মহিউদ্দীন খান আলমগীর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
মহিউদ্দীন খান আলমগীর
Alamgir mohiuddin Khan.jpg
জন্ম ১৯৪২
চাঁদপুর
জাতীয়তা বাংলাদেশী
বংশোদ্ভূত বাঙালি
নাগরিকত্ব  বাংলাদেশ
যে জন্য পরিচিত রাজনীতিবিদ
ধর্ম মুসলিম

মহিউদ্দীন খান আলমগীর (জন্ম: ১৯৪২) একজন সরকারী কর্মকর্তা, লেখক, রাজনৈতিক নেতা।

জন্ম ও শিক্ষাজীবন[সম্পাদনা]

মহিউদ্দীন খান আলমগীর ১৯৪২ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এবং বস্টন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উন্নয়ন অর্থনীতিতে স্নাতক সম্পন্ন করেন এবং বস্টন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রী লাভ করেন।

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

১৯৬২ থেকে ১৯৬৫ পর্যন্ত ঢাকা বিশবিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগে শিক্ষকতা করেন মহিউদ্দীন খান আলমগীর। সেই বছরই পাকিস্তানের সরকারের সরকারী কর্মকর্তা পদে যোগদান করেন এবং প্রায় ৩২ বছর সরকারের বিভিন্ন পদে কর্মরত ছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পূর্ব পর্যন্ত তিনি নওগায় উপবিভাগীয় কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি ময়্মনসিংহ জেলার ডেপুটি কমিশনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ১৯৭১ সালের যুদ্ধের পর বাংলাদেশের স্বাধীন কর্ম কমিশন গঠিত হয় এবং মহিউদ্দীনকে অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়। তিনি ১৯৭৬ থেকে ১৯৭৯ পর্যন্ত যশোরের জেলা কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত এবং ১৩ই সেপ্টেম্বর ২০১২ থেকে বর্তমান পর্যন্ত বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদে দায়িত্ব পালন করছেন।[১]

সমালোচনা[সম্পাদনা]

২০১৩ সালে সাভারে নয় তালা ভবন ধ্বসের পর বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, বিরোধী দলের (বিএনপি) কর্মীরা হরতালের সময় ঐ ভবনের পিলার ধরে নাড়াচাড়া করে, যা ঐ ভবন ধ্বসের একটি কারন হতে পারে । তার এই বক্তব্য জনসাধারনের মাঝে ব্যাপক সমালোচিত হয়।[২][৩] মুক্তিযোদ্ধা কাদের সিদ্দিকী মহিউদ্দীনকে পাকিস্তানি দোসর বলে অভিযুক্ত করেন কারণ তিনি ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ে পাকিস্তান সরকারের অধীনে উপবিভাগীয় কমিশনার পদে কর্মরত ছিলেন।[৪] স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে বিরোধী দলের উপর অত্যচারে পুলিশ বাহিনীকে ব্যবহারের অভিযোগে মহিউদ্দিনের সমালোচনা করা হয়। এছাড়া পুলিশ বাহিনীকে ব্যবহার করে আন্দোলনে অংশ নেয়া জামাত-শিবিরের প্রায় ১৫০ কর্মীকে হত্যার অভিযোগেও তিনি ব্যাপকভাবে সমালোচিত হন। এই আন্দোলনটি ছিল যুদ্ধাপরাধের দায়ে দন্ডিত তাদের নেতার মুক্তির দাবীতে।[৫]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহি:সংযোগ[সম্পাদনা]