বাতের ব্যথা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

বাতজ্বর আর বাত কিন্ত এক রোগ নয়। বাতজ্বর (Rheumatic fever)হলে অস্থিসন্ধি (Joint)তে ব্যাথা থাকে এটা যেমন ঠিক, বাতের (Gout) ব্যথার সাথে ও আবার কারো কারো জ্বর থাকতে পারে, তবুও রোগ দুটি একেবারেই ভিন্ন রোগ।

বাতের ব্যথায় ভূগেনি এমন নানা-নানী বা দাদা দাদী খুজে পাওয়া খুবই দুস্কর। রক্তে ইউরিক এসিডের (Uric acid) মাত্রা বেড়ে গেলে বাত বা গাঊট (Gout) হয়। কিছু কিছু অসুধ সেবনে রক্তে uric acid এর মাত্রা বেড়ে যেতে পারে যেমন থায়াজাইড, এসপিরিন, পাইরাজিনামাইড ইত্যাদি। তেমনি রেনাল ফেইলুর, হাইপার প্যারাথাইরয়েডিজম এমন কিছু রোগেও ইউরিক এসিডের মাত্রা বেড়ে বাত হতে পারে।

শতকরা ৭০ ভাগ বাতের ব্যথাই শুরু হয় পায়ের বুড়ো আঙ্গুলে। এথেকে গোড়ালি, হাটু, হাত ও পায়ের ছোট জয়েন্ট, কবজি, কনুই ক্রমান্বয়ে এরোগে আক্রান্ত হতে পারে। আক্রান্ত অস্থিসন্ধিটি ফুলে কিছুটা লালচে বর্ণ ধারণ করে এবং ব্যথা করে। অনেক সময় খুধামন্দা এবং জ্বরও এর সহচর হিসেবে দেখা দেয়।

বাত রোগে রক্তে ইউরিক এসিড এর মাত্রার সাথে সাথে ই,এস,আর এবং শ্বেতকনিকার সংখাও বৃদ্ধি পায়। এক্সরে করলে হাড়ে পরিবর্তন ধরা পড়ে। অস্থিসন্ধি থেকে সাইনোভিয়াল ফ্লুইড বা অস্থিরস পরীক্ষা করেও এই রোগ নিশ্চিত হওয়া যায়।

বাতের ব্যথার চিকিৎসায় বিভিন্ন ব্যথার অসুধ খেতে হয় এটা সবারই জানা সেই সাথে ইউরিক এসিড নিয়ন্ত্রনের জন্য এলুপরিনল জাতীয় অসুধও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খেতে হতে পারে। ইউরিক এসিডের মাত্রা বেড়ে যায় এমন যে কোনো খাবার পরিমিত এবং নিয়মমাফিক খেতে হবে।