| ভিক্টর ভ্যালদেস |
 |
| ব্যক্তিগত তথ্য |
| পূর্ণ নাম |
ভিক্টর ভ্যালদেস আই এরিবাস |
| জন্ম |
১৪ জানুয়ারি ১৯৮২ (1982-01-14) (বয়স ৩১) |
| জন্ম স্থান |
এল’হসপিতালেত দি লোব্রেগাত, স্পেন |
| উচ্চতা |
১.৮৩ মিটার (৬’–০”) |
| মাঠে অবস্থান |
গোলরক্ষক |
| ক্লাবের তথ্য |
| বর্তমান ক্লাব |
বার্সেলোনা |
| জার্সি নম্বর |
১ |
| তারূণ্যের কর্মজীবন |
| ১৯৯২ |
বার্সেলোনা |
| ১৯৯২–১৯৯৫ |
তেনেরিফ |
| ১৯৯৫–২০০০ |
বার্সেলোনা |
| বলিষ্ঠ কর্মজীবন* |
| বছর |
দল |
উপস্থিতি† |
(গোল)† |
| ২০০০ |
বার্সেলোনা সি |
১৬ |
(০) |
| ২০০০–২০০৩ |
বার্সেলোনা বি |
৭৭ |
(০) |
| ২০০২–২০১৩ |
বার্সেলোনা |
৩৫২ |
(০) |
| জাতীয় দল‡ |
| ২০০০–২০০১ |
স্পেন অনুর্ধ্ব ১৮ |
১১ |
(০) |
| ২০০১ |
স্পেন অনুর্ধ্ব ১৯ |
৩ |
(০) |
| ২০০১ |
স্পেন অনুর্ধ্ব ২০ |
১ |
(০) |
| ২০০২–২০০৩ |
স্পেন অনুর্ধ্ব ২১ |
১১ |
(০) |
| ২০১০– |
স্পেন |
১০ |
(০) |
| 2001– |
কাতালুনিয়া |
১২ |
(০) |
| * পেশাদারী ক্লাবের উপস্থিতি ও গোলসংখ্যা
শুধুমাত্র ঘরোয়া লিগের জন্য গণনা করা হয়েছে এবং তারিখ অনুযায়ী সঠিক ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩।
† উপস্থিতি(গোল সংখ্যা)।
‡ জাতীয় দলের হয়ে খেলার সংখ্যা এবং গোল তারিখ অনুযায়ী সঠিক ১৫ নভেম্বর ২০১২ |
ভিক্টর ভ্যালদেস আই এরিবাস (উচ্চারণ: [ˈbiktor βalˈdes aˈriβas]; জন্ম ১৪ জানুয়ারি ১৯৮২) একজন স্পেনীয় ফুটবল গোলরক্ষক যিনি বর্তমানে লা লিগার দল বার্সেলোনায় খেলন।
তাকে বার্সেলোনার ইতিহাসের অন্যতম সেরা গোলরক্ষক হিসেবে গন্য করা হয়, যিনি বার্সেলোনার হয়ে উনিশটি শিরোপা জিতেছেন। যার মধ্যে রয়েছে পাঁচটি লা লিগা, তিনটি চ্যাম্পিয়নস লীগ এবং তিনটি কোপা দেল রে শিরোপা। তিনি রেকর্ড পাঁচবার জামোরা ট্রফি জিতেছেন। তিনি গোলরক্ষক হিসেবে বার্সেলোনার হয়ে সবচেয়ে বেশি খেলায় মাঠে নেমেছেন। ২০০২–০৩ মৌসুমে মূল দলে যোগ দেওয়ার পূর্বে তিনি যুব দলে ও বার্সেলোনা বি দলে খেলেছেন।
প্রারম্ভিক জীবন [সম্পাদনা]
ভ্যালদেস জন্মগ্রহন করেন বার্সেলোনার এল’হসপিতালেত দি লোব্রেগাত শহরে। তার বাবার নাম হোসে ম্যানুয়েল ভ্যালদেস এবং মা’র নাম অ্যাগুয়েদা এরিবাস। তার বড় ভাইয়ের নাম রিকার্দো এবং ছোট ভাইয়ের নাম অ্যালভারো। ভ্যালদেস তার ক্যারিয়ার শুরু করেন বার্সেলোনার যুব দলে। ১৯৯২ সালের ১ জুলাই তিনি যুব দলে যোগ দেন। কিন্তু সেপ্টেম্বরে, তিনি তার পরিবারের সাথে তেনেরিফে চলে যান এবং ক্লাব ছেড়ে দেন। তিন বছর পর তিনি আবার বার্সেলোনায় ফিরে আসেন। ফিরে আসার পর যুব দলে তিনি খুব দ্রুতই উন্নতি করতে থাকেন।
আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার [সম্পাদনা]