অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(A.C. Bhaktivedanta Swami Prabhupada থেকে ঘুরে এসেছে)

পরিচ্ছেদসমূহ

কৃষ্ণকৃপা শ্রীমূর্তি শ্রীল অভয়চরণারবৃন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ[সম্পাদনা]

অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ
In Devanagari अभय चरणारविन्द भक्तिवेदान्त स्वामी प्रभुपाद
Religion গৌড়িয় বৈষ্ণব, হিন্দু
School Scottish Church College
Personal
Born অভয়চরণ দে
১ সেপ্টেম্বর, ১৮৯৬
Calcutta, Bengal Presidency, British India
Died ১৪ নভেম্বর, ১৯৭৭ (৮১ বছর)
Resting place প্রভুপাদের সমাধি, বৃন্দাবন
Senior posting
Based in [বৃন্দাবন]], ভারত
Title ইসকন এর প্রতিষ্ঠাতা-আচার্য
Predecessor ভক্তি সিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুর
Successor গাভনিং বডি কমিশন
Religious career
Initiation দীক্ষা–১৯৩২, সন্ন্যাস–১৯৫৯
Post গুরু, সন্ন্যাসী, আচার্য
Website ISKCON Worldwide

অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ (১ সেপ্টেম্বর, ১৮৯৬  – ১৪ নভেম্বর, ১৯৭৭) ছিলেন একজন গৌড়ীয় বৈষ্ণব ধর্মগুরু এবং ইসকন বা হরেকৃষ্ণ আন্দোলনের[১] প্রতিষ্ঠাতা-আচার্য।[২] তিনি নিজে ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতীর শিষ্য ছিলেন। হিন্দুধর্মের গৌড়ীয় বৈষ্ণব মতবাদটি সমগ্র বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল তাঁর জীবনের উদ্দেশ্য।[৩] তিনি কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তাঁর পূর্বাশ্রমের নাম ছিল অভয়চরণ দে।[৪] তিনি স্কটিশ চার্চ কলেজের ছাত্র ছিলেন।[৫] ১৯৫০ সালে বাণপ্রস্থ অবলম্বনের পূর্বে তিনি ছিলেন এক ছোটো ফার্মাকিউটিক্যাল ব্যবসার মালিক। তিনি বিবাহিত ছিলেন এবং তাঁর সন্তানাদিও ছিল।[৬][৭] ১৯৫৯ সালে তিনি সন্ন্যাস গ্রহণ করেন। এরপর বৈষ্ণব শাস্ত্রের ভাষ্য রচনায় মনোনিবেশ করেন।[৮]

জীবনের পরবর্তী পর্বে তিনি পরিব্রাজক বৈষ্ণব সন্ন্যাসী হয়ে ওঠেন।গৌর বানী প্রচারে তিনি জলদূত জাহাজে করে আমেরিকা যাত্রা করেন। ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ইসকন।এ ছাড়া ১৯৬৯ সালের ১৪ ডিসেম্বরে তিনি শ্রী শ্রী রাধা-লন্ডনেশ্বর শ্রী-বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করেন। এই সংস্থায় নেতৃত্বদানের মাধ্যমে তিনি ভারতে এবং বিশেষ করে পাশ্চাত্যে গৌড়ীয় বৈষ্ণব তত্ত্ব প্রচার করতে শুরু করেন।[৩][৯] ইসকনের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে তিনি "হয়ে ওঠেন পাশ্চাত্য বিকল্প সংস্কৃতির এক অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব। সহস্রাধিক আমেরিকান যুবকযুবতীকে তিনি বৈষ্ণবধর্মে দীক্ষিত করেন" ।[১০] অ্যান্টি-কাল্ট গোষ্ঠীগুলি তাঁকে আক্রমণ করলেও, জে. স্টিলসন জুডা, হারভে কক্স, ল্যারি শিন ও টমাস হপকিন্স প্রমুখ ধর্মীয় বিশেষজ্ঞ তাঁকে স্বাগত জানান, তাঁর অনুবাদমূলক রচনাগুলির প্রশংসা করেন এবং প্রচারমাধ্যমের অপপ্রচারের হাত থেকে তাঁর গোষ্ঠীকে রক্ষা করেন।[১১] তাঁর কর্মের স্বীকৃতি স্বরূপ অন্যান্য গৌড়ীয় বৈষ্ণব সম্প্রদায়গুলিও তাঁকে সম্মান জানান।[১২]

জীবনচরিত[সম্পাদনা]

প্রথম জীবন[সম্পাদনা]

অভয় চরন ১৮৯৬ সালের ১ সেপ্টেবের জন্ম গ্রহন করেন,সে দিন ছিল জন্মাষ্টমীJanmastami, যা বৈষ্ণব সমাজে অন্যতম বিশেষ দিন ।পরমেশ্বর ভগবান শ্রী কৃষ্ণেরচরনে আত্মসমার্পন করে 'তিনি ছিলেন নির্ভীক.তার পিতা গৌর মোহন দে এবং মাতা শ্রীমতি রজনী দে উভয় ছিলেন কৃষ্ণ ভক্ত . বাঙ্গালী মায়েদের মত রজনী দেবী প্রসব কালে তার পিতার বাড়িতে ছিলেন, এবং মাত্র কিছু দিন পর অভয় তার পিতার বাড়িতে যান ।তার পিতার বাড়ি ছিল কলকাতার ১৫১ হারিসন রোড ।সেখানে সে বর হন এবং শিক্ষা লাভ করেন । [৫]

তিনি Scottish Church College এ লেখাপড়া করেন। তৎকালীন সময় তা ছিল সুখ্যাতি সম্পন্ন ।সেখানে বহু ভক্ত পরিবারের সন্তানরা অধ্যায়ন করত। কলেজটি উত্তর কলকাতায় ছিল যা অভয়ের বাড়ির থেকে বেশি দূরে ছিল না ।সেই সময় তিনি ইংরেজী এর পাশাপাশি সংকৃত নিয়ে অধ্যায়ন করেন।Sanskrit

[সম্পাদনা]

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, ভারত ও অন্যত্র তিনি শিষ্যসংগ্রহে সফল হন। এই কারণে সমাজতাত্ত্বিক ম্যাক্স ওয়েবার তাঁকে "ক্যারিশম্যাটিক নেতা" বলে উল্লেখ করেন।[১৩][১৪][১৫] তাঁর প্রতিষ্ঠিত ইসকনের মূল ভিত্তি ছিল হিন্দু কৃষ্ণধর্মের একটি বিশেষ রূপ। ভাগবত পুরাণ এই সম্প্রদায়ের কেন্দ্রীয় ধর্মগ্রন্থ। ১৯৭৭ সালে প্রভুপাদের মৃত্যুর পরও ইসকনের প্রসার অব্যাহত থাকে এবং এই সম্প্রদায় ভারতে সম্মান অর্জন করে। যদিও নেতৃত্বের ব্যাপারে তাঁর শিষ্যদের মধ্যে ছোটোখাটো মতবিরোধ ছিল।[১৬][১৭]

নব্য-বৈদান্তিক আপেক্ষিকতাবাদী দার্শনিকেরা প্রভুপাদের অবৈষ্ণব বিশেষিত মায়াবাদী মতবাদগুলি সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্যের সমালোচনা করে থাকেন।[১৮] এটি মূলত নব্য-বৈদান্তিক মতবাদের ভক্তিবাদ-বিরোধী আদর্শ ও রক্ষণশীল বৈদান্তিক ব্যবস্থার সঙ্গে বৈষ্ণবদের বিরোধের ফলশ্রুতি।[১৮][১৯]

নির্বাচিত তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

অনুবাদের সাথে ব্যাখ্যান[সম্পাদনা]

তার অন্যান্য প্রকাশিত গ্রন্থ সমূহ[সম্পাদনা]

প্রভুপাদের পুষ্প সমাধি মন্দিরমায়াপুর ,নবদ্বীপ,ভারত
  • Beyond Illusion and Doubt (1967)
  • Search for Liberation (1969)
  • Easy Journey to Other Planets (1970)
  • Krishņa Consciousness: The Topmost Yoga System (1970)
  • Beyond Birth and Death (1972)
  • The Perfection of Yoga (1972)
  • On The Way to Krishņa (1973)
  • Rāja-vidyā: The King of Knowledge (1973)
  • Elevation to Krishņa Consciousness (1973)
  • Krishņa Consciousness: The Matchless Gift (1974)
  • Perfect Questions, Perfect Answers (1977)
  • Teachings of Lord Kapila, the Son of Devahūtī (1977)
  • The Science of Self-Realization (1977)
  • Back to Godhead magazine (founder)[২০]

বাংলায় রচিত গ্রন্থ সমূহ[সম্পাদনা]

বৃন্দাবন এ প্রভুপাদের সমাধি
  • গীতার গান
  • বৈরাগ্য বিদ্যা
  • বুদ্ধি যোগ
  • ভক্তি রত্নাবলি [২০]

মৃত্যুর পর প্রকাশিত গ্রন্থ[সম্পাদনা]

  • Light of the Bhāgavata (1978)
  • Teachings of Queen Kuntī (1978)
  • Life Comes From Life (1978)
  • Krishņa, The Reservoir of Pleasure (1972)
  • Chant and Be Happy (1982)
  • Coming Back (1983?)
  • Path of Perfection (1989)
  • Nārada bhakti sūtra (1991)
  • Mukunda-mālā-stotra (1989)
  • A Second Chance (1991)
  • Journey of Self Discovery (1991)
  • Laws of Nature: An Infallible Justice (1991)
  • Renunciation Through Wisdom (1992)
  • Quest for Enlightenment (1993)
  • The Path of Yoga (1995)
  • Message of Godhead (1996?)
  • Civilization and Transcendence (1998)
  • Dharma: The Way of Transcendence (1998)
  • Introduction to Bhagavad-gītā (2005)[২০]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]


বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:Modern Gaudiya Vaishnavas টেমপ্লেট:ModernDharmicWriters টেমপ্লেট:HinduRevivalistWriters
উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ রয়েছে, কিন্তু কোনো <references/> ট্যাগ নেই