মুসা বিন শমসের

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে


ডঃ মুসা বিন শমসের
জন্ম (১৯৪৫-১০-১৫)১৫ অক্টোবর ১৯৪৫
ফরিদপুর, ব্রিটিশ ভারত (এখন বাংলাদেশ)
বাসস্থান ঢাকা, বাংলাদেশ
জাতীয়তা বাংলাদেশী
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্যালিফোর্নিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র(ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি)
পেশা চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ড্যাটকো গ্রুপ
মোট সম্পত্তি বৃদ্ধি US$ ১২ বিলিয়ন (২০১২)
ধর্ম ইসলাম
দম্পতি কানিজ ফাতেমা চৌধুরী
ওয়েবসাইট
Prince Moosa

মুসা বিন শমসের ড্যাটকো গ্রুপের চেয়ারম্যান যিনি বাংলাদেশের বিজনেস মোগল নামে পরিচিত। তাকে প্রিন্স মুসা বলা হয়। তিনি অস্ত্র সরবরাহকারী হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক পরিচিত। এ নিয়ে তিনি বিশ্বব্যাপী বিতর্কিত। ড. মুসা ১৯৯৭ সালে যুক্তরাজ্যের নির্বাচনে অনুদান দিতে চেয়ে সমালোচনার মুখে পড়েন। লেবার পার্টির টনি ব্লেয়ার নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর জন্য তার পাঁচ মিলিয়ন ডলার অনুদান প্রত্যাখ্যান করেন।[১]

জন্ম ও শিক্ষা[সম্পাদনা]

ড. মুসা ১৯৫০ সালের ১৫ অক্টোবর ফরিদপুরের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর জন্ম লগ্নে তখন ছিল পূর্ব পাকিস্থান। চার ভাই এবং দুই বোনের মাঝে তিনি পিতা-মাতার তৃতীয় পুত্র সন্তান। তার বাবা শমসের আলী মোল্লা ব্রিটিশ সরকারে স্থানীয় সরকারের বড় কর্মকর্তা ছিলেন।[১][২]

ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড[সম্পাদনা]

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ সেলিমের বিয়াই হিসেবে পরিচিত মুসা তরুণ বয়সেই ব্যবসা শুরু করেন। তার প্রথম ব্যবসয়িক জীবনে ড্যাটকো নামের এক বৃহৎ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। মুসা জনশক্তি রপ্তানিতে দেশের একজন দিকপাল হিসেবে পরিচিত।পদ্মা সেতু নির্মাণে ব্যক্তিগত বিনিয়োগের ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন ড. মুসা বিন শমশের। বিটিভি’কে দেয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেছেন, পদ্মা সেতু নির্মাণে প্রথমদিকে সরকারের ভূমিকা ছিল চমৎকার। কিন্তু কিভাবে কে বা কারা ওই চমৎকার ভূমিকাকে হাইজ্যাক করে আন্তর্জাতিক মহলে দেশ ও জাতির মুখে কলঙ্ক লেপন করে দিল। ঠেলে দিল অমাবশ্যার ঘোর অন্ধকারে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একার পক্ষে ‘মিলিয়নস অব প্রবলেম সল্ভ‘ করা সম্ভব নয়। এটা কখনই সম্ভব নয়।

মুসা বিন শমশের বলেন, ৩ বিলিয়ন ডলার আমার জন্যে বড় কোনো টাকা নয়। যতদিন পর্যন্ত পদ্মা সেতু নির্মাণ সম্পন্ন না হবে ততদিন আমি সরকারকে সহায়তা দেব, তাদের সঙ্গে জড়িত থাকব।

এছাড়া সরকারকে জনশক্তি রফতানিতে সহায়তার আশ্বাস দিয়ে মুসা বিন শমশের বলেন, প্রথম যখন আমি বঙ্গবন্ধুর সহযোগিতায় জনশক্তি রফতানি শুরু করেছিলাম, তখন জনশক্তি রফতানির একমাত্র প্রাণকেন্দ্র ছিল মধ্যপ্রাচ্য। এখনো তেমনটি আছে। এটি শুধু জনশক্তি রফতানি নয়, এটাকে বলা যায় অফুরন্ত সম্পদ। যে সম্পদ কখনো শেষ হবার নয়। অথচ রাজনৈতিক বৈষম্য ও অদক্ষতার কারণে তা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ১.০ ১.১ মুসা বিন শমসেরের ব্যাংক হিসাব তলব,নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন। ঢাকা থেকে প্রকাশের তারিখ: ২৪-০৬-২০১১ খ্রিস্টাব্দ।
  2. বিশ্ব বরেণ্য ধনকুবের