লিডিং ইউনিভার্সিটি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
লিডিং ইউনিভার্সিটি[১]
লিডিং ইউনিভার্সিটির লগো.png
নীতিবাক্য নেতৃত্বের অঙ্গীকার
ইংরেজিতে নীতিবাক্য A Promise to Lead
স্থাপিত ২০০১
ধরন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, সহশিক্ষা
আচার্য রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ
উপাচার্য প্রফেসর কিসমাতুল আহসান
অ্যাকাডেমিক স্টাফ ১০০
ছাত্র ৩০০০
অবস্থান সিলেট, বাংলাদেশ
ক্যাম্পাস শহুরে
বিদ্যালয় রঙ লাল এবং সবুজ
         
ডাকনাম LU
অন্তর্ভুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন
ওয়েবসাইট lus.ac.bd

লিডিং ইউনিভার্সিটি ২০০১ সালে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ১৯৯২[২] এর অধীনে বাংলাদেশের সিলেট প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি সিলেটের প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টির দুটি অস্থায়ী এবং একটি স্থায়ী ক্যাম্পাস রয়েছে।[১]

ট্রাস্টি বোর্ড[সম্পাদনা]

  • রাগীব আলী, প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, রাগীব-রাবেয়া ফাউন্ডেশন
  • আবদুল হাই, সিনিয়র সহ-সভাপতি, রাগীব-রাবেয়া ফাউন্ডেশন
  • সাদিকা জান্নাত চৌধুরী, সদস্য, রাগীব-রাবেয়া ফাউন্ডেশন
  • রিফাত হাই, সদস্য, রাগীব-রাবেয়া ফাউন্ডেশন
  • রেজিনা কাদির, সদস্য, রাগীব-রাবেয়া ফাউন্ডেশন
  • আব্দুল কাদির, সদস্য, রাগীব-রাবেয়া ফাউন্ডেশন
  • আব্দুল হান্নান, সদস্য, রাগীব-রাবেয়া ফাউন্ডেশন
  • মেজর জেনারেল (অব.) অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল ইসলাম, অধ্যক্ষ, জালালাবাদ রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ
  • সাবরিনা কাদির, সদস্য, রাগীব-রাবেয়া ফাউন্ডেশন
  • সুমাইয়া কাদির, সদস্য, রাগীব-রাবেয়া ফাউন্ডেশন
  • অধ্যাপক ড. আ. ন. ম. মেশকাত উদ্দিন, উপ-উপাচার্য, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
  • অধ্যাপক কিসমাতুল হাসান, উপাচার্য, লিডিং ইউনিভার্সিটি[৩]

অনুষদ এবং বিভাগ সমূহ[সম্পাদনা]

লিডিং ইউনিভার্সিটিতে বর্তমানে চারটি অনুষদের অধীনে সাতটি বিভাগ রয়েছে। অনুষদগুলো হলো:

আধুনিক বিজ্ঞান অনুষদ[সম্পাদনা]

  • স্থাপত্য বিভাগ
  • পুরকৌশল বিভাগ
  • তড়িৎ এবং ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগ
  • কম্পিউটার বিজ্ঞান ও কৌশল বিভাগ

ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ[সম্পাদনা]

  • ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ

কলা ও ভাষাবিজ্ঞান অনুষদ[সম্পাদনা]

  • ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ

সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ[সম্পাদনা]

  • অাইন বিভাগ

একাডেমিক সেশন[সম্পাদনা]

বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে শুধুমাত্র স্থাপত্য বিভাগ ব্যতীত অন্যান্য কোর্সগুলোর ক্ষেত্রে বছরে তিনটি সেশন চালু রয়েছে: বসন্তকালীন সেশন (জানুয়ারী মাস থেকে শুরু হয়), গ্রাষ্মকালীন সেশন (এপ্রিল থেকে শুরু হয়) এবং শরৎকালীন সেশন (অক্টোবর থেকে শুরু হয়)। সকল কোর্সের সেমিষ্টারগুলোর সময়কাল চার মাস হলেও স্থাপত্য বিভাগের সেমিস্টারগুলোর ব্যাপ্তি ছয় মাস।

সমাবর্তন[সম্পাদনা]

লিডিং ইউনিভার্সিটির প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয় ২০০৬ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। অতি সম্প্রতি ২০১৪ সালের ২০ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস সিলেট নগরীর নিকটবর্তী কামাল বাজারস্থ রাগীবনগরে আয়োজন করা হয়। সমাবর্তন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি মনোনীত অনুষ্ঠানের সভাপতি পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর চেয়ারম্যান ড. কাজী খলিকুজ্জামান আহমেদ।[৪]

পাঠক্রম বহির্ভূত কার্যক্রম[সম্পাদনা]

লিডিং ইউনিভার্সিটির বিভিন্ন ধরনের সামাজিক ও ক্যারিয়ার উন্নয়নমূলক সংঘ রয়েছে যার মধ্যে ডিবেটিং ক্লাব, স্পোর্টস ক্লাব, কম্পিউটার ক্লাব, সাংস্কৃতিক ক্লাব, ফটোগ্রাফিক সোসাইটি, বিএনসিসি উল্লেখযোগ্য।[১]

উৎস[সম্পাদনা]

  1. ১.০ ১.১ ১.২ "লিডিং ইউনিভার্সিটির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট"। লিডিং ইউনিভার্সিটি। সংগৃহীত 29 October 2014 
  2. Private University Act, 1992
  3. "Ragib-Rabeya Foundation"। লিডিং ইউনিভার্সিটি, সিলেট। সংগৃহীত 29 October 2014 
  4. "ইউনিভার্সিটির ২য় সমাবর্তনে শিক্ষার্থীদের ছিল অন্যরকম একটি দিন"। দৈনিক সিলেটের ডাক। সংগৃহীত 29 October 2014 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]