মৌমাছি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
মৌমাছি
পুষ্পরেণু সংগ্রহরত মধুমক্ষিকা (Apis mellifera)
জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ/রাজ্য: প্রাণী জগৎ
পর্ব: Arthropoda
শ্রেণী: Insecta
বর্গ: Hymenoptera
উপবর্গ: Apocrita
মহাপরিবার: Apoidea
(অবিন্যাসিত): Anthophila
Families

Andrenidae
Apidae
Colletidae
Dasypodaidae
Halictidae
Megachilidae
Meganomiidae
Melittidae
Stenotritidae

Synonyms

Apiformes

মৌমাছি বা মধুমক্ষিকা বা মধুকর বোলতা এবং পিঁপড়ার সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কযুক্ত মধু সংগ্রহকারী পতঙ্গমধুমোম উৎপাদন এবং ফুলের পরাগায়নের জন্য প্রসিদ্ধ[১]। পৃথিবীতে ৯ টি স্বীকৃত গোত্রের অধীনে প্রায় ২০,০০০ হাজার মৌমাছি প্রজাতি আছে[২], যদিও এর বেশির ভাগেরই কোন বর্ণনা নেই এবং এর প্রকৃত সংখ্যা আরো বেশি হতে পারে। এন্টার্কটিকা ব্যতীত পৃথিবীর সব মহাদেশে যেখানেই পতঙ্গ-পরাগায়িত সপুষ্পক উদ্ভিদ আছে, সেখানে মৌমাছি আছে।

পরিচ্ছেদসমূহ

[সম্পাদনা] শারীরিক গঠন

[সম্পাদনা] জীবন প্রণালী

[সম্পাদনা] বিভিন্ন প্রজাতি

পৃথিবীতে মৌমাছির প্রায় ২০,০০০ হাজার প্রজাতি আছে। বাংলাদেশভারতে বেশ কয়েক প্রজাতির মৌমাছি দেখা যায়। এর মধ্যে কয়েকটি নিম্নরূপ:

  • রক বী বা পাথুরে মৌমাছি (এপিস ডর্সাটা): এরা ভালো মধু সংগ্রাহক এবং এদের প্রতি উপনিবেশ থেকে গড়ে ৫০-৮০ কেজি ফলন পাওয়া যায়৷
  • লিটল বী বা ক্ষুদে মৌমাছি : (এপিস ফ্লোরিয়া): এরা খুব কম মধু উপন্ন করে এবং প্রতি উপনিবেশ থেকে প্রায় ২০০-৯০০ গ্রা. মধু পাওয়া যায়৷
  • ইণ্ডিয়ান বী বা ভারতীয় মৌমাছি (এপিস সেরানা ইণ্ডিকা): এরা বছরে প্রতি উপনিবেশ থেকে গড়ে ৬-৮ কেজি মধু দেয়৷
  • ইউরোপিয়ান বী বা ইউরোপিয় মৌমাছি [ইটালিয়ান মৌমাছি] (এপিস মেলিফ্লেরা): প্রতি উপনিবেশ থেকে গড়ে ২৫-৪০ কেজি মধু পাওয়া যায়৷

এগুলি ছাড়াও কেরলে আর একটি প্রজাতি পাওয়া যায় যারা "হুলবিহীন মৌমাছি" নামে পরিচিত৷ এরা আদৌ হুলবিহীন নয়, প্রকৃতপক্ষে এদের হুল পূর্ণ বিকশিত হয় না৷ তবে এরা খুব ভালো পরাগসংযোজক৷ এরা বছরে ৩০০-৪০০ গ্রাম মধু উৎপাদন করে৷[৩]

[সম্পাদনা] উপযোগিতা

[সম্পাদনা] মধু

[সম্পাদনা] মৌমাছির বিষ

মৌমাছির হুল ফুটানো বিষ খুবই যন্ত্রণাদায়ক। কিন্তু মৌমাছির হুল থেকে সংগৃহীত বিষ রোগ নিরাময়ের উপাদান হিসাবে কাজ করতে পারে বলে গবেষকরা দাবী করেছেন। নিউজিল্যান্ডের একটি কোম্পানি নেলসন হানি এন্ড মার্কেটিং নামে একটি কোম্পানি জানিয়েছে গেঁটে বাত জনিত ব্যথা নিরাময়ে প্রদাহ নিরোধক হিসাবে কাজ করে মৌমাছির বিষ। তাদের মতে মৌমাছির বিষ প্রয়োগে বাতের চিকিৎসা নতুন ধারণা নয়। কোন কোন ক্লিনিকে মৌমাছির হুল ফুটিয়ে বাতের চিকিৎসা করা হয়। যুক্তরাজ্যের ফুড স্ট্যান্ডার্ডস এজেন্সি জানিয়েছে আগামী মাসে নিউজিল্যান্ড ভিত্তিক কোম্পানিটির আবেদনের বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে। নেলসন হানি এন্ড মার্কেটিং মৌমাছির বিষ বাজারজাতকরণের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) কাছে অনুমোদন চেয়েছে।[৪]

[সম্পাদনা] পরাগায়ন

ফুলে ফুলে ঘুরে বেড়ানোর সময় মৌমাছিরা তাদের পা এবং বুকের লোমের ফুলের অসংখ্য পরাগরেণু বয়ে বেড়ায়। এক ফুলের পরাগরেণু অন্য ফুলের গর্ভমুণ্ডে পরলে পরাগায়ন ঘটে, যার ফলশ্রুতিতে উৎপন্ন হয় ফল। এভাবে মৌমাছিরা পরাগায়নের মাধ্যমে হিসাবে কাজ করে ফল ও ফসলের উৎপাদন বাড়ায়।


[সম্পাদনা] মৌমাছির গঠনতন্ত্র

মৌ সংগ্রহ করে চাকে ফিরছে একটি মৌমাছি
স্ত্রী মৌমাছির দেহ

[সম্পাদনা] গ্যালারি


[সম্পাদনা] তথ্যসূত্র

  1. বাংলাপিডিয়া মৌমাছি নিবন্ধ
  2. Danforth, B.N., Sipes, S., Fang, J., Brady, S.G. (2006) The history of early bee diversification based on five genes plus morphology. Proceedings of the National Academy of Sciences 103: 15118-15123.
  3. মৌমাছি পালন(এপিকালচার)
  4. তথ্যতীর্থ আমাদের কিশোরগঞ্জ

[সম্পাদনা] বহিঃসংযোগ

নিজস্ব হাতিয়ারসমূহ
নামস্থান

বিকল্পসমূহ
কার্যক্রম
পরিভ্রমন
মুদ্রণ/এক্সপোর্ট
সরঞ্জাম
অন্যান্য ভাষাসমূহ