রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ
|
|
এই নিবন্ধটিতে কোনো উৎস বা তথ্যসূত্র উদ্ধৃত করা হয়নি। দয়া করে উপযুক্ত নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র থেকে উৎস প্রদান করে নিবন্ধটির মানোন্নয়নে সাহায্য করুন। (সাহায্যের জন্য দেখুন: যাচাইযোগ্যতা) নিবন্ধের যেসব অংশে সঠিক তথ্যসূত্রের উল্লেখ নেই, সেগুলি যেকোনো মুহূর্তে সরিয়ে ফেলা হতে পারে। (অক্টোবর ২০১১) |
| রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ | |
|---|---|
| জন্ম | ১৭৮৬ |
| মৃত্যু | ২ মার্চ, ১৮৪৫ |
| বংশোদ্ভূত | বাঙালি |
| নাগরিকত্ব | |
| যে জন্য পরিচিত | আভিধানিক, পন্ডিত |
| ধর্ম | হিন্দু |
রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ (জন্ম: ১৭৮৬ - মৃত্যু: ২ মার্চ ১৮৪৫) একজন আভিধানিক এবং পণ্ডিত । তিনি ব্রাহ্মসমাজের সাথে যুক্ত ছিলেন ।
রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশের আদি নিবাস নদীয়ার পালপাড়ায় । তাঁর পিতার নাম লক্ষ্মীনারায়ণ তর্কভূষণ । তাঁর বড়ভাই হরিহরানন্দ তীর্থস্বামী রামমোহন রায়ের বন্ধু ছিলেন ।
কর্মজীবন[সম্পাদনা]
রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ কিছুদিন রামমোহন রায় প্রতিষ্ঠিত বেদান্ত কলেজে অধ্যাপনা করেন । ১৪ মে ১৮২৭ খ্রিস্টাব্দে সরকার দ্বারা সংস্কৃত কলেজের অধ্যাপক নিযুক্ত হন । তিনি এই পদ থেকে ১৮৩৭ খ্রিস্টাব্দে পদচ্যুত হন । ১৮৪২ খ্রিস্টাব্দে সংস্কৃত কলেজে সহকারী সম্পাদক পদ পান । কলকাতায় রামমোহন রায়ের কাজকর্মের সাথে তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগ ছিল । আত্মীয়সভার অধিবেশনে তিনি ঈশ্বরের একত্ববাদের উপর মতামত জানান । ১৮২৮ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত ব্রাহ্মসমাজের তিনি প্রথম সচিব নিযুক্ত হন । ১৮৪৩ খ্রিস্টাব্দে তিনি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর সহ ২১ জন যুবককে ব্রাহ্মধর্মে দীক্ষিত করেন । ১৮৩০ খ্রিস্টাব্দে তিনি রামমোহনের বিপক্ষে যোগ দিলেও পরবর্তীকালে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের আগে হিন্দু বিধবা বিবাহ প্রস্তাব সমর্থন এবং বহুবিবাহের বিরুদ্ধে নিজমত নীতিদর্শন বক্তৃতামালায় দৃঢ়তার সাথে প্রকাশ করেন । ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে রামমোহন রায় বিলেত গেলে দীর্ঘ ১০ বছর তাঁর অসাধারণ পাণ্ডিত্য এবং বিষ্ণু চক্রবর্তীর সঙ্গীতের জন্যই ব্রাহ্মসমাজের অস্তিত্ব বজায় ছিল । তত্ত্ববোধিনীসভার সঙ্গে যুক্ত থেকে সভার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যের উন্নতির চেষ্টা করেন । এই সভার নামও তাঁর দেওয়া । বাঙালির শিক্ষা বাংলা ভাষার মাধ্যমে সঠিকভাবে হবে বলে বিশ্বাস করতেন । আদালতে ফারসী ভাষার পরিবর্তে বাংলা প্রচলনের উদ্দেশ্যে সরকার দ্বারা প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানে ৬ মাস প্রধান পণ্ডিতের কাজে নিযুক্ত ছিলেন । এই কাজে তিনি ডেভিড হেয়ার, প্রসন্নকুমার ঠাকুর প্রভৃতি ব্যক্তির সমর্থন পান । মৃত্যুকালে তিনি ব্রাহ্মসমাজকে ৫০০০ টাকা দান করেন ।
সাহিত্যকর্ম[সম্পাদনা]
১৮১৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি বাংলা ভাষার প্রথম অভিধান সঙ্কলন করেন । রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ রচিত ও সম্পাদিত গ্রন্থ:
- জ্যোতিষ সংগ্রহসার
- বাচস্পতি মিশ্রের বিবাদচিন্তামণিঃ
- শিশুসেবধি
- বর্ণমালা
- নীতিদর্শন
- পরমেশ্বরের উপসনা বিষয়ে প্রথম ব্যাখ্যান
তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]
সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান - প্রথম খণ্ড - সংশোধিত চতুর্থ সংস্করণ - সাহিত্য সংসদ
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |