বল
যে বাহ্যিক প্রভাবের ফলে কোন বস্তুর গতির, দিকের বা আকৃতিগত পরিবর্তন সাধিত হয় তাকে বল বলে। বল সম্পর্কে একটি সহজাত ধারনা হল টানা বা ঠেলা যা কোন ভর যুক্ত বস্তুর বেগের পরিবর্তন ঘটায়(এর মাধ্যমে স্থির বস্তুও গতি লাভ করতে পারে)। উদাহরনস্বরুপ, বলা যায় বর বস্তুতে ত্বরণ সৃষ্টি করে বা নমনীয় বস্তুকে বিকৃত করতে পারে। বল প্রকাশ করতে এর মান ও দিক উভয়েরই প্রয়োজন , তাই এটি একটি ভেক্টর রাশি। নিউটন এর দ্বিতীয় সূত্রানুসারে ,
, অর্থাৎ কোন বস্তুর ত্বরণ এর ওপর প্রযুক্ত নিট বল এর সমানুপাতিক এবং ভর এর ব্যাস্তানুপাতিক। ধারনা করা হয় এই নীতি আলোর বেগ এর কাছাকাছি গেলে ভেস্তে যায়। নিউটন এর আসল সূত্র অবশ্য সর্বদা সত্য। যা বলে,বস্তুর ভর বেগের পরিবর্তনের হার এর ওপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক।
প্রকৃতিতে বিভিন্ন প্রকার বলের প্রভাব দেখা যায়। যেমন:
পরিচ্ছেদসমূহ |
মৌলিক বল [সম্পাদনা]
ঘুরে ফিরে এ সব বলই চারটি মৌলিক বলের একক কিংবা যৌথ প্রকাশ। বলগুলি হল মহাকর্ষ বল, তাড়িতচৌম্বক বল, সবল নিউক্লীয় বল এবং দুর্বল নিউক্লীয় বল।
মহাকর্ষ বল [সম্পাদনা]
মহাবিশ্বের যে কোন দুটি বস্তুর মধ্যকার পারস্পরিক আকর্ষণ বলকে মহাকর্ষ বলে। তারাদের আবদ্ধ করে গ্যালাক্সী তৈরির কাজটি মহাকর্ষ বলের দ্বারাই হয়েছে। এর পাল্লা অসীম আর আপেক্ষিক সবলতা 1।
তড়িৎ চৌম্বক বল [সম্পাদনা]
দুটি আহিত কণা তাদের আধানের কারণে একে অপরের উপর যে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল প্রয়োগ করে, তাকে তড়িৎ চৌম্বক বল বলে। এই বল ইলেকট্রনকে নিউক্লিয়াসের সাথে আবদ্ধ করে পরমাণু তৈরি করে। এই বলের-ও পাল্লা অসীম আর আপেক্ষিক সবলতা 1039।
সবল নিউক্লিয় বল [সম্পাদনা]
পরমাণুর নিউক্লিয়াসে নিউক্লীয়ন (নিউক্লিয় উপাদান)-গুলোকে একত্রে আবদ্ধ রাখে যে শক্তিশালী বল, তাকে সবল নিউক্লিয় বল বলে। এই বল প্রোটন ও নিউট্রনকে আবদ্ধ করে নিউক্লিয়াস তৈরি করে। এর পাল্লা 10-15 m এবং আপেক্ষিক সবলতা 1041।
দুর্বল নিউক্লিয় বল [সম্পাদনা]
যে স্বল্প পাল্লার ও স্বল্পমানের বল নিউক্লিয়াসের মধ্যে মৌলিক কণাগুলোর মধ্যে ক্রিয়া করে অনেক নিউক্লিয়াসে অস্থিতিশীলতার উদ্ভব ঘটায়, তাকে দুর্বল নিউক্লিয় বল বলে। অধিকাংশ তেজস্ক্রিয় বিক্রিয়াগুলো দুর্বল নিউক্লিয় বলের কারণে ঘটে। এর পাল্লা 10-16 m এবং আপেক্ষিক সবলতা 1030।
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |
