সিসমোমিটার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

সিসমোমিটার ভূত্বকের কম্পন পরিমাপক যন্ত্র. এই যন্ত্র দিয়ে প্রধানতঃ ভূমিকম্প, অগ্নুত্পাত, বা অন্য যে কোনো কারণে ঘটা ভূত্বক বা ভূগর্ভস্থ কম্পনের তীব্রতা মাপা হয়. এই কম্পন-তীব্রতার তথ্য-উপাত্ত ভূতত্ত্ববিদদেরকে ভূগর্ভের মানচিত্র বানাতে, ভূমিকম্পের উত্স এবং তীব্রতা বিশ্লেষণে সাহায্য করে

সিসমোমিটার(Seismometer) এর Seismo শব্দের উত্স গ্রিক শব্দ σεισμός, seismós (যার অর্থ কম্পন).

সিসমোগ্রাফ এবং সিসমোমিটার অনেক সময়েই সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়. কিন্তু সিসমোগ্রাফ দ্বারা সাধারণতঃ পুরনো যুগে ব্যবহৃত ভু-কম্পন মাপক যন্ত্রকে বুঝায়. অপরদিকে সিসমোমিটার দ্বারা বর্তমান যুগে ব্যবহৃত অত্যাধুনিক পরিমাপ এবং বিশ্লেষনের সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত ভু-কম্পন মাপককে বুঝায়। আর সিসমোস্কোপ দিয়ে শুধু ভুমিকম্পন যে হয়েছে তার প্রমান পাওয়া যায়।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ঝাং হেং এর সিসমোস্কোপ[সম্পাদনা]

Zhang Heng এর সিসমোস্কোপের অবিকল প্রতিরুপ Houfeng Didong Yi

প্রাচীন উদাহরণ[সম্পাদনা]

প্রাচীন নকশা[সম্পাদনা]

মূল কার্যপদ্ধতি[সম্পাদনা]

আধুনিক যন্ত্রাদি[সম্পাদনা]

একটি Kinemetrics সিসমোস্কোপ, যেটা আগে United States Department of the Interior ব্যবহার করতো.

টেলি-সিসমোমিটার[সম্পাদনা]

সমুদ্র-তলে ব্যবহারোপযোগী নিচু-তরংগের ত্রি-মুখী সিসমোমিটার (ছবিতে মুল কাভার সরানো). এই মডেল টি Güralp Systems Ltd এর বানানো একটি CMG-40TOBS, Monterey Accelerated Research System.এর অংশ

শক্তিশালী-কম্পন সিসমোমিটার[সম্পাদনা]

আধুনিক উপাত্ত সংগ্রহ পদ্ধতি[সম্পাদনা]

সিসমোমিটারের আন্ত-সংযোগ[সম্পাদনা]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]