সেন্ট প্লাসিড্‌স হাই স্কুল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সেন্ট প্লাসিড্স‌ হাই স্কুল
Saint Placid's High School.jpg
বিদ্যালয় ভবন
'Come to learn, leave to serve'
অবস্থান
ব্যান্ডেল রোড
পাথরঘাটা, চট্টগ্রাম
৪০০০, বাংলাদেশ
স্থানাঙ্ক ২২°১৯′৫৯″ উত্তর ৯১°৫০′২০″ পূর্ব / ২২.৩৩৩০৬° উত্তর ৯১.৮৩৮৮৯° পূর্ব / 22.33306; 91.83889
তথ্য
স্কুলের ধরন বেসরকারি বিদ্যালয় মাধ্যমিক
ধর্মীয় অন্তর্ভুক্তি খ্রিস্ট ধর্ম
প্রতিষ্ঠাকাল ১৮৫৩
অবস্থা সক্রিয়
স্কুল বোর্ড মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড চট্টগ্রাম
স্কুল বিভাগ চট্টগ্রাম বিভাগ
সেশন জানুয়ারি - ডিসেম্বর
প্রধান শিক্ষক ব্রাদার প্রদীপ লুইস গোমেজ, সিএসসি
অনুষদ
  • বিজ্ঞান
  • বানিজ্য
শ্রেণীসমূহ শ্রেণী ১-১০
ছাত্রসংখ্যা ২০০০
শিক্ষাদানের মাধ্যম জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড
ভাষা বাংলা, ইংরেজি

সেন্ট প্ল্যাসিডস হাই স্কুল বাংলাদেশের চট্টগ্রাম শহরে অবস্থিত প্রাচীন মাধ্যমিক বিদ্যালয়। ১৮৫৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়টি পবিত্র ক্রুশ সংঘের (হলি ক্রস) ব্রাদার কর্তৃক পরিচালিত। একাডেমিক শিক্ষার বাইরে খেলাধুলা ও অন্যান্য সহপাঠক্রমিক কার্যক্রমের জন্য বিদ্যালয়টির পরিচিতি রয়েছে।

অবস্থান[সম্পাদনা]

বিদ্যালয়টি চট্টগ্রাম জেলার পাথরঘাটায় এলাকায় ব্যান্ডেল রোডে অবস্থিত।[১]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

চিত্র:Saint Placids High School.JPG
সেন্ট প্লাসিডস হাই স্কুল ভবন

১৮৫৩ সালের অক্টোবর মাসে এঙ্গলো-বেলজিয়ান বেনেডিক্টাইনসরা ষোড়শ শতাব্দীর বেনেডিক্টাইন সাধু প্ল্যাসিডের নামানুসারে এই স্কুল প্রতিষ্ঠা করে। পরবর্তীতে খ্রীষ্টান মিশনারি পবিত্র ক্রুশ সংঘ এই স্কুলের পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করে। কিন্তু নানাবিধ সমস্যার কারনে ১৮৭৫ সালে পবিত্র ক্রুশ সংঘ পুনরায় এঙ্গলো-বেলজিয়ান বেনেডিক্টাইনসদের স্কুলের পরিচালনার দায়িত্ব ফিরিয়ে দেয়, এবং পরবর্তীতে ১৮৮৯ সালে পুনরায় স্কুলটি পরিচালনার দায়িত্বভার গ্রহণ করে।
১৯২২ সালের ১০ জানুয়ারি ফাদার বোউলেই স্কুল পরিচালনার দায়িত্ব পবিত্র ক্রুশ ব্রাদার সংঘের উপর ন্যস্ত করেন। এরপর থেকে আজ অবধি স্কুল পরিচালনার কাজ পবিত্র ক্রুশ ব্রাদাররাই করে আসছেন।
১৯২৮ সালে স্কুলটি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এর এফিলিয়েশন লাভ করে। ১৯৩৬ সালে স্কুলের ৩ তলা মূলভবনের কাজ সমাপ্ত হয়।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৪২ সালে মিলিটারিরা স্কুল দখল করে নিলে স্কুলটি বরিশালের পাদ্রী শিবপুরে স্থানান্তরিত করা হয়। বরিশালে মাত্র ৮০ জন গরিব ছাত্র নিয়ে স্কুলটি পুনরায় চালু হয়। পরবর্তীতে ১৯৪৫ সালে স্কুলটি পুনরায় চট্টগ্রামে স্থানান্তরিত হয়।
শুরুতে স্কুলটি ইংরেজি মাধ্যমে থাকলেও ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর স্কুলটিতে বাংলা মাধ্যমে শিক্ষাদান শুরু করা হয়।

সহপাঠক্রমিক কার্যক্রম[সম্পাদনা]

বার্ষিক প্রকাশনা[সম্পাদনা]

  1. ফরোয়ার্ড
  2. স্কুল গ্রেজুয়েশন

ক্লাবসমূহ[সম্পাদনা]

ছাত্রদের মানসিক বিকাশের জন্য এবং সামাজিক দক্ষতা অর্জনের জন্য স্কুলে অনেকগুলো ক্লাব রয়েছে। মর্ডারেটরদের সক্রিয় তত্ত্বাবধানে এবং ছাত্রদের নিয়মিত অংশগ্রহণের দ্বারা সারাবছর ব্যাপী ক্লাবগুলো বিভিন্ন অনুষ্ঠান, কর্মশালা এবং প্রতিযোগিতা আয়োজন করে থাকে।

  1. বয়স্কাঊট
  2. বিএনসিসি
  3. রেড ক্রিসেন্ট
  4. ব্যান্ড দল
  5. ডিবেটিং ক্লাব
  6. ইকোলজি ক্লাব
  7. গণিত ক্লাব
  8. চেস ক্লাব

খেলাধুলা[সম্পাদনা]

আউটডোর গেমস[সম্পাদনা]

  1. বাস্কেটবল
  2. ভলিবল
  3. ফুটবল
  4. ক্রিকেট

ইনডোর গেমস[সম্পাদনা]

  1. টেবিল টেনিস
  2. ক্যারাম বোর্ড
  3. দাবা

বার্ষিক অনুষ্ঠানসমূহ[সম্পাদনা]

  1. বিজ্ঞান, ভূগোল ও কৃষিমেলা
  2. বার্ষিক ঈদে-মিলাদুন্নবী
  3. স্পোর্টস ডে
  4. মিনাবাজার
  5. এসপিএস ডে

কৃতী শিক্ষার্থী[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "St. Placid’s School, Chittagong"http://www.ctgdiocese.com/। ctgdiocese.com। সংগৃহীত এপ্রিল ০৮, ২০১৫ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]