রিসেপ তায়িপ এরদোয়ান

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
রিসেপ তায়িপ এরদোয়ান
সাংসদ
তুরস্কের ২৫তম প্রধানমন্ত্রী
দায়িত্ব
অধিকৃত অফিস
১৪ই মার্চ ২০০৩
রাষ্ট্রপতি আহমেদ নেজদেত সেজার
আব্দুল্লাহ গুল
Deputy
পূর্বসূরী আবদুল্লাহ গল
জাস্টিস এন্ড ডেভলপমেন্ট পার্টির প্রধান
দায়িত্ব
অধিকৃত অফিস
১৪ আগস্ট ২০০১
পূর্বসূরী স্বপ্রতিষ্ঠিত
ইস্তানবুলের হয়ে
সংসদ সদস্য
দায়িত্ব
অধিকৃত অফিস
২২শে জুলাই ২০০৭
সংসদীয় এলাকা প্রথম ইলেক্টোরাল ডিস্ট্রিক
সির্তের হয়ে
সংসদ সদস্য
কার্যালয়ে
৯ মার্চ ২০০৩ – ২২ জুলাই ২০০৭
সংসদীয় এলাকা সির্ত প্রদেশ
ইস্তাম্বুলের মেয়র
কার্যালয়ে
২৭ মার্চ ১৯৯৪ – ৬ নভেম্বর ১৯৯৮
পূর্বসূরী নিউরেতিন সোজেন
উত্তরসূরী আলী মুফিত গার্তোনা
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম (১৯৫৪-০২-২৬) ২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৪ (বয়স ৬০)
ইস্তাম্বুল, তুরস্ক
রাজনৈতিক দল জাস্টিস অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট পার্টি (২০০১-বর্তমান)
অন্যান্য রাজনৈতিক
দল
জাতীয় সলভেশন পার্টি (১৯৮১-এর পূর্বে)
ওয়েলফেয়ার পার্টি (১৯৮৩-১৯৯৮)
ভার্চো পার্টি (১৯৯৮-২০০১)
দাম্পত্য সঙ্গী এমিনি গালবারেন (১৯৭৮-বর্তমান)
সন্তান আহমেত বারান এরদোগান
নেকমিতিন বিলাল
এশরা
সামিয়ে
অধ্যয়নকৃত শিক্ষা
প্রতিষ্ঠান
মারমারা বিশ্ববিদ্যালয়
ধর্ম সুন্নি ইসলাম
স্বাক্ষর
ওয়েবসাইট তুরস্কের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
রিসেপ তায়িপ এরদোয়ানের ওয়েবসাইট

রিসেপ তায়িপ এরদোয়ান (তুর্কি উচ্চারণ: [ɾeˈd͡ʒep tajˈjip ˈæɾdo.an];[note ১] জন্ম: ২৬শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫৪) হলেন তুরষ্কের পঁচিশতম ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী যিনি ২০০৩ সাল হতে স্বীয় পদে বহাল আছেন। ২০০১ সালে তিনি একে পার্টি (জাস্টিস এন্ড ডেভেলাপমেন্ট পার্টি বা একেপি) প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার অল্প দিনের মধ্যেই দলটি জনসমর্থনের মাধ্যমে এক নম্বর অবস্থানে চলে আসে। দলটি ১৯৮৪ সালের পর প্রথমবার তুরস্কের ইতিহাসে একদলীয় দল হিসেবে এবং পরপর তিনবার (২০০২, ২০০৭, ২০১১) সাংসদীয় নির্বাচনে বিজয়ী হয়। ক্ষমতাসীন এই দলের বর্তমান সভাপতিও তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পুর্বেও তিনি ১৯৯৪ সাল থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত ইস্তাম্বুলের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে বানিজ্যিক প্রবেশাধিকারের চুক্তি, বিগত দশবছর ধরে চলাকালীন মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও তুর্কি লিরার (তুর্কি মুদ্রা) মুল্য পুনর্নিধারণ, সুদের হার কমানো,অতীতে অটমান শাসনাধীন দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিশ্বমহলে নেতৃস্থানীয় ও সৌহার্দ্যপুর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠাপ্রাপ্তিকে মুল লক্ষ্য রেখে বৈদেশিক নীতি গ্রহণ (নবতুর্কীয়বাদ), বিরোধী বিক্ষোভকারীদের সফলভাবে নিয়ন্ত্রণ প্রভৃতি কারণে বিশ্বমহলে তিনি ব্যাপকভাবে প্রশংসিত।[১][২]

পদটীকা[সম্পাদনা]

  1. loosely pronounced  rə-JEP-' tah-YIP-' ERR-doh-an

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Growing consumption"Metro Group। 24 November 2011। সংগৃহীত 28 July 2012 
  2. Nick Tattersall (28 February 2013)। "Erdogan's ambition weighs on hopes for new Turkish constitution"। Stratejik Boyut। সংগৃহীত 9 July 2013 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

মিডিয়া কাভারেজ