সি এন জি
|
|
article নিবন্ধের উদাহরণ এবং দৃষ্টিভঙ্গি সম্ভবত বিষয়বস্তুর কোনো বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করছে না। |
সিএনজি প্রকৃতপক্ষে কমপ্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস শব্দটির নামসংক্ষেপ। এটি সাধারণত জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের একটি রূপ। গ্যাসকে চাপের মাধ্যমে তরলে পরিণত করে তা গ্যাস-ট্যাংকে জমা করা হয়। [১][২]
পরিচ্ছেদসমূহ |
উৎপাদন [সম্পাদনা]
সাধারণ ব্যবহার্য প্রাকৃতিক গ্যাসকে প্রচন্ড চাপে (৩০০০+ পি এস আই ) তরলিকৃত করা হয়[৩]। গ্যাস লাইনের মাধ্যমে আগত গ্যাসকে চাপ প্রয়োগ করা হয় এতে তরলীকৃত গ্যাস, ট্যাংকে জমা হয় এবং অবশিষ্ট ৮০% গ্যাস পুনরায় লাইনে ফেরৎ যায়। এভাবে পর্যায়ক্রমে এই প্রক্রিয়ায় জমা হওয়া গ্যাস গাড়িতে সংরক্ষিত ট্যাংকে ভরে দেয়া হয়।
ব্যবহার [সম্পাদনা]
প্রায় সবধরনের ডিজেল বা পেট্রলচালিত গাড়ি সিএনজি-তে রূপান্তরের মাধ্যমে সিএনজি-কে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা যায়। তবে নিম্নে ১২৫ সিসি'র মোটর সাইকেলকে গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়াস্বাপেক্ষে এই রূপান্তর সম্ভব।
সুবিধা [সম্পাদনা]
সিসা ও বেনজিন মুক্ত। রক্ষনাবেক্ষন খরচ কম। এটি সিলড টেকনোলোজি বিধায় লিকেজ ও বাষ্পিভবন কম। গ্যাস সহজলভ্য ও সস্তা। সিএনজি বিক্রি হয় কিউবিক মিটার হিসেবে ১ সিএম সিএনজি'র [ সিএনজি ও জ্বালানী তেল উভয়ের মাইলেজ প্রায় সমান হলেও, এটি দামে সাশ্রয়। এছাড়াও পরিবেশ রক্ষায় এর যথেষ্ট অবদান রয়েছে।