হাভিয়ের হার্নান্দেজ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
হাভিয়ের হার্নান্দেজ
Javier "Chicharito" Hernandez vs MLS All Stars.jpg
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে খেলছেন হার্নান্দেজ, ২০১০ সাল
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নাম হাভিয়ের হার্নান্দেজ বালকাছার[১]
জন্ম (১৯৮৮-০৬-০১) ১ জুন ১৯৮৮ (বয়স ২৬)
জন্ম স্থান গুয়াদালাহারা, মেক্সিকো
উচ্চতা ১.৭৫ মি (৫ ফু ৯ ইঞ্চি)[২]
মাঠে অবস্থান স্টাইকার
ক্লাবের তথ্য
বর্তমান ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড
জার্সি নম্বর ১৪
তারূণ্যের কর্মজীবন
১৯৯৭–২০০৬ গুয়াদালাহারা যুব দল
বলিষ্ঠ কর্মজীবন*
বছর দল উপস্থিতি (গোল)
২০০৬–২০১০ গুয়াদালাহারা ৬৪ (২৬)
২০১০– ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ৮৯ (৩৪)
জাতীয় দল
২০০৭ মেক্সিকো অনুর্ধ-২০ দল (১)
২০০৯– মেক্সিকো জাতীয় দল ৫৭ (৩৫)
* পেশাদারী ক্লাবের উপস্থিতি ও গোলসংখ্যা শুধুমাত্র ঘরোয়া লিগের জন্য গণনা করা হয়েছে এবং ১ জানুয়ারি ২০১৪ তারিখ অনুযায়ী সঠিক।

† উপস্থিতি(গোল সংখ্যা)।

‡ জাতীয় দলের হয়ে খেলার সংখ্যা এবং গোল ২৬ অক্টোবর ২০১৩ (ইউটিসি) তারিখ অনুযায়ী সঠিক।

হাভিয়ের হার্নান্দেজ বালকাছার (স্পেনীয় উচ্চারণ: [xaˈβjeɾ erˈnandes]; জন্ম ১ জুন ১৯৮৮) একজন মেক্সিকান পেশাদার ফুটবলার যিনি প্রিমিয়ার লীগ ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডমেক্সিকো জাতীয় দলে একজন ফরওয়ার্ড হিসেবে খেলে থাকেন। তার ডাক নাম চিচিরিতো। ইউনাইটেডে খেলার পুর্বে তিনি মেক্সিকান ক্লাব গুয়াদালাহারায় খেলেছেন। মেক্সিকান খেলোয়াড়দের মধ্যে তিনিই সর্বপ্রথম প্রিমিয়ার লীগ জায়ান্ট ইউনাইটেডে খেলেছেন।মেক্সিকোর হয়ে হার্নান্দেজের অভিষেক ঘটে কলোম্বিয়ার বিপক্ষে, সেপ্টেম্বর ২০০৯ সালে। তিনি ২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ এবং ২০১১ কনকাকাফ গোল্ড কাপে মেক্সিকোর প্রতিনিধিত্ব করেছেন। কনকাকাফ গোল্ড কাপে ৭টি গোল করেন এবং টুর্নামেন্টের সবচেয়ে মূল্যবান খেলোয়াড় নির্বাচিত হন।[৩] হার্নান্দেজ যৌথভাবে মেক্সিকোর তৃতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা।[৪]

প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

হার্নান্দেজের জন্ম মেক্সিকোর গুয়াদালাহারায় এবং তিনি ৭ বছর বয়সে প্রথম একটি বিনোদনমূলক টুর্নামেন্টে খেলেন। তার বাবা, হাভিয়ের হার্নান্দেজ গুতিয়েরেস, যিনি নিজে মেক্সিকো জাতীয় দলের একজন স্টাইকার, বলেন যে তিনি কোনদিন ধারনা করেননি তার ছেলে পেশাদার ফুটবল খেলবে। হার্নান্দেজ ১৫ বছর বয়সে সিডি গুয়াদালাহারায় যোগ দেন। [৫] তিনি ২০০৫ অনুর্ধ-১৭ বিশ্বকাপে খেলার জন্য ডাক পেলেও ইনজুরির কারনে খেলতে পারেননি;যদিও মেক্সিকো টুর্নামেন্টটি জিতে নেয়।[৬]

ক্লাব ক্যারিয়ার[সম্পাদনা]

গুয়াদালাহারা[সম্পাদনা]

হার্নান্দেজ শিভাসের লোয়ার ডিভিশন দল শিভাস চোরাসের হয়ে ২০০৫-০৬ মৌসুমে খেলা শুরু করেন। ২০০৬ অ্যাপারচুরায় নেক্সাকার বিরুদ্ধে তার অভিষেক ঘটে। ৮২ মিনিটে খেলার স্কোর ৩-০ থাকা অবস্থায় তিনি ওমর ব্রাভোর বদলী হিসেবে মাঠে নামেন এবং ৫ মিনিট পরে দলের ৪র্থ গোল করেন। ২০০৬-০৭ মৌসুমে তার খেলা ৭টি এটিই ছিল তার একমাত্র গোল। ২০০৭-০৮ মৌসুমেও তিনি ৬টি খেলায় মাঠে গোলশূন্য থাকেন।

হার্নান্দেজ ২০০৮ প্রিমেরা ডিভিশন দে অ্যাপারচুরায় ১০ খেলায় মাঠে নামলেও একটিও গোল করতে পারেননি। ২০০৯ প্রিমেরা ডিভিশন দে ক্লাউসুরাতে তিনি ১৫ খেলায় ৪ গোল করেন। ২০০৯ সালের অ্যাপারচুরায় তিনি ১৭ খেলায় ১১ গোল করেন যা তাকে লীগে যৌথভাবে ৩য় সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে বসায়।[৭] ২০০৯-১০ প্রিমেরা ডিভিশন দে মেক্সিকোতে, তিনি প্রথম ৫ খেলায় ৮ গোল করেন।[৮] ওই মৌসুমে ইনজুরির কারনে ৫ টি খেলতে না পারা সত্ত্বেও তিনি ১১ ম্যাচে ১০ গোল করে যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতা হন।[৯]

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড[সম্পাদনা]

দলবদল[সম্পাদনা]

ইউনাইটেডে অভিষেকে হার্নান্দেজ

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড হার্নান্দেজের সম্পর্কে প্রথম জানতে পারে ২০০৯ সালের অক্টোবরে। তাই ডিসেম্বর মাসে তারা একজন স্কাউটকে মেক্সিকোতে পাঠায় তার খেলা পর্যবেক্ষন করার জন্য। ওই স্কাউট তাকে কয়েকটি খেলায় পর্যবেক্ষন করেন এবং তার সম্পর্কে ইউনাইটেড কর্তৃপক্ষকে ইতিবাচক ধারনা দেন। হার্নান্দেজের বয়স তখনও কম থাকার কারনে ইউনাইটেড কর্তৃপক্ষ তাকে দলে নিয়ে আসার ব্যাপারে একটু অপেক্ষা করতে চাইছিল। কিন্তু ২০১০ বিশ্বকাপে তার অংশগ্রহণের সম্ভবনা তৈরি হওয়ায়, ইউনাইটেড কর্তৃপক্ষ অনেকটাই তাড়াহুড়া করে তার জন্য বিড করে। এইজন্যে ইউনাইটেডের প্রধান স্কাউট জিম লওয়ারকে মেক্সিকোতে পাঠায়, যিনি তাকে ফেব্রুয়ারি মার্চ অবধি তাকে পর্যবেক্ষন করে এবং তার সম্পর্কে আবার একটি ইতিবাচক রিপোর্ট দেয় যার ফলশ্রুতিতে ক্লাবের আইনজীবীরা মেক্সিকোতে গিয়ে তার সাথে চুক্তিসম্পন্ন করে।[১০]

০৮ এপ্রিল ২০১০ সালে, হার্নান্দেজ ওয়ার্ক পারমিট পাওয়া সাপেক্ষে অপ্রকাশিত পরিমাণ বেতনে ইউনাইটেডে খেলার জন্য চুক্তি সম্পন্ন করতে সম্মত হয়[১১] এর আগের দিন চ্যাম্পিয়ন্স লীগের বায়ার্ন মিউনিখের বিরুদ্ধে ম্যাচটিতে তিনি ওল্ড ট্রাফোর্ডে উপস্থিত ছিলেন।[১২] এই চুক্তিটি এতটাই গোপনীয়তার মধ্যে করা হয় যে হার্নান্দেজের এজেন্টও এর ব্যাপারে কিছুই জানতেন না।[১৩][১৪] চুক্তির শর্তমতে ৩০ জুলাই ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড শিভাসের বিরুদ্ধে তাদের নতুন স্টেডিয়াম এস্তাদিও শিভাসে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলে।[১৫] ২৭ মে তিনি ইউনাইটেডে খেলার জন্য ওয়ার্ক পারমিট পান এবং ১ জুলাই তার সাথে আনুষ্ঠানিক চুক্তি করা হয়।[১৬]

২০১০-১১ মৌসুম[সম্পাদনা]

হার্নান্দেজের অভিষেক ঘটে ২৮ জুলাই ২০১০ সালে এমএলএস অল স্টারের বিরুদ্ধে। ওই ম্যাচের ৬৩তম মিনিটে তিনি ন্যানির বদলী হিসেবে মাঠে নামেন এবং তার ১৮ মিনিট পর ইউনাইটেডের হয়ে নিজের প্রথম গোল করেন। ড্যারেন ফ্লেচারের দূর থেকে আগিয়ে দেয়া বলটিকে তিনি অত্যন্ত চতুরতার সহিত নিক রিমান্ডোর মাথার উপর দিয়ে জালে পাঠিয়ে দেন।[১৭] এর দুইদিন পরে তিনি শিভাসের হয়ে প্রীতি ম্যাচে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে গোল করেন। ওই খেলায় প্রথমার্ধে তিনি শিভাসের হয়ে খেলা শুরু করেন এবং খেলা শুরু হওয়ার ৮ মিনিটের মাথায় গোল করেন; দ্বিতীয়ার্ধে তিনি জার্সি পরিবর্তন করে ইউনাইটেডের পক্ষে খেলেন।[১৮] আয়ারল্যান্ড লীগের ১ম একাদশের বিরুদ্ধে প্রাকমৌসুম সফরের টানা তিন খেলায় গোল করার কৃতিত্ব অর্জন করেন;খেলায় ইউনাইটেড ৭-১ গোলে জয় পায়।[১৯]

৮ই আগস্ট প্রতিদ্বন্দ্বিতাপুর্ন খেলায় কমিউনিটি শিল্ড কাপে চেলসির বিরুদ্ধে অভিষেক ঘটে। দ্বিতীয়ার্ধে বদলী হিসেবে নামা হার্নান্দেজ একটি গোল করেন এবং খেলায় ইউনাইটেড ৩-১ গোলে জয়লাভ করে[২০] ১৬ আগস্ট তার প্রিমিয়ার লীগে অভিষেক নিউক্যাসেল ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠ ওল্ড ট্রাফোর্ডে। ঘরের মাঠে ওই খেলায় ৬৩ মিনিটে তিনি ওয়েইন রুনির বদলী হিসেবে মাঠে নামেন;খেলায় ইউনাইটেড ৩-০ গোলে জয়লাভ করেন।[২১] ২৯ সেপ্টেম্বর ভ্যালেন্সিয়ার বিরুদ্ধে তিনি তার প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লীগ গোল করেন। বদলী হিসেবে মাঠে নেমে খেলার একমাত্র গোল করেন যার ফলে ইউনাইটেড ১-০ গোলে জয়লাভ করে।[২২] ১৬ অক্টোবর লীগে তিনি তার প্রথম গোল করেন ওয়েস্ট ব্রমের বিরুদ্ধে; ইউনাইটেডের ঘরের মাঠে হওয়া ওই খেলায় ২-২ গোলে ড্র হয়[২৩] এর ৮ দিন পরে তিনি স্টোক সিটির বিপক্ষে জোড়া গোল করেন, যার উপর ভিত্তি করে ইউনাইটেড ২-১ গোলে জয়লাভ করেন।[২৪]

ওই পারফর্মেন্সের দুই দিন পর লীগ কাপে তিনি শেষ মুহূর্তে ইউনাইটেডের হয়ে জয়সূচক গোলটি করেন যেটি আবার ছিল লীগ কাপে তার প্রথম গোল;খেলায় ইউনাইটেড উলভারহ্যাম্পটনকে ৩-২ গোলে পরাজিত করে কোয়ার্টার ফাইনালে উন্নীত হয়।[২৫][২৬] ৪ জানুয়ারি তিনি স্টোক সিটির বিরুদ্ধে গোল করেন যার ফলে তিনি মেক্সিকান খেলোয়াড়দের মধ্যে প্রিমিয়ার লীগে সর্বোচ্চ গোল করার কৃতিত্ব অর্জন করেন।[২৭] ৮ই মে চেলসির বিপক্ষে খেলা শুরুর ৩৬ সেকেন্ডের মাথায় তিনি গোল করেন।[২৮] ওই গোলের ফলে রুড ভ্যান নিলস্টরয়ের পর তিনিই একমাত্র অভিষেক মৌসুমে ২০ গোল করার কৃতিত্ব অর্জন করেন।[২৯] ১৮ই মে তিনি ভক্তদের ভোটে স্যার ম্যাট বেবসি প্লেয়ার অফ দ্যা ইয়ার জিতেন।[৩০] ০৫ জুলাই ২০০১ সালে ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অফ ফুটবল হিস্টোরি অ্যান্ড স্ট্যাটিকস তাকে "ওয়াল্ড গোলগেটার ২০১১" নামে ভূষিত করে।[৩১]

ক্যারিয়ার পরিসংখ্যান[সম্পাদনা]

ক্লাব[সম্পাদনা]

ক্লাব মৌসুম লীগ কাপ লীগ কাপ কন্টিনেন্টাল অন্যান্য সর্বমোট
উপস্থিতি গোল উপস্থিতি গোল উপস্থিতি গোল উপস্থিতি গোল উপস্থিতি গোল উপস্থিতি গোল
গুয়াদালাহারা ২০০৬-০৭
২০০৭-০৮ ১১
২০০৮-০৯ ২২ ৩২
২০০৯-১০ ২৮ ২১ ২৮ ২১
সর্বমোট ৬৪ ২৬ ১২ ৮০ ২৯
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ২০১০-১১ ২৭ ১৩ ৪৫ 20
২০১১-১২ ২৮ ১০ ৩৬ ১২
২০১২-১৩ ২২ ১০ ৩৬ ১৮
২০১৩-১৪ ১২ ১৮
সর্বমোট ৮৯ ৩৪ ১২ ২৫ ১৩৫ ৫৪
ক্যারিয়ার সর্বমোট ১৫২ ৬০ ১৫ ৩৭ ১২ ২১৪ ৮৩

২১ ডিসেম্বর ২০১৩ পর্যন্ত সঠিক[৩২][৩৩][৩৪][৩৫][৩৬]

আর্ন্তজাতিক[সম্পাদনা]

মেক্সিকো জাতীয় দল
বছর উপস্থিতি গোল
২০০৯
২০১০ ১৯ ১১
২০১১ ১৩ ১২
২০১২ ১০
২০১৩ ১৪
সর্বমোট ৫৭ ৩৫

২৬ অক্টোবর ২০১৩ পর্যন্ত সঠিক[৩৭]

সম্মাননা[সম্পাদনা]

ক্লাব[সম্পাদনা]

গুয়াদালাহারা
  • প্রিমেরা ডিভিশন দে মেক্সিকো (১): ২০০৬
  • ইন্টার লীগা (১): ২০০৯
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড

আর্ন্তজাতিক[সম্পাদনা]

মেক্সিকো
  • কনকাকাফ গোল্ড কাপ (১): ২০১১

ব্যাক্তিগত[সম্পাদনা]

  • ২০০৯-১০ প্রিমেরা ডিভিশন দে মেক্সিকোর সর্বোচ্চ গোলদাতা
  • ব্যালন দি’অর – সেরা স্ট্রাইকার (১): ২০১০
  • স্যার ম্যাট বেবসি প্লেয়ার অফ দ্যা ইয়ার (১): ২০১০-১১
  • ২০১১ কনকাকাফ গোল্ড কাপ সর্বোচ্চ গোলদাতা
  • ২০১১ কনকাকাফ গোল্ডকাপ;সবচেয়ে মূল্যবান খেলোয়াড়

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Premier League clubs submit squad lists" (PDF)। PremierLeague.com। Premier League। 2 February 2012। পৃ: 23। সংগৃহীত 2 February 2012 
  2. "Javier Hernandez – Quote, Unquote"ManUtd.com। Manchester United। সংগৃহীত 27 April 2011 
  3. "Chicharito lifts Gold Cup"ManUtd.com (Manchester United)। 26 June 2011। সংগৃহীত 26 June 2011 
  4. Blumrosen Juarez, Daniel (16 October 2012)। "México, con paso invicto a Hexagonal"El Universal। সংগৃহীত 17 October 2012 
  5. Witz, Billy (1 April 2010)। "For World Cup, Javier Hernández Could Be Mexico's Next Big Thing"New York Times। সংগৃহীত 30 June 2010 
  6. "Javier Hernández"। ESPN Soccernet। সংগৃহীত 1 July 2010 
  7. "Tabla de Goleo Individual"। Femexfut। সংগৃহীত 30 June 2010 
  8. "History awaits flawless Chivas"। FIFA.com। 26 February 2010। সংগৃহীত 30 June 2010 
  9. "Estadística – Primera División Profesional – Temporada 2009–2010 Torneo Bicentenario"। Femexfut। সংগৃহীত 30 June 2010 
  10. Coppack, Nick (9 April 2010)। "Boss: We had to move fast"ManUtd.com (ManUtd.com)। সংগৃহীত 1 July 2010 
  11. Communications Dept. (8 April 2010)। "Reds agree Hernandez deal"ManUtd.com (Manchester United)। সংগৃহীত 8 April 2010 
  12. Thompson, Gemma (8 April 2010)। "Chicharito's 'dream' move"ManUtd.com (Manchester United)। সংগৃহীত 13 April 2010 
  13. White, Duncan (11 April 2010)। "Javier Hernandez, aka El Chicharito, living the Manchester United dream"The Telegraph (London)। সংগৃহীত 30 June 2010 
  14. Marshall, Tom; Bartram, Steve (9 June 2010)। "United's covert operation"ManUtd.com। Manchester United। সংগৃহীত 30 June 2010 
  15. Marshall, Tom (8 April 2010)। "Manchester United to play Chivas at new stadium"guadalajarareporter.com (Guadalajara Reporter)। সংগৃহীত 8 April 2010 
  16. Tuck, James (27 May 2010)। "Chicharito granted work permit"ManUtd.com (Manchester United)। সংগৃহীত 27 May 2010 
  17. Thompson, Gemma (28 July 2010)। "MLS All-Stars 2 United 5"ManUtd.com (Manchester United)। সংগৃহীত 28 July 2010 
  18. Thompson, Gemma (30 July 2010)। "Chivas 3 United 2"ManUtd.com (Manchester United)। সংগৃহীত 1 August 2010 
  19. Coppack, Nick (4 August 2010)। "Ireland XI 1 United 7"ManUtd.com (Manchester United)। সংগৃহীত 4 August 2010 
  20. Fletcher, Paul (8 August 2010)। "Chelsea 3–1 Man Utd"BBC Sport (British Broadcasting Corporation)। সংগৃহীত 8 August 2010 
  21. Chowdhury, Saj (16 August 2010)। "Man Utd 3–0 Newcastle"BBC Sport (British Broadcasting Corporation)। সংগৃহীত 16 August 2010 
  22. Stevenson, Johnson (29 September 2010)। "Valencia 0–1 Man Utd"BBC Sport (British Broadcasting Corporation)। সংগৃহীত 29 September 2010 
  23. Sanghera, Mandeep (16 October 2010)। "Man Utd 2–2 West Brom"BBC Sport (British Broadcasting Corporation)। সংগৃহীত 16 October 2010 
  24. McNulty, Phil (24 October 2010)। "Stoke 1–2 Man Utd"BBC Sport (British Broadcasting Corporation)। সংগৃহীত 24 October 2010 
  25. Stevenson, Jonathan (26 October 2010)। "Man Utd 3–2 Wolves"BBC Sport (British Broadcasting Corporation)। সংগৃহীত 26 October 2010 
  26. Whyatt, Chris (30 November 2010)। "West Ham 4–0 Man Utd"BBC Sport (British Broadcasting Corporation)। সংগৃহীত 30 November 2010 
  27. Stevenson, Jonathan (4 January 2011)। "Man Utd 2–1 Stoke"BBC Sport (British Broadcasting Corporation)। সংগৃহীত 4 January 2011 
  28. McNulty, Phil (8 May 2011)। "Man Utd 2–1 Chelsea"BBC Sport (British Broadcasting Corporation)। সংগৃহীত 8 May 2011 
  29. Taylor, Daniel (9 May 2011)। "Manchester United on brink of record 19th title after win over Chelsea"The Guardian (UK: Guardian.co.uk)। সংগৃহীত 9 May 2011 
  30. Tuck, James (18 May 2011)। "Fans honour Hernandez"ManUtd.com (Manchester United)। সংগৃহীত 18 May 2011 
  31. Marshall, Adam (6 July 2011)। "Javier is world's best"ManUtd.com (Manchester United)। সংগৃহীত 7 July 2011 
  32. "Javier Hernández"MedioTiempo.com (Medio Tiempo)। 10 April 2010। সংগৃহীত 10 April 2010 
  33. "Javier Hernández"। ESPN। 1 June 2010। সংগৃহীত 1 June 2010 
  34. "Javier Hernández"worldfootball.net (Worldfootball)। 1 June 2010। সংগৃহীত 1 June 2010 
  35. "Javier Hernández"footballdatabase.eu (Football Database)। 1 June 2010। সংগৃহীত 1 June 2010 
  36. Endlar, Andrew। "Javier Hernandez"। StretfordEnd.co.uk। সংগৃহীত 23 February 2010 
  37. National-Football-Teams.com-এ Hernández হাভিয়ের হার্নান্দেজ

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]