শেকসপিয়রীয় ট্র্যাজেডি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

উইলিয়াম শেকসপিয়র রচিত ট্র্যাজেডি বা বিয়োগান্তক নাটকগুলি শেকসপিয়রীয় ট্র্যাজেডি নামে পরিচিত। শেকসপিয়র তাঁর কর্মজীবনের প্রথম থেকেই ট্র্যাজেডি রচনায় মনোনিবেশ করেছিলেন। তাঁর প্রথম যুগের ট্র্যাজেডিগুলির মধ্যে অন্যতম টাইটাস অ্যাড্রোনিকাস। এর কিছুকাল পর তিনি রচনা করেন রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট। যদিও তাঁর সর্বাধিক প্রশংসিত ট্র্যাজেডিগুলি রচিত হয়েছিল ১৬০১ থেকে ১৬০৮ সালের মধ্যবর্তী সাত বছরে। এই সময়ই রচিত হয় তাঁর চার প্রধান ট্র্যাজেডি হ্যামলেট, ওথেলো, কিং লিয়ারম্যাকবেথ। এছাড়াও অ্যান্টনি অ্যান্ড ক্লিওপেট্রা, কোরিওলেনাস এবং স্বল্পখ্যাত টিমনস অফ অ্যাথেনসট্রলিয়াস অ্যান্ড ক্রেসিডা নাটকদুটিও এই সময়কার রচনা।

ট্র্যাজেডি[সম্পাদনা]

অনেকেই অ্যারিস্টটলীয় ধারণায় এই ট্র্যাডেজিগুলিকে সংজ্ঞায়িত করেন: নায়ক বা মুখ্যচরিত্র এখানে একটি প্রশংসনীয় চরিত্র। তাঁর চরিত্রে কিছু দোষ আছে, যা দর্শকরা সহানুভূতির সঙ্গে গ্রহণ করেন। একথা সত্য, শেকসপিয়রীয় ট্র্যাজেডির নায়কের চরিত্রে ভাল ও মন্দ গুণ মিশ্রিত রয়েছে। উনিশ শতকের অন্যতম প্রসিদ্ধ শেকসপিয়র বিশেষজ্ঞের এ সি ব্র্যাডলির মতে, " the playwright always insists on the operation of the doctrine of free will; the (anti)hero is always able to back out, to redeem himself. But, the author dictates, they must move unheedingly to their doom."

প্রণয়মূলক ট্র্যাজেডি[সম্পাদনা]

রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট , অ্যান্টনি অ্যান্ড ক্লিওপেট্রা এবং ওথেলো প্রণয়মূলক ট্র্যাজেডি।[১] এই ট্র্যাজেডিগুলি অন্যান্য ট্র্যাজেডির থেকে পৃথক। কারণ এখানে নায়ক নিজের দোষে পতিত হন না, তাঁর পতনের কারণ হয় বর্হিজগতের কোনো বাধা।

তালিকা[সম্পাদনা]

পাদটীকা[সম্পাদনা]

  1. Charney, Maurice: Shakespeare on Love & Lust, page 106. Columbia University Press, 2000