ভাইরাস
ভাইরাস (Virus)হল একপ্রকার অতিক্ষুদ্র জৈব কণা বা অণুজীব যারা জীবিত কোষের ভিতরেই মাত্র বংশবৃদ্ধি করতে পারে। এরা অতি-আণুবীক্ষণিক এবং অকোষীয়। ভাইরাসকে জীব হিসেবে বিবেচিত হবে কিনা, এ নিয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে দ্বিমত আছে। ভাইরাস মানুষ, পশু-পাখি, উদ্ভিদের বিভিন্ন রোগের জন্য দায়ী। এমনকি, কিছু ভাইরাস ব্যাক্টেরিয়ার মধ্যে বংশবৃদ্ধি করে- এদের ব্যাক্টেরিওফাজ (Bacteriophage) বলা হয়।
পরিচ্ছেদসমূহ |
আকার-আকৃতি [সম্পাদনা]
গঠন [সম্পাদনা]
ভাইরাসের দেহে কোন নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজম নেই; কেবল প্রোটিন এবং নিউক্লিক এসিড দিয়ে দেহ গঠিত। কেবলমাত্র উপযুক্ত পোষকদেহের অভ্যন্তরে বংশবৃদ্ধি করতে পারে। এদের অভ্যন্তরীণ তথ্য বহনকারী সূত্রক দুই প্রকারের হতে পারে: ডিএনএ এবং আরএনএ।
ভাইরাসের বাইরের প্রোটিন আবরণকে কাপসিড বলা হয়। কাপসিডের গঠন প্রধানত দুই প্রকার, সর্পিলাকার এবং সমবিশতলাকার।
বংশবৃদ্ধি [সম্পাদনা]
ভাইরাস পোষক দেহে বংশবৃদ্ধি করে থাকে। এদের জীবনচক্র দুই প্রকারের হয়ে থাকে:
- লাইটিক
- লাইসোজেনিক
রোগ [সম্পাদনা]
- মানুষের রোগ
- বসন্ত (Pox)-ভেরিওলা
- জলাতঙ্ক
- জন্ডিস
- ডেঙ্গু
- হাম-রুবিওলা
- ভাইরাল ডায়ারিয়া
- সাধারণ ঠান্ডা
- এইডস(AIDS)
- ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস
- সার্স(SARS)
- ভাইরাল হেপাটাইটিস
- কয়েক প্রকার ক্যান্সার
- পশু-পাখির রোগ
- উদ্ভিদের রোগ
- টোব্যাকো মোজেইক ভাইরাস {Tobacco mosaic virus } বা টিএমভি ( TMV )
ভাইরাস ঘটিত রোগ প্রতিরোধ [সম্পাদনা]
বসন্ত জাতীয় ভাইরাস ঘটিত রোগর প্রতিরোধক হিসেবে ভ্যাক্সিন (Vaccine) প্রথম আবিষ্কার হয়।