লাইফহাউস (ব্যান্ড)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
লাইফহাউস
LifehouseManila2.jpg
প্রাথমিক তথ্যাদি
উদ্ভব Los Angeles, California, USA
ধরন Alternative rock
Post-grunge
Pop rock
কার্যকাল ১৯৯৯ থেকে বর্তমান
লেবেল DreamWorks
Geffen
সহযোগী শিল্পী Blyss, AM Radio, Daughtry, Kevin Rudolf
ওয়েবসাইট www.lifehousemusic.com
সদস্যবৃন্দ Jason Wade
Rick Woolstenhulme, Jr.
Bryce Soderberg
Ben Carey
প্রাক্তন সদস্যবৃন্দ Sean Woolstenhulme
Sergio Andrade
Jon "Diff" Palmer

লাইফহাউস একটি মার্কিন গানের ব্যান্ড। এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ব্যান্ডটি বিভিন্ন গান গেয়ে জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে।[১]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯৯৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে জেসন ওয়েড, তাঁর প্রতিবেশী বেইজিস্ট সার্জিও অ্যান্ড্রেভজন ডিফ পামার মিলে ব্লিস নামের একটা গানের দল গঠন করেন। এই ব্লিস পরবর্তী সময়ে লাইফহাউসে রূপান্তরিত হয়। ব্লিসে থাকাকালে তাঁরা স্থানীয় অনেক স্কুল-কলেজে গান পরিবেশন করেন। পরবর্তী সময়ে কলিন হেইডেনঅ্যারন লর্ড তাঁদের সঙ্গে যুক্ত হন।[১]

অতি দ্রুত রন এনিয়েলো নামের এক প্রযোজকের কানে ব্লিস ব্যান্ডের নাম যায়। তিনি তাঁদের জুড কোলের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন যিনি আবার ব্যান্ডটিকে পরিচয় করান ড্রিমওয়ার্কস রেকর্ডসের সঙ্গে। তাঁদের অর্থায়নে ১৯৯৮ সালে ব্লিসের প্রথম ডেমো গান করা হয়। এর মধ্যে কিছু রেকর্ড মিলিয়ে পরবর্তী সময়ে ডিফস লাকি ডে ইপি বের করা হয়। পরে ব্লিসের কনসার্টেই মূলত ইপি বিক্রি হয়ে যায়।[১]

লাইফহাউস[সম্পাদনা]

২০০৩ সালে ব্লিস তাদের নাম পরিবর্তন করে ‘লাইফহাউস’ রাখে। লাইফহাউস নামটি বেছে নেওয়ার কারণ হিসেবে ব্যান্ডের সদস্যরা বলেন, তাঁরা একসঙ্গে গান বা ব্যক্তিগতভাবে গান করেন নিজেদের জীবন অথবা অন্য কারও জীবন নিয়ে কথা বলতে। এ কারণেই জীবনের গান নিয়ে তাঁরা নিজেদের লাইফহাউস বলে ঘোষণা করেন। লাইফহাউস ২০০১ সালে অত্যন্ত জনপ্রিয় গান ‘হ্যাঙ্গিং বাই অ্যা মোমেন্ট’ বের করে, যা সে সময় বিলবোর্ডের শীর্ষ ১০০ গানের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান দখল করে। এখন পর্যন্ত তাঁদের অ্যালবাম পাঁচ মিলিয়নের বেশি বিক্রি হয়।[১]

বর্তমান সদস্যরা[সম্পাদনা]

  • জেসন ওয়েড—লিড ভোকাল, রিদম গিটার (১৯৯৯ থেকে বর্তমান)
  • রিক উলস্তেনহুম—ড্রামস পারকাশন (২০০০ থেকে বর্তমান)
  • ব্রাইস সোডারবার্গ—বেইজ গিটার (২০০৪ থেকে বর্তমান)
  • বেন ক্যারি—লিড গিটার (২০০৯ থেকে বর্তমান)

অ্যালবাম[সম্পাদনা]

  • ডিফস লাকি ডে (ব্লিস নামে)-১৯৯৯
  • নো নেম কেস-২০০০
  • স্টানলি ক্লাইম্বফল-২০০২
  • লাইফহাউস-২০০৫
  • হু উই আর-২০০৭
  • স্মোক অ্যান্ড মিরর-২০১০
  • আলমেরিয়া-২০১২

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ১.০ ১.১ ১.২ ১.৩ লাইফহাউস,দৈনিক প্রথম আলো। ঢাকা থেকে প্রকাশের তারিখ: ০৬-০৬-২০১৩ খ্রিস্টাব্দ।

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:Lifehouse