মার্গারেট ক্যাম্বল গেইজ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
মার্গারেট ক্যাম্বল গেইজের প্রতিকৃতি , জন সিঙ্গেলটন কপি (১৭৭৭)

মার্গারেট ক্যাম্বল গেইজ (১৭৩৪-১৮২৪) ছিলেন জেনারেল থমাস গেইজের স্ত্রী। থমাস গেইজ আমেরিকার স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর প্রধান সেনা কর্মকতা ছিলেন। ক্যাম্বল স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় তার স্বামীর বিরুদ্ধে গুপ্তচরাবৃত্তি করেছেন। কারণ তিনি জন্মসূত্রে ছিলেন আমেরিকান। তার জন্ম নিউ জার্সির নিউ বার্নসউইকে[১] এবং তিনি পূর্ব বার্নসউইকে বসবাস করতেন।[২]

গুপ্তচরাবৃত্তি[সম্পাদনা]

ঐতিহাসিক গ্রন্থেমতে, বিশেস করে পাউল রিভের্টেসের দওয়া ভাষ্যমতে ক্যাম্বল মূলত স্বাধীনতা আন্দোলনের সময়কার প্রথম যুদ্ধ ল্যাজিংটন ও কনকর্ডের যুদ্ধের সময় তার স্বামীর বিভিন্ন তথ্য আমেরিকান ডাক্তার ও যুদ্ধের সময় আমেরিকার অন্যতম ভূমিকা পালনকারী জোসেফ ওয়ার্নারের কাছে দিয়েছিল। যদি তার এই গুপ্তচরাবৃত্তি সম্পর্কে কোন দালিলিক প্রমান নেই। ফিশার পাউল রিভের্টেসে লেখেন, এটা খুবই সম্ভব যে ক্যাম্বল ওয়ার্নারকে তথ্য সরবরাহ করছিলেন। [৩] এর ফলে তার স্বামী তাকে চার্মিং ন্যান্সি নামক জাহাজে উঠিয়ে উংল্যান্ড পাঠিয়ে দেন।[৪]

পরিবার[সম্পাদনা]

মার্গারেট ক্যাম্বল ছিলেন নিউইয়র্কের মেয়র স্টিফেনাস ভ্যান কর্টল্যান্ডের নাতনী।[৫] তার বাবা পিটার ক্যাম্বল, যিনি নিউজার্সির একজন বড় ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ ছিলেন এবং তার মায়ের নাম গেরটার্ড বায়ার্ড। ১৭৫৮ সালের ৮ ডিসেম্বর তিনি থমাসকে বিয়ে করেন। তাদের আটটি সন্তান রয়েছে। তাদের প্রথম ছেলে ভিসকন্ট গেইজ ১৭৬১ সালে জন্মগ্রহন করে।[৬] তাদের মেয়ে ক্যার্লোটি মার্গারেট গেইজ, ব্রিটিশ অ্যাডমিরাল স্যার চার্লস ওগেলকে বিয়ে করেন।[৭] ক্যাম্বলের ভাই স্টিফেন ক্যাম্বল আমেরিকার স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর লেফটেনান্ট কর্ণেল ছিলেন।[৮]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. New York Historical Society, Vol. 17 of The Kemble Papers, (New York: New Historical Society, 1884), xiv, http://books.google.com/books?hl=en&lr=&id=Qq4FAAAAMAAJ.
  2. Allen, Thomas B. "Margaret+Kemble+Gage"+"east+brunswick" Tories: Fighting for the King in America's First Civil War, HarperCollins, 2010. ISBN 0-06-124180-6, p. 52. Accessed May 26, 2013. "Oliver was a nephew of General Gage's wife, the former Margaret Kemble, from East Brunswick, New Jersey, who adapted to British ways while clinging to her American identity."
  3. David Hackett Fischer, Paul Revere's Ride (New York: Oxford University Press 1994), 96.
  4. David Hackett Fischer, Paul Revere's Ride (New York: Oxford University Press 1994), 290.
  5. New York Historical Society, Vol. 17 of The Kemble Papers, (New York: New Historical Society, 1884), xix, http://books.google.com/books?hl=en&lr=&id=Qq4FAAAAMAAJ.
  6. New York Historical Society, Vol. 17 of The Kemble Papers, (New York: New Historical Society, 1884), xvii, http://books.google.com/books?hl=en&lr=&id=Qq4FAAAAMAAJ.
  7. New York Historical Society, Vol. 17 of The Kemble Papers, (New York: New Historical Society, 1884), xviii, http://books.google.com/books?hl=en&lr=&id=Qq4FAAAAMAAJ.
  8. New York Historical Society, Vol. 17 of The Kemble Papers, (New York: New Historical Society, 1884), xvi, http://books.google.com/books?hl=en&lr=&id=Qq4FAAAAMAAJ.

পদটীকা[সম্পাদনা]