মৈমনসিংহ গীতিকা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
বাংলাদেশ-এর সঙ্গীত
ধরন
নির্দিষ্ট ধরন
ধর্মীয় সঙ্গীত
জাতিগত সঙ্গীত
ঐতিহ্যবাহি সঙ্গীত
মিডিয়া এবং কর্মক্ষমতা
সঙ্গীত পুরস্কার
সঙ্গীত উৎসব
সঙ্গীত মিডিয়া

বেতার

টেলিভিশন

ইন্টারনেট

জাতীয় এবং দেশাত্মবোধক গান
জাতীয় সঙ্গীত আমার সোনার বাংলা
অন্যান্য আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো
আঞ্চলিক সঙ্গীত
সম্পর্কিত এলাকা
অন্যান্য এলাকা

ময়মনসিংহ অঞ্চলের প্রচলিত পালাগানগুলোকে একত্রে মৈমনসিংহ গীতিকা বলা হয়। এই গানগুলো প্রাচীন কাল থেকে মানুষের মুখে মুখে প্রচারিত হয়ে আসছে। তবে ১৯২৩-৩২ সালে ডক্টর দীনেশচন্দ্র সেন এই গানগুলো সম্পাদনা করে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় হতে প্রকাশ করেন। বর্তমান নেত্রকোনা জেলার আইথর নামক স্থানের আধিবাসী চন্দ্রকুমার দে এসব গাঁথা সংগ্রহ করছিলেন।

মৈমনসিংহ গীতিকায় অন্তর্ভূক্ত পালা সমূহ[সম্পাদনা]

স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় মহাশয়ের আনুকূল্যে চন্দ্রকুমার দে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক মৈমনসিংহ গাথা সংগ্রহাক হিসেবে ড. দীনেশ চন্দ্র সেন মহাশয়ের কাছ থেকে নিম্নের পালাগুলো সংগ্রহ করে আনেন।

  • মহুয়া (রচয়িতা দ্বিজ কানাই)
  • চন্দ্রাবতী (রচয়িতা নয়নচাঁদ ঘোষ)
  • কমলা (রচয়িতা দ্বিজ ঈশান)
  • দেওয়ানা মদিনা (রচয়িতা মনসুর বয়াতী)
  • দস্যু কেনারামের পালা (রচয়িতা চন্দ্রাবতী)
  • কঙ্ক ও লীলা
  • মলুয়া
  • দেওয়ান ভাবনা
  • কাজলরেখা
  • রূপবতী