শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
| শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় | |
|---|---|
| 180 px | |
| লাতিন: Shahjalal University of Science and Technology | |
| Motto | একটি কুঁড়ি দুটি পাতা |
| Established | ২৫ শে আগষ্ট ১৯৮৬ |
| ধরণ | সরকারী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় |
| Endowment | ২৫ মিলিয়ন (ইউএস ডলার) |
| চ্যান্সেলর | রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান |
| ভাইস চ্যান্সেলর | প্রফেসর ডঃ মোঃ সালেহ উদ্দিন |
| ডীন | ৭ |
| Academic staff | ১,০০০ |
| Admin. staff | ৫০০ |
| শিক্ষার্থী | ১৫০০০ |
| অবস্থান | সিলেট, বাংলাদেশ |
| ক্যাম্পাস | শহরে অবস্থিত(আখালিয়া) ৩২০ একর (মূল ক্যাম্পাস) ১৭৩ একর (সংশ্লিষ্ট ক্যাম্পাস) |
| অ্যাথলেটিক্স | ১২ varsity teams |
| ডাকনাম | সাস্ট (SUST) |
| সম্পৃক্ততা | বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন Association of Commonwealth Universities International Association of Universities Federation of the Universities of the Islamic World |
| ওয়েবসাইট | http://www.sust.edu/ |
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়(Shahjalal University of Science and Technology) সিলেট শহরে অবস্থিত একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়। বাংলাদেশে সম্প্রতি যেকয়টি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তার মধ্যে এটিই সর্বপ্রথম। এ বিশ্ববিদ্যালয়েই বাংলাদেশে প্রথম এসএমএস ভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষা নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
পরিচ্ছেদসমূহ |
[সম্পাদনা] ইতিহাস
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ২৫ শে আগষ্ট ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৯১ সালের ১৪ই ফেব্রুয়ারি তিনটি বিভাগ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয়। এর ক্যাম্পাসটি সিলেট শহর হতে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে কুমারগায়ে অবস্থিত। ৬টি অনুষদের অধীনে ২৫ টি ডিপার্টমেন্ট নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টি সুনামের সাথে তার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ের ওপর জোর দেয়া হলেও এই বিশ্ববিদ্যালয়ে কলা এবং বাণিজ্য সংক্রান্ত বিষয়ও রয়েছে। সেদিক থেকে বাংলাদেশে এটি একটি ব্যতিক্রমধর্মী বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ও দ্বিতীয় সমবর্তন অনুষ্ঠিত হয় যথাক্রমে ২৯ এপ্রিল ১৯৯৮ এবং ৬ ডিসেম্বর ২০০৭ সালে[১]
[সম্পাদনা] উপদেষ্টা মন্ডলী
বিশ্ববিদ্যালয়ের রয়েছে বিজ্ঞ উপদেষ্টা মন্ডলী . উল্লেখযোগ্য কয়েকজন:
- মাজহারুল ইসলাম (স্থপতি), ফেলো, American Institute of Architects
- মোহাম্মদ আতাউল করিম, ফেলো, Optical Society of America
- মুহাম্মদ ইউনূস, শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী , ২০০৬
- ফজলে হাসান আবেদ, কমিশনার, দরিদ্র আইনী ক্ষমতায়ন জাতিসংঘ কমিশন (CLEP)
- মাকসুদুল আলম, বিজয়ী, University of Hawaii at Manoa, বোর্ড অফ রিজেন্টস একসেলেন্স অফ রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড, ২০০১
- জামাল নজরুল ইসলাম, Eminent Physicist, Mathematician, Astronomer, Cosmologist and Professor of চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
- আবুল হুসসাম, বিজয়ী, Grainger challenge Prize for Sustainability, ২০০৭
- Mir Masoom Ali, Distinguished Professor, Ball State University
- ইকবাল কাদির, Founder and Director of the Legatum Center for Development and Entrepreneurship, MIT
- Fazle Hussain, member of executive committee, US National Academy of Engineering
- Asif Azam Siddiqi, writer of Challenge to Apollo: The Soviet Union and the Space Race, 1945-1974
[সম্পাদনা] ভর্তি কার্যক্রম
সাস্টে শিক্ষার্থীরা আন্ডাগ্র্যাজুয়েট,গ্র্যাজুয়েট এবং পোস্টগ্র্যাজুয়েট পর্যায়ে ভর্তি হতে পারে। শিক্ষার্থীদের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা দিয়ে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পেতে হয়। ভর্তি পরীক্ষায় এক আসনের বিপরীতে প্রায় ৪০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] ভর্তি পরীক্ষা বিভিন্ন স্কুলে ভর্তি কমিটির তত্ত্বাবধায়নে সম্পন্ন হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশে প্রথমবারের মত কাগজবিহীন ২৪/৭ এসএমএসভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় ভর্তি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছে। আগ্রহী শিক্ষার্থীরা মোবাইল ফোনের এসএমএস-এর মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৩ সেপ্টেম্বর ২০০৯ তারিখে এ পদ্ধতির উদ্বোধন করেন।[২][৩][৪][৫] এই উদ্ভাবনের জন্য, বিশ্ববিদ্যালয় ২০১০ সালে দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর মধ্যে অনুষ্ঠিত একটি প্রতিযোগিতায় Ambillion পুরস্কার [৬],E-Content এ জাতীয় পুরস্কার এবং ICT for Development Award ২০১০ লাভ করেছে।[৭][৮] বর্তমানে (২০১২), বাংলাদেশের বেশিরভাগ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কার্যক্রমে এই পদ্ধতি ব্যবহার করছে।
[সম্পাদনা] অনুষদ এবং বিভাগসমূহ
সাস্টে ৬ টি অনুষদের অধীনে ২৫ টি বিভাগ রয়েছে. প্রতিষ্ঠাকালীন পরিকল্পনা অনুসারে ৮ টি অনুষদের অধীনে আরো একাধিক বিভাগ খোলার পরিকল্পনা রয়েছে. পরিকল্পনা অনুসারে, একটি অনুষদ এবং কয়েকটি বিভাগ খোলার কাজ চলছে. অনুষদগুলো হল:
[সম্পাদনা] কৃষি ও খনিজ বিজ্ঞান অনুষদ
[সম্পাদনা] ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদ
- স্থাপত্য বিভাগ (ARC)
- কেমিকৌশল ও পলিমার বিজ্ঞান বিভাগ (CEP)
- কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ(CSE)
- পুর ও পরিবেশ প্রকৌশল(CEE)
- তড়িৎ ও ইলেক্ট্রনিক্স প্রকৌশল(EEE)
- খাদ্য প্রকৌশল ও চা প্রযুক্তি(FET)
- শিল্প ও উৎপাদন প্রকৌশল (IPE)
- খনিজ ও খনন প্রকৌশল (PME)
- তথ্য প্রযুক্তি ও সফ্টওয়্যার প্রকৌশল(প্রক্রিয়াধীন)
- বস্তু বিজ্ঞান ও পরিকল্পনা প্রকৌশল(প্রক্রিয়াধীন)
[সম্পাদনা] জীব বিজ্ঞান অনুষদ
- জৈব রসায়ন ও আনবিক জীববিদ্যা(BMB)
- জিন প্রকৌশল ও জৈবপ্রযুক্তি (GEB)[৯]
[সম্পাদনা] আইন অনুষদ
- আইন বিভাগ (প্রক্রিয়াধীন)
[সম্পাদনা] ব্যবস্থাপনা এবং ব্যবসা প্রশাসন অনুষদ
- বাণিজ্য প্রশাসন বিভাগ (BAN)
- বাণিজ্য ও তথ্য প্রযুক্তি বিভাগ (প্রক্রিয়াধীন)
[সম্পাদনা] চিকিৎসা বিজ্ঞান অনুষদ
- এম.এ.জি. ওসমানী মেডিকেল কলেজ
- জালালাবাদ রাকিব রাবিয়া মেডিকেল কলেজ
- নর্থ ইস্ট মেডিকেল কলেজ
- সিলেট ওমেন'স মেডিকেল কলেজ
- দুররে সামাদ রাহমান ওমেন'স রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ
[সম্পাদনা] ভৌত বিজ্ঞান অনুষদ
- ফার্মেসী বিভাগ (প্রক্রিয়াধীন)
- রসায়ন বিভাগ (CHE)
- ভূগোল ও পরিবেশ(GEE)
- গণিত বিভাগ (MAT)
- পদার্থ বিভাগ (PHY)
- পরিসংখ্যান বিভাগ (STA)
[সম্পাদনা] সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ
- নৃ-বিজ্ঞান বিভাগ (ANP)
- বাংলা বিভাগ (BNG)
- অর্থনিতি বিভাগ (ECO)
- ইংরেজি বিভাগ (ENG)
- রাজনীতি বিজ্ঞান (PSS)
- লোক প্রশাসন(PAD)
- সমাজ কর্ম বিভাগ (SCW)
- সামাজিক বিজ্ঞান বিভাগ (SOC)
[সম্পাদনা] সংশ্লিষ্ট কলেজ
সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ. কলেজটি ৩ টি বিভাগ নিয়ে গঠিত:
- কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ(CSE)
- পুর ও পরিবেশ প্রকৌশল(CEE)
- তড়িৎ ও ইলেক্ট্রনিক্স প্রকৌশল(EEE)
[সম্পাদনা] সহযোগী বিশ্ববিদ্যালয়
সাস্টের সাথে নিম্নোক্ত বিশ্ববিদ্যালয় সমূহের একাডেমিক সহযোগিতা চুক্তি রয়েছে:
- Karlsruhe University, জার্মানী[১০]
- University of Calabria, ইটালি
- University in Chingsu, চীন
- Fachhochschule, বার্লন,জার্মানি
- Tampere University of Applied Sciences, ফিনল্যান্ড
[সম্পাদনা] সিভিল এন্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং
সিভিল এন্ড এনভিরনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং ( Department of Civil and Environmental Engineering) সঙ্কেপে সিইই (পূর্বতন এনভিরনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড পলুসন কন্ট্রোল সংক্ষেপে ইইপিসি) শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৯৪-৯৫ সেশন-এ তৎকালীন ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডঃ সায়েদ মহিব উদ্দিন আহমেদ-এর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি ২০০১ সালে নাম পরিবর্তন করে সিভিল এন্ড এনভিরনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং বা পুর ও পরিবেশ কৌশল বিভাগ নামকরণ করা হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এটি অনন্য পাঠ্যক্রম এবং পাঠদান কৌশল প্রণয়ন করে সক্ষমতার পরিচয় দেয়। বর্তমানে (২০১২) এটি দেশের মানসম্পন্ন পুর ও পরিবেশ প্রকৌশলী তৈরিতে অগ্রগামী ভূমিকা পালন করছে। ২০০৯ সালে এটি উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়রে প্রথম বিভাগ হিসাবে আইইবি ( The Institution of Engineers, Bangladesh) থেকে সনদ লাভ করে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
[সম্পাদনা] কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ
কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ ১৯৯২ সালে ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদ (School of Applied Science and Technology) এর অন্তর্ভুক্ত প্রথম বিভাগ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। তৎকালীন সময়ে এর নাম ছিল 'তড়িৎ ও কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগ (Department of Electronics and Computer Science)। এ বিভাগটি শিক্ষার্থীদের ৪ বছর মেয়াদী উপস্নাতক কোর্স প্রস্তাব করে থাকে। পাঠ্যক্রমের পাশাপাশি এ বিভাগটি গবেষণামূলক কার্যকমের ব্যবস্থা রয়েছে। বিভাগটিতে মানসম্পন্ন গবেষণাগার ছাড়াও রয়েছে উচ্চগতি সম্পন্ন ইন্টারনেটের জন্য ওয়াই-ফাই সুবিধা।
[সম্পাদনা] কেমিকৌশল ও পলিমার সায়েন্স বিভাগ
কেমিকৌশল ও পলিমার বিজ্ঞান (Department of Chemical Engineering and Polymer Science) শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়এর অন্যতম জনপ্রিয় বিভাগ। শিক্ষার্থীরা যাতে কেমিকৌশল ও পলিমার বিজ্ঞান এ উভয় শাখায়ই দক্ষতা লাভ করতে পারে, সেদিকে লক্ষ্য রেখেই এ বিভাগের পাঠ্যক্রম সাজানো হয়েছে। কেমিকৌশল বিষয়টি বাংলাদেশ এ নতুন না হলেও এর সাথে নতুন করে পলিমার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল এর সংযুক্তি ঘটিয়েছে এ বিভাগটি। পলিমার বিজ্ঞান এর অনেক কোর্সই বিভাগের পাঠ্যক্রমকে সম্বৃদ্ধ করেছে। এ বিভাগে আছে অত্যাধুনিক গবেষণাগার যা শিক্ষার্থীদের আধুনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহ করে থাকে বিভিন্নমুখী পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য। এছাড়া ও নিম্নের গবেষণাগার গুলো বিভাগে এনেছে নতুন মাত্রা :
- Fluid Mechanics (প্রবাহী বলবিদ্যা)
- Polymer Characterization
- Organic Chemistry (জৈব রসায়ন)
- Inorganic Chemistry (অজৈব রসায়ন)
- Reaction Engineering
- Physical Chemistry
- Fuel & Energy (জালানী ও শক্তি)
এছাড়া এ বিভাগে রয়েছে কম্পিউটার এবং উচ্চগতিসম্পন্ন ইন্টারনেট সুবিধা।
[সম্পাদনা] ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টি টেকনোলজি
ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টি টেকনোলজি (Food Engineering and Tea Technology) শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়এর অন্যতম বিভাগ। শিক্ষার্থীরা যাতে খাদ্যপ্রকৌশল ও চা প্রযুক্তি এ উভয় শাখায়ই দক্ষতা লাভ করতে পারে, সেদিকে লক্ষ্য রেখেই এ বিভাগের পাঠ্যক্রম সাজানো হয়েছে। ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টি টেকনোলজি বিষয়টি বাংলাদেশ এ নতুন । এ বিভাগে আছে অত্যাধুনিক গবেষণাগার যা শিক্ষার্থীদের আধুনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহ করে থাকে বিভিন্নমুখী পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য। এখান থেকে ডিগ্রি নিয়ে যাওয়া ছাত্ররা এখন দেশে ও বিদেশে সুনামের সাথে কাজ করে যাচ্ছে।
[সম্পাদনা] পরিসংখ্যান বিভাগ
পরিসংখ্যান বিভাগ শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালেয়র পুরাতন এবং স্বয়ং সম্পূর্ণ একটি বিভাগ । পরিসংখ্যন বিভাগের যাত্রা শুরু হয় ১৯৯১ সাল থেকে । পরিসংখ্যান বিভাগের প্রতিষ্টাতা এই বিভাগের প্রবীন শিক্ষ্ক প্রফেসর এমাদ উদ্দিন আহমদ । পরিসংখ্যান বিভাগে প্রায় ২৭ জন ফেকাল্টি সদস্য এবং ছাত্র-ছাত্রির সংখ্যা প্রায় ৩৫০ জন । এই বিভাগে ৮জন অধ্যাপক ,৫জন সহযোগী অধ্যাপক , ১০জন সহকারী অধ্যাপক এবং ৪ জন লেকচারার রয়েছেন ।
[সম্পাদনা] ইংরেজি বিভাগ
বিশ্ববিদ্যালয়ের শুরু থেকেই বিভিন্ন বিভাগের মাইনর কোর্স হিসেবে ইংরেজি বিষয়ের পাঠদান করা হতো। ২০০১ সালে বিষয়টিকে স্কুল অব সোশ্যাল সায়েন্স অনুষদের আওতাভুক্ত করে একটি স্বতন্ত্র বিভাগরূপে চালু করা হয়। বর্তমানে এই বিভাগের ১২তম ব্যাচের ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।
[সম্পাদনা] আবাসিক হলসমূহ
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে তিনটি ছাত্রাবাস রয়েছে। এছাড়া তরুণ শিক্ষকদের জন্য রয়েছে ডরমেটরি এবং সিনিয়র শিক্ষকদের জন্য রয়েছে আবাসিক সুবিধা।
শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো বিভিন্ন সময়ে তৈরি করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ছাত্রাবাস শাহপরান হল। এরপর ছাত্রদের সুবিধার্থে দ্বিতীয় ছাত্রহল নির্মান করা হয়। যা বর্তমানে নতুন হল নামে পরিচিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র ছাত্রীহল দুটি ভিন্ন সময়ে দু’বার প্রয়োজনের দাবীতে সমপ্রসারন করা হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে তৈরি করার কারনে হলসমূহের স'াপত্যশৈলীতে ভিন্নতা রয়েছে। প্রতিটি হলের তত্বাবধানে রয়েছেন একজন প্রভোস্ট। সাধারণত সিনিয়র শিক্ষদের মধ্য হতে প্রভোস্ট নির্বাচন করা হয়।
শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি ছাত্রাবাস হচ্ছে :
- শাহপরান হল
- নতুন ছাত্র হল
- ছাত্রী হল
[সম্পাদনা] উল্লেখযোগ্য ব্যাক্তিত্ত
- ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল, অধ্যাপক, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ এবং তড়িৎ ও ইলেক্ট্রনিক্স প্রকৌশল বিভাগ
[সম্পাদনা] তথ্যসূত্র
- ↑ ~::Convocation 2007, Shah Jalal University of Science & Technology, Sylhet::~
- ↑ BSS Report September 13,2009 .::
- ↑ Priyo news
- ↑ National Web Portal of Bangladesh
- ↑ Bangladesh Today report by bd64
- ↑ http://www.thedailystar.net/magazine/2011/02/02/anniversary.htm
- ↑ http://www.eaward.org.bd/index.php?option=com_content&view=article&id=50&Itemid=16
- ↑ http://www.eaward.org.bd/index.php?option=com_content&view=article&id=96&Itemid=20
- ↑ Department of Genetic Engineering and Biotechnology
- ↑ http://www.sasnet.lu.se/sasnet/shahjalal-university-science-and-technology
স্থানাঙ্ক: 24°54′43″N 91°49′56″E / 24.91205°N 91.832224°E