হুলিও কোর্তাজার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
হুলিও ফ্লোরেন্সিও কোর্তাজার
Cortázar.jpg
১৯৬৭তে কোর্তাজার
চিত্রগ্রাহক সারা ফাসিও
জন্ম আগস্ট ২৬, ১৯১৪
আর্জেন্টিনা দূতাবাস, Ixelles, বেলজিয়াম
মৃত্যু ফেব্রুয়ারি ১২, ১৯৮৪(১৯৮৪-০২-১২) (৬৯ বছর)
প্যারিস, ফ্রান্স
ছদ্মনাম হুলিও দেনিস (প্রথম দু'টি বইয়ে তিনি এই নাম ব্যবহার করেন)
জীবিকা লেখক, অনুবাদক, ঔপন্যাসিক
জাতীয়তা  আর্জেন্টিনা
ধরণ উপন্যাস, গল্প, ছোটগল্প, কাব্য, গদ্যকাব্য
সাহিত্য আন্দোলন ম্যাজিক রিয়েলিসম
উল্লেখযোগ্য রচনা হপস্কচ
তিরস্কার এবং অন্যান্য গল্প


হুলেস ফ্লোরেন্সিও কোর্তাজার (ইংরেজি: Jules Florencio Cortázar) (আগস্ট ২৬, ১৯১৪ – ফেব্রুয়ারি ১২, ১৯৮৪) লাতিন সাহিত্যের একজন অন্যতম জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক, ছোট গল্পকার ও প্রাবন্ধিক।[১] হুলিও কোর্তাজার নামে তিনি বেশি পরিচিত। তার জন্মস্থান আর্জেন্টিনা হলেও তার লেখনীর মাধ্যমে সে সময়ে তিনি সমগ্র আমেরিকাইউরোপের স্প্যানিশ ভাষাভাষী পাঠক ও লেখকদের উপর ছাপ ফেলতে সমর্থ হয়েছিলেন। কোর্তাজারকে লাতিন আমেরিকান জাগরণের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে গণ্য করা হয়। তার উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের মধ্যে হপস্কচ, বেস্তিয়ারিও, ফিনাল দে হুয়েগু, তিরস্কার এবং অন্যান্য গল্প। কোর্তাজারকে বলা হয় "ছোটগল্পের আধুনিক রূপকার"।

প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

হুলিও কোর্তাজারের পিতার নাম হুলিও হোসে কোর্তাজার এবং মাতা মারিয়া এরমিনিয়া দেসকোত্তে। ১৯১৩ সালে তাঁরা আর্জেন্টিনা থেকে বেলজিয়ামের ব্রাসেল্‌সে চলে আসেন। সেখানে ১৯১৪ সালের ২৬ আগস্ট কোর্তাজার জন্মগ্রহন করেন।[২] সে সময় বেলজিয়াম কাইজার দ্বিতীয় উইলহেমের শাসনাধীন জার্মানির অধীনে ছিল। পরবর্তীতে কোর্তাজারের পিতামাতা জুরিখে নিরপেক্ষ এলাকায় চলে যান। সেখানে কোর্তাজারের মায়ের বাবা-মা তাদের আশ্রয় দেন। পরবর্তী দুই বছর তারা সুইজারল্যান্ডে কাটান। জুরিখ থেকে তারা জেনেভায় চলে যান। সেখান থেকে তারা বার্সেলোনায় গমন করেন। খুব অল্পদিন সেখানে থেকে ১৯১৯ সালে তারা বুয়েনোস আইরেসে চলে যান এবং সেখানেই স্থায়ী হন।[৩]

সৃষ্টিকর্ম[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Montes-Bradley, Eduardo. "Cortázar sin barba". Editorial Debate. Random House Mondadori. p.35 Madrid. 2005.
  2. Cortázar sin barba, by Eduardo Montes-Bradley. Random House Mondadori, Editorial Debate, Madrid, 2004
  3. Montes-Bradley, Eduardo. "Cortázar sin barba". Editorial Debate. Random House Mondadori. p.110 Madrid. 2005.

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]