বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(বাংলাদেশ ক্রিকেট দল থেকে ঘুরে এসেছে)
বাংলাদেশ
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের লোগো

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের লোগো
টেস্ট মর্যাদা ২০০০
প্রথম টেস্ট বনাম  ভারত, বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম, ঢাকা, ১০-১৩ নভেম্বর, ২০০০
অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম
কোচ শেন জার্গেনসেন (অস্ট্রেলিয়া)
আইসিসি টেস্ট, ওডিআই এবং টি২০আই র‌্যাঙ্কিং ১০ম (টেস্ট)
৯ম (ওডিআই)
১০ম (টি২০) [১]
টেস্ট ম্যাচ
– বর্তমান বছর
৭৯
সর্বশেষ টেস্ট বনাম  নিউজিল্যান্ড
শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়াম, মিরপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ।
জয়/পরাজয়
– বর্তমান বছর
৪/৬৩
১/২
৮ ডিসেম্বর ২০১৩ পর্যন্ত

বাংলাদেশ ক্রিকেট দল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে জাতীয় ক্রিকেট দল হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে। তারা "দ্য টাইগার" নামেও পরিচিত। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (সংক্ষেপে বিসিবি) এই দল পরিচালনা করে। বাংলাদেশ আইসিসি'র টেস্ট এবং ওয়ানডে ক্রিকেট স্ট্যাটাসপ্রাপ্ত স্থায়ী সদস্য দেশগুলোর অন্তর্ভূক্ত। তারা দশম টেস্টখেলুড়ে দেশ হিসেবে ভারতের বিপক্ষে ২০০০ সালে ঢাকায় তাদের প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে।

বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বপ্রথম আত্মপ্রকাশ করে ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আইসিসি ট্রফিতে অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে। সেবারের টুর্ণামেন্টে চার ম্যাচের দু'টিতে তারা হেরে যায় এবং দু'টিতে জয়লাভ করে। এর সাত বছর পর ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ এশিয়া কাপে ক্রিকেটে তারা তাদের সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচটি খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে। ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ আইসিসি ট্রফি জেতে এবং এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেটে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। বিশ্বকাপে তারা পাকিস্তান এবং স্কটল্যান্ডকে পরাজিত করে।

১৯৯৭ সাল থেকেই বাংলাদেশ ক্রিকেট দল আইসিসি ওয়ানডে খেলুড়ে দেশ হিসেবে ওয়ানডে খেলে আসছিল। ২০০০ সালের ২৬ জুন তারা দশম টেস্ট খেলুড়ে দেশ হিসেবে আইসিসি'র সদস্যপদ লাভ করে। ২০১২ সালের ৬ অক্টোবর মাস পর্যন্ত তারা মোট ৭৩টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছে এবং ৩টি ম্যাচে জয়লাভ করে। তারা সর্বপ্রথম টেস্ট জেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। পরবর্তী টেস্ট দু'টো জেতে তারা ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। বর্তমানে বাংলাদেশ আইসিসি টেস্ট ও টি-২০ ক্রিকেটে ৯ম এবং ওয়ানডে ক্রিকেট রেটিংয়ে অষ্টম স্থানে অবস্থান করছে।

ওডিআই স্ট্যাটাস প্রাপ্তি: ১৯৯৭ সালে
টেস্ট স্ট্যাটাস প্রাপ্তি: ২০০০ সালে

পরিচ্ছেদসমূহ

ইতিহাস[সম্পাদনা]

মূল নিবন্ধ:বাংলাদেশে ক্রিকেটের ইতিহাস

২০শ শতাব্দী[সম্পাদনা]

বাংলাদেশ ১৯৭৭ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) সহযোগী সদস্যে পরিণত হয়। পরবর্তীতে রাকিবুল হাসানের নেতৃত্বে ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আইসিসি ট্রফিতে অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে বিশ্ব ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করে। চার ম্যাচের দু'টিতে তারা হেরে যায় এবং দু'টিতে জয়লাভ করে প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নেয়। গাজী আশরাফ হোসেন লিপু'র নেতৃত্বে এশিয়া কাপ ক্রিকেটে ১৯৮৬ সালের ৩১শে মার্চ বাংলাদেশ সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক একদিনের ক্রিকেটে পাকিস্তানের বিপক্ষে অংশগ্রহণ করে।

১৯৮৬ সালের এশিয়া কাপে অংশগ্রহনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ প্রথম আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখে। এটা সেই দলের ছবি।

আয়োজক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালের এশিয়া কাপে অংশগ্রহণ করে। এটাই ছিল বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক একদিনের ক্রিকেট প্রতিযোগিতা। ভয়াবহ বন্যা সত্ত্বেও বাংলাদেশ আয়োজক হিসেবে সফলতার পরিচয় দেয়। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের পর বাংলাদেশ একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম জয়ের দেখা পায় ১৯৯৮ সালে। দীর্ঘ ২২ খেলায় হারের পর মোঃ রফিকের অসাধারণ নৈপুণ্যে (৭৭ রান ও ৩টি উইকেট) কেনিয়ার বিপক্ষে ভারতে অনুষ্ঠিত খেলায় বাংলাদেশ এই জয়লাভ করে।[১] আতহার আলী খান-মোহাম্মদ রফিক জুটি ১৩৭ রান গড়েছিল। আতহার আলী খান করেন ৪৭ রান।[২] পরবর্তীতে অক্টোবর মাসে আইসিসি নক-আউট ট্রফি আয়োজন করে বাংলাদেশ যেখানে সকল টেস্ট খেলুড়ে দল এই একদিনের আন্তর্জাতিক নক-আউট প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। ১৯৯৭ সালে আইসিসি ট্রফি জেতার মাধ্যমে বাংলাদেশ ১৯৯৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পায় এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার নিয়মিত সদস্য পদ লাভ করে। প্রথমবার বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করেই বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেয় বাংলাদেশ। দলের অসাধারণ ফিল্ডিং এবং খালেদ মাহমুদের ব্যক্তিগত বোলিং (৩/৩১) নৈপুণ্যে বাংলাদেশ ১৯৯৩ সালের বিশ্বকাপজয়ী পাকিস্তানকে ৬২ রানে পরাজিত করে। ম্যাচ সেরা বিবেচিত হন খালেদ মাহমুদ। স্কটল্যান্ড এবং পাকিস্তানকে হারানোর পরও বাংলাদেশ বিশ্বকাপের পরবর্তী রাউন্ডে যেতে ব্যর্থ হয়। কিন্তু এই জয় বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক টেস্ট দলের সদস্য হতে সহায়তা করে।

টেস্ট দল হিসাবে প্রথম বছর (২০০০-২০০৩)[সম্পাদনা]

২০০০ সালের ১৩ নভেম্বর বাংলাদেশ ক্রিকেট দল নাইমুর রহমানের অধিনায়কত্বে প্রথম আন্তর্জাতিক টেস্ট ক্রিকেট অঙ্গনে পা রাখে। ভারতের বিপক্ষে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচে অভিষেক টেস্টেই সেঞ্চুরি (১৪৫) করে অস্ট্রেলিয়ার চার্লস ব্যানারম্যান ও জিম্বাবুয়ের ডেভিড হটনের পাশে নাম লেখান আমিনুল ইসলাম। অধিনায়ক নাইমুর রহমানের ১৩২ রানে ৬ উইকেট অভিষেক টেস্টের প্রথম ইনিংসে কোনো বোলারের সেরা বোলিং। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যাটিং বিপর্যয়ের কারণে বাংলাদেশ ৯ উইকেটে হেরে যায়। পরবর্তীতে ২০০১ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে কলম্বোর এসএসসিতে অভিষেক টেস্টে ১৭ বছর ৬১ দিন বয়সে সেঞ্চুরি করে রেকর্ড গড়েন মোহাম্মদ আশরাফুল। ২০০৩ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে করাচি টেস্টে প্রথমবারের মতো প্রথম ইনিংসে লিড নেয় বাংলাদেশ। মুলতানে তৃতীয় ও শেষ টেস্টে জিততে জিততে ১ উইকেটে হেরে বসে তারা। এই সিরিজে বাংলাদেশের পক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম হ্যাট্রিক করে অলোক কাপালি। টানা ২১ টেস্ট হারার পর হাবিবুল বাশারের নেতৃত্বে ২০০৪ সালে জিম্বাবুয়ে সফরে ২য় টেস্টে ড্র করতে সমর্থ হয় বাংলাদেশ যদিও খারাপ আবহাওয়ার কারণে ৩দিন খেলা বন্ধ থাকে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২০০৪ সালে সেন্ট লুসিয়া টেস্টে তিন ব্যাটসম্যানের সেঞ্চুরির কল্যাণে প্রথম নিজেদের কৃতিত্বে ড্র করে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে হাবিবুল বাশার ও মোহাম্মদ রফিকের পর দ্বিতীয় ইনিংসে সেঞ্চুরি করেন খালেদ মাসুদ। চট্টগ্রামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম জয় পায় বাংলাদেশ ২০০৫ সালে। ম্যাচ সেরা হন এনামুল হক জুনিয়র। সিরিজের অপর টেস্টটিও অমীমাংসিতভাবে শেষ হয়। টেস্ট ইতিহাসে প্রথম সিরিজ জয়ের স্বাদ পায় বাংলাদেশ। ২০০৬ সালে প্রথম ইনিংসে ১৫৮ রানের লিড নিয়ে ক্রিকেট বিশ্বকে চমকে দিয়েও শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৩ উইকেটে পরাজয় হয় বাংলাদেশের। ২০০৯ সালে দেশের বাইরে প্রথম টেস্ট জয় বাংলাদেশের। শীর্ষস্থানীয় সব খেলোয়াড় ধর্মঘটে যাওয়ায় নতুন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দুই টেস্টেই জয় পায় বাংলাদেশ।

পরিচালনা পরিষদ[সম্পাদনা]

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সর্বোচ্চ ক্রীড়া নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে রয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড[৩] খেলার মাঠ নির্ধারণ, দলের সফর, দল পরিচালনা ও ক্রিকেট খেলার মানোন্নয়ন বৃদ্ধি ঘটানোই এ সংস্থার প্রধান উদ্দেশ্য। এছাড়াও, দলের স্পন্সরশীপের বিষয়েও বোর্ড দায়বদ্ধ। ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত এ সংস্থাটি বাংলাদেশ ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড নামে পরিচিত ছিল।[৪] ১৯৭৬ সালে সংস্থার খসড়া গঠনতন্ত্র প্রণয়ন করা হয়।[৫] জানুয়ারি, ২০০৭ সালে বোর্ড কর্তৃপক্ষ ‘কন্ট্রোল’ শব্দটি বিলুপ্ত করে।[৬] বাংলাদেশ সরকার বিসিবি’র সভাপতি নিয়োগ করে থাকেন।[৭] বর্তমান বিসিবি সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন নাজমুল হাসান

২০০৩ সাল থেকে টেলিযোগাযোগ কোম্পানি গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ পুরুষ ও মহিলাদের জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পন্সর হিসেবে কাজ করছে। তারা ২০০৭ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে ৳১৫১.৫ মিলিয়ন টাকা দেশের ক্রিকেট খেলার মানোন্নয়নে বিনিয়োগ করে।[৮]

২০০৬ সালে বিসিবি কর্তৃপক্ষ কিশোর ও অনভিজ্ঞতাসম্পন্ন খেলোয়াড়দের জন্য একটি একাডেমি প্রতিষ্ঠা করে।[৯] জাতীয় খেলোয়াড়দেরকে উৎসাহিত করার জন্য কেন্দ্রীয়ভাবে চুক্তিবদ্ধ করা হয় ও ম্যাচ ফি প্রদান করা হয়। ২০০৫ সালে প্রতি টেস্টে মাথাপিছু $১,০০০ মার্কিন ডলার ও একদিনের আন্তর্জাতিক খেলায় অংশগ্রহণের জন্য $৫০০ মার্কিন ডলার প্রদান করে।[১০]

টুর্নামেন্ট ইতিহাস[সম্পাদনা]

ক্রিকেট বিশ্বকাপ রেকর্ড
বছর পর্ব অবস্থান খেলেছে জয় হার টাই এনআর
ইংল্যান্ড ১৯৭৫ যোগ্য নয়
ইংল্যান্ড ১৯৭৯ যোগ্যতা অর্জন করেনি
ইংল্যান্ড ১৯৮৩ যোগ্যতা অর্জন করেনি
ভারতপাকিস্তান ১৯৮৭ যোগ্যতা অর্জন করেনি
অস্ট্রেলিয়া নিউজিল্যান্ড ১৯৯২ যোগ্যতা অর্জন করেনি
ভারত পাকিস্তান শ্রীলঙ্কা ১৯৯৬ যোগ্যতা অর্জন করেনি
ইংল্যান্ড ১৯৯৯ পর্ব ১ ৯/১২
দক্ষিণ আফ্রিকাজিম্বাবুয়েকেনিয়া ২০০৩ পর্ব ১ ১৩/১৪
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড ২০০৭ দ্বিতীয় পর্ব ৭/১৬
ভারত শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশ ২০১১ পর্ব ১ ৯/১৪
অস্ট্রেলিয়া নিউজিল্যান্ড ২০১৫ যোগ্যতা অর্জন
ইংল্যান্ড ২০১৯ যোগ্যতা অর্জন
মোট ২৬ ১৭
বিশ্ব টুয়েন্টি২০ রেকর্ড
বছর পর্ব অবস্থান খেলেছে জয় হার টাই এনআর
দক্ষিণ আফ্রিকা ২০০৭ দ্বিতীয় পর্ব ৮/১২
ইংল্যান্ড ২০০৯ পর্ব ১ ৯/১২
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড ২০১০ পর্ব ১ ৯/১২
শ্রীলঙ্কা ২০১২ পর্ব ১ ৯/১২
বাংলাদেশ ২০১৪ যোগ্যতা অর্জন - - - - - -
মোট ১১ ১০
এশিয়া কাপ রেকর্ড
বছর পর্ব অবস্থান খেলেছে জয় হার টাই এনআর
সংযুক্ত আরব আমিরাত ১৯৮৪ যোগ্যতা অর্জন করেনি
শ্রীলঙ্কা ১৯৮৬ প্রথম পর্ব ৩/৩
বাংলাদেশ ১৯৮৮ প্রথম পর্ব ৪/৪
ভারত ১৯৯০–৯১ প্রথম পর্ব ৩/৩
সংযুক্ত আরব আমিরাত ১৯৯৫ প্রথম পর্ব ৪/৪
শ্রীলঙ্কা ১৯৯৭ প্রথম পর্ব ৪/৪
বাংলাদেশ ২০০০ প্রথম পর্ব ৪/৪
শ্রীলঙ্কা ২০০৪ দ্বিতীয় পর্ব ৪/৬
পাকিস্তান ২০০৮ দ্বিতীয় পর্ব ৪/৬
শ্রীলঙ্কা ২০১০ প্রথম পর্ব ৪/৪
বাংলাদেশ ২০১২ রানার্স আপ ২/৪
মোট ৩৩ ২৯
মাল্টিস্পোর্টস ইভেন্টস
বছর পর্ব অবস্থান খেলেছে জয় হার টাই এনআর
মালয়েশিয়া ১৯৯৮ কমনওয়েলথ গেমস পর্ব ১ ১৪/১৬
চীন ২০১০ এশিয়ান গেমস চ্যাম্পিয়ন্স ১/৯
দক্ষিণ কোরিয়া ২০১৪ এশিয়ান গেমস - - - - - - -
অন্যান্য প্রধান টুর্নামেন্ট
আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি
এশিয়ান টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ
  • ২০০১/০২: প্রথম পর্ব
এসিসি ট্রপি
অস্ট্রাল-এশিয়া কাপ
  • ১৯৮৬: অংশগ্রহণ করেনি
  • ১৯৯০: প্রথম পর্ব
  • ১৯৯৪: অংশগ্রহণ করেনি

দলের সদস্যবৃন্দ[সম্পাদনা]

ঢাকা'র শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত খেলায় বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়েরা জিম্বাবুয়ে দলের উদ্বোধনী জুটি ভেঙ্গে আনন্দ প্রকাশ করছে।
নাম জন্ম ব্যাটিংয়ের ধরন বোলিংয়ের ধরন আভ্যন্তরীণ দল ক্রিকেটের ধরণ ওডিআই জার্সি নং
ওপেনিং ব্যাটস্‌ম্যান
তামিম ইকবাল ১৯৮৯ বাঁ হাতি বাঁ হাতি স্পিন চট্টগ্রাম বিভাগীয় ক্রিকেট দল টেস্ট, ওডিআই, টি-২০ ২৯
শাহরিয়ার নাফিস ১৯৮৬ বাঁ হাতি বাঁ হাতি স্পিন ঢাকা বিভাগীয় ক্রিকেট দল টেস্ট, ওডিআই, টি-২০ ৪২
ইমরুল কায়েস ১৯৮৭ বাঁ হাতি ডানহাতি অফ-ব্রেক খুলনা বিভাগীয় ক্রিকেট দল টেস্ট, ওডিআই, টি-২০ ৬২
জুনায়েদ সিদ্দিকী ১৯৮৭ বাঁ হাতি ডানহাতি অফ-ব্রেক রাজশাহী বিভাগীয় ক্রিকেট দল টেস্ট, ওডিআই, টি-২০ ৩১
মিডিল অর্ডার ব্যাটস্‌ম্যান
মোহাম্মদ আশরাফুল ১৯৮৪ ডান হাতি ডানহাতি লেগ ব্রেক ঢাকা বিভাগীয় ক্রিকেট দল টেস্ট, ওডিআই, টি-২০
সাব্বির রহমান ১৯৯১ ডান হাতি ডানহাতি লেগ ব্রেক রাজশাহী বিভাগীয় ক্রিকেট দল টি-২০ ৭৬
অল-রাউন্ডার
মোহাম্মদ মাহমুদউল্লাহ ১৯৮৬ ডান হাতি ডানহাতি অফ-ব্রেক ঢাকা বিভাগীয় ক্রিকেট দল টেস্ট, ওডিআই, টি-২০ ৩০
সাকিব আল হাসান ১৯৮৬ বাঁ হাতি বাঁ হাতি স্পিন খুলনা বিভাগীয় ক্রিকেট দল, ওরচেস্টারশায়ার, কলকাতা নাইট রাইডার্স টেস্ট, ওডিআই, টি-২০ ৭৫
নাঈম ইসলাম ১৯৮৬ ডান হাতি ডানহাতি অফ-ব্রেক রাজশাহী বিভাগীয় ক্রিকেট দল ওডিআই, টি-২০ ৭৭
অলোক কাপালি ১৯৮৪ ডান হাতি ডানহাতি লেগ ব্রেক সিলেট বিভাগীয় ক্রিকেট দল টেস্ট, ওডিআই ৩৫
উইকেট-কিপার
মুশফিকুর রহিম ১৯৮৮ ডান হাতি রাজশাহী বিভাগীয় ক্রিকেট দল টেস্ট, ওডিআই, টি-২০: অধিনায়ক
জহুরুল ইসলাম ১৯৮৬ ডান হাতি রাজশাহী বিভাগীয় ক্রিকেট দল টেস্ট, ওডিআই ১৫
পেস বোলার
মাশরাফি বিন মর্তুজা ১৯৮৩ ডান হাতি ডান হাতি-ফাস্ট মিডিয়াম খুলনা বিভাগীয় ক্রিকেট দল টেস্ট, ওডিআই, টি-২০
শাহাদাত হোসেন ১৯৮৬ ডান হাতি ডান হাতি-ফাস্ট মিডিয়াম ঢাকা বিভাগীয় ক্রিকেট দল টেস্ট, ওডিআই ৫৯
শফিউল ইসলাম ১৯৮৬ ডান হাতি ডান হাতি-ফাস্ট মিডিয়াম রাজশাহী বিভাগীয় ক্রিকেট দল টেস্ট, ওডিআই, টি-২০ ১৩
রুবেল হোসেন ১৯৯০ ডান হাতি ডান হাতি-ফাস্ট মিডিয়াম চট্টগ্রাম বিভাগীয় ক্রিকেট দল ওডিআই, টি-২০ ৩৪
সৈয়দ রাসেল ১৯৮৪ বাঁ হাতি বাঁ হাতি-ফাস্ট মিডিয়াম খুলনা বিভাগীয় ক্রিকেট দল ওডিআই, টি-২০ ৪৭
নাজমুল হোসেন ১৯৮৭ ডান হাতি ডান হাতি-ফাস্ট মিডিয়াম সিলেট বিভাগীয় ক্রিকেট দল টেস্ট, ওডিআই ৯০
স্পিন বোলার
আব্দুর রাজ্জাক ১৯৮২ বাঁ হাতি বাঁ হাতি স্পিন খুলনা বিভাগীয় ক্রিকেট দল টেস্ট, ওডিআই, টি-২০ ৪১
সোহরাওয়ার্দী শুভ ১৯৮৮ বাঁ হাতি বাঁ হাতি স্পিন রাজশাহী বিভাগীয় ক্রিকেট দল ওডিআই, টি-২০ ৫১
এনামুল হক জুনিয়র ১৯৮৬ ডান হাতি বাঁ হাতি স্পিন সিলেট বিভাগীয় ক্রিকেট দল টেস্ট ৪৫

কোচিং কর্মীবর্গ[সম্পাদনা]

  • ম্যানেজার: জাহিদ রাজ্জাক [১১]
  • ফিজিওথেরাপিস্টঃ ভিভাভ সিংহ[১৩]
  • সাইকোলজিস্টঃ ডা. সৌমেন্দ্র সাহা এবং ডা. শ্রীলেখা সাহা[১৪]
  • মিডিয়া ম্যানেজারঃ রাবীদ ইমাম[১৫]

ওয়ানডে ক্রিকেটে ব্যাটিং পরিসংখ্যান[সম্পাদনা]

গত ২ বৎসরে ওডিআইয়ে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশী খেলোয়াড়দের ব্যাটিং পরিসংখ্যান
খেলোয়াড়ের নাম ম্যাচ ইনিংস অপরাজিত রান সর্বোচ্চ গড় বল স্ট্রাইক রেট শতক অর্ধ-শতক ডাক বাউণ্ডারী ছক্কা
সাকিব আল হাসান ১০২ ৯৮ ১৭ ২৮৩৪ ১৩৪* ৩৪.৯৮ ৩৬৫৫ ৭৭.৫৩ ১৭ ২৫৮ ১৯
তামিম ইকবাল ৮৯ ৮৯ ২৬৪০ ১৫৪ ২৯.৬৬ ৩৩৩২ ৭৯.২৩ ১৬ ৩০২ ৪১
শাহরিয়ার নাফিস ৬৪ ৬৪ ১৯৭৬ ১২৩* ৩৩.৪৯ ২৭৯০ ৭০.৮২ ১১ ২৫৩
ইমরুল কায়েস ৩০ ৩০ ৮৯৪ ১০১ ২৯.৮০ ১৩৬৮ ৬৫.৩৫ ৮৯
জুনায়েদ সিদ্দিকী ৪৬ ৪৫ ১০৫৬ ১০০ ২৪ ১৫৫৫ ৬৭.৯০ ১০৪
রাকিবুল হাসান ৪৯ ৪৮ ১২৩১ ৮৯ ২৯.৩০ ১৯৯২ ৬১.৭৯ ১০০
মোহাম্মদ আশরাফুল ১৬২ ১৫৬ ১৩ ৩৩৬০ ১০৯ ২৩.৪৯ ৪৭৪৫ ৭০.৮১ ২০ ১১ ৩৩৯ ২৯
সাব্বির রহমান অভিষেক হয়নি
মোহাম্মদ মাহমুদউল্লাহ ৬১ ৫১ ১৪ ১০৭০ ৬৪* ২৮.৯১ ১৫৮৭ ৬৭.৪২ ৭২
নাঈম ইসলাম ৪০ ৩৩ ১৪ ৫৪৪ ৭৩* ২৮.৬৩ ৮৩৫ ৬৫.১৪ ৪২ ১২
অলোক কাপালি ৬৫ ৬২ ১১৭০ ১১৫ ১৯.৮৩ ১৭০১ ৬৮.৭৮ - ৯৬ ১০
মুশফিকুর রহিম ৮৪ ৭৫ ১৩ ১৪৬০ ৯৮ ২৩.৫৪ ২২৪৬ ৬৫ ১১১ ১৫
জহুরুল ইসলাম ১৫৬ ৪১ ৩১.২০ ২১২ ৭৩.৫৮ ১৩
মাশরাফি বিন মর্তুজা ১১৬ ৯০ ১৬ ১১৬৩ ৫১* ১৫.৭১ ১৩৪৫ ৮৬.৪৬ ৯৫ ৪০
শাহাদাত হোসেন ৪৬ ২৫ ১৫ ৭৯ ১৬* ৭.৯০ ১৪৩ ৫৫.২৪
শফিউল ইসলাম ২৩ ১১ ৫২ ১৬ ৭.৪২ ৮৫ ৬১.১৭
রুবেল হোসেন ২১ ১০ ১০ ২.৫০ ৩৭ ২৭.০২
সৈয়দ রাসেল ৫২ ২৭ ১১ ৮১ ১৫ ৫.০৬ ১৮৫ ৪৩.৭৮
নাজমুল হোসেন ৩৪ ২০ ১২ ৩৫ * ৪.৩৭ ১২৮ ২৭.৩৪
আব্দুর রাজ্জাক ১১১ ৭০ ২৯ ৫৬৩ ৩৩ ১৩.৭৩ ৭৯৭ ৭০.৬৩ - - ৪০ ১৪
সোহরাওয়ার্দী শুভ ১১ ৫৯ ১৪* ৯.৮৩ ৮৩ ৭১.০৮
এনামুল হক জুনিয়র ১০ ১২ ৩.০০ ১৯ ৬৩.১৫ - -
ডলার মাহমুদ ৬১ ৪১ ১৫.২৫ ৪৪ ১৩৮.৬৩ - -
আফতাব আহমেদ ৮৫ ৮৫ ১৯৫৪ ৯২ ২৪.৭৩ ২৩৫৩ ৮৩.০৪ - ১৪ ২০৫ ৪৯
ফয়সাল হোসেন ৪৩ ১৭ ১০.৭৫ ৯১ ৪৭.২৫
মাহবুবুল আলম ৮১ ৫৯ ৪০.৫০ ৭১ ১১৪.০৮
মেহরাব হোসেন জুনিয়র ১৮ ১৬ ২৭৬ ৫৪ ১৭.২৫ ৬৪২ ৪২.৯৯ ২৪

সর্বশেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারী ৩, ২০১১ইং তারিখ পর্যন্ত[১৬]

অন্যান্য দলের বিরুদ্ধে ফলাফল[সম্পাদনা]

ওয়ানডে ক্রিকেটে[সম্পাদনা]

বিপক্ষ সময়কাল ম্যাচ জয় পরাজয় টাই স্থগিত সাফল্যের হার
অস্ট্রেলিয়া ১৯৯০-২০১১ ১৯ ১৮ ৫.২৬%
ভারত ১৯৮৮-২০১২ ২৪ ২১ ৮.৬৯%
শ্রীলঙ্কা ১৯৮৬-২০১২ ৩০ ২৭ ৬.৮৯%
দক্ষিণ আফ্রিকা ২০০২-২০১১ ১৪ ১৩ ৭.১৪%
ইংল্যান্ড ২০০০-২০১১ ১৫ ১৩ ১৩.৩৩%
পাকিস্তান ১৯৮৬-২০১২ ৩০ ২৯ ৩.৮৪%
নিউজিল্যান্ড ১৯৯০-২০১০ ২১ ১৬ ২৩.৮০%
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৯৯৯-২০১১ ২০ ১৪ ২০.০০%
আয়ারল্যান্ড ২০০৭-২০১১ ৭১.৪২%
জিম্বাবুয়ে ১৯৯৭-২০১১ ৫৬ ৩০ ২৬ ৫৪.৯০%
নেদারল্যান্ড ২০১০-২০১১ ৫০.০০%
কেনিয়া ১৯৯৭-২০০৬ ১৪ ৫৭.১৪%
স্কটল্যান্ড ১৯৯৯-২০০৬ ১০০%
বারমুদা ২০০৭-২০০৭ ১০০%
কানাডা ২০০৩-২০০৭ ৫০%
হংকং ২০০৪-২০০৪ ১০০%
সংযুক্ত আরব আমিরাত ২০০৮-২০০৮ ১০০%

সর্বশেষ আপডেট: এপ্রিল ২৮, ২০১১ইং।[১৭]

  • লক্ষণীয়: (১) ফলাফলের ক্ষেত্রে 'স্থগিত'কে হিসাবে আনা হয়নি। (২) টাই-কে অর্ধেক জয় হিসেবে গণনা করা হয়েছে।

টেস্ট ক্রিকেটে[সম্পাদনা]

বিপক্ষের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ইনিংসগুলো[সম্পাদনা]

ওয়ানডে ক্রিকেটে[সম্পাদনা]

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলায় এ পর্যন্ত ৪ বার তিনশতেরও অধিক রান করতে পেরেছে। ২০০৯ সালের ১১ আগস্ট প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে বুলাওয়েতে ৮ উইকেটে ৩২০ রান করে বাংলাদেশ তাদের সর্বোচ্চ স্কোর গড়ে।[১৮]

শীর্ষ ১০টি সর্বোচ্চ রানের ইনিংস
স্কোর ওভার সংখ্যা রান রেট ব্যাটিং প্রতিপক্ষ মাঠ তারিখ ওডিআই নং
৩২০/৮ ৫০ ৬.৪০ ১ম জিম্বাবুয়ে বুলাওয়ে ১১ আগস্ট, ২০০৯ ২৮৭১
৩১৩/৬ ৪৭.৫ ৬.৫৪ ২য় জিম্বাবুয়ে বুলাওয়ে ১৬ আগস্ট, ২০০৯ ২৮৭৩
৩০১/৭ ৫০ ৬.০২ ১ম কেনিয়া বগুড়া ১৭ মার্চ, ২০০৬ ২৩৫০
৩০০/৮ ৫০ ৬.০০ ১ম সংযুক্ত আরব আমিরাত লাহোর ২৪ জুন, ২০০৮ ২৭১১
২৯৬/৬ ৫০ ৫.৯২ ১ম ভারত ঢাকা ৭ জানুয়ারি, ২০১০ ২৯৩৯
২৯৩/৭ ৫০ ৫.৮৬ ১ম আয়ারল্যান্ড ঢাকা ২২ মার্চ, ২০০৮ ২৬৯৫
২৮৫/৭ ৫০ ৫.৭০ ২য় পাকিস্তান লাহোর ১৩ এপ্রিল, ২০০৮ ২৭০০
২৮৩/৬ ৫০ ৫.৬৬ ১ম ভারত করাচী ২৮ জুন, ২০০৮ ২৭২১
২৭৮/৬ ৫০ ৫.৫৬ ১ম স্কটল্যান্ড ঢাকা ১৭ ডিসেম্বর, ২০০৬ ২৪৬৭
২৭৮/৫ ৫০ ৫.৫৬ ১ম কানাডা সেন্ট জোন্স ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ ২৫৩০
২৭৬/৭ ৪৯ ৫.৬৩ ২য় ওয়েস্ট ইন্ডিজ রোজিও ২৮ জুলাই, ২০০৯ ২৮৬৩
২৭২/৮ ৫০ ৫.৪৪ ২য় জিম্বাবুয়ে বুলাওয়ে ১১ এপ্রিল, ২০০১ ১৭০৬
২৬৭/৯ ৫০ ৫.৩৪ ২য় জিম্বাবুয়ে ঢাকা ২৫ নভেম্বর, ২০০১ ১৭৭৪
২৬৫/৯ ৫০ ৫.৩০ ২য় শ্রীলংকা মোহালী ৭ অক্টোবর, ২০০৬ ২৪২৩
২৬০/৯ ৫০ ৫.২০ ১ম জিম্বাবুয়ে হারারে ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ ২৫০৫
২৬০/৭ ৫০ ৫.২০ ১ম শ্রীলংকা ঢাকা ৪ জানুয়ারি, ২০১০ ২৯৭
২৬০/৬ ৫০ ৫.২০ ১ম ইংল্যান্ড ঢাকা ২ মার্চ, ২০১০ ২৯৬৫
২৫৭ ৪৭.১ ৫.৪৪ ২য় জিম্বাবুয়ে নাইরোবী (জিম) ১১ অক্টোবর, ১৯৯৭ ১২৪০
২৫৭/৫ ৫০ ৫.১৪ ১ম জিম্বাবুয়ে ঢাকা ২৫ মার্চ, ১৯৯৯ ১৪২০
২৫৭/৯ ৫০ ৫.১৪ ২য় ভারত ঢাকা ২৭ ডিসেম্বর, ২০০৪ ২২০২

সর্বশেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০১১ইং তারিখ পর্যন্ত।[১৯]

টেস্ট ক্রিকেটে[সম্পাদনা]

২০১০ সালের ওডিআইয়ের ফলাফল[সম্পাদনা]

স্বাগতিক দল প্রতিপক্ষ বিজয়ী দল ফলাফল ভেন্যু তারিখ ওডিআই নং
বাংলাদেশ শ্রীলংকা শ্রীলংকা ৭ উইকেটে ঢাকা ৪ জানুয়ারি, ২০১০ ২৯৩৭
বাংলাদেশ ভারত ভারত ৬ উইকেটে ঢাকা ৭ জানুয়ারি, ২০১০ ২৯৩৯
বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা শ্রীলঙ্কা ৯ উইকেটে ঢাকা ৮ জানুয়ারি, ২০১০ ২৯৪০
বাংলাদেশ ভারত ভারত ৬ উইকেটে ঢাকা ১১ জানুয়ারি, ২০১০ ২৯৪২
নিউজিল্যান্ড বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ড ১৪৬ রানে ন্যাপিয়ার ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ২৯৪৯
নিউজিল্যান্ড বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ড ৫ উইকেটে ডুনেডিন ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ২৯৫১
নিউজিল্যান্ড বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ড ৩ উইকেটে ক্রাইস্টচার্চ ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ২৯৫৩
বাংলাদেশ ইংল্যান্ড ইংল্যান্ড ৬ উইকেটে ঢাকা ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ২৯৬৪
বাংলাদেশ ইংল্যান্ড ইংল্যান্ড ২ উইকেটে ঢাকা ২ মার্চ, ২০১০ ২৯৬৫
বাংলাদেশ ইংল্যান্ড ইংল্যান্ড ৪৫ রানে চট্টগ্রাম ৫ মার্চ, ২০১০ ২৯৬৮
বাংলাদেশ ভারত ভারত ৬ উইকেটে ডাম্বুলা ১৬ জুন, ২০১০ ২৯৯৩
শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা ১২৬ রানে ডাম্বুলা ১৮ জুন, ২০১০ ২৯৯৫
বাংলাদেশ পাকিস্তান পাকিস্তান ১৩৯ রানে ডাম্বুলা ২১ জুন, ২০১০ ২৯৯৮
ইংল্যান্ড বাংলাদেশ ইংল্যান্ড ৬ উইকেটে নটিংহ্যাম ৮ জুলাই, ২০১০ ৩০১৮
ইংল্যান্ড বাংলাদেশ বাংলাদেশ ৫ রানে ব্রিস্টল ১০ জুলাই, ২০১০ ৩০২৫
ইংল্যান্ড বাংলাদেশ ইংল্যান্ড ১৪৪ রানে বার্মিংহাম ১২ জুলাই, ২০১০ ৩০২৬
আয়ারল্যান্ড বাংলাদেশ আয়ারল্যান্ড ৭ উইকেটে বেলফাস্ট ১৫ জুলাই, ২০১০ ৩০২৭
আয়ারল্যান্ড বাংলাদেশ বাংলাদেশ ৬ উইকেটে বেলফাস্ট ১৬ জুলাই, ২০১০ ৩০২৮
স্কটল্যান্ড বাংলাদেশ স্থগিত গ্লাসগো ১৯ জুলাই, ২০১০ ৩০২৮এ
বাংলাদেশ নেদারল্যান্ড নেদারল্যান্ড ৬ উইকেটে গ্লাসগো ২০ জুলাই, ২০১০ ৩০২৯
বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ড বাংলাদেশ ৯ রানে ঢাকা ৫ অক্টোবর, ২০১০ ৩০৫১
বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ড স্থগিত ঢাকা ৮ অক্টোবর, ২০১০ ৩০৫২এ
বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ড বাংলাদেশ ৭ উইকেটে ঢাকা ১১ অক্টোবর, ২০১০ ৩০৫৪
বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ড বাংলাদেশ ৯ রানে ঢাকা ১৪ অক্টোবর, ২০১০ ৩০৫৬
বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ড বাংলাদেশ ৩ রানে ঢাকা ১৭ অক্টোবর, ২০১০ ৩০৫৮
বাংলাদেশ জিম্বাবুয়ে জিম্বাবুয়ে ৯ রানে ঢাকা ১ ডিসেম্বর, ২০১০ ৩০৭১
বাংলাদেশ জিম্বাবুয়ে বাংলাদেশ ৬ উইকেটে ঢাকা ৩ ডিসেম্বর, ২০১০ ৩০৭৩
বাংলাদেশ জিম্বাবুয়ে বাংলাদেশ ৬৫ রানে ঢাকা ৬ ডিসেম্বর, ২০১০ ৩০৭৫
বাংলাদেশ জিম্বাবুয়ে স্থগিত চট্টগ্রাম ১০ ডিসেম্বর, ২০১০ ৩০৭৬এ
বাংলাদেশ জিম্বাবুয়ে বাংলাদেশ ৬ উইকেটে চট্টগ্রাম ১২ ডিসেম্বর, ২০১০ ৩০৭৮

সর্বশেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৫, ২০১১ইং তারিখ পর্যন্ত।[২০]

ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের হ্যাট্রিকগুলো[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলায় এ পর্যন্ত ২ (দুই)জন খেলোয়াড় পরপর তিন বলে তিনজন ব্যাটসম্যানকে আউট করে হ্যাট্রিক করার বিরল সৌভাগ্য অর্জন করেন। ১ম হ্যাট্রিক (বিশ্বে ২১তম) করেন - শাহাদাত হোসেন[২১] এবং ২য় হ্যাট্রিক করেন (বিশ্বে ২৭তম) - আব্দুর রাজ্জাক।[২২]

বাংলাদেশী বোলারদের হ্যাট্রিক
ক্রমিক নং ওডিআই নং বোলারের নাম দলের নাম বিপক্ষ যাদেরকে আউট করেছেন মাঠ তারিখ
১। 7003239400000000000২,৩৯৪ শাহাদাত হোসেন  বাংলাদেশ  জিম্বাবুয়ে

• তাফাজা মুফামবিসি (কট †খালেদ মাসুদ)
• এলটন চিগুম্বুরা (এলবিডব্লিউ)
• তাওয়ান্দা মুপারিয়া (কট  †খালেদ মাসুদ)

হারারে স্পোর্টস ক্লাব, হারারে ২ আগস্ট, ২০০৬
২। 7003307300000000000৩,০৭৩ আব্দুর রাজ্জাক  বাংলাদেশ  জিম্বাবুয়ে

• প্রস্পার উতসেয়া (কট নাঈম ইসলাম)
• রে প্রাইস (এলবিডব্লিউ)
• ক্রিস্টোফার মপোফু (এলবিডব্লিউ)

শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়াম, মিরপুর ৩ ডিসেম্বর, ২০১০

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে হ্যাট্রিক[সম্পাদনা]

বিপক্ষীয় বোলারের হ্যাট্রিক
ক্রমিক নং ওডিআই নং বোলারের নাম দলের নাম বিপক্ষ যাদেরকে আউট করেছেন ভেন্যু তারিখ
১।[D][F] 7003195000000000000১,৯৫০[২৩] চামিন্দা ভাস  শ্রীলঙ্কা  বাংলাদেশ

• হান্নান সরকার (ব)
• মোহাম্মদ আশরাফুল (ক)
• এহসানুল হক (ক) মাহেলা জয়াবর্ধনে)

পিটারমারিতজ্‌বার্গ ওভাল, পিটারমারিতজ্‌বার্গ ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৩

একদিনের ক্রিকেটে[সম্পাদনা]

খেলায় অনন্য অর্জনগুলো[সম্পাদনা]

সর্বোচ্চ ... সাফল্যের বিবরণ তারিখ মন্তব্য
দলীয় রান ৩২০/৮ বনাম জিম্বাবুয়ে, বুলাওয়ে ১১ আগস্ট, ২০০৯
মোট ব্যক্তিগত রান মোহাম্মদ আশরাফুল, ৩৩৬০ রান, ১৬২ ম্যাচে, ২৩.৪৯ গড়ে
খেলায় ব্যক্তিগত রান ১৫৪, তামিম ইকবাল, বিপক্ষ জিম্বাবুয়ে, বুলাওয়ে, ২০০৯
জুটি ১৭৫*, ৪র্থ উইকেটে, হাবিবুল বাশার (৬৪) - রাজিন সালেহ (১০৮); বনাম কেনিয়া, ফতুল্লা ২৫ মার্চ, ২০০৬
সেঞ্চুরী ৫টি, সাকিব আল হাসান, ১০২ খেলায়
হাফ-সেঞ্চুরী ২৩টি, মোহাম্মদ আশরাফুল, ১৬২ খেলায়
উইকেট-কিপার কর্তৃক আউট ১২৬টি; খালেদ মাসুদ; ১২৬ খেলায়
উইকেট-কিপার ব্যতীত আউটকারী ৩৬টি; মাশরাফি বিন মর্তুজা; ১১৬ খেলায়
গড় (সর্বনিম্ন ৩০.০০) সাকিব আল হাসান; ৩৪.৯৮
ম্যাচে সিক্স বা ছক্কা ৭টি; তামিম ইকবাল; বিপক্ষ ....
মোট ব্যক্তিগতভাবে সিক্স বা ছক্কা ৪৯টি; আফতাব আহমেদ; ৮০ খেলায়
খেলায় অংশগ্রহণ মোহাম্মদ আশরাফুল; ১৬২ খেলা
অধিনায়ক হিসেবে অংশগ্রহণ হাবিবুল বাশার; ৬৯টি খেলায়; ২০০৪ - ২০০৭

ওয়ানডে পার্টনারশীপগুলো[সম্পাদনা]

প্রতি উইকেটে সর্বোচ্চ রান
উইকেট রান খেলোয়াড়দ্বয় বিপক্ষ মাঠ খেলার তারিখ ম্যাচ নং
১ম ১৭০ শাহরিয়ার হোসেন-মেহরাব হোসেন জিম্বাবুয়ে ঢাকা ২৫ মার্চ, ১৯৯৯ ১৪২০
২য় ১৬০ ইমরুল কায়েস-জুনায়েদ সিদ্দিকী পাকিস্তান ডাম্বুলা ২১ জুন, ২০১০ ২৯৯৮
৩য় ১৭৪ এনামুল হক বিজয়-মুশফিকুর রহিম ওয়েস্ট ইন্ডিজ ঢাকা ২ ডিসেম্বর ২০১২ ৩৩১০
৪র্থ ১৭৫* রাজিন সালেহ-হাবিবুল বাশার কেনিয়া ফতুল্লা ২৫ মার্চ, ২০০৬ ২৩৫৬
৫ম ১১৯ সাকিব আল হাসান-রাকিবুল হাসান (জুনিয়র) দক্ষিণ আফ্রিকা ঢাকা ১২ মার্চ, ২০০৮ ২৬৯১
৬ষ্ঠ ১২৩* আল শাহারিয়ার-খালেদ মাসুদ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ঢাকা ৮ অক্টোবর, ১৯৯৯ ১৫১০
৭ম ১০১ মুশফিকুর রহিম-নাঈম ইসলাম নিউজিল্যান্ড ডুনেডিন ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১০ ২৯৫১
৮ম ৭০* খালেদ মাসুদ -মোহাম্মদ রফিক নিউজিল্যান্ড কিম্বার্লী ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০০৩ ১৯৬৮
৯ম ৯৭ সাকিব আল হাসান - মাশরাফি বিন মর্তুজা পাকিস্তান মুলতান ১৬ এপ্রিল, ২০০৮ ২৭০২
১০ম ৫৪* খালেদ মাসুদ -তাপস বৈশ্য শ্রীলঙ্কা কলম্বো (সিংহলীজ স্পোর্টস ক্লাব) ৩১ আগস্ট, ২০০৫ ২২৭৫

সর্বশেষ আপডেট: (ফেব্রুয়ারী ১, ২০১১ইং তারিখ পর্যন্ত)[২৪]

  • = বাংলাদেশের পক্ষে যে-কোন উইকেটে সর্বোচ্চ রান।

ওয়ানডে'র উইকেট সংক্রান্ত[সম্পাদনা]

সর্বোচ্চ বিবরণ খেলোয়াড়ের নাম অন্যান্য মন্তব্য
উইকেট প্রাপ্তি ১৬২ আব্দুর রাজ্জাক গড়: ২৬.৯০ ১১১ ম্যাচে
ম্যাচে বোলিং ৬/২৬ মাশরাফি বিন মর্তুজা বনাম কেনিয়া ২০০৬
৫ উইকেট অর্জন ৩বার আব্দুর রাজ্জাক
গড় (কমপক্ষে ৫০ ওভার) ২৬.৯০ আব্দুর রাজ্জাক
স্ট্রাইক রেট (কমপক্ষে ৫০ ওভার) ৩০.১০ সাইফুল ইসলাম

দেশের পক্ষে সর্বোচ্চ উইকেটধারী[সম্পাদনা]

সাকিব আল হাসানঃ বিশ্বসেরা অলরাউণ্ডারের মর্যাদা পেয়েছেন

একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট বা ওডিআইয়ে ফেব্রুয়ারী ২০১১ইং তারিখ পর্যন্ত প্রথিতযশা স্পিনার আব্দুর রাজ্জাক ১৬২টি উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বোচ্চ স্থান দখল করে আছেন। পিছনে রয়েছেন - প্রায়শঃই আঘাতপ্রাপ্ত নড়াইল এক্সপ্রেস খ্যাত পেশার মাশরাফি বিন মর্তুজা এবং বর্তমানে বিশ্বসেরা অল-রাউন্ডার সাকিব আল হাসান যথাক্রমে ১৪৫ এবং ১২৯টি উইকেট নিয়ে।

ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের শীর্ষ-১০ বোলার
বোলারের নাম ম্যাচ ওভার মেইডেন রান মোট উইকেট গড় ইকোনমী স্টাইক রেট ৪-উইকেট ৫-উইকেট
আব্দুর রাজ্জাক ১১১ ৯৮০.৫ ৪৮ ৪৩৫৮ ১৬২ ২৬.৯ ৪.৪৪ ৩৬.৩
মাশরাফি বিন মর্তুজা ১১৬ ৯৬৩.৫ ৮৬ ৪৪০৭ ১৪৫ ৩০.৩৯ ৪.৫৭ ৩৯.৮
সাকিব আল হাসান ১০২ ৮৭৩.২ ৫৩ ৩৭১৬ ১২৯ ২৪.৪ ৪.২৫ ৪০.৬
মোহাম্মদ রফিক ১২৩ ১০৪৯ ৬৩ ৪৬১২ ১১৯ ৩৮.৭৫ ৪.৩৯ ৫২.৮
খালেদ মাসুদ ৭৭ ৫৬৪.১ ৩০ ২৮৬৫ ৬৭ ৪২.৭৬ ৫.০৭ ৫০.৫
সৈয়দ রাসেল ৫২ ৪৪২.৫ ৪১ ২০৫১ ৬১ ৩৩.৬২ ৪.৬৩ ৪৩.৫
তাপস বৈশ্য ৫৬ ৪৩৪.৪ ১৮ ২৪৫২ ৫৯ ৪১.৫৫ ৫.৬৪ ৪৪.২
শাহাদাত হোসেন ৪৬ ৩২১.২ ১৮ ১৮২৪ ৪২ ৪৩.৪২ ৫.৬৭ ৪৫.৯
নাজমুল হোসেন ৩৪ ২৪৪.৫ ২০ ১২৬৮ ৩৮ ৩৩.৩৬ ৫.১৭ ৩৮.৬
শফিউল ইসলাম সুহাস ২৩ ১৬০.৫ ১০১০ ৩২ ৩১.৫৬ ৬.২৭ ৩০.১
মাহমুদুল্লাহ ৬১ ৩০৭ ১৫০৮ ৩১ ৫১.৫৪ ৫.২০ ৫৯.৪

সর্বশেষ আপডেট: ২ ফেব্রুয়ারি, ২০১১ইং[২৫]

  • দ্রষ্টব্যঃ † = একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলায় অদ্যাবধি খেলছেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Toothless Tigers, BBC Sport, 2 January 2003, সংগৃহীত 19 February 2011 
  2. scorecard: Bangladesh v Kenya (1998-05-17), Retrieved on (2008-01-27)
  3. Bangladesh Cricket Team, Bangladesh Cricket 
  4. About BCB, Bangladesh Cricket Board, সংগৃহীত 11 March 2011 
  5. "Bangladesh cricket at the crossroad", The Independent, 12 November 2010, সংগৃহীত 11 March 2011 
  6. Board's name amended by government notification, Cricinfo, 13 January 2007, সংগৃহীত 11 March 2011 
  7. Samiuddin, Osman (30 June 2011), ICC gives boards two years to fall in line, Cricinfo, সংগৃহীত 8 July 2011 
  8. GP Official Sponsors of Bangladesh National Men & Womens Cricket Teams, Grameenphone, 17 December 2009, সংগৃহীত 22 August 2011 
  9. Bangladesh to set up academy, 4 April 2006, সংগৃহীত 22 September 2011 
  10. BCB announce 'perform and earn more' payroll, Cricinfo, 20 October 2005, সংগৃহীত 22 September 2011 
  11. Zahid Razzak named Bangladesh manager, Cricinfo, 21 September 2011, সংগৃহীত 10 October 2011 
  12. Jurgensen appointed Bangladesh bowling coach, Cricinfo, 7 October 2011, সংগৃহীত 10 October 2011 
  13. "Riyad injury not cause for concern", The Daily Star, 2 August 2011, সংগৃহীত 10 October 2011 
  14. "Psychologist for Tigers", The Daily Star, 2 September 2010, সংগৃহীত 10 October 2011 
  15. Rabeed Imam, Cricinfo, সংগৃহীত 10 October 2011 
  16. বাংলাদেশের ব্যাটিং গড়
  17. বিপক্ষীয় দলের বিরুদ্ধে ওয়ানডে'র ফলাফল।
  18. বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ওডিআইয়ে সর্বোচ্চ রান
  19. বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের ইনিংসগুলো।
  20. ২০১০ সালে বাংলাদেশের ওডিআইগুলো
  21. জিম্বাবুয়ে বনাম বাংলাদেশ, ৩য় ওডিআই, আগস্ট ২, ২০০৬, হারারে
  22. জিম্বাবুয়ে বনাম বাংলাদেশ, ২য় ওডিআই, ডিসেম্বর ৩, ২০১০, ঢাকা
  23. শ্রীলংকা হ্যাট্রিক করলো
  24. স্ট্যাটস্‌.ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম
  25. বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেটধারী খেলোয়াড়েরা

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ট্যুর