স্পিড মেটাল
| স্পীড মেটাল | |
|---|---|
| শৈলীগত সূত্রপাত | ব্রিটিশ হেভি মেটালের নতুন স্রোত, হার্ডকোর পাঙ্ক |
| সাংস্কৃতিক সূত্রপাত | ১৯৭০-এর দশকে ও ১৯৮০-এর দশকের প্রথমদিকে আমেরিকা, কানাডা, ইংল্যান্ড, জার্মানি, জাপান |
| সংশ্লিষ্ট বাদ্যযন্ত্র | ইলেকট্রিক গিটার • বেজ গিটার • ড্রামস • ভোকাল |
| সাফল্যকাল | মোটামুটি ১৯৮০-এর দশকের প্রথম থেকে মাঝামাঝি |
| উদ্ভূত শাখা | থ্রাশ মেটাল পাওয়ার মেটাল নিউ-ক্ল্যাসিক্যাল মেটাল |
| Regional scenes | |
| আমেরিকা • জার্মানি • ইংল্যান্ড | |
স্পীড মেটাল হেভি মেটালের একটি উপধারা যার উৎপত্তি হয় ১৯৮০-এর দশকে ও যার শিকড় আছে হার্ডকোর পাঙ্ক ও ব্রিটিশ হেভি মেটালের নতুন স্রোতে। অলমিউজিকের মতে যা খুবই দ্রুতলয়ের ও কারিগরিভাবে চাহিদাসম্পন্ন। মোটরহেড ব্যান্ডকে কৃতিত্ব দেয়া হয় এই ধারার সঙ্গীতের আবিষ্কারক হিসেবে। জুডাস প্রিস্ট ও আয়রন মেইডেন ব্যান্ডেরও প্রভাব আছে এই ধারার সংগীতে। দ্বৈত গিটারের শব্দ এই ধারার সঙ্গীতের সবচেয়ে প্রধান বৈশিষ্ট্য। কুইন ব্যান্ডের স্টোন কোল্ড ক্রেজি গানটি যা তাদের ১৯৭৪ সালের অ্যালবাম শির হার্ট অ্যাটাক অ্যালবামের গান যা পরে থ্রাশ মেটাল ব্যান্ড মেটালিকা কাভার করেছিল ও ডিপ পার্পল ব্যান্ডের মেসিনহেড অ্যালবামের হাইওয়ে স্টার গানটি স্পীড মেটালের জন্য বড় অনুপ্রেরণা। স্পীড মেটাল ঘটনাক্রমে উদ্ভেষিত হয় থ্রাশ মেটালে। যদিও অনেকে এই দুই ধারাকে এক করেই দেখতে চান, কিন্তু তাদের মাঝে পার্থক্যও আছে। ইয়ান ক্রিস্টি তার বই সাউন্ড অব দ্যা বিস্টঃ দ্যা কম্পলিট হেডব্যাঙ্গিং হিস্ট্রি অব হেভি মেটাল-এ বলেনঃ ”থ্রাশ মেটাল লম্বা গানের দিকে, রিদমিক বিরতির দিকে বেশি মনোযোগ দেয় যখন স্পীড মেটাল অনেক পরিষ্কার ও সঙ্গীতের দিক থেকে জটিল একটা উপধারা যা এখনো ক্ল্যাসিক্যাল মেটালের দ্বৈত মেলোডির প্রতি বিশ্বস্ত।
আঞ্চলিক পার্থক্য[সম্পাদনা]
স্পীড মেটালের শব্দের পার্থক্য জায়গাভেদে পরিবর্তিত হয়। ইউরোপিয়ান ব্যান্ডগুলো ভেনম, মোটরহেড ও জুডাস প্রিস্ট ব্যান্ডের গান থেকে শেখে। জাপানিজ ব্যান্ডগুলো শব্দ আরো সুরেলা যা পাওয়ার মেটালের সাথে তুলনীয়।উত্তর আমেরিকান ব্যান্ডগুলোর শব্দ আরো দ্রুত ও অধিকতর আক্রমণাত্নক যা পরে থ্রাশ মেটাল আন্দোলনে প্রভাব রাখে।
বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]
| এই সঙ্গীত-সম্পর্কিত বিষয়ক নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |