স্টিভ জবস
| ষ্টিভ জবস | |
|---|---|
২০১০ সালে ষ্টিভ জবস |
|
| জন্ম | ষ্টিভেন পল জবস ফেব্রুয়ারি ২৪, ১৯৫৫ [১] সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া। |
| মৃত্যু | অক্টোবর ৫, ২০১১ (৫৬ বছর) পালো অ্যালকো, ক্যালিফোর্নিয়া।[২] |
| বাসস্থান | পালো অ্যালটো, ক্যালিফোর্নিয়া।[৩] |
| জাতীয়তা | মার্কিন |
| অ্যালমা ম্যাটার | রীড কলেজ (ড্রপড আউট) |
| পেশা | প্রযুক্তিবিদ |
| বেতন | ১ মার্কিন ডলার[৪][৫][৬][৭] |
| মোট সম্পত্তি | $৮.৩ বিলিয়ন (২০১১)[৮] |
| বোর্ড সদস্য | The Walt Disney Company,[৯] Apple, Inc. |
| ধর্ম | বৌদ্ধ[১০][dubious ] |
| দাম্পত্য সঙ্গী | লরেন পাওয়েল (১৯৯১-২০১১) |
| সন্তান | ৪ |
| আত্মীয় | মোনা সিম্পসন (বোন) |
| স্বাক্ষর | |
| ওয়েবসাইট | |
| স্টিভ জবস | |
স্টিভ জবস (পুরোনাম: স্টিভেন পল জবস) (ইংরেজি: Steven Paul "Steve" Jobs) (জন্ম ফেব্রুয়ারি ২৪, ১৯৫৫, মৃত্যু ৫ অক্টোবর ২০১১) যুক্তরাষ্ট্রের একজন উদ্যোক্তা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবক। তাকে পার্সোনাল কম্পিউটার বিপ্লবের পথিকৃৎ বলা হয়। তিনি স্টিভ ওজনিয়াক এবং রোনাল্ড ওয়েন-এর সাথে ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দে অ্যাপল কম্পিউটার প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি অ্যাপল ইনকর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম ও সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। তিনি পিক্সার এ্যানিমেশন স্টুডিওস-এরও প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম ও সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। ১৯৮৫ সালে অ্যাপল ইনকর্পোরেশনের বোর্ড অব ডিরেক্টর্সের সদস্যদের সাথে বিরোধে জড়িয়ে তিনি অ্যাপল ইনকর্পোরেশনের থেকে পদত্যাগ করেন এবং নেক্সট কম্পিউটার প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৯৬ সালে অ্যাপল কম্পিউটার নেক্সট কম্পিউটারকে কিনে নিলে তিনি অ্যাপলে ফিরে আসেন। তিনি ১৯৯৫ সালে টয় স্টোরি নামের অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র প্রযোজনা করেন।
পরিচ্ছেদসমূহ |
জীবনবৃত্তান্ত [সম্পাদনা]
জবস জন্মেছিলেন সান ফ্রান্সিস্কোতে[১] এবং পরে পল ও ক্লারা জবস তাকে দত্তক হিসাবে গ্রহণ করেন এবং তাকে নামকরণ করা হয় স্টিভেন পল জবস। কিন্তু তার প্রকৃত পিতা-মাতা ছিলেন জোয়ান ক্যারোল এবং আব্দুল্লাহ ফাতাহ জান্দালি (সিরিয়া থেকে স্নাতকোত্তর ছাত্র ছিলেন।পরবর্তীতে রাস্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক হয়েছিলেন)। যারা পরবর্তীতে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন এবং তাদের ঘরে জবস-এর বোন সাহিত্যিক মোনা সিম্পসন জন্মান।
জবস কুপারটিনো জুনিয়র হাই স্কুলে এবং হোমস্টিড হাই স্কুলে গিয়েছিলেন। তিনি প্রায়ই হিউলেট-প্যাকার্ড কোম্পানির লেকচারগুলোতে অংশগ্রহণ করতেন। যেখানে পরবর্তীতে তিনি গ্রীষ্মকালীন কর্মচারী হিসাবে স্টিভ ওজনিইয়াকের সাথে কাজ করেন। ১৯৭২ থ্রিস্টাব্দে তিনি হাই স্কুল শেষ করেন এবং রীড কলেজ়ে ভর্তি হন। যদিও তিনি পরবর্তীতে কলেজ ছেড়ে দেন তার পরেও তিনি ক্যালিগ্রাফীসহ আরো কিছু ক্লাসে যোগদান করেছিলেন। এই সম্পর্কে তার বক্তব্য ছিল "যদি আমি ওই কোর্সে না যেতাম তবে ম্যাকের কখনোই বিভিন্ন টাইপফেস বা সামঞ্জস্যপূর্ণ ফন্টগুলো থাকতো না।"[১১]
১৯৭৪ সালে জবস ক্যালির্ফোনিয়াতে পুনরায় চলে আসেন। এ সময় তিনি নিয়মিত ওজনিয়াকের সাথে হোমব্রিউ কম্পিউটার ক্লাবের সভাগুলোতে উপস্থিত থাকেন। তিনি ভিডিও গেমস নির্মাতা প্রতিষ্ঠান আটারিতে টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ শুরু করেন। তিনি এসময় মূলত ভারতে যাবার জন্য অর্থ জমানোর চেষ্টা করছিলেন। জবস ভারতে নিম কারোলি বাবার কাইনিচি আশ্রমে তার বন্ধু ড্যানিয়েল কটকের সাথে ভ্রমন করেন।[১২] আধ্যত্মিক জ্ঞান অর্জনের জন্য তিনি ভারতে আসেন ও বৌদ্ধধর্মে ধর্মান্তরিত হন।[১৩][১৪]
কর্মজীবন [সম্পাদনা]
অ্যাপল প্রতিষ্ঠা [সম্পাদনা]
১৯৭৬ সালের ১ এপ্রিল স্টিভ জবস, স্টিভ ওজনিয়াক এবং রোনাল্ড ওয়েন অ্যাপল কম্পিউটার প্রতিষ্ঠা করেন।[১৫] আমেরিকার উদ্যোক্তা মাইক মার্ককুলার প্রথম অ্যাপলে অর্থ বিনিয়োগ করেন। অ্যাপল প্রতিষ্ঠার আগে ১৯৭১ সালে ইলেকট্রনিক্স হ্যাকার ২১ বছরের ওজনিয়াকের সাথে জবসের পরিচয় হয়। জবসের তখন বয়স ছিল মাত্র ১৬। ১৯৭৬ সালে তারা অ্যাপল ১ নামের প্রথম কম্পিউটার অবমুক্ত করে।
১৯৭৮ সালে মাইক স্কটকে প্রথম সিইও হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। পরবর্তীতে কোমল পানীয় পেপসির সাবেক কর্মকতা জন স্কালীকে সিইও হিসেবে নিয়োগ করেন জবস। আশির দশকের শুরুতে জবসের আগ্রহেই অ্যাপল লিসা নামের ৯,৯৯৫ ইউএস ডলার মূল্যের ডেক্সটপ কম্পিউটার বাজারজাত করা শুরু করে।[১৬] কিন্তু অধিক মূল্যের কারনে লিসা বাজারে সুবিধা করতে পারে নাই।
১৯৮৩ সালের অক্টোবরে জবস নতুন ধরনের ডেক্সটপ ম্যাকিন্টশ নির্মানের ঘোষনা দেন। ১৯৮৪ সালের জানুয়ারিতে অ্যাপল ম্যাকিন্টশের বাজারজাতকরন শুরু হয়। ১৯৮৫ সালের মে মাসে জবসকে অ্যাপলের ম্যাকিন্টশ কম্পিউটারের দায়িত্ব থেকে অব্যহতি দেয়া হয়।[১৭] অক্টোবরে জবস অ্যাপল থেকে পদত্যাগ করেন এবং নেক্সট কম্পিউটার নতুন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।[১৮]
নেক্সট কম্পিউটার [সম্পাদনা]
অ্যাপল কম্পিউটার ছাড়ার পর জবস ১৯৮৫ সালে ৭ মিলিয়ন ইউএস ডলার দিয়ে নেক্সট(NeXT) কম্পিউটার প্রতিষ্ঠা করেন। নেক্সট কম্পিউটার থেকে জবস ১৯৯০ সালে নেক্সটষ্টেশন নামের পিসি বাজারজাত করন শুরু করেন। এই ওয়ার্কষ্টেশন গুলোর দাম ছিল ৯,৯৯৯ মার্কিন ডলার।
পিক্সার ও ডিজনী [সম্পাদনা]
১৯৮৬ সালে জবস পিক্সার, সাবেক নাম দ্য গ্রাফিক্স গ্রুপ, লুকাস ফিল্ম এর কাছ থেকে ১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে ক্রয় করেন। এই প্রতিষ্ঠান থেকেই জবস ডিজনীর সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে কম্পিউটার অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র বানাতে শুরু করেন। ১৯৯৫ সালে মুক্ত পাওয়া টয় ষ্টোরি চলচ্চিত্রটি প্রথম চলচ্চিত্র যেখানে স্টিভ জবস এক্সিকিউটিভ প্রোডিউসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে জবস পিক্সারের ক্রিয়েটিভ প্রধান জন লেস্যেটার এর সাথে মিলে অনেকগুলো চলচ্চিত্র নির্মান করেন। কয়েকটি বিখ্যাত চলচ্চিত্র হল: এ বাগস লাইফ (১৯৯৮), টয় ষ্টোরি ২ (১৯৯৯), ফাইন্ডিং নিমো (২০০৩), টয় ষ্টোরি ৩ (২০১০) প্রভৃতি।
অ্যাপলে প্রত্যাগমন [সম্পাদনা]
১৯৯৬ সালে অ্যাপল ঘোষনা দেয় ৪২৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে নেক্সট কম্পিউটার ক্রয়ের। জুলাই ১৯৯৭ সালের পরে স্টিভ জবস পুনরায় প্রতিষ্ঠান প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করলেও ২০০০ সালে প্রধান সিইও হিসেবে নিয়োগ পান। স্টিভ এ সময়ে কম্পিউটার যন্ত্রপাতি নির্মাণ ছাড়াও ডিজিটাল বিনোদনের নানা উপকরন নির্মাণে মনোযোগ দেন। তিনি ২৯ জুন ২০০৭ সালে প্রথম আইফোন বাজারজাত করন শুরু করে। নান্দনিকতার সাথে আধুনিক প্রযুক্তির সংমিশ্রনে বিনোদনের জগতে স্টিভ জবস একে একে প্রবর্তন করেন আইপড, আইপ্যাড।
পুনরায় অ্যাপল ত্যাগ [সম্পাদনা]
২০১১ সালের আগষ্টে জবস অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী হিসেবে পদত্যাগ করেন। কিন্তু তিনি কোম্পানির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে যান।
ব্যবসায়িক জীবন [সম্পাদনা]
সম্পদ [সম্পাদনা]
জবস অ্যাপল কম্পিউটারের প্রধান নির্বাহী হিসেবে বছরে মাত্র ১ মাকিন ডলার বেতন গ্রহন করতেন।[১৯] কিন্তু তার কাছে ছিল অ্যাপলের ৫.৪২৬ মিলিয়ন শেয়ার এবং ডিজনীর ছিল ১৩৮ মিলিয়ন শেয়ার। ২০১০ সালের ফরবেসের হিসেবে তিনি ৮.৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার নিয়ে ৪৩তম মার্কিন ধনী নির্বাচিত হন।
উদ্ভাবন [সম্পাদনা]
অক্টোবর ২০১১ পর্যন্ত স্টিভ জবসের নামে ৩৪২ টি আমেরিকান উদ্ভাবনের সত্ত্ব অধিকার রয়েছে।
মানবসেবা [সম্পাদনা]
ব্যক্তিগত জীবন [সম্পাদনা]
স্বাস্থ্য সমস্যা [সম্পাদনা]
মৃত্যু [সম্পাদনা]
জবস অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সারে ভুগে ২০১১ সালের ৫ অক্টোবর মৃত্যুবরণ করেন।
সম্মাননা [সম্পাদনা]
স্টিভ জবস ১৯৮৫ সালে স্টিভ ওজনিয়াকের সাথে প্রথম ন্যাশনাল মেডেল অব টেকনোলজি লাভ করেন।[২০] মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বিশ্ববিখ্যাত টাইম ম্যাগাজিন ২০১১ সালে ৩২ জনের নাম 'পার্সন অফ দ্য ইয়ার' হিসেবে মনোনীত করে। এ তালিকায় - আঙ্গেলা ম্যার্কেল, বারাক ওবামা, সিলভিও ব্যার্লুস্কোনি, লিওনেল মেসি প্রমূখ বিশ্বখ্যাত ব্যক্তিত্বদের পাশাপাশি তিনিও স্থান পেয়েছেন৷[২১]
তথ্যসূত্র [সম্পাদনা]
- ↑ ১.০ ১.১ "Smithsonian Oral and Video Histories: Steve Jobs"। Smithsonian Institution। April 20, 1995। সংগৃহীত September 20, 2006।
- ↑ Markoff, John (October 5, 2011)। "Steve Jobs, Apple's Visionary, Dies at 56"। The New York Times। http://www.nytimes.com/2011/10/06/business/steve-jobs-of-apple-dies-at-56.html। সংগৃহীত October 5, 2011।
- ↑ Gauvin, P and Arrington, V. (Aug 9, 1996). WAVERLEY STREET: Clinton stops by Palo Alto for dinner: Excited residents greet president in front of Steve Jobs' house. Palo Alto Online. Retrieved on: July 19, 2010.
- ↑ "Putting Pay for Performance to the Test"। New York Times। April 8, 2007। http://www.nytimes.com/packages/flash/business/20070408_EXECPAY_GRAPHIC/index.html।
- ↑ "Apple again pays Jobs $1 salary"। CNET News.com। March 13, 2006। http://www.news.com/2100-1047_3-6049166.html।
- ↑ "Jobs' salary remained at $1 in 2005"। AppleInsider। March 14, 2006। http://www.appleinsider.com/articles/06/03/14/jobss_salary_remained_at_1_in_2005.html।
- ↑ "Steve Jobs banks his $1 salary, loses $500m"। The Independent (UK)। January 8, 2009। http://www.independent.co.uk/life-style/gadgets-and-tech/news/steve-jobs-banks-his-1-salary-loses-500m-1232618.html। সংগৃহীত October 2, 2009।
- ↑ "Forbes 400 Richest Americans"। Forbes। March, 2011। http://www.forbes.com/profile/steve-jobs। সংগৃহীত March 10, 2011।
- ↑ "The Walt Disney Company and Affiliated Companies – Board of Directors"। The Walt Disney Company। সংগৃহীত October 2, 2009।
- ↑ Elkind, Peter (March 15, 2008)। "The trouble with Steve Jobs"। Fortune। http://money.cnn.com/2008/03/02/news/companies/elkind_jobs.fortune/index.htm। সংগৃহীত July 21, 2008।
- ↑ "'You've got to find what you love,' Jobs says"। Stanford Report। June 14, 2005। http://news-service.stanford.edu/news/2005/june15/jobs-061505.html। সংগৃহীত March 31, 2006।"I didn't see it then, but it turned out that getting fired from Apple was the best thing that could have ever happened to me".
- ↑ "Il santone della Silicon Valley che ha conquistato i tecno-boss" (in Italian)। Repubblica.it। 2008-06-09। সংগৃহীত 2011-08-30।
- ↑ Andrews, Amanda (January 14, 2009)। "Steve Jobs, Apple's iGod: Profile"। The Daily Telegraph (UK)। http://www.telegraph.co.uk/technology/apple/4242660/Steve-Jobs-Apples-iGod-Profile.html। সংগৃহীত October 29, 2009।
- ↑ "Steve Jobs profile: Apple's hard core"। Edinburgh: News scotsman। January 11, 2009। http://news.scotsman.com/comment/Steve-Jobs-profile-Apple39s-hard.4863847.jp। সংগৃহীত October 29, 2009।
- ↑ Owen W. Linzmayer, No Starch Press। "Apple Confidential: The Real Story of Apple Computer, Inc."। The Denver Post। http://extras.denverpost.com/books/chap0411h.htm।
- ↑ Rich Neighbor with Open Doors – Apple and Xerox PARC
- ↑ Hertzfeld, Andy। "The End Of An Era"। folklore.org।
- ↑ Spector, G (September 24, 1985)। "Apple's Jobs Starts New Firm, Targets Education Market"। PC Week: পৃ: 109।
- ↑ Executive salaries on the rise again
- ↑ http://www.uspto.gov/about/nmti/recipients/1985.jsp
- ↑ টাইম ম্যাগাজিনের পার্সন অফ দ্য ইয়ার’এর জন্য মনোনীত মেসি, সংগ্রহকালঃ ২৭ নভেম্বর, ২০১১ইং
|
||||||||||||||||||||||||||||||||
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |
- All accuracy disputes
- Articles with disputed statements September 2011 থেকে
- টেম্পলেটে অকার্যকর তারিখ স্থিতিমাপসহ নিবন্ধসমূহ
- তথ্যছক ব্যক্তি নির্দিষ্ট পরামিতি ব্যবহার করেছে যখন তিনি মারা যান
- স্বাক্ষরের সাথে জীবনী
- সুনির্দিষ্টভাবে উদ্ধৃত ইংরেজি ভাষার লেখা রয়েছে এমন নিবন্ধ
- অসম্পূর্ণ
- ১৯৫৫-এ জন্ম
- ২০১১-এ মৃত্যু
- মার্কিন ব্যবসায়ী
- অ্যাপল ইনকর্পোরেটেডের কর্মচারী