Sudan Votes To Split From North"। News.sky.com। ৩১ অক্টোবর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০১৩ Hurd, Emma (8 February 2011).
  160. World Christian Encyclopedia। Oxford University Press। ২০০১। পৃষ্ঠা 699–700। 
  161. "How many Anglicans are there in the Anglican Church in North America?" (পিডিএফ)। ৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল (পিডিএফ) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ মে ২০১৩ 
  162. "Presbyterian Church of the Sudan"। ২০ মে ২০১২। ২০ মে ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  163. "Global Religious Landscape Table — Percent of Population — Pew Forum on Religion & Public Life"। Features.pewforum.org। ১৮ ডিসেম্বর ২০১২। ১ জানুয়ারি ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  164. Pat, Mr (২০০৯)। Christians Under Siege। পৃষ্ঠা 105। 
  165. "South Sudan To Respect Freedom of Religion Says GOSS President"Sudan Radio Service, Sudanradio.org। ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১১। ১২ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুলাই ২০১১ 
  166. "Sudan : Country Studies — Federal Research Division, Library of Congress"। Lcweb2.loc.gov। ২২ মার্চ ২০১১। ৩০ জুন ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  167. "Sveriges flyktingkvot"www.migrationsverket.se (সুইডিশ ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-১০-১৯ 
  168. Martell, Peter (১৫ মে ২০১৯)। First Raise a Flag: How South Sudan Won the Longest War But Lost the Peace (ইংরেজি ভাষায়)। Oxford University Press। আইএসবিএন 978-0-19-005270-6 
  169. "Emmanuel Jal: National Geographic World Music"। ২৭ অক্টোবর ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  170. Stevenson, Jane (৮ আগস্ট ২০১২)। "Emmanuel Jal uses music as therapy | Music | Entertainment"Toronto Sun। ১ নভেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  171. "Music — Review of Emmanuel Jal — Warchild"। BBC। ১ জানুয়ারি ১৯৭০। ১০ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  172. TEDGlobal 2009। "Emmanuel Jal: The music of a war child | Video on"। Ted.com। ১৮ আগস্ট ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  173. DiPiazza, Francesca (২০০৬)। Sudan in Pictures। 21st-century Books। পৃষ্ঠা 54। আইএসবিএন 978-0-8225-2678-0। ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৪ অক্টোবর ২০১৫ 
  174. "South Sudan joins Fifa 10 months after independence"BBC News। ২৫ মে ২০১২। ২৭ মে ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মে ২০১২ 
  175. "World's Newest Nation Set to Step into Sporting Arena"The Jakarta Globe। ৬ জুলাই ২০১১। ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  176. "S. Sudan team kicks off to a good start, then collapses"। SKNVibes। ১০ জুলাই ২০১১। ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই ২০১১ 
  177. "South Sudan"Rio 2016। ২৫ নভেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ডিসেম্বর ২০১৬ "South Sudan".
  178. "South Sudan gets new airline"। Defenceweb.co.za। ৬ সেপ্টেম্বর ২০১১। ৩ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ মে ২০১৩ 
  179. "South Sudan set to have own national air carrier"। goss-online.org। ১ মে ২০১৩। ২২ সেপ্টেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ মে ২০১৩ 
  180. Elbagir, Nima; Karimi, Faith (৯ জুলাই ২০১১)। "South Sudanese celebrate the birth of their nation"CNN। ১০ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুলাই ২০১১ 
  181. "Natural resources"CIA World Factbook। ২৯ জানুয়ারি ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ ফেব্রুয়ারি ২০১২ 
  182. "China to evacuate South Sudan oil workers to capital ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে".
  183. Gettleman, Jeffrey (৯ জুলাই ২০১১)। "After Years of Struggle, South Sudan Becomes a New Nation"The New York Times। ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ 
  184. Hamilton, Rebecca (২৮ নভেম্বর ২০১০)। "Southern Sudanese Independence: High Hopes, Huge Obstacles"। Pulitzer Center। ২৫ এপ্রিল ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  185. Trivett, Vincent (৮ জুলাই ২০১১)। "Oil-Rich South Sudan Has Hours To Choose Between North Sudan, China and the U.S"। Business Insider। ১০ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুলাই ২০১১ 
  186. Wynne-Jones, Ros (৭ জুলাই ২০১২)। "Happy Birthday South Sudan?"The Independent। ৯ জুলাই ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুলাই ২০১২ 
  187. "S.Sudan seeks food and farmland investments"। Reuters। ২৩ ডিসেম্বর ২০১১। ২১ জানুয়ারি ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জানুয়ারি ২০১২ 
  188. Badawi, Ahmad (৩ অক্টোবর ২০১১)। "A Greek Tragedy is Sudan's Woe: Sudan Must be Relieved of Foreign Debt Quickly"। African Arguments। ২৯ মার্চ ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৮ মে ২০১২ 
  189. Leo, Benjamin (২০০৯)। "Sudan Debt Dynamics: Status Quo, Southern Secession, Debt Division, and Oil – a Financial Framework for the Future"। Center for Global Development। ১২ মে ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৮ মে ২০১২ 
  190. "Permanent Members"। Paris Club। ২০১২। ২৮ জুন ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  191. Ahmed, Medani (২০০৮)। "External Debts, Growth and Peace in the Sudan" (পিডিএফ)। CHR. Michelsen Institute। ৭ জুন ২০১২ তারিখে মূল (পিডিএফ) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৮ মে ২০১২ 
  192. Mazimpaka, Magnus (৮ জুলাই ২০১১)। "South Sudan: Rwanda Hopeful of South's Strategic Link to North Africa"। allAfrica। ১১ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুলাই ২০১১ 
  193. "Welcome South Sudan to EAC!"। East African Business Week। ১০ জুলাই ২০১১। ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই ২০১১ 
  194. "South Sudan to link to Kenya oil pipeline"Reuters। ৬ জুলাই ২০১১। ১৪ মে ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৯ অক্টোবর ২০১১ 
  195. Amos, Machel (১৭ সেপ্টেম্বর ২০১১)। "South Sudan delays membership in regional bloc"। Daily Nation। ১৮ অক্টোবর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১১ 
  196. "South Sudan readies for EAC membership"। ২১ অক্টোবর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  197. "Uganda says South Sudan likely to join EAC in 2014"। Xinhua News Agency। ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩। ১৪ নভেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৭ অক্টোবর ২০১৩ 
  198. "Uganda says South Sudan likely to join EAC in 2014"। Xinhua News Agency। ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩। ১৪ নভেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৭ অক্টোবর ২০১৩ 
  199. "EAC prepares to admit South Sudan"। The EastAfrican। ১১ মে ২০১৩। ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ নভেম্বর ২০১৩ 
  200. "allAfrica.com: East Africa: EAC to Decide On South Sudan Admission by April 2014"allAfrica.com। ১৮ মে ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ মে ২০১৫ 
  201. "South Sudan defers EAC admission"The Observer। Observer Media Ltd.। ১২ মে ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১১ মে ২০১৪ 
  202. "East Africa: South Sudan's Push to Join EAC Gains Momentum"। ৭ নভেম্বর ২০১৫। ১৭ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৪ নভেম্বর ২০১৫ 
  203. "South Sudan joins East African regional bloc"Daily Nation। ১৮ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জানুয়ারি ২০১৯ 
  204. "COMMUNIQUÉ: SIGNING CEREMONY OF THE TREATY OF ACCESSION OF THE REPUBLIC OF SOUTH SUDAN INTO THE EAST AFRICAN COMMUNITY"। East African Community। ১৫ এপ্রিল ২০১৬। ২৪ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৫ এপ্রিল ২০১৬ 
  205. "South Sudan Launches Bid to Join Commonwealth"Gurtong.net। ৮ জুলাই ২০১১। ১১ জুলাই ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুলাই ২০১৭ 
  206. "South Sudan Humanitarian Needs Overview 2021 (January 2021) - South Sudan"ReliefWeb (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-১০-১২ 
  207. "Southern Sudan has unique combination of worst diseases in the world — Sudan Tribune: Plural news and views on Sudan"Sudan Tribune। ৮ এপ্রিল ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  208. Moszynski, P. (২০০৫)। "Conference plans rebuilding of Southern Sudan's health services": 179। ডিওআই:10.1136/bmj.331.7510.179পিএমসি 1179754অবাধে প্রবেশযোগ্য 
  209. "South Sudan Household Survey" (পিডিএফ)। ডিসেম্বর ২০০৭। ১২ জুন ২০১১ তারিখে মূল (পিডিএফ) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০ জুন ২০১০ 
  210. Hakim, James (আগস্ট ২০০৯)। "HIV/AIDS: an update on Epidemiology, Prevention and Treatment"। South Sudan Medical Journal। ১২ মার্চ ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০ জুন ২০১০ 
  211. Pasquale, Harriet; Jarvese, Martina (২০১৩)। "Malaria control in South Sudan, 2006–2013: strategies, progress and challenges": 374। ডিওআই:10.1186/1475-2875-12-374পিএমআইডি 24160336পিএমসি 3816306অবাধে প্রবেশযোগ্য 
  212. Visser, BJ (জুলাই ২০১২)। "Dracunculiasis eradication—finishing the job before surprises arise.": 505–10। ডিওআই:10.1016/S1995-7645(12)60088-1অবাধে প্রবেশযোগ্যপিএমআইডি 22647809 
  213. Hopkins, DR; Ruiz-Tiben, E (জুলাই ২০১৩)। "Dracunculiasis eradication: and now, South Sudan.": 5–10। ডিওআই:10.4269/ajtmh.13-0090পিএমআইডি 23843492পিএমসি 3748487অবাধে প্রবেশযোগ্য 
  214. "WHO — Dracunculiasis (Guinea-worm disease)"World Health Organization। ৫ এপ্রিল ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৪ আগস্ট ২০১৪ 
  215. Ambler, Sean (১০ জানুয়ারি ২০১১)। "Support freedom for Southern Sudan and fight for workers' unity against imperialism"League for the Fifth International। ৯ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জুলাই ২০১১ 
  216. "SUDAN: Peace bolsters food security in the south"IRIN। ১৮ এপ্রিল ২০০৭। ২৮ আগস্ট ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জুলাই ২০১১ 
  217. "South Sudan's N. Bahr el Ghazal denies reports that hunger caused death"। Sudan Tribune। ১৭ আগস্ট ২০১১। ২১ সেপ্টেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ আগস্ট ২০১১ 
  218. Meldrum, Andrew (৬ জানুয়ারি ২০১২)। "South Sudan News: Ethnic clashes must be solved in the long term"GlobalPost। ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৬ জানুয়ারি ২০১২ 
  219. According to the WHO: "The 10 countries with the highest rates of child marriage are: Niger, 75%; Chad and Central African Republic, 68%; Bangladesh, 66%; Guinea, 63%; Mozambique, 56%; Mali, 55%; Burkina Faso and South Sudan, 52%; and Malawi, 50%.
  220. "Archived copy" (পিডিএফ)। ২৬ আগস্ট ২০১৪ তারিখে মূল (পিডিএফ) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৪ আগস্ট ২০১৪ 
  221. Inter-Agency Standing Committee (2014).
  222. "Obakki Foundation"। ObakkiFoundation.com। ২০ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ মে ২০১৩ 
  223. "Rotary Club of Bridgton Lake-Region"। Lakeregionrotary.com। ১১ জুন ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ মে ২০১৩ 
  224. "South Sudan Emergency Situation-Regional Update"। UNHCR। ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৪। ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ 
  225. "2016 South Sudan Humanitarian Needs Overview"UN Office for the Coordination of Humanitarian Affairs। ৫ জানুয়ারি ২০১৬। ২৭ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৭ ডিসেম্বর ২০১৭ "2016 South Sudan Humanitarian Needs Overview".
  226. "Famine Hits Parts of South Sudan"। World Food Programme। ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭। ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ 
  227. "South Sudan declares famine in Unity State"BBC News। ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭। ২২ জুলাই ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০১৮ 
  228. "Famine declared in part of South Sudan by government and UN"। WHIO। ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭। ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  229. Sevenzo, Farai; Jones, Bryony। "Famine declared in South Sudan"CNN। ৭ মার্চ ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০১৭ 
  230. "FAO trains village facilitators to fight Fall Armyworm in South Sudan | FAO in South Sudan | Food and Agriculture Organization of the United Nations"। ২০ জুলাই ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০ জুলাই ২০১৮ 


উদ্ধৃতি ত্রুটি: "note" নামক গ্রুপের জন্য <ref> ট্যাগ রয়েছে, কিন্তু এর জন্য কোন সঙ্গতিপূর্ণ <references group="note"/> ট্যাগ পাওয়া যায়নি
উদ্ধৃতি ত্রুটি: "lower-alpha" নামক গ্রুপের জন্য <ref> ট্যাগ রয়েছে, কিন্তু এর জন্য কোন সঙ্গতিপূর্ণ <references group="lower-alpha"/> ট্যাগ পাওয়া যায়নি