মহাস্নানাগার, মহেঞ্জোদাড়ো

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
মহেঞ্জোদাড়োর মহাস্নানাগার

মহাস্নানাগার মহেঞ্জোদাড়োয় প্রাপ্ত সিন্ধু সভ্যতার ধ্বংসাবশেষের মধ্যে সর্বাপেক্ষা প্রসিদ্ধ স্থাপনা।[১][২] মহেঞ্জোদাড়োর সুরক্ষিত উত্তরাংশের পশ্চিমভাগের স্তুপের মধ্যে এটি পাওয়া গিয়েছে। উল্লেখ্য, এই স্তুপটি "মৃতের স্তুপ" বা "দুর্গ" নামেও পরিচিত।[৩]

পুরাতাত্ত্বিক প্রমাণ থেকে জানা যায়, স্তুপটি নির্মাণের অব্যবহিত পরেই এই স্নানাগারটি। সভ্যতার শেষ ভাগের শেষ পর্বে এই স্নানাগারটি অব্যবহারোপযোগী হয়ে পড়েছিল।[৪] ১৯২৫-২৬ সালে এই স্নানাগারটি আবিষ্কৃত হয়।[১]

মহাস্নানাগারের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ ১১.৮৮ মিটার ও ৭.০১ মিটার। এর সর্বোচ্চ গভীরতা ২.৪৩ মিটার। উত্তরে ও দক্ষিণে দুটি চওড়া সিঁড়ির মাধ্যমে স্নানাগারে প্রবেশ করা যেত।[৫] মহাস্নানাগার নির্মিত হয়েছিল উন্নতমানের পোড়া ইঁট দিয়ে। বিটুমেনের সারি (যা সম্ভবত জল বেরিয়ে যাওয়া রোধ করত) থেকে অনুমিত হয় এটি জল ধরে রাখার জন্য ব্যবহৃত হত। কোনো কোনো গবেষক এই স্নানাগারকে প্রথাগত স্নান বা ধর্মীয় অনুষ্ঠানস্থল বলেছেন। তবে এই স্নানাগার নির্মাণের প্রকৃত উদ্দেশ্য আজও অজ্ঞাত।[১]

পাদটীকা[সম্পাদনা]

  1. ১.০ ১.১ ১.২ SD Area. Ancient Museum. British India.
  2. "Great Bath." Encyclopædia Britannica. 2010. Encyclopædia Britannica Online. 09 Jun. 2010.
  3. Upinder Singh (2009)। A History of Ancient and Early Medieval India: From the Stone Age to the 12th Century। Pearson Education India। পৃ: 149-50। আইএসবিএন 9788131711200 
  4. Gregory L. Possehl (2002)। The Indus civilization: a contemporary perspective। Rowman Altamira। পৃ: 191। আইএসবিএন 9780759101722 
  5. Great Bath, SD Area, looking north.