সি এন জি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
গাড়ীতে সি এন জি ভরা হচ্ছে, ২০০৯, বাংলাদেশ

সিএনজি প্রকৃতপক্ষে কমপ্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস শব্দটির নামসংক্ষেপ। এটি সাধারণত জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের একটি রূপ। গ্যাসকে চাপের মাধ্যমে তরলে পরিণত করে তা গ্যাস-ট্যাংকে জমা করা হয়। [১][২]

উৎপাদন[সম্পাদনা]

সাধারণ ব্যবহার্য প্রাকৃতিক গ্যাসকে প্রচন্ড চাপে (৩০০০+ পি এস আই ) তরলিকৃত করা হয়[৩]। গ্যাস লাইনের মাধ্যমে আগত গ্যাসকে চাপ প্রয়োগ করা হয় এতে তরলীকৃত গ্যাস, ট্যাংকে জমা হয় এবং অবশিষ্ট ৮০% গ্যাস পুনরায় লাইনে ফেরৎ যায়। এভাবে পর্যায়ক্রমে এই প্রক্রিয়ায় জমা হওয়া গ্যাস গাড়িতে সংরক্ষিত ট্যাংকে ভরে দেয়া হয়।

ব্যবহার[সম্পাদনা]

প্রায় সবধরনের ডিজেল বা পেট্রলচালিত গাড়ি সিএনজি-তে রূপান্তরের মাধ্যমে সিএনজি-কে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা যায়। তবে নিম্নে ১২৫ সিসি'র মোটর সাইকেলকে গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়াস্বাপেক্ষে এই রূপান্তর সম্ভব।

সুবিধা[সম্পাদনা]

সিসাবেনজিন মুক্ত। রক্ষনাবেক্ষন খরচ কম। এটি সিলড টেকনোলোজি বিধায় লিকেজ ও বাষ্পিভবন কম। গ্যাস সহজলভ্য ও সস্তা। সিএনজি বিক্রি হয় কিউবিক মিটার হিসেবে ১ সিএম সিএনজি'র [ সিএনজি ও জ্বালানী তেল উভয়ের মাইলেজ প্রায় সমান হলেও, এটি দামে সাশ্রয়। এছাড়াও পরিবেশ রক্ষায় এর যথেষ্ট অবদান রয়েছে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]