মোহনগঞ্জ উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

মোহনগঞ্জ বাংলাদেশের নেত্রকোনা জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা

অবস্থান[সম্পাদনা]

উত্তরে নেত্রকোণা জেলার বারহাট্টা উপজেলা ও সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলা, পূর্বে নেত্রকোণা জেলার খালিয়াজুরী উপজেলা ও সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ উপজেলা, দক্ষিণে নেত্রকোণা জেলার মদন উপজেলা এবং পশ্চিমে নেত্রকোণা জেলার আটপাড়া ও বারহাট্টা উপজেলা।

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ভাটি বাংলার রাজধানী বলে জনশ্রুত নেত্রকোণা জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলা একটি প্রাচীন জনপদ। মোহন সাহা নামে একজন স্বনামধন্য ব্যবসায়ী ছিলেন। তাঁর নাম অনুসারে এই শহরের নাম করণ করা হয় বলে জানা যায়। ব্রিটিশ শাসন আমল থেকেই মোহনগঞ্জ ছিল ধান, পাট, মাছ, সরিয়ার উলে­খযোগ্য ব্যবসাকেন্দ্র । এর অর্থনৈতিক গুরুত্ব বিবেচনা করে ১৯২৫ খ্রিঃ মোহনগঞ্জ রেল স্টেশন নির্মাণ কাজ গুরু হয়। ১৯২৮ খিঃ রেল চলাচল গুরু হয়। বৃহত্তর সিলেটের সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ জেলার ০৭/০৮ টি উপজেলার রাজধানীর সাথে যোগাযোগের ক্ষেত্রে মোহনগঞ্জ সর্বাধুনিক গুরুত্ববহ শহর । বর্তমানে বাজধানীর সাথে ঢাকা-মোহনগঞ্জ রুটে বি.আর.টি.সি. সহ ০৭/০৮টি পরিবহণ সংস্থার বাস সার্ভিস চালু রয়েছে।

মোহনগঞ্জ পৌরসভা ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত । পৌরসভায় অবকাঠামোগত উন্নয়নে সম্ভাবনা অপার। জলপথে অর্থনৈতিককর্মকান্ড পরিচালনার ক্ষেত্রে মোহনগঞ্জ সমধিকার সম্ভাবনার একটি উপজেলা । মোহনগঞ্জ পৌরসভার বুক চিঁড়ে প্রবাহিত শিয়ালজানি খাল দিয়ে এক সময় ধান, পাট বোঝাই বড় মাপের নৌকা চলাচল করত। সময়ের বিবর্তনে খালটি আজ বিলুপ্ত প্রায় । খালটি আশু সংস্কারের ব্যবস্থা গুহীত হয়েছে। শিক্ষা , ক্রীড়া ও সংস্কৃতিতে মোহনগঞ্জ অনন্য সাধারণ ঐতিহ্য বহন করছে।

একসময় মোহনগঞ্জ ছিল মাছের জন্য বিখ্যাত। কিন্তু বর্তমানে তার অনেকটা ঐতিহ্য হারিয়ে ফেলেছে।

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

বিবিধ[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]


নেত্রকোনা জেলা Flag of Bangladesh
উপজেলা/থানাঃ নেত্রকোনা সদর | মোহনগঞ্জ | মদন | খালিয়াজুড়ি | কেন্দুয়া | দূর্গাপুর | কলমাকান্দা | আটপাড়া | বারহাট্টা | পূর্বধলা