বানৌজা আলী হায়দার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
কর্মকাল (বাংলাদেশ)
শ্রেণী এবং ধরণ: রূপান্তরিত টাইপ ০৫৩এইচ২ ফ্রিগেট্
নাম: বানৌজা আলী হায়দার
নির্মাতা: হুডং জাহাজনির্মাণাগার, সাংহাই
অভিষেক: ৯ আগস্ট ১৯৮৬
অর্জন: ডিসেম্বর ২০১৩
কমিশন লাভ: ১ মার্চ ২০১৪
কার্যসময়: ২০১৪ - বর্তমান
বর্তমান অবস্থা: ২০১৪-এর হিসেব অনুযায়ী, সেবায় নিয়োজিত
সাধারণ বৈশিষ্ট্য
ওজন: ১,৭০০ টন (সাধারণ অবস্থায়)
২০০০ টন (পুর্ণ অবস্থায়)
দৈর্ঘ্য: ১০৩.২০ মিটার
প্রস্থ: ১১.৩০  মিটার
ড্রাফট: ৩.১৯  মিটার
প্রচলক: দুইটি টাইপ ১২ ই ৩৯০ ভোল্ট ডিজেল ইঞ্জিন; ৭,৮৮৫ অশ্বশক্তি (৮৮০ কিলোওয়াট)
২টি শ্যাফট
গতিবেগ: ২৬.৫০  নট
সীমা: ২,৭০০ মা (৪,৩০০ কিমি) ১৮ নটে
লোকবল: ৩০০ (২৭ জন কর্মকর্তা)
সেন্সর এবং
কার্যপদ্ধতি:

সোনারঃ

  • এসজেডি-৫ মধ্যম কম্পাঙ্ক বিশিষ্ট সোনার
  • এসজেসি-১বি রিকনিসেন্স সোনার
  • এসজেএক্স-৪ যোগাযোগ সোনার
  • সিটিসি-১৬২৯ যুদ্ধকালীন তথ্যনিয়ন্ত্রণ ব্যাবস্থা
  • ইকো টাইপ ৫ (সম্মুখে অবস্থিত)

রাডার ব্যবস্থাঃ

  • সমুদ্রতল তল্লাশিঃ টাইপ ৩৫৪ রাডার (আই শিল্ড) দ্বিমাত্রিক , আই ব্যান্ড
  • আকাশ তল্লাশিঃ টাইপ ৫১৭এইচ-১ (নাইফ রেস্ট) দ্বিমাত্রিক দূরপাল্লা বিশিষ্ট, এ ব্যান্ড
  • নৌচালনাঃ ২ x রাকাল আর এম-১২৯০, আই ব্যান্ড
  • গোলা-নিক্ষেপ নিয়ন্ত্রণঃ
    • টাইপ ৩৫২ রাডার (স্কয়ার টাই), আই ব্যান্ড
    • টাইপ ৩৪৩ (ওয়াস্প হেড) , জি/এইচ ব্যান্ড
    • ২ x টাইপ ৩৪১ (বিমানবিধ্বংসী কামানের জন্য)
যান্ত্রিক যুদ্ধাস্ত্র
ও ফাঁদ:

তথ্য সন্নিবেশকঃ এইচএন ৯০০
যোগাযোগঃ এসএনটিআই-২৪০ স্যাটকম
আরডব্লিউডি-৮ (জোড়া) ইন্টেরসেপ্ট ই ডব্লিউ

  • টাইপ ৯২৩০আই রাডার সতর্ক সংকেত সংগ্রাহক
  • টাইপ ৬৫১এ আইএফএফ
রণসজ্জা:
  • জাহাজবিধ্বংসী - ২x৪ সি-৮০২এ
  • নৌ-কামানঃ
  • ২ x টাইপ ৭৯এ ১০০ মিমি (জোড়া)
  • ৪ x টাইপ ৭৬ ৩৭ মিমি বিমানবিধ্বংসী কামান (২ জোড়া)
  • টর্পেডোঃ
  • ৬x ৩২৪ মিমি এলএএস (২x৩) টিউব (টাইপ II)
  • ১x হোয়াইটহেড এ২৪৪এস
  • ডেপ্থ চারজারঃ
  • ২ x ডিসি র‍্যাক
  • ৪ x টাইপ ৬৪ ডিসি নিক্ষেপক
  • ডিকয়ঃ ২ x এমকে ৩৬ আরবিওসি ৬-ব্যারেলযুক্ত শ্যাফ উৎক্ষেপক

বানৌজা আলী হায়দার বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর একটি রূপান্তরিত টাইপ ০৫৩এইচ২ ফ্রিগেট। এটি ২০১৪ সালে বাংলাদেশ নৌ বাহিনীতে যোগ দেয়।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

বানৌজা আলী হায়দার নামক টাইপ ০৫৩এইচ২ এই ফ্রিগেটটি পুর্বে উঁহু নামে পরিচিত ছিল যা চীনা নৌবাহিনীপশ্চিম সাগরীয় নৌবহরে মোতায়েন ছিল। ১৯৮৭ সালে চীনা নৌবাহিনীতে এটি কমিশন লাভ করে। পরবর্তীতে ২০১৩ সালে জাহাজটিকে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে বিক্রি করা হয়।

বৃত্তান্ত[সম্পাদনা]

বানৌজা আলী হায়দার ১ মার্চ ২০১৪ বাংলাদেশ নৌ বাহিনীতে কমিশন লাভ করে।[১]

বানৌজা আলী হায়দার বর্তমানে জাতিসংঘের ইউএনআইএফআইএল মিশনে লেবাননে অবস্থান করছে। ১২ মে ২০১৪ জাহাজটি দেশত্যাগ করে[২] এবং ১৪ জুন ২০১৪ মিশনের দ্বায়িত্ব বুঝে নেয়।

অস্ত্রব্যবস্থা[সম্পাদনা]

এই যুদ্ধজাহজটি অত্যাধুনিক জাহাজবিধ্বংসী সি-৮০২এ ক্ষেপণাস্ত্র বহন করছে। পাশাপাশি এটি নৌ-কামান, টর্পেডো এবং ডুবোজাহাজবিধ্বংসী অস্ত্রও বহন করে।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথসুত্র[সম্পাদনা]