বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল
শয়তানের ত্রিভূজ
Bermuda Triangle.png
পশ্চিম আটলান্টিক অঞ্চলের ছবি, যেখানে দেখানো হয়েছে কথিত বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের অবস্থান

বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল যা শয়তানের ত্রিভূজ নামেও পরিচিত, আটলান্টিক মহাসাগরের একটি বিশেষ অঞ্চল, যেখান বেশ কিছু জাহাজ ও উড়োজাহাজ রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ হওয়ায় কথা বলা হয়। অনেকে মনে করেন ঐ সকল অন্তর্ধানের কারণ নিছক দূর্ঘটনা, যার কারণ হতে পারে প্রাকৃতিক দূর্যোগ অথবা চালকের অসাবধানতা। আবার চলতি উপকথা অনুসারে এসবের পেছনে দায়ী হল কোন অতিপ্রকৃতিক কোন শক্তি বা ভিনগ্রহের কোন প্রাণীর উপস্থিতি। [১] তবে এ বিষয়ে পর্যাপ্ত তথ্য রয়েছে যে , যেসব দূর্ঘটনার উপর ভিত্তি করে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলকে চিহ্নিত করা হয়েছে তার বেশ কিছু ভুল, কিছু লেখক দ্বারা অতিরঞ্জিত হয়েছে এমনকি কিছু দূর্ঘটনার সাথে অন্যান্য অঞ্চলের দূর্ঘটনার কোনই পার্থক্য নেই। [২][৩][৪]

পরিচ্ছেদসমূহ

ত্রিভূজের বিস্তৃতি[সম্পাদনা]

বিভিন্ন লেখকের বর্ণনায় বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের বিস্তৃতিতে ভিন্নতা রয়েছে।

এই ত্রিভূজের উপর দিয়ে মেক্সিকো উপসাগর থেকে উষ্ণ সমুদ্র স্রোত বয়ে গেছে। এই তীব্র গতির স্রোতই মূলত অধিকাংশ অন্তর্ধানের কারণ। এখানকার আবহাওয়া এমন যে হঠাৎ করে ঝড় ওঠে আবার থেমে যায়, গ্রীষ্মে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে। বিংশ শতাব্দীতে টেলিযোগাযোগ, রাডার ও স্যাটেলাইট প্রযুক্তি পৌঁছানোর আগে এমন অঞ্চলে জাহাজডুবি খুব স্বাভাবিক একটি ঘটনা। এই অঞ্চল বিশ্বের ভারী বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলকারী পথগুলোর অন্যতম। জাহাজগুলো আমেরিকা, ইউরোপক্যারিবিয়ান দ্বীপপূঞ্জে যাতায়াত করে। এছাড়া এটি হল প্রচুর প্রমোদতরীর বিচরণ ক্ষেত্র। এ অঞ্চলের আকাশপথে বিভিন্ন রুটে বাণিজ্যিক ও ব্যক্তিগত বিমান চলাচল করে। ত্রিভূজের বিস্তৃতির বর্ননায় বিভিন্ন লেখক বিভিন্ন মত দিয়েছেন। কেউ মনে করেন এর আকার ট্রাপিজয়েডের মত, যা ছড়িয়ে আছে স্ট্রেইটস অব ফ্লোরিডা, বাহামা এবং ক্যারিবিয়ান দ্বীপপূঞ্জ এবং ইশোর (Azores) পূর্বদিকের আটলান্টিক অঞ্চল জুড়ে, আবার কেউ কেউ এগুলোর সাথে মেক্সিকোর উপসাগরকেও যুক্ত করেন। তবে লিখিত বর্ণনায় যে সাধারণ অঞ্চলের ছবি ফুটে ওঠে তাতে রয়েছে ফ্লোরিডার আটলান্টিক উপকূল, সান হোয়ান (San Juan), পর্তু রিকো, মধ্য আটলান্টিকে বারমুডার দ্বীপপূঞ্জ এবং বাহামা ও ফ্লোরিডা স্ট্রেইটস এর দক্ষিণ সীমানা যেখান ঘটেছে অধিকাংশ দূর্ঘটনা। [৫]

ত্রিভূজ গল্পের ইতিহাস[সম্পাদনা]

বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল বিষয়ে যারা লিখেছেন তাঁদের মতে ক্রিস্টোফার কলম্বাস সর্বপ্রথম এই ত্রিভূজ বিষয়ে অদ্ভুত অভিজ্ঞতার কথা লিখেন। তিনি লিখেছিলেন যে তাঁর জাহাজের নবিকেরা এ অঞ্চলের দিগন্তে আলোর নাচানাচি, আকাশে ধোঁয়া দেখেছেন। এছাড়া তিনি এখানে কম্পাসের উল্টাপাল্টা দিক নির্দেশনার কথাও বর্ণনা করেছেন। তিনি ১১ই অক্টোবর, ১৪৯২ তে তাঁর লগ বুকে লিখেন – [৬]

"The land was first seen by a sailor (Rodrigo de Triana), although the Admiral at ten o'clock that evening standing on

the quarter-deck saw a light, but so small a body that he could not affirm it to be land; calling to Pero Gutiérrez, groom of the King's

wardrobe, he told him he saw a light, and bid him look that way, which he did and saw it; he did the same to Rodrigo Sánchez of Segovia, whom the King and Queen had sent with the squadron as comptroller, but he was unable to see it from his situation. The Admiral again perceived it once or twice, appearing like the light of a wax candle moving up and down, which some thought an indication of land. But the Admiral held it for certain that land was near..."

বর্তমানে বিশেষজ্ঞরা প্রকৃত লগবুক পরীক্ষা করে যে মত দিয়েছেন তার সারমর্ম হল – নাবিকেরা যে আলো দেখেছেন তা হল স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ব্যবহৃত নৌকায় রান্নার কাজে ব্যবহৃত আগুন, আর কম্পাসে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছিল নক্ষত্রের অবস্থান পরিবর্তনের কারণে। ১৯৫০ সালের ১৬ই সেপ্টেম্বর ই. ভি. ডব্লিউ. জোন্স( E.V.W. Jones) সর্বপ্রথম এ ত্রিভূজ নিয়ে খবরের কাগজে লিখেন।[৭] এর দু বছর পর ফেইট (Fate)ম্যাগাজিনে জর্জ এক্স. স্যান্ড( George X. Sand) “সী মিস্ট্রি এট আওয়ার ব্যাক ডোর” ("Sea Mystery At Our Back Door") শিরোনামে একটি ছোট প্রবন্ধ লিখেন।[৮], এ প্রবন্ধে তিনি ফ্লাইট নাইনটিন ( ইউ এস নেভী-র পাঁচটি ‘টি বি এম অ্যাভেন্জার’ বিমানের একটি দল, যা প্রশিক্ষণ মিশনে গিয়ে নিখোঁজ হয়) এর নিরুদ্দেশের কাহিনী বর্ণনা করেন এবং তিনিই প্রথম এই অপরিচিত ত্রিভূজাকার অঞ্চলের কথা সবার সামনে তুলে ধরেন।

১৯৬২ সালের এপ্রিল মাসে ফ্লাইট নাইনটিন নিয়ে আমেরিকান লিজান (American Legion) ম্যগাজিনে লিখা হয়। [৯] বলা হয়ে থাকে এই ফ্লাইটের দলপতি কে নাকি বলতে শোনা গিয়েছে- We don't know where we are, the water is green, no white। এর অর্থ হল "আমরা কোথায় আছি জানি না, সবুজ বর্ণের জল, কোথাও সাদা কিছু নেই"। এতেই প্রথম ফ্লাইট নাইনটিনকে কোন অতিপ্রাকৃতিক ঘটনার সাথে যুক্ত করা হয়। এরপর ভিনসেন্ট গডিস (Vincent Gaddis) “প্রাণঘাতী বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল”( The Deadly Bermuda Triangle) নামে আর এক কাহিনী ফাঁদেন ১৯৬৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে।[১০] এর উপর ভিত্তি করেই তিনি আরও বিস্তর বর্ণনা সহকারে লিখেন "ইনভিজিবল হরাইজন" (Invisible Horizons) মানে “অদৃশ্য দিগন্ত” নামের বই। [১১] আরও অনেক লেখকই নিজ নিজ মনের মাধুরী মিশিয়ে এ বিষয়ে বই লিখেন, তাঁরা হলেন জন ওয়ালেস স্পেন্সার, তিনি লিখেন "লিম্বো অফ দ্যা লস্ট" (Limbo of the Lost, 1969, repr. 1973), মানে “বিস্মৃত অন্তর্ধান” [১২]; চার্লস বার্লিটজ (Charles Berlitz) লিখেন “দি বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল”(The Bermuda Triangle, 1974),[১৩]; রিচার্ড উইনার লিখেন "দ্যা ডেভিল'স ট্রায়াঙ্গেল" “শয়তানের ত্রিভূজ” (The Devil's Triangle, 1974) নামের বই,[১৪], এছাড়া আরও অনেকেই লিখেছেন। এরা সবাই ঘুরেফিরে একার্ট ( Eckert) বর্ণিত অতিপ্রাকৃতিক ঘটানাই বিভিন্ন স্বাদে উপস্থাপন করেছেন। [১৫]

কুসচ ( Kusche) এর ব্যাখ্যা[সম্পাদনা]

লরেন্স ডেভিড কুসচ হলেন “অ্যারিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটি”-র রিসার্চ লাইব্রেরিয়ান এবং “ দ্যা বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল মিস্ট্রি: সলভড (১৯৭৫)” এর লেখক। তাঁর গবেষণায় তিনি চার্লস বার্লিটজ (Charles Berlitz) এর বর্ণনার সাথে প্রত্যক্ষ্যদর্শীদের বর্ণনার অসংগতি তুলে ধরেন। যেমন- যথেষ্ট সাক্ষ্যপ্রমান থাকার পরেও বার্লিটজ (Charles Berlitz) বিখ্যাত ইয়টসম্যান ডোনাল্ড ক্রোহার্সট(Donald Crowhurt) এর অন্তর্ধানকে বর্ণনা করেছেন রহস্য হিসেবে। আরও একটি উদাহরণ হল- আটলান্টিকের এক বন্দর থেকে ছেড়ে যাওয়ার তিন দিন পরে একটি আকরিকবাহী জাহাজের নিখোঁজ হবার কথা বার্লিটজ বর্ণনা করেছেন, আবার অন্য এক স্থানে একই জাহাজের কথা বর্ণনা করে বলেছেন সেটি নাকি প্রশান্ত মহাসাগরের একটি বন্দর থেকে ছাড়ার পর নিখোঁজ হয়েছিল। এছাড়াও কুসচ দেখান যে বর্ণিত দূর্ঘটনার একটি বড় অংশই ঘটেছে কথিত ত্রিভূজের সীমানার বাইরে। কুসচ এর গবেষণা ছিল খু্বই সাধারন। তিনি শুধু লেখকদের বর্ণনায় বিভিন্ন দূর্ঘটনার তারিখ, সময় ইত্যাদি অনুযায়ী সে সময়ের খবরের কাগজ থেকে আবহাওয়ার খবর আর গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো সংগ্রহ করেছেন যা গল্পে লেখকরা বলেননি। কুসচ –এর গবেষণায় যা পাওয়া যায় তা হল-

  • বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলে যে পরিমাণ জাহাজ ও উড়োজাহাজ নিখোঁজ হওয়ায় কথা বলা হয় তার পরিমাণ বিশ্বের অন্যান সমুদ্রের তুলনায় বেশি নয়।
  • এ অঞ্চলে গ্রীষ্মমন্ডলীয় ঝড় (tropical storms) নিয়মিত আঘাত হানে, যা জাহাজ ও উড়োজাহাজ নিখোঁজ হওয়ার অন্যতম কারন। কিন্তু বার্লিটজ বা অন্য লেখকেরা এধরনের ঝড়ের কথা অনেকাংশেই এড়িয়ে গিয়েছেন।
  • অনেক ঘটনার বর্ণনাতেই লেখকেরা কল্পনার রং চড়িয়েছেন। আবার কোন নৌকা নির্দিষ্ট সময়ের চেয়ে দেরিতে বন্দরে ভিড়লে তাকে নিখোঁজ বলে‌ প্রচার করা হয়েছে।
  • আবার কখনোই ঘটেনি এমন অনেক ঘটনার কথা লেখকেরা বরেছেন। যেমন- ১৯৩৭ সালে ফ্লোরিডার ডেটোনা সমুদ্রতীরে( Daytona Beach) একটি বিমান দূর্ঘটনার কথা বলা হয়, কিন্তু সেসময়ের খবরের কাগজ থেকে এ বিষয়ে কোন তথ্যই পাওয়া যায়নি।

সুতরাং কুসচ –এর গবেষণার উপসংহারে বলা যায়- লেখকরা অজ্ঞতার কারনে অথবা ইচ্ছাকৃত ভাবে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল নিয়ে বানোয়াট রহস্য তৈরি করেছেন।[১৬] §Epilogue, p. 277

অন্যদের প্রতিক্রিয়া[সম্পাদনা]

মেরিন বীমা কোম্পানী “লয়েড'স অব লন্ডন”(Lloyd's of London) দেখেছে যে , এই ত্রিভূজে অন্য সমুদ্রের চেয়ে উল্লেখ্য করবার মত ভয়ংকর কিছু নেই। তাই তারা এই অঞ্চল দিয়ে গমনকারী কোন জাহাজের উপর স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি মাশুল আদায় করে না। যুক্তরাষ্ট্রের কোস্ট গার্ড লেখকদের বর্ণনার উপর ব্যাপক অনুসন্ধানের পর অনুমোদন করেছে এই অঞ্চলে অস্বাভাবিক কিছু নেই। [১৭] উদাহরণ হিসেবে বলা যায়- ১৯৭২ সালে ভি.এ. ফগ (V.A. Fogg) নামের একটি ট্যাঙ্কার মেক্সিকো উপসাগরে বিষ্ফোরণেরর পর ডুবে যায়। কোস্ট গার্ডরা সে বিধ্বস্ত ট্যাঙ্কারের ছবি তোলেন এবং বেশ কিছু মৃত দেহও উদ্ধার করেন। [১৮], কিন্তু কতিপয় লেখক বলেছেন ঐ ট্যাঙ্কারের সব আরোহী অদৃশ্য হয়ে গেছে, শুধুমাত্র এর ক্যাপ্টেনকে তার কেবিনের টেবিলে হাতে কফির মগ ধরা অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। [১২] টিভি সিরিয়াল NOVA / Horizon এর “ দ্যা কেস অব দ্যা বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল (১৯৭৬-০৬-২৭)” পর্বে বলা হয়েছিল , যে সব দূর্ঘটনার কথা বলা হয় সেগুলো ভিত্তিহীন।"[১৯] সংশয়বাদী গবেষকগণ, যেমন আর্নেস্ট ট্যাভস ( Ernest Taves)[২০] এবং ব্যারি সিংগার( Barry Singer)[২১], দেখিয়েছেন যে , মিথ্যে রহস্য তৈরি করা বেশ লাভজনক। কারণ তখন ঐ মিথ্যে রহস্যের উপর ভিত্তি করে বই লিখে বা টিভিতে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করে প্রচুর অর্থ কামানো যায়।

বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল টি কিছু স্থলভাগের উপর দিয়েও গিয়েছে যেমন পোর্তো রিকো ( Puerto Rico), বাহামা এমন কি বারমুডা নিজেই। কিন্তু এসব জায়গায় কোন স্থলযানের নিখোঁজ হবার খবর জানা যায়নি। এছাড়া এই ত্রিভূজের মধ্যে অবস্থিত ফ্রীপোর্ট শহরে বড়সড় জাহাজ কারখানা রয়েছে আর রয়েছে একটি বিমান বন্দর, যা কোন গোলযোগ ছাড়াই বছরে ৫০,০০০ টি বিমানের ফ্লাইট পরিচালনা করছে।

প্রকৃতিক ঘটনার মাধ্যমে ব্যাখ্যা[সম্পাদনা]

মিথেন হাইড্রেটস[সম্পাদনা]

এখানে দেখানো হয়েছে বিশ্বের যেসব স্থানে গ্যাস হাইড্রেট যুক্ত পলি পাওয়া গিয়েছে অথবা আছে বলে অনুমান করা হয়,১৯৯৬।
Source: USGS
পশ্চিম আটলান্টিকের উপর দিয়ে উত্তর দিকে বয়ে চলা উপসাগরীয় স্রোতের ভূয়া ছবি (NASA)

কন্টিনেন্টাল সেলভে(continental shelve) জমে থাকা বিপুল পরিমাণ মিধেন হাইড্রেট অনেক জাহাজ ডোবার কারণ বলে দেখা গেছে। অস্ট্রেলিয়ায় পরীক্ষাগারের গবেষণায় দেখা গিয়েছে, বাতাসের বুদবুদ পানির ঘনত্ব কমিয়ে দেয়। তাই সাগরে যখন পর্যায়ক্রমিক মিথেন উদগীরন হয়, তখন পানির প্লবতা(কোন কিছুকে ভাসিয়ে রাখার ক্ষমতা) কমে । যদি এমন ঘটনা ঐ এলাকায় ঘটে থাকে তবে সতর্ক হবার আগেই কোন জাহাজ দ্রুত ডুবে যেতে পারে। [২২]

১৯৮১ সালে [“ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে”] একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে, যাতে বর্ণিত আছে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ উপকূলের বিপরীতে [ব্ল্যাক রিজ](Blake Ridge) এলাকায় মিধেন হাইড্রেট রয়েছে। [২৩] আবার ইউএসজিএস(ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে) এর ওয়েব পেজ থেকে জানা যায়, গত ১৫০০ বছরের মধ্যে ঐ এলাকায় তেমন হাইড্রেট গ্যাসের উদগীরন ঘটেনি। [২৪]

কম্পাসের ভূল দিক নির্দেশনা[সম্পাদনা]

কম্পাসের পাঠ নিয়ে বিভ্রান্তি অনেকাংশে এই বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের কাহিনীর সাথে জড়িত। এটা মনে রাখা প্রয়োজন যে কম্পাস থেকে চুম্বক মেরুর দূরত্বের উপর ভিত্তি করে এর দিক নির্দেশনায় বিচ্যূতি আসে। উদাহরন হিসেবে বলা যায়- যুক্তরাষ্ট্রে শুধুমাত্র উইসকনসিন(Wisconsin) থেকে মেক্সিকোর উপসাগর(Gulf of Mexico) পর্যন্ত সরলরেখা বরাবর চৌম্বক উত্তর মেরু সঠিক ভাবে ভৌগোলিক উত্তর মেরু নির্দেশ করে। এই সাধারণ তথ্য যে কোন দক্ষ পথপ্রদর্শকের জানা থাকার কথা। কিন্তু সমস্যা হল সাধারণ মানুষকে নিয়ে, যারা এ বিষয়ে কিছুই জানে না। ঐ ত্রিভূজ এলাকা জুড়ে কম্পাসের এমন বিচ্যূতি তাদের কাছে রহস্যময় মনে হয়। কিন্তু এটা খুবই স্বাভাবিক ঘটনা।

হারিকেন[সম্পাদনা]

হারিকেন(Hurricane) হল শক্তিশালী ঝড়। ঐতিহাসিক ভাবেই জানা যায়- আটলান্টিক মহাসাগরে বিষুব রেখার কাছাকাছি অঞ্চলে শক্তিশালী হারিকেনের কারনে হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানী ঘটেছে, আর ক্ষতি হয়েছে কোটি কোটি টাকার। রেকর্ড অনুসারে ১৫০২ সালে স্প্যানিশ নৌবহর “ফ্রান্সিসকো দ্য বোবাডিলা” (Francisco de Bobadilla) এমনি একটি বিধ্বংসী হারিকেনের কবলে পড়ে ডুবে যায়। বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের কাহিনীর সাথে জড়িত অনেক ঘটনার জন্য এধরনের হারিকেনই দায়ী।

গলফ স্ট্রিম[সম্পাদনা]

গলফ স্ট্রিম হল মেক্সিকো উপসাগর থেকে স্ট্রেইটস অব ফ্লোরিডা(Straits of Florida) হয়ে উত্তর আটলান্টিকের দিকে প্রবাহিত উষ্ঞ সমুদ্রস্রোত। একে বলা যায় মহা সমুদ্রের মাঝে এক নদী। নদীর স্রোতের মত গলফ স্ট্রিম ভাসমান বস্তু কে স্রোতের দিকে ভাসিয়ে নিতে পারে। যেমনি ঘটেছিল ১৯৬৭ সালের ২২ ডিসেম্বর “ উইচক্রাফট” নামের একটি প্রমোদতরীতে। মিয়ামি তীর হতে এক মাইল দূরে এর ইঞ্জিনে সমস্যা দেখা দিলে তার নাবিকরা তাদের অবস্থান কোস্ট গার্ডকে জানায়। কিন্তু কোস্ট গার্ডরা তাদেরকে ঐ নির্দিষ্ট স্থানে পায়নি।

দৈত্যাকার ঢেউ(Freak waves)[সম্পাদনা]

মানবিক ভুল[সম্পাদনা]

মানব ঘটিত দূর্ঘটনা[সম্পাদনা]

অনেক জাহাজ এবং বিমান নিখোঁজ হওয়ার ঘটনার তদন্তে দেখা গিয়েছে এর অধিকাংশই চালকের ভুলের কারনে দূর্ঘটনায় পতিত হয়েছে। মানুষের ভুল খুবই স্বাভাবিক ঘটনা, আর এমনি ভুলের কারনে দূর্ঘটনা বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলেও ঘটেতে পারে। যেমন কোস্ট গার্ড ১৯৭২ সালে ভি.এ. ফগ( V.A. Fogg)-এর নিখোঁজ হবার কারণ হিসেবে বেনজিন এর পরিত্যাক্ত অংশ অপসারনের জন্য দক্ষ শ্রমিকের অভাবকে দায়ী করেছে। সম্ভবত ব্যবসায়ী হার্ভি কোনভার( Harvey Conover) এর ইয়ট টি তাঁর অসাবধানতার কারণেই নিখোঁজ হয়। অনেক নিখোঁজের ঘটনারই উপসংহারে পৌঁছানো যায়নি, কারণ অনুসন্ধানের জন্য তাদের কোন ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

ইচ্ছাকৃত ভাবে যে সব ধ্বংসসাধিত হয়েছে[সম্পাদনা]

যুদ্ধের সময় অনেক জাহাজ শত্রু পক্ষের অতর্কিত আক্রমণে ডুবে গিয়ে থাকতে পারে বলে মনে করা হয়। এ কারনেও জাহাজ নিখোঁজ হতে পারে। তবে বিশ্বযুদ্ধের সময় বেশ কিছু জাহাজ, যাদের মনে করা হয় এমনি কারনে ডুবেছে, তাদের উপর অনুসন্ধান করা হয়। তবে শত্রু পক্ষের নথিপত্র, নির্দেশনার লগ বই ইত্যাদি পরীক্ষা করে তেমন কিছু প্রমান করা যায়নি। যেমন- মনে করা হয় ১৯১৮ সালে ইউ এস এস সাইক্লপস( USS Cyclops) এবং ২য় বিশ্বযুদ্ধে এর সিস্টার শিপ প্রোটিয়াস(Proteu) এবং নিরিয়াস( Nereus) কে জার্মান ডুবোজাহাজ ডুবিয়ে দেয়। কিন্তু পরবর্তীতে জার্মান রেকর্ড থেকে তার সত্যতা প্রমান করা যায়নি।

আবার ধারণা করা হয় জলদস্যুদের আক্রমণে অনেক জাহাজ নিখোঁজ হয়ে থাকতে পারে। সে সময়ে প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমাংশে এবং ভারত মহাসাগরে মালবাহী জাহাজ চুরি খুব সাধারণ ঘটনা ছিল। মাদক চোরাচালানকারীরা সুবিধা মত জাহাজ, নৌকা, ইয়ট ইত্যাদি চুরি করত মাদক চোরাচালানের জন্য। ১৫৬০ থেকে ১৭৬০ পর্যন্ত ক্যারিবিয়ান অঞ্চল ছিল জলদস্যুদের আখড়া। কুখ্যাত জলদস্যু এডওয়ার্ড টিচ( Edward Teach (Blackbeard)) এবং জেন ল্যাফিট্টি(Jean Lafitte) ছিল ঐ অঞ্চলের বিভীষিকা। তবে শোনা যায় জেন ল্যাফিট্টি(Jean Lafitte)-ই নাকি বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের শিকার হয়েছিল।

আর এক ধরনের দস্যুতার কথা শোনা যায়, যা পরিচলিত হত স্থল থেকে। এধরনের দস্যুরা সমুদ্র ধারে রাতে আলো জ্বালিয়ে জাহাজের নাবিকদের বিভ্রান্ত করত। নাবিকরা ঐ আলোকে বাতি ঘরের আলো মনে করে সেদিকে অগ্রসর হত। তখন জাহাজগুলি ডুবো পাহাড়ের সাথে সংঘর্ষে ডুবে যেত। আর তারপরে ডোবা জাহাজের মালপত্র তীরের দিকে ভেসে এলে দস্যুরা তা সংগ্রহ করত। হয়তো ডুবন্ত জাহাজে কোন নাবিক বেঁচে থাকলে দস্যুরা তাদেরকেও হত্যা করত।

আলোচিত তত্ত্ব[সম্পাদনা]

আলোচিত ঘটনা সমূহ[সম্পাদনা]

ফ্লাইট নাইনটিন (Flight 19)[সম্পাদনা]

মার্কিন বিমান বাহিনীর TBF Grumman Avenger flight যা দেখতে অনেকটা ফ্লাইট নাইনটিন এর মত, তাই অনেক লেখক এই ছবিকে ফ্লাইট নাইনটিন বলে চালিয়েছেন।(US Navy)

ফ্লাইট ১৯, ৫টি টিভিএম আভেঞ্জার টর্পেডো বোমারু বিমানের একটি, যেটি প্রশিক্ষণ চলাকালে ১৯৪৫ সালের ৫ ডিসেম্বর আটলান্টিক মহাগারে নিখোঁজ হয়। বিমানবাহিনীর ফ্লাইট পরিকল্পনা ছিল ফোর্ট লডারদেল থেকে ১৪৫ মাইল পূর্বে এবং ৭৩ মাইল উত্তরে গিয়ে, ১৪০ মাইল ফিরে এসে প্রশিক্ষণ শেষ করা। বিমানটি আর ফিরে আসেনি। নেভি তদন্তকারীরা নেভিগেশন ভুলের কারনে বিমানের জ্বালানীশূন্যতাকে বিমান নিখজের কারণ বলে চিহ্নিত করে।

বিমানটি অনুসন্ধান এবং উদ্ধারের জন্য পাঠানো বিমানের মধ্যে একটি বিমান পিবিএম ম্যারিনার ১৩ জন ক্রুসহ নিখোঁজ হয়। ফ্লোরিডা উপকূল থাকা একটি ট্যাঙ্কার একটি বিস্ফোরণ দেখার রিপোর্ট করে [২৫] ব্যাপক তেল দেখার কথা বলে কিন্তু উদ্ধার অভিযানে এর সত্যতা পাওয়া যায়নি। দুর্ঘটনা শেষে আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ হয়ে উঠে। [২৬] সূত্র মতে, সমসাময়িক কালে বাষ্প লিকের কারনে পুরা জ্বালানী ভর্তি অবস্থায় বিস্ফোরণ ঘটার ইতিহাস ছিল।

ইউ এস এস সাইক্লপস( USS Cyclops)[সম্পাদনা]

যুক্তরাষ্ট্রের নৌ- ইতিহাসে সবচেয়ে মারাত্মক (যুদ্ধ ছাড়া) ক্ষতি হচ্ছে ইউ এস এস সাইক্লপস নিখোঁজ হয়ে যাওয়া। অতিরিক্তও ম্যাঙ্গানিজ আকরিক ভর্তি বিমানটি ১৯১৮ সালের ৪ মার্চ বার্বাডোস দ্বীপ থেকে উড্ডয়নের পর একটি ইঞ্জিন বিকল হয় এবং ৩০৯ জন ক্রুসহ নিখোঁজ হয়। যদিও কোন শক্ত প্রমান নেই তবুও অনেক কাহিনি সনা যায়। কেউ বলে ঝড় দায়ী, কেউ বলে ডুবে গেছে আবার কেউ এই ক্ষতির জন্য শত্রুপক্ষকে দায়ী করে। [২৭][২৮] উপরন্তু, সাইক্লপস-এর মত আর দুইটি ছোট জাহাজ প্রোটিউস এবং নেরেউস দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ে উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে নিখোঁজ হয়। সাইক্লপসের মত এই জাহাজদুটিতেও অতিরিক্তও আকরিকে ভর্তি ছিল। তিনটি ক্ষেত্রেই অতিরিক্ত মালামাল ধারণে অক্ষমতার (ডিজাইনগত) কারনেই জাহাজডুবি হয় বলেই ব্যাপক ধারনা করা হয়।

ডগলাস ডি সি-৩(Douglas DC-3)[সম্পাদনা]

২৮ ডিসেম্বর ১৯৪৮ সালে একটি ডগলাস ডিসি - ৩, ফ্লাইট নাম্বার NC16002, সান জুয়ান, পুয়ের্তো রিকো থেকে মিয়ামি যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয়। বিমান থাকা ৩২ জনসহ বিমানটির কোন হদিস পাওয়া যায়নি। সিভিল এরোনটিক্স বোর্ড তদন্ত নথিপত্র থেকে বিমানটি নিখোঁজ হওয়ার সম্ভাব্য একটি কারন পাওয়া যায়, সেটি হল - বিমানের ব্যাটারি ঠিকমত চার্জ না করে পাইলট সান জুয়ান থেকে রওনা দেয়। কিন্তু এটা সত্যি কিনা তা জানা যায়নি। [২৯]

বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল নিয়ে যারা লিখেছেন[সম্পাদনা]

প্রয়োজনীয় আরও তথ্যসূত্রের জন্য দেখুন Bermuda Triangle source page.

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

ইংরেজি উইকিপিডিয়াTriangle থেকে অনুদিত।

  1. {{cite journal | last = Cochran-Smith | first = Marilyn | year = 2003 | title = Bermuda Triangle: dichotomy, mythology, and amnesia | journal = Journal of Teacher Education | volume = 54 }}
  2. "Introduction"Bermuda Triangle .org 
  3. {{cite web | url = http://www.bermuda-triangle.org/html/aircraft_losses.html | title = Aircraft Losses | publisher = Bermuda Triangle .org }}
  4. {{cite web | url = http://www.bermuda-triangle.org/html/missing_vessels.html | title = Missing Vessels | publisher = Bermuda Triangle .org }}
  5. "Bermuda Triangle"। strangegr। 
  6. "Excerpts from Christopher Columbus' Log" 
  7. টেমপ্লেট:Cite newspaper
  8. George X. Sand (October 1952)। "Sea Mystery At Our Back Door"। Fate  |month= প্যারামিটার অজানা, উপেক্ষা করুন (সাহায্য)
  9. Allen W. Eckert (April 1962)। "The Lost Patrol"। American Legion  |month= প্যারামিটার অজানা, উপেক্ষা করুন (সাহায্য)
  10. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; Gaddis.2C1964 নামের ref গুলির জন্য কোন টেক্সট প্রদান করা হয়নি
  11. Vincent Gaddis (1965)। Invisible Horizons 
  12. ১২.০ ১২.১ ১২.২ John Wallace Spencer (1969)। Limbo Of The Lostআইএসবিএন 0-686-10658-X 
  13. ১৩.০ ১৩.১ Charles Berlitz (1974)। The Bermuda Triangle (1st সংস্করণ)। Doubleday। আইএসবিএন 0-385-04114-4 
  14. ১৪.০ ১৪.১ Richard Winer (1974)। The Devil's Triangleআইএসবিএন 0553106880 
  15. "Strange fish: the scientifiction of Charles F. Berlitz, 1913–2003"Skeptic (Altadena, CA)। March , 2004। 
  16. ১৬.০ ১৬.১ Lawrence David Kusche (1975)। The Bermuda Triangle Mystery Solvedআইএসবিএন 0-87975-971-2 
  17. "Office of Investigations and Analysis" 
  18. "V A Fogg" (PDF)। USCG। 
  19. {{cite episode | series = NOVA / [[Horizon (BBC TV series)|Horizon]] | title = The Case of the Bermuda Triangle | airdate = 1976-06-27 | network = PBS }}
  20. Taves, Ernest (1978)। The Skeptical Inquirer 111 (1): p.75–76। 
  21. {{cite journal | last = Singer |first=Barry | title = | journal = The Humanist | volume = XXXIX | issue = 3 | year = 1979 | pages = p.44–45 }}
  22. "Methane Bubble"। Monash Univ.। 
  23. "Gas Hydrate at the USGS"। Woods Hole। 1981। 
  24. {{cite web | url = http://woodshole.er.usgs.gov/project-pages/hydrates/bermuda.html | title = Gas Hydrate at the USGS, Bermuda Triangle | publisher = Woods Hole }}
  25. "The Loss of Flight 19"[১] 
  26. "The Disappearance of Flight 19"Bermuda Triangle .org 
  27. "Bermuda triangle"। D Merrill। 
  28. "Myths and Folklore of Bermuda"। Bermuda Cruises। 
  29. "Airborne Transport, Miami, December 1948" (PDF)। Aviation Safety। 
  30. Daniel Berg (2000)। Bermuda Shipwrecksআইএসবিএন 0-9616167-4-1 
  31. Adi-Kent Thomas Jeffrey (1975)। The Bermuda Triangleআইএসবিএন 0446599611 

অন্যান্য উৎস[সম্পাদনা]

খবরের কাগজে নিবন্ধের তালিকা:[সম্পাদনা]

Proquest [২] has newspaper source material for many incidents, archived in .pdf format. The newspapers include the New York Times, Washington Post, and the Atlanta Constitution. To access this website, registration is required, usually through a library connected to a college or university.

Flight 19[সম্পাদনা]

  • "Great Hunt On For 27 Navy Fliers Missing In Five Planes Off Florida,"

New York Times, December 7, 1945.

  • "Wide Hunt For 27 Men In Six Navy Planes," Washington Post, December

7, 1945.

  • "Fire Signals Seen In Area Of Lost Men," Washington Post, December 9,

1945.

Raifuku Maru[সম্পাদনা]

  • "Japanese Ships Sinks With A Crew Of 38; Liners Unable To Aid," New

York Times, April 22, 1925.

  • "Passengers Differ On Homeric Effort To Save Sinking Ship," New York

Times, April 23, 1925.

  • "Homeric Captain Upheld By Skippers," New York Times, April 24, 1925.
  • "Liner Is Battered In Rescue Attempt," New York Times, April 25, 1925.

SS Cotopaxi[সম্পাদনা]

  • "Lloyd's posts Cotopaxi As "Missing," New York Times, January 7, 1926.
  • "Efforts To Locate Missing Ship Fail," Washington Post, December 6,

1925.

  • "Lighthouse Keepers Seek Missing Ship," Washington Post, December 7,

1925.

  • "53 On Missing Craft Are Reported Saved," Washington Post, December

13, 1925.

USS Cyclops (AC-4)[সম্পাদনা]

  • "Cold High Winds Do $25,000 Damage," Washington Post, March 11, 1918.
  • "Collier Overdue A Month," New York Times, April 15, 1918.
  • "More Ships Hunt For Missing Cyclops," New York Times, April 16, 1918.
  • "Haven't Given Up Hope For Cyclops," New York Times, April 17, 1918.
  • "Collier Cyclops Is Lost; 293 Persons On Board; Enemy Blow Suspected,"

Washington Post, April 15, 1918.

  • "U.S. Consul Gottschalk Coming To Enter The War," Washington Post,

April 15, 1918.

  • "Cyclops Skipper Teuton, 'Tis Said," Washington Post, April 16, 1918.
  • "Fate Of Ship Baffles," Washington Post, April 16, 1918.
  • "Steamer Met Gale On Cyclops' Course," Washington Post, April 19,

1918.

Carroll A. Deering[সম্পাদনা]

  • "Piracy Suspected In Disappearance Of 3 American Ships," New York

Times, June 21, 1921.

  • "Bath Owners Skeptical," New York Times, June 22, 1921. piera

antonella

  • "Deering Skipper's Wife Caused Investigation," New York Tines, June

22, 1921.

  • "More Ships Added To Mystery List," New York Times, June 22, 1921.
  • "Hunt On For Pirates," Washington Post, June 21, 1921
  • "Comb Seas For Ships," Washington Post, June 22, 1921.
  • "Port Of Missing Ships Claims 3000 Yearly," Washington Post, July 10,

1921.

Wreckers[সম্পাদনা]

  • "'Wreckreation' Was The Name Of The Game That Flourished 100 Years

Ago," New York Times, March 30, 1969.

S.S. Suduffco[সম্পাদনা]

  • "To Search For Missing Freighter," New York Times, April 11, 1926.
  • "Abandon Hope For Ship," New York Times, April 28, 1926.

Star Tiger and Star Ariel[সম্পাদনা]

  • "Hope Wanes in Sea Search For 28 Aboard Lost Airliner," New York

Times, January 31, 1948.

  • "72 Planes Search Sea For Airliner," New York Times, January 19, 1949.

DC-3 Airliner NC16002 disappearance[সম্পাদনা]

  • "30-Passenger Airliner Disappears In Flight From San Juan To Miami,"

New York Times, December 29, 1948.

  • "Check Cuba Report Of Missing Airliner," New York Times, December 30,

1948.

  • "Airliner Hunt Extended," New York Times, December 31, 1948.

Harvey Conover and Revonoc[সম্পাদনা]

  • "Search Continuing For Conover Yawl," New York Times, January 8, 1958.
  • "Yacht Search Goes On," New York Times, January 9, 1958.
  • "Yacht Search Pressed," New York Times, January 10, 1958.
  • "Conover Search Called Off," New York Times, January 15, 1958.

KC-135 Stratotankers[সম্পাদনা]

  • "Second Area Of Debris Found In Hunt For Jets," New York Times, August

31, 1963.

  • "Hunt For Tanker Jets Halted," New York Times, September 3, 1963.
  • "Planes Debris Found In Jet Tanker Hunt," Washington Post, August 30,

1963.

B-52 Bomber (Pogo 22)[সম্পাদনা]

  • "U.S.-Canada Test Of Air Defence A Success," New York Times, October

16, 1961.

  • "Hunt For Lost B-52 Bomber Pushed In New Area," New York Times,

October 17, 1961.

  • "Bomber Hunt Pressed," New York Times, October 18, 1961.
  • "Bomber Search Continuing," New York Times, October 19, 1961.
  • "Hunt For Bomber Ends," New York Times, October 20, 1961.

Charter vessel Sno'Boy[সম্পাদনা]

  • "Plane Hunting Boat Sights Body In Sea," New York Times, July 7, 1963.
  • "Search Abandoned For 40 On Vessel Lost In Caribbean," New York Times,

July 11, 1963.

  • "Search Continues For Vessel With 55 Aboard In Caribbean," Washington

Post, July 6, 1963.

  • "Body Found In Search For Fishing Boat," Washington Post, July 7,

1963.

SS Marine Sulphur Queen[সম্পাদনা]

  • "Tanker Lost In Atlantic; 39 Aboard," Washington Post, February 9,

1963.

  • "Debris Sighted In Plane Search For Tanker Missing Off Florida," New

York Times, February 11, 1963.

  • "2.5 Million Is Asked In Sea Disaster," Washington Post, February 19,

1963.

  • "Vanishing Of Ship Ruled A Mystery," New York Times, April 14, 1964.
  • "Families Of 39 Lost At Sea Begin $20-Million Suit Here," New York

Times, June 4, 1969.

  • "10-Year Rift Over Lost Ship Near End," New York Times, February 4,

1973.

SS Sylvia L. Ossa[সম্পাদনা]

  • "Ship And 37 Vanish In Bermuda Triangle On Voyage To U.S.," New York

Times, October 18, 1976.

  • "Ship Missing In Bermuda Triangle Now Presumed To Be Lost At Sea," New

York Times, October 19, 1976.

  • "Distress Signal Heard From American Sailor Missing For 17 Days," New

York Times, October 31, 1976.

ওয়েবসাইট লিংক[সম্পাদনা]

The following websites have either online material which supports the popular version of the Bermuda Triangle, or documents published from official sources as part of hearings or inquiries, such as those conducted by the United States Navy or United States Coast Guard. Copies of some inquiries are not online and may have to be ordered; for example, the losses of Flight 19 or USS Cyclops can be ordered direct from the United States Naval Historical Center.

Channel] documentary (November 2005)

বই[সম্পাদনা]

  • Into the Bermuda Triangle: Pursuing the Truth Behind the World's

Greatest Mystery by [Gian J. Quasar], International Marine/Ragged Mountain Press (2003) ISBN 0-07-142640-X; contains list of missing craft as researched in official records. (Reprinted in paperback (2005) ISBN 0-07-145217-6).

Appears to be currently out of print; however, there are many other books available covering the same material, frequently the same stories.

  • The Bermuda Triangle Mystery Solved (1975). Lawrence David Kusche

(ISBN 0-87975-971-2)

should be noted that this book is a work of fiction.

this particular book sold well over a million copies by the end of its first year; to date there have been at least 17 printings.

  • The Devil's Triangle 2 (1975), Richard Winer (ISBN 0-553-02464-7)
  • From the Devil's Triangle to the Devil's Jaw (1977), Richard Winer

(ISBN 0-553-10860-3)

  • Ghost Ships: True Stories of Nautical Nightmares, Hauntings, and

Disasters (2000), Richard Winer (ISBN 0-425-17548-0)

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

" উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য)