মার্গারেট চ্যান

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
মার্গারেট চ্যান
陳馮富珍
২০১১ সালে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে মার্গারেট চ্যান
৭ম মহাপরিচালক
দায়িত্ব
অধিকৃত অফিস
৪ জানুয়ারি, ২০০৭
পূর্বসূরী অ্যান্ডার্স নর্ডস্ট্রম (ভারপ্রাপ্ত)
৪র্থ পরিচালক (হংকং)
কার্যালয়ে
জুন ১৯৯৪-২০ আগস্ট, ২০০৩
পূর্বসূরী লি শু-হাং
উত্তরসূরী ল্যাম পিং-ইয়ান
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম ১৯৪৭
 Hong Kong
জাতীয়তা  হংকং (হংকং পাসপোর্টধারী)
 যুক্তরাজ্য (বিএন(ও))
 জাতিসংঘ (United Nations Laissez-Passer)
দাম্পত্য সঙ্গী ডেভিড চ্যান[১]

মার্গারেট চ্যান ফুং ফু-চান, ওবিই, জেপি (ইংরেজি: Margaret Chan Fung Fu-chun; জন্ম: ১৯৪৭) হংকংয়ে জন্মগ্রহণকারী বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)-এর বর্তমান মহাপরিচালক। ৮ নভেম্বর, ২০০৬ তারিখে নির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক মহাপরিচালক নির্বাচিত হন। পরদিনই তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনের লক্ষ্যে বিশেষ সভা আহ্বান করেন।[২] ১৮ জানুয়ারি, ২০১২ তারিখে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা’র নির্বাহী পরিষদের মাধ্যমে দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য প্রার্থী হন। মে, ২০১২ তারিখে ড. চ্যান বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনের মাধ্যমে জুন, ২০১৭ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন।[৩] এরপূর্বে ১৯৯৪-২০০৩ সাল মেয়াদকালে হংকং সরকারের অধীনে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

হংকংভিত্তিক নর্থকোট কলেজ অব এডুকেশনে গার্হস্থ্য অর্থনীতি বিষয়ের শিক্ষক হিসেবে তিনি পড়াতেন। এরপর তিনি গার্হস্থ্য অর্থনীতি বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন।[৪] ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন অন্টারিও থেকে ১৯৭৩ ও ১৯৭৭ সালে এম.ডি ডিগ্রী লাভ করেন। সিঙ্গাপুর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৫ সালে জনস্বাস্থ্য বিষয়ে এম.এসসি ডিগ্রী অর্জন করেন। যুক্তরাজ্যের রয়েল কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স থেকে পাবলিক হেলথ মেডিসিন অনুষদের অধীনে ফেলোশীপ লাভ করেন। রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ কর্তৃক অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার পদবীতে ভূষিত হন মার্গারেট চ্যান।[৫]

স্বাস্থ্য পরিচালক[সম্পাদনা]

১৯৯৭ সালে এইচ৫এন১ এভিয়েন ইনফ্লুয়েঞ্জা ও ২০০৩ সালে সার্স ভাইরাস হংকংয়ে ছড়িয়ে পড়লে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা প্রতিপালন করেন। এইচ৫এন১ ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত প্রথম রোগীর সন্ধান পাবার পর চ্যান হংকংয়ের অধিবাসীদের আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য অজনপ্রিয় উক্তি ’আমি গতরাতে মুরগীর বাচ্চা খেয়েছি’[৬] অথবা, ’আমি প্রতিদিন মুরগীর বাচ্চা খাই, ভয় পাবার কোন কারণ নেই বলেছেন।’[৭][৮][৯] যখন আরো অনেক এইচ৫এন১ ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকে তখন তিনি ব্যাপকভাবে সমালোচিত হন।[১০] অবশেষে ১.৫ মিলিয়ন মুরগীর বাচ্চা নিধনের মাধ্যমে তিনি সকলের আস্থা অর্জনে সক্ষমতা দেখান।[১১]

সার্স ছড়িয়ে পড়লে ২৯৯ জনের মৃত্যু ঘটে। এরফলে হংকংয়ের গণপরিষদ থেকে সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হন। এছাড়াও সার্স আক্রান্ত রোগী ও আত্মীয়-স্বজনও তাঁর সমালোচনা করতে থাকে।[৯] নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গী থাকায় গণপরিষদ সভা থেকেও সমালোচনা আসতে থাকে।[১২]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

আরও পড়ুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

অলাভজনক সংস্থার অবস্থান
পূর্বসূরী
অ্যান্ডার্স নর্ডস্ট্রম (ভারপ্রাপ্ত)
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক
২০০৭–


উত্তরসূরী
চলমান