মিকায়েল সিলভেস্ত্র্
| মিকায়েল সিলভেস্ত্র্ | ||
| ব্যক্তিগত তথ্য | ||
|---|---|---|
| পূর্ণ নাম | মিকায়েল স্যামি সিলভেস্ত্র্ | |
| জন্ম তারিখ | আগস্ট ৯, ১৯৭৭ | |
| জন্ম স্থান | শঁম্ব্রে-লে-তুর, ফ্রান্স | |
| উচ্চতা | ১.৮৪ মিটার (৬’–০”) | |
| মাঠে অবস্থান | ডিফেন্ডার, লেফট ব্যাক, সেন্টার ব্যাক | |
| ক্লাব তথ্য | ||
| বর্তমান ক্লাব | ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড | |
| জার্সি নম্বর | ২৭ | |
| তরুণ ক্লাব | ||
| ১৯৯৪–১৯৯৫ | রেন | |
| সিনিয়র ক্লাব1 | ||
| বছর | ক্লাব | খেলা (গোল)* |
| ১৯৯৫–১৯৯৮ ১৯৯৮–১৯৯৯ ১৯৯৯– |
রেন [এফ.সি. ইন্টারন্যাজিওনালে মিলানো |
৪৯ (০) ১৮ (১) ২৪৭ (৬) |
| জাতীয় দল2 | ||
| ২০০১– | ফ্রান্স | ৪৪ (৩) |
|
1 পেশাদারী ক্লাবের উপস্থিতি ও গোলসংখ্যা |
||
মিকায়েল সিলভেস্ত্র্ (জন্ম আগস্ট ৯, ১৯৭৭) একজন ফরাসি ফুটবলার, যিনি মূলত একজন ডিফেন্ডার। বর্তমানে তিনি ইংল্যান্ডের প্রিমিয়ার লীগে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের পক্ষে খেলে থাকেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তিনি ফ্রান্সের প্রতিনিধিত্ব করেন।
১৯৯৫/৯৬ মৌসুমে ফরাসি ক্লাব রেন-এর পক্ষে তিনি তার ক্যারিয়ার শুরু করেন। ক্লাবে থাকাকালীন সময়ে তার সুনাম চারদিকে ছড়িয়ে যায় এবং তিনি বিখ্যাত ইতালীয় দল ইন্টারনাৎসিওনালে মিলানোর (ইন্টার মিলান) সাথে ১৯৯৭/৯৮ মৌসুমের জন্য চুক্তিবদ্ধ হন। ইন্টারের সাথে তিনি ১৮টি লীগ ম্যাচ ও ৬টি ইউরোপীয় খেলায় অংশ নেন। ১৯৯৯ সালের ১০ সেপ্টেম্বর তিনি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাথে ৪ মিলিয়ন পাউন্ডের দলবদল ফি-র বিনিময়ে চুক্তিবদ্ধ হন।
সিলিভেস্ত্র্ সেন্টার-ব্যাক বা বাম ফুল-ব্যাক হিসেবেই সাধারণত খেলে থাকেন। তবে তিনি সেন্টার-ব্যাক হিসেবে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] সিলিভেস্ত্রের সবচেয়ে বড় গুণ হচ্ছে তার দৌড়ানোর গতি। তিনি প্রায়ই গোলের সুযোগ তৈরি করে দেন। তার স্ত্রীর নাম সেভরিন এবং এই দম্পতির একমাত্র মেয়ে সন্তান ক্লিও (অক্টোবর ২৭, ২০০৩)।
[সম্পাদনা] বহিঃসংযোগ
|
|||||