মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব (ঢাকা)
| মোহামেডান | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| 130px | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| পূর্ণ নাম | মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ডাকনাম | সাদা কালো | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| প্রতিষ্ঠা | ১৯৩৩ | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| মাঠ | বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম ঢাকা, বাংলাদেশ |
||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ধারণক্ষমতা | ৪৫,০০০ | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| চেয়ারম্যান | ওবায়দুল করিম | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ম্যানেজার | শফিকুল ইসলাম মানিক | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| লীগ | বি লীগ | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ২০০৬ | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
|
|||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
- একই নামের অন্যান্য ব্যক্তিবর্গের জন্য দেখুন মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব (দ্ব্যর্থতা নিরসন)
মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় ক্রীড়া সংগঠন।
পরিচ্ছেদসমূহ |
ইতিহাস [সম্পাদনা]
ঢাকা মোহামেডান স্স্পোর্টিং ক্লাব স্থাপিত হয় ১৯৩৩ সালে ঢাকার হাজারি বাগে,এটি কোলকাতা মোহামেডানের ঢাকাস্থ শাখা হিসাবে ঢাকার মুসলিম সমাজে ক্রিরা জাগরন সৃস্টি করে । ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পরে ঢাকার ক্রিড়াঙ্গনে এক শুন্যতার সৃস্টি হয় , এই ক্রান্তি কালে কলকাতা মোহামেডানের বিখ্যাত ফুটবলার মোহাম্মাদ শাহজাহান ঢাকায় চলে আসেন ও ঢাকা মোহামেডানের দায়িত্ব নেন । তিনি ঢাকা মোহামেডানকে সুসংগঠিত ও পুর্নগঠিত করেন ,১৯৫৫ সাল পর্যন্ত ঢাকার ফুটবলে একক প্রাধান্য ছিল ঢাকা ওয়ান্ডার্সের । ১৯৫৬ সালে ঢাকা ওয়ান্ডার্সের কিছু তারকা ফুটবলার ও ক্লাব কর্মকর্তা ঢাকা মোহামেডানে যোগ দেন ।এর পর ঢাকা মোহামেডান ধীরে ধীরে ঢাকার ফুটবলে প্রাধান্য বিস্তার করতে থাকে ।১৯৫৬ সালে প্রথম বারের মত ঢাকা লীগের ফাইনাল খেলে ও রানার্সআপ হয় । ১৯৫৭ সালে প্রথম বারের মত মোহামেডান ঢাকা লীগ চ্যাম্পিয়ান হয়,একই বছর মোহামেডান স্বাধীণতা দিবস ফুটবল টুণাঁমেন্ট ও চ্যাম্পিয়ন হয় । পরবতিঁতে মোহামেডান ক্রিকেট,হকি,ভলিবল,টেবিল টেনিস,ব্যাডমিন্টন,সাঁতার,জিমন্যাস্টিকস ইত্যাদি খেলাতেও শিরোপা জ্যয় করে ।
অর্জন [সম্পাদনা]
ফুটবল [সম্পাদনা]
১৯৩৩-১৯৮০ [সম্পাদনা]
১৯৩৩ সালে মোহামেডানের জন্ম হলেও ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত ঢাকার ফুটবলে একক প্রাধান্য ছিল ঢাকা ওয়ান্ডার্স ক্লাবের । ১৯৫৬ সালে ওয়ান্ডার্স ক্লাবের কিছু তারকা খেলোয়ার ঢাকা মোহামেডানে যোগ দিলে ১৯৫৭ সালে ঢাকা মোহামেডান প্রথম্ বারের মতো শিরোপা জিতে । ১৯৫৮ সালে ডিফেন্ডং চ্যাম্পিয়ান ঢাকা মোহামেডান লীগে ৩য় স্হান লাভ করে, ১৯৫৯ সালে তারা পুনরায় চ্যাম্পিয়ন হয় এবং একই বছর মোহামেডান আগা খান গোল্ড কাপ চ্যাম্পিয়ন হয়, ঢাকা মোহামেডান ৩য় বারের মত লীগ শিরোপা জিতে ১৯৬১ সালে,তারপর ১৯৬৩ ও ১৯৬৫ সালেও মোহামেডান লীগ শীরোপা জিতে, ১৯৬৬ ও ১৯৬৯ সালে মোহামেডান অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়,১৯৬৬ সালে মোহামেডান আলী বোগরা গোল্ডকাপ ও ১৯৬৮ সালে মোহামেডান থমাস কাপ চ্যাম্পিয়ন হয় । ১৯৭০ সালে বাংলাদেশের কিংবদন্তি ফুটবলার কাজী সালাঊদ্দীন মোহামেডানে যোগ দেন কিন্তু মোহামেডান সে আসরে রানার্সআপ হয় । ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে লীগ ফুটবল বন্ধ থাকে,পরবতীঁতে ১৯৭৪ সালে পুনরায় লীগ ফুটবল শুরু হয়,১৯৭৪ সালে ইকবাল স্পোর্টিং ক্লাব আবাহনী ক্রীড়া চক্র হিসেবে আত্ন প্রকাশ করে এবং সালাঊদ্দীন সহ মোহামেডানের বেশ কিছু তারকা ফুটবলার নবাগত আবাহনীতে যোগ দিলে মোহামেডানে শুন্যতার সৃস্টি হয়,ফলে মোহামেডান ১৯৭৪ সালে রানার্সআপ হয় ।৭৪ সালে মোহামেডানের এই ক্ষতির পরেও মোহামেডান আবার জেগে ওঠে এবং ১৯৭৫ ও ১৯৭৬ সালে টানা দুবার লীগ চ্যাম্পিয়ন হয়, ১৯৭৭ ও ১৯৭৯ সালে মোহামেডান রানার্সআপ ও ১৯৭৮ সালে লীগ চ্যাম্পিয়ন হয় এছাড়া ও মোহামেডান ১৯৫৭ থেকে ১৯৬৬ সালে ৫ বার স্বাধীনতা কাপ চ্যাম্পিয়ন হয় ।
১৯৮০-১৯৯০ [সম্পাদনা]
১৯৮০ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত ছিল বাংলাদেশের ফুটবলের মোহামেডান যুগ । এই ১০ বছর বাংলাদেশের ফুটবলে মোহামেডান ছিল এক অপ্রতিরোধ্য শক্তি । ১৯৮০ সালে "বাংলার ম্যারাডোনা" খ্যাত রুম্মান বিন ওয়ালী সাব্বির মোহামেডানে যোগ দেন ।বাংলাদেশে প্রথম বারের মত শুরু হয় ফেডারেশন কাপ এবং প্রথম আসরেই তার অসাধারন ক্রীড়া নৈপুন্যে মোহামেডানকে ফাইনালে ওঠান এবং ফাইনালে মোহামেডান প্রতিপক্ষ ব্রাদার্স ইঊনিয়নের সাথে ০-০ গোলে ড্র করে এবং ব্রাদার্সের সাথে যুগ্ম ভাবে চ্যাম্পিয়ন হয়,একই বছর তিনি মোহামেডানকে লীগ চ্যাম্পিয়ন করেন । ১৯৮১ সালে ফেডারেশন কাপ ফাইনালে সাব্বিরের জাদুতে মোহামেডান চিরপ্রতিদন্দী আবাহনী কে ২-০ গোলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয় এবং ৮১ সালে লীগে রানার্সআপ হয় । ১৯৮২ সালে সাব্বির মোহামেডানকে ট্রেবল শিরোপা জেতায়, ১৯৮২ সালে কলকাতার দুর্গাপুরে আশীশ জব্বার শীল্ড চ্যাম্পিয়ন হয় মোহামেডান একই বছর মোহামেডান লীগ ও ফেডারেশন কাপ জিতে ট্রেবল শিরোপা জয় করে। ১৯৮৩ সালে মোহামেডান ফেডারেশন কাপ ফাইনালে আবাহনীকে ২-০ গোলে হারিয়ে হ্যট্রিক শিরোপা জেতে,১৯৮৪ সালে ফেডারেশন কাপ ফাইনালে মোহামেডান আবাহনীর সাথে ০-০ গোলে ড্র করে এবং টানা ৪র্থ বারের মত ফেডারেশন কাপ চ্যাম্পিয়ন হয় এবং একই বছর তারা ঢাকা মেট্রোপলিটন কাপ চ্যাম্পিয়ন হয়। ১৯৮৬ সালে মোহামেডানে যোগদেন সাবেক ম্যান ইঊ তারকা ও ইরানী গোল রক্ষক নাসের হেজাজী,এবং সে বছর মোহামেডান অপরাজিত লীগ চ্যাম্পিয়ন হয় ।১৯৮৭ সালের লীগেও মোহামেডান অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয় এবং একই বছর তারা ঢাকা ওয়ান্ডার্সকে ১-০ গোলে হারিয়ে ফেডারেশন কাপ চ্যাম্পিয়ন হয় । ১৯৮৮ সালে নাসের হেজাজী ফুটবল থেকে অবসর নেন এবং মোহামেডানের ম্যানেজারের দায়িত্ব নেন,১৯৮৮ সালের লীগে মোহামেডান চ্যাম্পিয়ন হয় এবং অপরাজিত হ্যাট্রিক শিরোপা লাভ করে ,একই বছর তারা প্রথম বারের মত ফেডারেশন কাপে রানার্সআপ হয়। ১৯৮৯ সালে নাসের হেজাজী বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচ হিসেবে যোগ দেন,১৯৮৯ সালে মোহামেডান আবাহনীকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফেডারেশন কাপ চ্যাম্পিয়ন হয় । ১৯৯০ সালে মোহামেডান কোন শিরোপা জিততে পারেনি ।
১৯৯১-২০০৯ [সম্পাদনা]
১৯৯১ সালেও মোহামেডান কোন শিরোপা জিততে পারেনি ।১৯৯১ সালের ফেডারেশন কাপের ফাইনালে ব্রাদার্স ইঊনিয়ন মোহামেডানকে টাইব্রেকারে ৪-২ ব্যাবধানে হারিয়ে প্রথম বারের মত ফেডারেশন কাপ শীরোপা জিতে এবং মোহামেডান ২য় বারের মত রানার্সআপ হয় ।১৯৯১ সালেই মোহামেডান মাও মনি কাপ চ্যাম্পিয়ন হয় । ১৯৯৩ সালে মোহামেডান আবারো লীগ শিরোপা জিতে । ১৯৯৫ সালে ফেডারেশন কাপ ফাইনালে মোহামেডান আবাহনীকে টাইব্রেকারে ৬-৫ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় । ১৯৯৬ তে মোহামেডান অপরাজিত লীগ চ্যাম্পিয়ন হয় ।
১৯৯৯ সালে মোহামেডান ভারতের অল এয়ারলাইন্স গোল্ড কাপ চ্যাম্পিয়ন হয় এবং একই বছর মোহামেডান তাদের ১৮ তম লীগ শিরোপা জিতে । ২০০২ সালে মোহামেডান মুক্তিযোদ্ধা সংসদকে ২-০ গোলে হারিয়ে ফেডারেশন কাপ চ্যাম্পিয়ন হয় এবং একই বছর তারা আবারো অপরাজিত লীগ চ্যাম্পিয়ন হয় । ২০০৮ সালে মোহামেডান আবাহনীকে টাইব্রেকারে (১-১)৩-২ গোলে হারিয়ে ফেডারেশন কাপ জিতে । ২০০৯ সালেও মোহামেডান টাইব্রেকারে ৪-১ গোলে আবাহনীকে হারিয়ে ফেডারেশন কাপ চ্যাম্পিয়ন হয় ।
সিটিসেল সুপার কাপ ২০০৯ [সম্পাদনা]
২০০৯ সালে শুরু হয় বাংলাদেশের ফুটবলের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় আসর এবং এশিয়ার অন্যতম বড় বাজেটের ফুটবল টুর্নামেন্ট সিটিসেল সুপার কাপ,এর প্রাইজ মানি ছিল ১৫০,০০০ ইঊ,এস,ডলার । এই টুর্নামেন্টে ৮ টি দল দুটি গ্রুপে অংশ গ্রহন করে ।
"গ্রুপ এ"
আবাহনী ক্রীড়া চক্র,ঢাকা
শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র ।
চট্টগ্রাম মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব ।
রহমতগঞ্জ এম,এফ,এস ।
"গ্রুপ বি"
ঢাকা মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব ।
ব্রাদার্স ইউনিয়ন ।
ফরাশগঞ্জ স্পোর্টিং ক্লাব ।
চট্টগ্রাম আবাহনী ক্রীড়া চক্র ।
ক্রিকেট [সম্পাদনা]
ঢাকা ক্রিকেট লীগে মোহামেডান একটি শক্তিশালী দল। দল টি দামাল সামার ক্রিকেট লীগে ৩ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।
ভলিবল [সম্পাদনা]
১৯৬৭-১৯৬৯ সালে মোহামেডান স্পোটিং ক্লাব ভলিবল খেলায় চ্যাম্পিয়ন হয়।
আরো দেখুন [সম্পাদনা]
বহিঃসংযোগ [সম্পাদনা]
|
|
||||||||||||||
|
||||||||||||||