বিশ্বকাপ ক্রিকেটের রেকর্ড তালিকা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

বিশ্বকাপ ক্রিকেট হচ্ছে পুরুষদের একদিনের ক্রিকেটের একটি প্রতিযোগিতা যা প্রতি চার বছর অন্তর অনুষ্ঠিত হয়। ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা আইসিসি বা ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল কর্তৃক আয়োজিত বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতা সর্বপ্রথম ১৯৭৫ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হয়। দল এবং খেলার সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি আইসিসি খেলার ধরন পরিবর্তন করে চলছে[১] এবং ২০০৭ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট পর্যন্ত নিম্নবর্ণিত বিভিন্ন রেকর্ডাদি তুলে ধরেছে।[২]

বিশ্বকাপে ভারতের জাতীয় দলের তথা বিশ্বের অন্যতম ব্যাটিং প্রতিভা শচীন টেন্ডুলকার অনেকগুলো ব্যক্তিগত রেকর্ড করেছেন। ১৯৯৭ সালে উইজডেনের বর্ষসেরা খেলোয়াড় হিসেবে নির্বাচিত শচীন বিশ্বক্রিকেটে পূজনীয় হয়ে রয়েছেন।[৩] যে-কোন খেলোয়াড়ের তুলনায় টেন্ডুলকার বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশী অর্ধ-শতক, সেঞ্চুরী ও রান করেছেন। অস্ট্রেলীয় পেসার গ্লেন ম্যাকগ্রা বোলিং বিভাগে ব্যক্তিগতভাবে প্রভাব বিস্তার করে আছেন। তিনি দলের পক্ষে চারটি বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছেন।[৪] ম্যাকগ্রা সবচেয়ে কম ইকোনমী রেটে সর্বোচ্চ উইকেট শিকার করেছেন, সেরা বোলিং পরিসংখ্যান করেছেন।

পরিচ্ছেদসমূহ

নির্দেশনাসমূহ [সম্পাদনা]

দলীয় পর্যায়ে

  • (৩০০-৩) বলতে বুঝায় যে একটি দল -

(ক)নির্দিষ্টসংখ্যক ওভারে (সাধারণতঃ ৫০ ওভারে) ৩ উইকেটের বিনিময়ে ৩০০ রান করে খেলা শেষ করেছে। অথবা,

(খ) বিপক্ষের রানকে অতিক্রম করেছে ৫০ ওভার বা তারও আগে।


  • (৩০০) বলতে একটি দলের -

(ক) সর্বমোট রান ৫০ ওভার বা তারও আগে ৩০০ রান করে ১০ উইকেটের সকলেই আউট হয়ে যাওয়াকে বুঝায়।অথবা,

(খ) দশ উইকেটের মধ্যে এক বা দুইজন ব্যাটস্‌ম্যান যদি ব্যাট নিয়ে মাঠে নামতে অসমর্থ হয়ে যাওয়ার ফলে সকলকেই আউট বুঝায়।

ব্যাটিং পর্যায়ে

  • (১০০) হচ্ছে একজন ব্যাটস্‌ম্যান কর্তৃক ১০০ রান বা সেঞ্চুরী করে বোল্ড, রান-আউট, এলবিডব্লিউ বা কটআউট হয়ে আউট হওয়া।
  • (১০০*) হচ্ছে ব্যাটস্‌ম্যান কর্তৃক শতরান করে অপরাজিত থাকা।

বোলিং পর্যায়ে

  • (৫-১০০) হচ্ছে একজন বোলার (যিনি বল করেন) কর্তৃক বিপক্ষ দলকে ১০০ রান দিয়ে ৫ জন ব্যাটস্‌ম্যানকে আউট করা।

চলমান পর্যায়ে

  • যে সকল খেলোয়াড় এখনো একদিনের ক্রিকেট খেলায় অংশ নিচ্ছেন এবং তাদের নাম পরিবর্তন হতে পারে সেলক্ষ্যে ^ প্রতীক ব্যবহার করা হয়।

দল [সম্পাদনা]

সামগ্রীকভাবে [সম্পাদনা]

রেকর্ডের ধরণ ১ম ২য় সূত্র
সর্বোচ্চ রান ভারত এর পতাকা ভারত বনাম বারমুডা এর পতাকা বারমুডা ২০০৭ ৪১৩-৫ শ্রীলঙ্কা এর পতাকা শ্রীলঙ্কা বনাম কেনিয়া এর পতাকা কেনিয়া ১৯৯৬ ৩৯৮-৫ [৫]
সর্বনিম্ন রান কানাডা এর পতাকা কানাডা বনাম শ্রীলঙ্কা এর পতাকা শ্রীলঙ্কা ২০০৩ ৩৬ নামিবিয়া এর পতাকা নামিবিয়া বনাম অস্ট্রেলিয়া এর পতাকা অস্ট্রেলিয়া ২০০৩ ৪৫ [৬]
সর্বোচ্চ রানকে অতিক্রম করে জয় আয়ারল্যান্ড এর পতাকা আয়ারল্যান্ড বনাম ইংল্যান্ড এর পতাকা ইংল্যান্ড২0১১ ৩২৯-৭ শ্রীলঙ্কা এর পতাকা শ্রীলঙ্কা বনাম জিম্বাবুয়ে এর পতাকা জিম্বাবুয়ে ১৯৯২ ৩১৩-৭ [৭][৮]
সবচেয়ে বড় রানের ব্যবধানে জয় ভারত এর পতাকা ভারত বনাম বারমুডা এর পতাকা বারমুডা ২০০৭ ২৫৭ অস্ট্রেলিয়া এর পতাকা অস্ট্রেলিয়া বনাম নামিবিয়া এর পতাকা নামিবিয়া ২০০৩ ২৫৬ [৯]
সবচেয়ে কম রানের ব্যবধানে জয় অস্ট্রেলিয়া এর পতাকা অস্ট্রেলিয়া বনাম ভারত এর পতাকা ভারত ১৯৮৭ অস্ট্রেলিয়া এর পতাকা অস্ট্রেলিয়া বনাম ভারত এর পতাকা ভারত ১৯৯২ [১০]
সর্বোচ্চ জয় (%) অস্ট্রেলিয়া এর পতাকা অস্ট্রেলিয়া ৭৪.৬৩% দক্ষিণ আফ্রিকা এর পতাকা দক্ষিণ আফ্রিকা ৬৫.০০% [১১]
সবচেয়ে বেশী জয় অস্ট্রেলিয়া এর পতাকা অস্ট্রেলিয়া ৫৫ নিউজিল্যান্ড এর পতাকা নিউজিল্যান্ড ৪০ [১১]
সর্বাধিক হার জিম্বাবুয়ে এর পতাকা জিম্বাবুয়ে ৩৭ শ্রীলঙ্কা এর পতাকা শ্রীলঙ্কা ৩২ [১১]

The result percentage excludes no results and counts ties as half a win.[১১]

অন্যান্য [সম্পাদনা]

  • সবচেয়ে কম রানের ব্যবধানে জয়ী দু'টি দলই হচ্ছে - অস্ট্রেলিয়া ও ভারত। এছাড়াও, বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ইতিহাসে ৩টি ম্যাচ টাই বা ড্র হয়েছে।[১২]
  • ১ম টাই : ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপ সেমি-ফাইনালে যাতে চূড়ান্ত ওভারে জয়ের জন্য মাত্র ১ রানের দরকার পড়লেও রান আউটের শিকার হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে গিয়ে ফাইনালে খেলতে পারেনি।[১৩]
  • ২য় টাইঃ ২০০৩ সালের বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকা ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতির কারণে শ্রীলংকার কাছে পরাজিত হয়। বৃষ্টিবিঘ্নিত খেলায় দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটস্‌ম্যান উইকেট অক্ষত রাখার কারণে রান নেয়নি। ফলে ম্যাচটি টাই হয় এবং দক্ষিণ আফ্রিকা সুপার সিক্স পর্যায়ে কোন সুবিধা নিতে পারেনি।[১৪]
  • ৩য় টাইঃ ২০০৭ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেটে জ্যামাইকার রাজধানী কিংস্টনে অনুষ্ঠিত গ্রুপ ম্যাচে আয়ারল্যাণ্ড ও জিম্বাবুয়ের মধ্যে।[১৫]

একটি টুর্ণামেন্টে [সম্পাদনা]

রেকর্ডের ধরণ ১ম ২য় ৩য় সূত্র
শতকরা হিসেবে সর্বোচ্চ জয়ী অস্ট্রেলিয়া এর পতাকা অস্ট্রেলিয়া ২০০৭ ১০০% অস্ট্রেলিয়া এর পতাকা অস্ট্রেলিয়া ২০০৩ ১০০% শ্রীলঙ্কা এর পতাকা শ্রীলঙ্কা ১৯৯৬ ১০০% [১৬]
  • সর্বমোট খেলার সংখ্যা অনুসারে এই র‌্যাংক করা হয়েছে।
  • ২০০৭ সালে অস্ট্রেলিয়া ১১টি ম্যাচ খেলেছে।
  • ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়া ১১টি ম্যাচ খেলেছে।
  • ১৯৯৬ সালে শ্রীলংকা ৮টি ম্যাচ খেলেছে। (তন্মধ্যে ২টি খেলায় ওয়াকওভার পায়)
  • এছাড়াও, ১৯৭৫ সালে ওয়েস্ট ইণ্ডিজ ৫টি ম্যাচ খেলেছে সবকটিতেই বিজয়ী হয়েছিল।[১৬]

যা স্মরণীয় হয়ে আছে [সম্পাদনা]

রেকর্ডের ধরণ ১ম ২য় সূত্র
সবচেয়ে বেশী জয়ী অস্ট্রেলিয়া এর পতাকা অস্ট্রেলিয়া ১৯৯৯ – ২০11 ২৫ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড এর পতাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৯৭৫ – ১৯৭৯ [১৭]
ধারাবাহিকভাবে সবচেয়ে বেশী পরাজিত জিম্বাবুয়ে এর পতাকা জিম্বাবুয়ে ১৯৮৩ – ১৯৯২ ১৮ নেদারল্যান্ডস এর পতাকা নেদারল্যান্ডস ১৯৯৬ – ২০০৭ ১৬ [১৮]
ধারাবাহিকভাবে সবচেয়ে বেশী অপরাজিত দল অস্ট্রেলিয়া এর পতাকা অস্ট্রেলিয়া ১৯৯৯ – ২০11 ৩৪+ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড এর পতাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৯৭৫ – ১৯৭৯ [১৯]

ব্যাটিং [সম্পাদনা]

A man with dark skin in a light blue sleeveless pullover and dark blue t-shirt facing to the right.  He is wearing a wide-brimmed white hat and is standing in front of some empty bleachers with trees further behind.
শচীন টেন্ডুলকার বিশ্বকাপে যে-কোন খেলোয়াড়ের চেয়ে সবচেয়ে বেশী রান করেন।
A white man with stubble, wearing a dark blue baseball cap with three white stripes on the peak and a yellow logo on the front.  He is wearing a dark blue top with three yellow stripes down each arm from the shoulder and is leaning forward in front of a doorway.
রিকি পন্টিং বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশী ছক্কা বা সিক্স মারেন।

সামগ্রীকভাবে [সম্পাদনা]

রেকর্ডের ধরণ ১ম ২য় সূত্র
সবচেয়ে বেশী রান ভারত শচীন টেন্ডুলকার ২,২৭৮^ অস্ট্রেলিয়া রিকি পন্টিং ১,৭৪৩^ [২০]
সর্বোচ্চ গড় (কমপক্ষে ২০ ইনিংস) ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড ভিভ রিচার্ডস ৬৩.৩১ ভারত রাহুল দ্রাবিড় ৬১.৪২^ [২১]
স্ট্রাইক রেট (কমপক্ষে ২০ ইনিংস) ভারত কপিল দেব ১১৫.১৪ অস্ট্রেলিয়া Virender Sehwag ১০৬.৪৩ [২২]
দ্রুততম সেঞ্চুরী অস্ট্রেলিয়া ম্যাথু হেইডেন বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা, ২০০৭ ৬৬ বলে কানাডা জন ডেভিসন বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ২০০৩ ৬৭ বলে [২৩]
দ্রুততম হাফ-সেঞ্চুরী [[] বনাম কানাডা, ২০ বলে নিউজিল্যান্ড ব্রেন্ডন ম্যাককুলাম] বনাম কানাডা, ২০০৭ ২১ বলে [২৪]
সবচেয়ে বেশী সেঞ্চুরী বা শতক ভারত সৌরভ গাঙ্গুলী
অস্ট্রেলিয়া মার্ক ওয়াহ
ভারত শচীন টেন্ডুলকার^
অস্ট্রেলিয়া রিকি পন্টিং^
পাকিস্তান রমিজ রাজা
পাকিস্তান সাঈদ আনোয়ার
শ্রীলঙ্কা সনাথ জয়সুরিয়া^
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড ভিভ রিচার্ডস
অস্ট্রেলিয়া ম্যাথু হেইডেন
[২৩]
সবচেয়ে বেশী অর্ধ-শতক বা হাফ-সেঞ্চুরী ভারত শচীন টেন্ডুলকার ১৭^ দক্ষিণ আফ্রিকা হার্শেল গিবস্‌
অস্ট্রেলিয়া রিকি পন্টিং
১০^ [২৫]
সবচেয়ে বেশী শূন্য রান বা ডাক নিউজিল্যান্ড নাথান এসলে ৫ বার (২২ খেলায়) পাকিস্তান ইজাজ আহমেদ ৫ বার (২৬ খেলায়) [২৬]
সর্বোচ্চ ছক্কা বা ছয় রান অস্ট্রেলিয়া রিকি পন্টিং^ ৩০ দক্ষিণ আফ্রিকা হার্শেল গিবস^ ২৮ [২৭]
সর্বোচ্চ রান দক্ষিণ আফ্রিকা গ্যারি কার্স্টেন বনাম সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), ১৯৯৬ ১৮৮* ভারত সৌরভ গাঙ্গুলী বনাম ??, ১৯৯৯ ১৮৩ [২৮]
শুধুমাত্র বাউন্ডারী মেরে সর্বোচ্চ রানকারী ভারত সৌরভ গাঙ্গুলী, ১৯৯৯ ১১০ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড ভিভ রিচার্ডস, ১৯৮৭ ১০৬ [২৮]
সর্বোচ্চ রানের জুটি ভারত রাহুল দ্রাবিড় এবং সৌরভ গাঙ্গুলী
২য় উইকেটে বনাম শ্রীলংকা, ১৯৯৯
৩১৮ ভারত শচীন টেন্ডুলকার এবং সৌরভ গাঙ্গুলী
২য় উইকেটে বনাম নামিবিয়া, ২০০৩
২৪৪ [২৯]
  • শচীন টেন্ডুলকার অনেকগুলো ব্যাটিং রেকর্ড তৈরী করেছেন। তন্মধ্যে, সর্বোচ্চ সেঞ্চুরী, সর্বোচ্চ হাফ-সেঞ্চুরী এবং সবচেয়ে বেশী রান। এছাড়াও, শচীন টেন্ডুলকার সবচেয়ে বেশী ম্যান অব দ্য ম্যাচ পুরস্কার পেয়েছেন।[৩০]
  • শচীন টেন্ডুলকারর পাশাপাশি রাহুল দ্রাবিড় এবং সৌরভ গাঙ্গুলি - এই ত্রয়ী-ব্যাটস্‌ম্যান বিশ্বকাপে ৩টি সর্বোচ্চ রানের জুটি গড়েছেন।[৩১]

একটি টুর্ণামেন্টে [সম্পাদনা]

An Asian cricketer in cricket whites, wearing a dark blue baseball cap, with sunglasses on top.  He is standing on his own on a cricket pitch.
ভারতের সৌরভ গাংগুলী বিশ্বকাপের এক আসরে ৩টি সেঞ্চুরী করে রেকর্ড গড়েন।
রেকর্ডের ধরণ ১ম ২য় সূত্র
সবচেয়ে বেশী সেঞ্চুরী বা ১০০+ রান অস্ট্রেলিয়া মার্ক ওয়াহ
ভারত সৌরভ গাংগুলী
অস্ট্রেলিয়া মেথু হেইডেন
১৯৯৬
২০০৩
২০০৭
নিউজিল্যান্ড গ্লেন টার্নার
অস্ট্রেলিয়া জিওফ মার্শ
অস্ট্রেলিয়া ডেভিড বুন
পাকিস্তান রমিজ রাজা
ভারত [[শচীন টেন্ডুলকার]
পাকিস্তান সাঈদ আনোয়ার
ভারত রাহুল দ্রাবিড়
অস্ট্রেলিয়া রিকি পন্টিং
শ্রীলঙ্কা মারভান আতাপাত্তু
শ্রীলঙ্কা সনাথ জয়সুরিয়া
ইংল্যান্ড কেভিন পিটারসেন
১৯৭৫
১৯৮৭
১৯৯২
১০০২
১৯৯৬
১৯৯৯
১৯৯৯
২০০৩
২০০৩
২০০৭
২০০৭
[২৩]
সবচেয়ে বেশী অর্ধ-শতক বা ৫০+ রান ভারত [[শচীন টেন্ডুলকার] ২০০৩[৩২] অস্ট্রেলিয়া ডেভিড বুন
অস্ট্রেলিয়া রিকি পন্টিং
শ্রীলঙ্কা মাহেলা জযাবর্ধনে
নিউজিল্যান্ড স্কট স্টাইরিস
ইংল্যান্ড কেভিন পিটারসেন
দক্ষিণ আফ্রিকা গ্রায়েম স্মিথ
১৯৮৭
২০০৭
[২৫]
টুর্ণামেন্টে সবচেয়ে বেশী রান ভারত [[শচীন টেন্ডুলকার] ৬৭৩ (১১টি ম্যাচে) ২০০৩ অস্ট্রেলিয়া মেথু হেইডেন ৬৫৯ (১০টি ম্যাচে)[৩৩] ২০০৭ [৩৪]
  • শচীন টেন্ডুলকার বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশী অর্ধ-শতক করে রেকর্ড গড়েছেন। এছাড়াও, ২০০৩ সালের বিশ্বকাপে তিনি দু'বার নব্বই ও আশির ঘরে আউট হন। [৩২]


যা স্মরণীয় হয়ে আছে [সম্পাদনা]

A white man with short dark hair in a green all-weather jacket.  He is standing in front of a large expanse of grass.
গ্রেইম স্মিথ (দঃ আফ্রিকা) বিশ্বকাপ ক্রিকেটে ধারাবাহিকভাবে ৪টি হাফ-সেঞ্চুরী করেন।
রেকর্ড ১ম সূত্র
ধারাবাহিকভাবে শতক বা সেঞ্চুরী করেছেন ভারত রাহুল দ্রাবিড়
পাকিস্তান সাঈদ আনোয়ার
অস্ট্রেলিয়া মার্ক ওয়াহ
অস্ট্রেলিয়া রিকি পন্টিং
অস্ট্রেলিয়া ম্যাথু হেইডেন
১৯৯৯
১৯৯৯
১৯৯৬
২০০৩২০০৭
২০০৭
[৩৫]
ধারাবাহিকভাবে অর্ধ-শতক করেছেন ইংল্যান্ড গ্রেইম ফাওলার
ভারত নভজোৎ সিং সিধু
অস্ট্রেলিয়া ডেভিড বুন
ভারত [[শচীন টেন্ডুলকার]
ভারত [[শচীন টেন্ডুলকার]
দক্ষিণ আফ্রিকা গ্রেইম স্মিথ
১৯৮৩
১৯৮৭
১৯৮৭১৯৯২
১৯৯৬
২০০৩
২০০৭
[৩৬]
ধারাবাহিক রানে শূণ্য রান বা ডাক কানাডা নিকোলাস ডি গ্রুট ২০০৩ [৩৭]
  • অস্ট্রেলিয়ার রিকি পন্টিং ২০০৩ সালে ভারতের বিপক্ষে ফাইনালে সেঞ্চুরী করেন। এছাড়াও তিনি ২০০৭ সালে স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেঞ্চুরী করে টুর্ণামেন্টে তার আধিপত্য শুরু করেন।[২৩]

বোলিং [সম্পাদনা]

A white cricketer in cricket whites, wearing a baggy green cap. He has his hands on his hips and he is looking to his right. He is standing in front of a bleacher.
অস্ট্রেলীয় ফাস্ট বোলার হিসেবে গ্লেন ম্যাকগ্রা বিশ্বকাপ ক্রিকেটে অন্য যে-কোন বোলারের চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন।
  • গ্লেন ম্যাকগ্রা ২টি রেকর্ড বাদে সকল রেকর্ডেই প্রতিনিধিত্ব করছেন।
  • লাসিথ মালিঙ্গা হচ্ছেন ১ম ব্যক্তি যিনি দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ২০০৭ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট-সহ আন্তর্জাতিক পর্যায়ের যে-কোন খেলায় ধারাবাহিকভাবে ৪ বলে ৪টি উইকেট লাভ করে বিরল ইতিহাস গড়েছেন।[৩৮]
  • চামিন্দা ভাস ২০০৩ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম তিন বলে হ্যাট্রিক-সহ ৫ বলে ৪ উইকেট দখল করেন।
  • এছাড়াও, চেতন শর্মা, ভারত; সাকলায়েন মুশতাক, পাকিস্তান এবং ব্রেট লি, অস্ট্রেলিয়া - বিশ্বকাপ ক্রিকেটে হ্যাট্রিক করেন।[৩৯][৪০]
  • ভারতের চেতন শর্মা হচ্ছেন বিশ্বকাপের ইতিহাসে ১ম বোলার হিসেবে হ্যাট্রিক করার বিরল রেকর্ড অর্জন করেন।

সামগ্রীকভাবে [সম্পাদনা]

রেকর্ডের ধরণ ১ম ২য় সূত্র
সবচেয়ে বেশী উইকেট লাভ অস্ট্রেলিয়া গ্লেন ম্যাকগ্রা ৭১ পাকিস্তান ওয়াসিম আকরাম ৫৫ [৪১]
বোলিং গড় (কমপক্ষে ১০০০ বল ডেলিভারী) অস্ট্রেলিয়া গ্লেন ম্যাকগ্রা ১৮.১৯ পাকিস্তান ইমরান খান ১৯.২৬ [৪২]
ইকোনোমী রেট-ওভার প্রতি (কমপক্ষে ১০০০ বল ডেলিভারী) ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড এন্ডি রবার্টস ৩.২৪ ইংল্যান্ড (স্যার) ইয়ান বোথাম ৩.৪৩ [৪৩]
স্ট্রাইক রেট (কমপক্ষে ১০০০ বল ডেলিভারী) অস্ট্রেলিয়া গ্লেন ম্যাকগ্রা ২৭.৫ পাকিস্তান ইমরান খান ২৯.৯ [৪৪]
সেরা বোলিং বিশ্লেষণ অস্ট্রেলিয়া গ্লেন ম্যাকগ্রা : অস্ট্রেলিয়া বনাম নামিবিয়া (২০০৩) ১৫ রানের বিনিময়ে ৭ উইকেট অস্ট্রেলিয়া এন্ড্রু বিকেল : অস্ট্রেলিয়া বনাম ইংল্যান্ড (২০০৩) ২০ রানের বিনিময়ে ৭ উইকেট [৪৫]
ধারাবাহিকভাবে সবচেয়ে বেশী উইকেট লাভ শ্রীলঙ্কা লাসিথ মালিঙ্গা, শ্রীলংকা ৪ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা, ২০০৭

ভারত চেতন শর্মা, ভারত
পাকিস্তান সাকলায়েন মুশতাক, পাকিস্তান
শ্রীলঙ্কা চামিন্দা ভাস, শ্রীলংকা
অস্ট্রেলিয়া ব্রেট লি, অস্ট্রেলিয়া


৩ বনাম নিউজিল্যান্ড, ১৯৮৭
৩ বনাম জিম্বাবুয়ে, ১৯৯৯
৩ বনাম বাংলাদেশ, ২০০৩
৩ বনাম কেনিয়া, ২০০৩

[৪৬]

একটি টুর্ণামেন্টে [সম্পাদনা]

রেকর্ডের ধরণ ১ম ২য় সূত্র
টুর্ণামেন্টে সবচেয়ে বেশী উইকেট দখলধারী অস্ট্রেলিয়া গ্লেন ম্যাকগ্রা (২৬টি) ২০০৭ শ্রীলঙ্কা মুত্তিয়া মুরালিধরন (২৩টি)
শ্রীলঙ্কা চামিন্দা ভাস (২৩টি)
২০০৭
২০০৩
[৪৭]

২০০৩ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় চামিন্দা ভাস, শ্রীলংকা; ব্রেট লি, অস্ট্রেলিয়া এবং গ্লেন ম্যাকগ্রা, অস্ট্রেলিয়া - প্রত্যেকেই ২০টিরও বেশী উইকেট লাভ করার কৃতিত্ব অর্জন করেছেন।[৪৭]

ফিল্ডিং [সম্পাদনা]

A man in a white cricket shirt and a baggy green cap, with his left hand on his chin, looking to his right
এডাম গিলক্রিস্ট বিশ্বকাপের ইতিহাসে সফলতম উইকেটকিপারের মর্যাদা পেয়েছেন।

সেরা ফিল্ডারের মর্যাদা বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ইতিহাসে (১৯৭৫ থেকে অদ্যাবধি) বিভিন্ন ধরণের হলেও সেরা উইকেটকিপার হিসেবে সংশ্লিষ্ট ক্রীড়ামোদীরা সকলেই অস্ট্রেলিয়ান উইকেটকিপার কাম ব্যাটস্‌ম্যান এডাম গিলক্রিস্টকে একবাক্যে স্বীকার করে নিয়েছেন। তিনি একই সংগে একটি টুর্ণামেন্টে ও একটি ম্যাচে সর্বাধিকসংখ্যক ব্যাটস্‌ম্যানকে আউট করার বিরল কৃতিত্বের দাবীদার হয়েছেন।

সামগ্রীকভাবে [সম্পাদনা]

রেকর্ডের ধরণ ১ম ২য় সূত্র
উইকেটকিপার কর্তৃক সবচেয়ে বেশী আউট অস্ট্রেলিয়া এডাম গিলক্রিস্ট ৫২ শ্রীলঙ্কা কুমার সাঙ্গাকারা ৩২^ [৪৮]
ফিল্ডার কর্তৃক সবচেয়ে বেশী কট আউট অস্ট্রেলিয়া রিকি পন্টিং ২৫^ শ্রীলঙ্কা সনাথ জয়সুরিয়া ১৮^ [৪৯]

একটি টুর্ণামেন্টে [সম্পাদনা]

রেকর্ডের ধরণ ১ম ২য় সূত্র
উইকেটকিপার হিসেবে সবচেয়ে বেশী আউট করেছেন অস্ট্রেলিয়া এডাম গিলক্রিস্ট ২১ ২০০৩ শ্রীলঙ্কা কুমার সাঙ্গাকারা
অস্ট্রেলিয়া এডাম গিলক্রিস্ট
১৭ ২০০৩
২০০৭
[৫০]
ফিল্ডার কর্তৃক সবচেয়ে বেশী কট আউট অস্ট্রেলিয়া রিকি পন্টিং ১১ ২০০৩ ভারত অনিল কুম্বলে
দক্ষিণ আফ্রিকা ডেরিল কালিনান
ভারত দীনেশ মোঙ্গিয়া
অস্ট্রেলিয়া ব্রেট লি
ভারত বীরেন্দার শেহবাগ
ইংল্যান্ড পল কলিংউড
১৯৯৬
১৯৯৯
২০০৩
২০০৩
২০০৩
২০০৭
[৫১]

একটি ম্যাচে [সম্পাদনা]

রেকর্ডের ধরণ ১ম সূত্র
উইকেটকিপার হিসেবে সবচেয়ে বেশী আউট করেছেন অস্ট্রেলিয়া এডাম গিলক্রিস্ট ২০০৩ [৫২]
ফিল্ডার হিসেবে সবচেয়ে বেশী ক্যাচ ধরেছেন ভারত মোহাম্মদ কাইফ ২০০৩ [৫৩]

অতিরিক্ত রান [সম্পাদনা]

এক্সট্রা বা অতিরিক্ত একটি ক্রিকেটীয় পরিভাষা যা ব্যাটস্‌ম্যান কর্তৃক ব্যাটকে বলের সাথে সংযোগ না ঘটিয়েই রান করা। অথবা, নো-বলে ব্যাটসম্যান কর্তৃক রান করলে ঐ রানটি সংশ্লিষ্ট ব্যাটস্‌ম্যানের রানের সাথে যুক্ত হলেও বোলার কর্তৃক আরো একটি বল যুক্ত হবে, রানও মাশুল গুণতে হবে। সাধারণত অতিরিক্ত রান পৃথকভাবে স্কোরকার্ডের সাথে যুক্ত হয়ে দলের রান বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়। অস্ট্রেলিয়ার স্কোরকার্ডে এক্সট্রা'র পরিবর্তে সানড্রি শব্দ প্রয়োগ দেখা যায়।

রেকর্ডের ধরন ১ম ২য় সূত্র
এক ইনিংসে সবচেয়ে বেশী অতিরিক্ত রান প্রদানকারী স্কটল্যান্ড এর পতাকা স্কটল্যান্ড vs পাকিস্তান এর পতাকা পাকিস্তান, ১৯৯৯ ৫৯ (৫ বাই, ৬ লেগ বাই, ৩৩ ওয়াইড, ১৫ নো বল) ভারত এর পতাকা ভারত vs জিম্বাবুয়ে এর পতাকা জিম্বাবুয়ে, ১৯৯৯ ৫১ (০ বাই, ১৪ লেগ বাই, ২১ ওয়াইড, ১৬ নো বল) [৫৪]

মাঠ [সম্পাদনা]

২০১১ সালে বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলংকায় অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতার পূর্বে বিভিন্ন দেশে ৯ বার অনুষ্ঠিত হয়। সবচেয়ে বেশী চারবার ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হয়। ইংল্যান্ডের মাঠগুলো বেশী ম্যাচ আয়োজনের সুযোগ পেয়েছে।

রেকর্ডের ধরন ১ম ২য় সূত্র
সবচেয়ে বেশী ম্যাচ আয়োজক ইংল্যান্ড হেডিংলি স্টেডিয়াম, লীডস ১২ ইংল্যান্ড টেন্ট ব্রিজ, নটিংহ্যাম
ইংল্যান্ড ওল্ড ট্রাফোর্ড ক্রিকেট গ্রাউণ্ড, ম্যানচেষ্টার
ইংল্যান্ড এজবাস্টন ক্রিকেট গ্রাউণ্ড, বার্মিংহাম
১১ [৫৫]

আম্পায়ার [সম্পাদনা]

ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্টিভ বাকনার (১৯৯২ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত) বিশ্বকাপের ৫টি ফাইনালে আম্পায়ারের গুরুদায়িত্ব সফলভাবে পালন করেন যা বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ইতিহাসে বিরল রেকর্ড হয়ে রয়েছে।[৫৬] এছাড়াও তিনি ইংল্যান্ডের আম্পায়ার ডেভিড শেফার্ডের তুলনায় মাত্র দু'টি ম্যাচ কম আম্পায়ারিং করেছেন।[৫৭]

রেকর্ডের ধরন ১ম ২য় সূত্র
সবচেয়ে বেশী ম্যাচে আম্পায়ার হিসেবে অংশগ্রহণকারী ইংল্যান্ড ডেভিড শেফার্ড, ইংল্যান্ড ৪৬ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড স্টিভ বাকনার, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৪৪ [৫৭]

অংশগ্রহণ [সম্পাদনা]

অস্ট্রেলীয় খেলোয়াড়েরা সবচেয়ে বেশী সংখ্যায় চারটি বিশ্বকাপের ফাইনালে অংশগ্রহণ করে কৃতিত্বের দাবীদার হয়েছেন। যারা ৫টি বিশ্বকাপে খেলেছেন তাদের শীর্ষ ১০ তালিকা প্রদান করা হলো।[১৬]

রেকর্ড ১ম ২য় সূত্র
বিশ্বকাপ ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশী অংশগ্রহণ অস্ট্রেলিয়া গ্লেন ম্যাকগ্রা
অস্ট্রেলিয়া রিকি পন্টিং
৩৯ শ্রীলঙ্কা সনাথ জয়সুরিয়া
পাকিস্তান ওয়াসিম আকরাম
৩৮ [১৬]

বয়স [সম্পাদনা]

২০ বছরের কম বয়সী ৩২ জন খেলোয়াড় বিশ্বকাপ ক্রিকেটে খেলেছেন। তন্মধ্যে ২১ জনই ভারতীয় উপ-মহাদেশের।[৫৮] এছাড়াও, অদ্যাবধি ১৪ জন খেলোয়াড় এ প্রতিযোগিতায় ৪০ বা এর বেশী বয়সী খেলোয়াড় হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। [৫৯]

রেকর্ড ১ম ২য় সূত্র
সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড় বাংলাদেশ তালহা জুবায়ের ১৭ বছর ৭০ দিন ২০০৩ নেদারল্যান্ডস অ্যালেক্সি কারভিজি ১৭ বছর ১৮৬ দিন ২০০৭ [৫৮]
সবচেয়ে বেশী বয়সী খেলোয়াড় নেদারল্যান্ডস নোলান ক্লার্ক ৪৭ বছর ২৫৭ দিন ১৯৯৬ জিম্বাবুয়ে জন ট্রাইকোস ৪৪ বছর ৩০৬ দিন ১৯৯২ [৬০]

অধিনায়কত্ব [সম্পাদনা]

রেকর্ড ১ম ২য় সূত্র
অধিনায়ক হিসেবে বেশী ম্যাচ খেলেন[৬১] নিউজিল্যান্ড স্টিফেন ফ্লেমিং ২৬ ম্যাচ ভারত মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন ২৩ ম্যাচ [৬২]
সবচেয়ে বেশী গড়ে জয়ী অধিনায়ক[৬১] অস্ট্রেলিয়া রিকি পন্টিং^ ১০০% (২২ খেলায়) ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড ক্লাইভ লয়েড ৮৮% (১৭ খেলায়) [৬২]

আরো দেখুন [সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র [সম্পাদনা]

  1. "England learn World Cup fate"। England and Wales Cricket Board। 2009-10-07। সংগৃহীত 2009-10-27 
  2. "Mumbai lands 2011 World Cup final"। BBC Sport। 2009-10-14http://news.bbc.co.uk/sport2/hi/cricket/8306930.stm। সংগৃহীত 2009-10-27
  3. "Sachin Tendulkar"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-10-27 
  4. "Statistics - Statsguru - GD McGrath - One-Day Internationals (World Cup)"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-10-27 
  5. "Cricket Records - Records - World Cup - Highest totals"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-10-25 
  6. "Cricket Records - Records - World Cup - Lowest totals"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-10-25 
  7. "Roy revs up, and a minnows' classic"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-10-25 
  8. "Records - World Cup - Smallest victories (including ties)"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-10-25 
  9. "Cricket Records - Records - World Cup - Largest victories"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-10-25 
  10. "Cricket Records - Records - World Cup - Smallest victories (including ties)"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-10-25 
  11. ১১.০ ১১.১ ১১.২ ১১.৩ "Cricket Records - Records - World Cup - Summary"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-10-25 
  12. "Statistics – Statsguru – One-Day Internationals – Aggregate/overall records (World Cup)"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-11-02 
  13. "Scorecard - 1999 Cricket World Cup Semi Final, Australia v South Africa"। Cricinfo। সংগৃহীত 2007-06-22 
  14. "Scorecard - 2003 Cricket World Cup Pool B, Sri Lanka v South Africa"। Cricinfo। সংগৃহীত 2007-06-22 
  15. "Scorecard, 2007 Cricket World Cup, Ireland vs Zimbabwe"। Cricinfo। সংগৃহীত 2007-06-22 
  16. ১৬.০ ১৬.১ ১৬.২ ১৬.৩ "Statistics - Statsguru - One-Day Internationals (World Cup) - Team records"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-10-25 
  17. "World Cup - Most Consecutive Wins"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-10-25 
  18. "World Cup - Most Consecutive Defeats"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-10-25 
  19. "World Cups - Most Consecutive Matches Without Defeat"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-11-02 
  20. "Cricket Records - Records - World Cup - Most runs"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-10-25 
  21. "Cricket Records - Records - World Cup - Highest averages"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-10-25 
  22. "Statistics - Stats Guru - One-day Internationals - Batting records (World Cup, by strike rate)"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-10-25 
  23. ২৩.০ ২৩.১ ২৩.২ ২৩.৩ "Cricket Records - Records - World Cup - List of hundreds"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-10-25 
  24. "Vincent ends World Cup drought"। Cricinfo। 2007-03-22। সংগৃহীত 2009-10-25 
  25. ২৫.০ ২৫.১ "Cricket Records - Records - World Cup - Most fifties (and over)"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-10-25 
  26. "Cricket Records - Records - World Cup - Most ducks"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-10-25 
  27. "Statistics - Stats Guru - One-day Internationals - Batting records (World Cup, by sixes)"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-10-25 
  28. ২৮.০ ২৮.১ "Cricket Records - Records - World Cup - High scores"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-10-25 
  29. "Cricket Records - Records - World Cup - Highest partnerships by runs"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-10-25 
  30. "সবচেয়ে বেশী ম্যান অব দ্য ম্যাচ পুরস্কার"। Cricinfo। সংগৃহীত 2007-06-22 
  31. "Statistics – Statsguru – One-Day Internationals – Partnership records"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-11-02 
  32. ৩২.০ ৩২.১ "Sachin Tendulkar in World Cups"। Cricinfo। সংগৃহীত 2007-06-22 
  33. "টুর্ণামেন্টে সবচেয়ে বেশী রান"। Cricinfo। সংগৃহীত 2007-06-22 
  34. "Cricket Records - Records - World Cup - Most runs in a series"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-10-25 
  35. "World Cups - 100s in Most Consecutive Innings"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-11-02 
  36. "World Cups - 50s in Most Consecutive Innings"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-11-02 
  37. "Statistics - Statsguru - NA de Groot - One-Day Internationals"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-10-25 
  38. Premachandran, Dileep। "Malinga's hat-trick and South Africa's edge"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-11-02 
  39. "World Cups – Hat Tricks"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-11-02 
  40. "ICC World Cup – 10th match, Pool B"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-11-02 
  41. "Cricket Records - Records - World Cup - Most wickets"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-10-25 
  42. "Cricket Records - Records - World Cup - Lowest bowling average"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-10-25 
  43. "Cricket Records - Records - World Cup - Best economy rates"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-10-25 
  44. "Cricket Records - Records - World Cup - Best strike rates"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-10-25 
  45. "Cricket Records - Records - World Cup - Best bowling figures in an innings"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-10-25 
  46. "Full length, full reward"। Cricinfo। 2007-03-28। সংগৃহীত 2009-10-24 
  47. ৪৭.০ ৪৭.১ "Cricket Records - Records - World Cup - Most wickets in a series"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-10-25 
  48. "Records - World Cup - Most dismissals"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-10-25 
  49. "Records - World Cup - Most catches"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-10-25 
  50. "Cricket Records - Records - World Cup - Most dismissals in a series"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-10-25 
  51. "Records - Records - World Cup - Most catches in a series"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-10-25 
  52. "Records - World Cup - Most dismissals in an innings"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-10-25 
  53. "Records - World Cup - Most catches in an innings"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-10-25 
  54. "World Cup - Records - Most extras in an innings"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-10-25 
  55. "World Cups - Number of Matches on each Ground"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-11-02 
  56. "Steve Bucknor"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-10-25 
  57. ৫৭.০ ৫৭.১ "Cricket Records - Records - World Cup - Most matches as umpire"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-10-25 
  58. ৫৮.০ ৫৮.১ "World Cup - Youngest Players"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-10-25 
  59. "Statistics – Statsguru – One-Day Internationals – All-round records"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-11-04 
  60. "World Cup - Oldest Players"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-10-25 
  61. ৬১.০ ৬১.১ "Most matches as captain - World Cup"। Cricinfo। সংগৃহীত 2007-06-11 
  62. ৬২.০ ৬২.১ "Cricket Records - Records - World Cup - Most matches as captain"। Cricinfo। সংগৃহীত 2009-10-25 

বহিঃসংযোগ [সম্পাদনা]