সেন্ট প্লাসিড্‌স হাই স্কুল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সেন্ট প্লাসিড্‌স হাই স্কুল
'Come to learn, leave to serve'
অবস্থান
পাথরঘাটা, চট্টগ্রাম
বাংলাদেশ
তথ্য
ধরন বেসরকারী
প্রতিষ্ঠাকাল ১৮৫৩
প্রধান শিক্ষক ব্রাদার প্রদীপ লুইস গোমেজ, সিএসসি
শ্রেণীসমূহ শ্রেণী ১-১০
ছাত্রসংখ্যা ২০০০

সেন্ট প্ল্যাসিডস হাই স্কুল বাংলাদেশের বন্দর নগরী চট্টগ্রামে অবস্থিত অন্যতম প্রাচীন মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এটি ১৮৫৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই স্কুলটি পবিত্র ক্রুশ সংঘের(হলি ক্রস) ব্রাদারদের দ্বারা পরিচালিত। স্কুলটি চট্টগ্রাম শহরের পাথরঘাটায় অবস্থিত। এটি নগরীর স্কুল গুলোর মধ্যে অন্যতম সেরা। একাডেমিক শিক্ষার বাইরে খেলাধুলা ও অন্যান্য সহপাঠক্রমিক কার্যক্রমের জন্য বিখ্যাত।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

সেন্ট প্লাসিডস হাই স্কুল ভবন

১৮৫৩ সালের অক্টোবর মাসে এঙ্গলো-বেলজিয়ান বেনেডিক্টাইনসরা ষোড়শ শতাব্দীর বেনেডিক্টাইন সাধু প্ল্যাসিডের নামানুসারে এই স্কুল প্রতিষ্ঠা করে। পরবর্তীতে খ্রীষ্টান মিশনারি পবিত্র ক্রুশ সংঘ এই স্কুলের পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করে। কিন্তু নানাবিধ সমস্যার কারনে ১৮৭৫ সালে পবিত্র ক্রুশ সংঘ পুনরায় এঙ্গলো-বেলজিয়ান বেনেডিক্টাইনসদের স্কুলের পরিচালনার দায়িত্ব ফিরিয়ে দেয়, এবং পরবর্তীতে ১৮৮৯ সালে পুনরায় স্কুলটি পরিচালনার দায়িত্বভার গ্রহণ করে।
১৯২২ সালের ১০ জানুয়ারি ফাদার বোউলেই স্কুল পরিচালনার দায়িত্ব পবিত্র ক্রুশ ব্রাদার সংঘের উপর ন্যস্ত করেন। এরপর থেকে আজ অবধি স্কুল পরিচালনার কাজ পবিত্র ক্রুশ ব্রাদাররাই করে আসছেন।
১৯২৮ সালে স্কুলটি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এর এফিলিয়েশন লাভ করে। ১৯৩৬ সালে স্কুলের ৩ তলা মূলভবনের কাজ সমাপ্ত হয়।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৪২ সালে মিলিটারিরা স্কুল দখল করে নিলে স্কুলটি বরিশালের পাদ্রী শিবপুরে স্থানান্তরিত করা হয়। বরিশালে মাত্র ৮০ জন গরিব ছাত্র নিয়ে স্কুলটি পুনরায় চালু হয়। পরবর্তীতে ১৯৪৫ সালে স্কুলটি পুনরায় চট্টগ্রামে স্থানান্তরিত হয়।
শুরুতে স্কুলটি ইংরেজি মাধ্যমে থাকলেও ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর স্কুলটিতে বাংলা মাধ্যমে শিক্ষাদান শুরু করা হয়।

বিবরণ[সম্পাদনা]

পরিচ্ছদ[সম্পাদনা]

সনামধন্য সেন্ট প্ল্যাসিডস হাই স্কুলের পোশাক স্কুলের অন্যতম গুরুতবপূর্ণ বিষয়। সকল ছাত্র কে বাধ্যতামূলকভাবে স্কুলের নির্ধারিত পোশাক পরিধান করতে হয়। শিক্ষার্থীদের পোশাক হলঃ সাদা শার্ট, সাদা প্যান্ট, নেভী-ব্লু টাই, কাল বেল্ট, সাদা মোজা ও কালো নটিবয় সু। শীতকালে শীতবস্ত্র হিসেবে নেভী-ব্লু রঙ্গের সোয়েটার পড়তে হয়।

সহপাঠক্রমিক কার্যক্রম[সম্পাদনা]

বার্ষিক প্রকাশনা[সম্পাদনা]

  1. ফরোয়ার্ড
  2. স্কুল গ্রেজুয়েশন

ক্লাব সমূহ[সম্পাদনা]

ছাত্রদের মানসিক বিকাশের জন্য এবং সামাজিক দক্ষতা অর্জনের জন্য স্কুলে অনেকগুলো ক্লাব রয়েছে। মর্ডারেটরদের সক্রিয় তত্ত্বাবধানে এবং ছাত্রদের নিয়মিত অংশগ্রহণের দ্বারা সারাবছর ব্যাপী ক্লাবগুলো বিভিন্ন অনুষ্ঠান, কর্মশালা এবং প্রতিযোগিতা আয়োজন করে থাকে।

  1. বয়স্কাঊট
  2. বিএনসিসি
  3. রেড ক্রিসেন্ট
  4. ব্যান্ড দল
  5. ডিবেটিং ক্লাব
  6. ইকোলজি ক্লাব
  7. গণিত ক্লাব
  8. চেস ক্লাব

খেলাধুলা[সম্পাদনা]

আউটডোর গেমস[সম্পাদনা]

  1. বাস্কেটবল
  2. ভলিবল
  3. ফুটবল
  4. ক্রিকেট

ইনডোর গেমস[সম্পাদনা]

  1. টেবিল টেনিস
  2. ক্যারাম বোর্ড
  3. দাবা

বার্ষিক অনুষ্ঠানসমূহ[সম্পাদনা]

  1. বিজ্ঞান, ভূগোল ও কৃষিমেলা
  2. বার্ষিক ঈদে-মিলাদুন্নবী
  3. স্পোর্টস ডে
  4. মিনাবাজার
  5. এসপিএস ডে

ওল্ড প্ল্যাসিডিয়ানস' এসোসিয়েশন, ওপিএ[সম্পাদনা]

ওপিএ লিটারেসি স্কুল[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]