ব্রণ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
অ্যাকনি ভালগারিস
শ্রেণীবিভাগ এবং বহিরাগত রিসোর্স
বয়ঃসন্ধিকালীন সময়ে ১৪ বছর বয়সী একজন কিশোরের ব্রণ।
আইসিডি-১০ L70.0
আইসিডি- 706.1
রোগ ডাটাবেস ১০৭৬৫
মেডলাইনপ্লাস 000873
ইঔষধ derm/2
মেএসএইচ D000152

অ্যাকনি ভালগারিস (কিংবা শুধু অ্যাকনি অথবা ব্রণ) মানব ত্বকের একটি দীর্ঘমেয়াদী রোগবিশেষ যা বিশেষত লালচে ত্বক, প্যাপ্যুল, নডিউল, পিম্পল, তৈলাক্ত ত্বক, ক্ষতচিন্হ বা কাটা দাগ ইত্যাদি দেখে চিন্হিত করা যায়।[১] ভীতি উদ্রেকের পাশাপাশি, এটির প্রধান পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হচ্ছে আত্ম-বিশ্বাস কমে যাওয়া। অতিরিক্ত পর্যায়ে মানসিক অবসাদ এবং আত্মহত্যার মত অবস্থার উদ্ভব হতে পারে।[২][৩][৪] একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে,ব্রণের রোগীদের আত্মহত্যার পরিমাণ ৭.১%.[৫]

বয়ঃসন্ধিকালে লিঙ্গ নির্বিশেষে টেস্টোস্টেরন এর মত অ্যান্ড্রোজেন বৃদ্ধির ফলে ব্রণ হতে পারে।[৬] ত্বকের উপর তৈলাক্ত গ্রন্থির মাত্রার উপর ব্রণ হওয়া নির্ভর করে।এমন সব স্থান হল-মুখ,বুকের উপর অংশ, পিঠ।[৭] অনেক ব্রণ অনাক্রম্যতা প্রদর্শন করে।.[৮][৯] ত্বকে উপস্থিত হেয়ার ফলিকল এবং সিবেসিয়াস গ্রন্থির মাত্রা অ্যান্ড্রোজেন নিঃসরণের হার নির্ধারণ করে।

অনেক ধরনের চিকিৎসা আছে।স্বল্প পরিমাণ কার্বোহাইড্রেট যেমন চিনি খাওয়া হতে পারে।[১০] ঔষধের মধ্যে আছে: বেনজইল পারঅক্সাইড, অ্যান্টিবায়োটিক,রেটিনয়েড, হরমোন চিকিৎসা, স্যালিসাইলিক এসিড, আলফা হাইড্রক্সি এসিড, নিকোটিনামাইড,কেরাটোলাইটিক সাবান।[১১] দ্রুত চিকিৎসা ব্রণের দীর্ঘস্থায়ী প্রভাবকে বিনাশ করে।[১২] বয়ঃসন্ধিকালে ব্রণ বেশি হয়,পাশ্চাত্যে যার পরিমাণ ৮০-৯০% [১৩][১৪][১৫] গ্রাম্য সমাজে এর মাত্রা কম।[১৫][১৬] ২০১০ সালে সারা বিশ্বব্যাপী ৬৫০ মিলিয়ন মানুষের ৮ম কমন রোগ হিসেবে নির্ণীত হয়েছে। [১৭] সময়ের সাথে সাথে অধিকাংশ মানুষের ব্রণ কমে যায়,এবং ২৫ বছরের মধ্যে নির্মুল না হলেও একদমই কমে যায়। [১৮] ফলে, ব্রণ কবে একেবারে শেষ হয়ে যাবে,তা পূর্বানুমান করা যায় না।কিছু কিছু মানুষের ৩০-৪০ বছরের পরেও ব্রণ থাকতে দেখা যায়।[১৯]

লক্ষণ[সম্পাদনা]

কারণ[সম্পাদনা]

হরমোন[সম্পাদনা]

মাসিক চক্র এবং বয়ঃসন্ধিকালে হরমোনের কারণে ব্রণ হয়।বয়ঃসন্ধিকালে, অ্যান্ড্রোজেন বৃদ্ধির কারণে সিবাম তৈরি হয়[৭][২০] গর্ভকালীন সময়েও অ্যান্ড্রোজেন বৃদ্ধির কারণে অতিরিক্ত সিবাম তৈরি হয়[৯][২১] কিছু হরমোন ব্রণের সাথে সম্পর্কযুক্ত: টেস্টোস্টেরন, ডিহাইড্রোএপিএন্ডোস্টেরন।

পরবর্তী জীবনে ব্রণ হওয়া অস্বাভাবিক,যদিও ব্রণের মতই আরেক ধরনের উপস্থিতি থাকতে পারে। প্রাপ্ত বয়স্ক নারীর ব্রণের পিছনে গর্ভধারণের মত স্বাভাবিক বিষয় থেকে পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম বা কুশিং সিন্ড্রোম থাকতে পারে।

জেনেটিক[সম্পাদনা]

কিছু ব্যক্তির ব্রণের পিছনে জেনেটিক উপাদান যেমন TNF-আলফা, IL-1 আলফা ইত্যাদি দায়ী বলে মনে করা হয়, যা যমজ তত্ত্ব দ্বারা সমর্থিত। এসব প্রচলিত মেন্ডেলের বংশগতির পোষকের প্যাটার্নকে অনুসরণ করে না।

মানসিক[সম্পাদনা]

অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করলে ব্রণ বাড়ে।[২২] "মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব হেলথ দুশ্চিন্তাকে ব্রণ বৃদ্ধিকারক একটি এজেন্ট বলে উল্লেখ করে।"[২৩]

সংক্রমণ[সম্পাদনা]

Propionibacterium acnes একটি অ্যানারবিক ব্যাক্টেরিয়ার প্রজাতি যা ব্রণের পিছনে অনেকাংশে দায়ী, যদিও শুধুমাত্র P. acnes দ্বারা কলোনী সৃষ্টির পর Staphylococcus aureus কেও দায়ী করা হয়।[২৪] তারপরেও,P. acnes এর বিশেষ কিছু জাত দীর্ঘমেয়াদি ব্রণের সমস্যার সাথে সম্পর্কযুক্ত।[২৫] ,P. acnes এর অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ দিন দিন বাড়ছে।[২৬] 'Demodex পরজীবির কোন প্রভাব থাকতে পারে কি না,তা স্পষ্ট নয়।[২৭]

খাদ্য[সম্পাদনা]

খাদ্য এবং ব্রণের মাঝে সম্পর্কের কোন দৃঢ় প্রমাণ নেই।তবে অনেকে মনে করেন তৈলাক্ত খাবার খেলে ব্রণ হয়।

প্যাথোফিজিওলজি[সম্পাদনা]

রোগ নির্ণয়[সম্পাদনা]

ব্রণের মাত্রা নিরূপণের কিছু পন্থা আছে,যা নিম্নোক্ত:

  • লিডস গ্রীডিং : সংক্রামতা এবং অসংক্রামতা নির্ধারণ করে(বিস্তার ০–১০)।
  • কুকস গ্রেডিং স্কেল: ছবি ব্যবহার করে মাত্রা নির্ধারণ করে(সবচেয়ে কম ০,সবচেয়ে বেশি ৮)।
  • পিলসবারি স্কেল: মাত্রা নির্ধারণ করে ১ (সবচেয়ে কম) - ৪ (সবচেয়ে বেশি)।

পরিণতি[সম্পাদনা]

ব্রণ সচরাচর বিশ বছরের আশেপাশেই শেষ হয়ে যায়,তবে প্রাপ্তবয়স্কদেরও থাকতে পারে।[১১] স্থায়ী দাগও থেকে যেত পারে।[১৪]

চিকিৎসা[সম্পাদনা]

বেনজইল পারঅক্সাইড[সম্পাদনা]

অ্যান্টিবায়োটিক[সম্পাদনা]

স্যালিসাইলিক এসিড[সম্পাদনা]

হরমোন[সম্পাদনা]

টপিক্যাল রেটিনয়েড[সম্পাদনা]

ওরাল রেটিনয়েড[সম্পাদনা]

সমন্বিতকরণ[সম্পাদনা]

প্রক্রিয়া[সম্পাদনা]

রোগতত্ত্ব[সম্পাদনা]

২০১০ সালে সারা বিশ্বব্যাপী ৬৫০ মিলিয়ন মানুষের ব্রণ হয়েছিল, মোট জনসংখ্যার ৯.৪%।[২৮] পাশ্চাত্যে প্রায় ৯০% মানুষের কৈশোরকালে ব্রণ হয়ে প্রাপ্তবয়স পর্যন্ত বিরাজ করেছে।[১৪] বয়ঃসন্ধির পরে (২৫ বছরের পর) ৫৪% নারীর এবং ৪০% পুরুষের ব্রণ হয়।[৯] ৮৫% ব্যক্তির জীবনব্যাপী ব্রণ রয়েছে,[৯] ২০% মানুষের মারাত্মক অবস্থায়।[২৯] গ্রাম্য সমাজে এর মাত্রা কম[১৬] পাপুয়া নিউ গিনি এবং প্যারাগুয়েতে ব্রণ প্রায় হয় না বললেই চলে।[২৯] ছেলেদের থেকে মেয়েদের বেশি(৯.৮% বনাম ৯.0%).[২৮] ৪০ বছরের বেশি মানুষের মধ্যে ১% পুরুষ ও ৫%নারীর সমস্যা থেকে যেতে পারে।[১৪] সকল বয়সের মানুষই আক্রান্ত হতে পারে,[২৯][৩০]

যুক্তরাষ্ট্রে ৪০-৫০ মিলিওন মানুষের ব্রণ হয় (১৬%) এবং অস্ট্রেলিয়াতে ৩-৫ মিলিওন (২৩%)।[৭][৩১]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

  • প্রাচীন মিশর, গ্রীস, রোমে ব্রণের চিকিৎসায় সালফার ব্যবহৃত হত।[৩২]
  • ১৯২০ সাল: বেনজইল পারঅক্সাইড[৩৩]
  • ১৯৭০ সাল: ট্রেটিনইন[৩৪].[৩৫] ।মাইনোসাইক্লিনের মত অ্যান্টিবায়োটিকও ব্যবহৃত হত।
  • ১৯৮০ সাল:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অ্যাকুটেন ব্যবহৃত হত,যা পরবর্তীতে টেরাটোজেন বলে প্রতীয়মান হয়,যা গর্ভধারণের সময় ভ্রূণের মারাত্মক ক্ষতি করে।সেখানে ১৯৮২ থেকে ২০০৩ সালের মধ্যে ২০০০ এর অধিক নারী এই উপাদান গ্রহণ করে গর্ভবতী হন,যার অধিকাংশই গর্ভপাতে পর্যবসিত হয়।জন্মগত ত্রুটি নিয়ে ১৬০ টিরও বেশি শিশু জন্মগ্রহণ করে।[৩৬][৩৭]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Adityan B, Kumari R, Thappa DM (May 2009)। "Scoring systems in acne vulgaris"। Indian Journal of Dermatology, Venereology and Leprology 75 (3): 323–6। ডিওআই:10.4103/0378-6323.51258পিএমআইডি 19439902 
  2. Purvis, Diana; Robinson, Elizabeth; Merry, Sally; Watson, Peter (2006)। "Acne, anxiety, depression and suicide in teenagers: A cross-sectional survey of New Zealand secondary school students"। Journal of Paediatrics and Child Health 42 (12): 793–6। ডিওআই:10.1111/j.1440-1754.2006.00979.xপিএমআইডি 17096715 
  3. Barnes LE, Levender MM, Fleischer AB Jr, Feldman SR (April 2012)। "Quality of life measures for acne patients"। Dermatologic Clinics 30 (2): 293–300। ডিওআই:10.1016/j.det.2011.11.001পিএমআইডি 22284143 
  4. Goodman, G (July 2006)। "Acne and acne scarring–the case for active and early intervention"Australian family physician 35 (7): 503–4। পিএমআইডি 16820822 
  5. Picardi, Angelo; Mazzotti, Eva; Pasquini, Paolo (2006)। "Prevalence and correlates of suicidal ideation among patients with skin disease"। Journal of the American Academy of Dermatology 54 (3): 420–6। ডিওআই:10.1016/j.jaad.2005.11.1103পিএমআইডি 16488292 
  6. James, William D. (2005)। "Acne"। New England Journal of Medicine 352 (14): 1463–72। ডিওআই:10.1056/NEJMcp033487পিএমআইডি 15814882 
  7. ৭.০ ৭.১ ৭.২ Benner, Nicholas; Sammons, Dawn (2013)। "Overview of the treatment of acne vulgaris"। Osteopathic Family Physician 5 (5): 185–90। ডিওআই:10.1016/j.osfp.2013.03.003 
  8. Harper, Julie C (6 August 2009)। "Acne Vulgaris"। eMedicine। সংগৃহীত 2009-12-21 
  9. ৯.০ ৯.১ ৯.২ ৯.৩ Kong YL, Tey HL (June 2013)। "Treatment of acne vulgaris during pregnancy and lactation"। Drugs 73 (8): 779–87। ডিওআই:10.1007/s40265-013-0060-0পিএমআইডি 23657872 
  10. Mahmood, SN; Bowe, WP (Apr 1, 2014)। "Diet and acne update: carbohydrates emerge as the main culprit."। Journal of drugs in dermatology : JDD 13 (4): 428–35। পিএমআইডি 24719062 
  11. ১১.০ ১১.১ Ramos-e-Silva, M; Carneiro, SC (2009)। "Acne vulgaris: Review and guidelines"। Dermatology nursing / Dermatology Nurses' Association 21 (2): 63–8; quiz 69। পিএমআইডি 19507372 
  12. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; Goodman নামের ref গুলির জন্য কোন টেক্সট প্রদান করা হয়নি
  13. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; Taylor2011 নামের ref গুলির জন্য কোন টেক্সট প্রদান করা হয়নি
  14. ১৪.০ ১৪.১ ১৪.২ ১৪.৩ Dawson, A. L.; Dellavalle, R. P. (2013)। "Acne vulgaris"। BMJ 346: f2634। ডিওআই:10.1136/bmj.f2634পিএমআইডি 23657180 
  15. ১৫.০ ১৫.১ Berlin, David J. Goldberg, Alexander L.। Acne and Rosacea Epidemiology, Diagnosis and Treatment.। London: Manson Pub.। পৃ: 8। আইএসবিএন 9781840766165 
  16. ১৬.০ ১৬.১ Spencer, EH; Ferdowsian, HR; Barnard, ND (Apr 2009)। "Diet and acne: a review of the evidence."। International Journal of Dermatology 48 (4): 339–47। ডিওআই:10.1111/j.1365-4632.2009.04002.xপিএমআইডি 19335417 
  17. Hay, RJ; Johns, NE; Williams, HC; Bolliger, IW; Dellavalle, RP; Margolis, DJ; Marks, R; Naldi, L; Weinstock, MA; Wulf, SK; Michaud, C; J L Murray, C; Naghavi, M (Oct 28, 2013)। "The Global Burden of Skin Disease in 2010: An Analysis of the Prevalence and Impact of Skin Conditions."। The Journal of investigative dermatologyপিএমআইডি 24166134  |coauthors= প্যারামিটার অজানা, উপেক্ষা করুন (সাহায্য)
  18. Arndt, Hsu; Kenneth, Jeffrey (2007)। Manual of dermatologic therapeutics। Lippincott Williams & Wilkins। আইএসবিএন 0-7817-6058-5 [পৃষ্ঠা নম্বর]
  19. Anderson, Laurence. 2006. Looking Good, the Australian guide to skin care, cosmetic medicine and cosmetic surgery. AMPCo. Sydney. ISBN 0-85557-044-X.[পৃষ্ঠা নম্বর]
  20. "Frequently Asked Questions: Acne"। U.S. Department of Health and Human Services, Office of Public Health and Science, Office on Women's Health। 16 July 2009। সংগৃহীত 2009-07-30 
  21. Melnik, Bodo; Jansen, Thomas; Grabbe, Stephan (2007)। "Abuse of anabolic-androgenic steroids and bodybuilding acne: An underestimated health problem"। JDDG 5 (2): 110–7। ডিওআই:10.1111/j.1610-0387.2007.06176.xপিএমআইডি 17274777 
  22. Chiu, Annie; Chon, SY; Kimball, AB (2003)। "The Response of Skin Disease to Stress"। Archives of Dermatology 139 (7): 897–900। ডিওআই:10.1001/archderm.139.7.897পিএমআইডি 12873885 
  23. National Institute of Arthritis and Musculoskeletal and Skin Diseases, National Institutes of Health (January 2006). "Questions and Answers about Acne" [১], p. 5.
  24. Bek-Thomsen, M.; Lomholt, H. B.; Kilian, M. (2008)। "Acne is Not Associated with Yet-Uncultured Bacteria"। Journal of Clinical Microbiology 46 (10): 3355–60। ডিওআই:10.1128/JCM.00799-08পিএমআইডি 18716234পিএমসি 2566126 
  25. Lomholt, Hans B.; Kilian, Mogens (2010)। "Population Genetic Analysis of Propionibacterium acnes Identifies a Subpopulation and Epidemic Clones Associated with Acne"। in Bereswill, Stefan। PLoS ONE 5 (8): e12277। ডিওআই:10.1371/journal.pone.0012277পিএমআইডি 20808860পিএমসি 2924382 
  26. "National Guideline Clearinghouse"। Guideline.gov। 11/12/2007। 
  27. University of Nottingham Centre of Evidence Based Dermatology (2012)। "2011-2012 Annual Evidence Update on Acne vulgaris"। পৃ: 10। সংগৃহীত 23 September 2013 
  28. ২৮.০ ২৮.১ Vos, Theo; Flaxman (2012)। "Years lived with disability (YLDs) for 1160 sequelae of 289 diseases and injuries 1990–2010: A systematic analysis for the Global Burden of Disease Study 2010"। The Lancet 380 (9859): 2163–96। ডিওআই:10.1016/S0140-6736(12)61729-2পিএমআইডি 23245607 
  29. ২৯.০ ২৯.১ ২৯.২ Bhate, K; Williams, HC (Mar 2013)। "Epidemiology of acne vulgaris."। The British journal of dermatology 168 (3): 474–85। ডিওআই:10.1111/bjd.12149পিএমআইডি 23210645 
  30. Shah, Sejal K.; Alexis, Andrew F. (2010)। "Acne in skin of color: Practical approaches to treatment"। Journal of Dermatological Treatment 21 (3): 206–11। ডিওআই:10.3109/09546630903401496পিএমআইডি 20132053 
  31. White, Gary M. (1998)। "Recent findings in the epidemiologic evidence, classification, and subtypes of acne vulgaris"। Journal of the American Academy of Dermatology 39 (2): S34–7। ডিওআই:10.1016/S0190-9622(98)70442-6পিএমআইডি 9703121 
  32. Keri J, Shiman M (2009)। "An update on the management of acne vulgaris"Clin Cosmet Investig Dermatol 17 (2): 105–10। পিএমআইডি 21436973পিএমসি 3047935 
  33. Myra Michelle Eby, Michelle Eby Myra। Return to Beautiful Skin। Basic Health Publications। পৃ: 275। 
  34. "Tretinoin (retinoic acid) in acne"। The Medical letter on drugs and therapeutics 15 (1): 3। 1973। পিএমআইডি 4265099 
  35. Jones, H (1980)। "13-Cis Retinoic Acid and Acne"। The Lancet 316 (8203): 1048–9। ডিওআই:10.1016/S0140-6736(80)92273-4পিএমআইডি 6107678 
  36. Bérard, Anick; Azoulay, Laurent; Koren, Gideon; Blais, Lucie; Perreault, Sylvie; Oraichi, Driss (2007)। "Isotretinoin, pregnancies, abortions and birth defects: A population-based perspective"। British Journal of Clinical Pharmacology 63 (2): 196–205। ডিওআই:10.1111/j.1365-2125.2006.02837.xপিএমআইডি 17214828পিএমসি 1859978 
  37. Holmes, SC; Bankowska, U; MacKie, RM (1998)। "The prescription of isotretinoin to women: Is every precaution taken?"। British Journal of Dermatology 138 (3): 450–5। ডিওআই:10.1046/j.1365-2133.1998.02123.xপিএমআইডি 9580798 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

  • Questions and Answers about Acne - US National Institute of Arthritis and Musculoskeletal and Skin Diseases (যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব মাসকিউলোস্কেলেটাল এন্ড স্কিন ডিজিজেস)