বলরেখা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

বলরেখা কোনো বলক্ষেত্রের কাল্পনিক রেখা, যার সাহায্যে ক্ষেত্রের দিক ও প্রাবল্য সম্পর্কে ধারণা লাভ করা যায়। বলরেখায় তীর চিহ্ন দিয়ে ক্ষেত্রের অভিমুখ দেখানো হয় এবং বলরেখাগুলির ঘনত্ব ক্ষেত্রের স্থানীয় প্রাবল্য সূচিত করে। দুটি বলরেখা কখোনো একে অপরকে অতিক্রম করেনা কারণ একটী বিন্দুতে ক্ষেত্রের একটি মাত্র দিক থাকতে পারে।

চৌম্বক বলরেখা[সম্পাদনা]

কোনো চৌম্বক ক্ষেত্রে একটি বিচ্ছিন্ন উত্তর মেরুকে মুক্তাবস্থায় স্থাপন করলে মেরুটি যে পথে পরিভ্রমণ করে তাকে চৌম্বক বলরেখা বলে। চৌম্বক বলরেখার সাহায্যে চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রাবল্য ও অভিমুখ সম্পর্কে জানা যায়। চৌম্বক বলরেখাগুলির কোন শুরু বা শেষ নেই এরা বদ্ধ বর্তনী (closed loop), চুম্বকের বাইরে এরা উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরুর দিকে এবং চুম্বকের ভিতরে দক্ষিণ মেরু থেকে উত্তর মেরুর দিকে যায়।

বৈদ্যুতিক বলরেখা[সম্পাদনা]

বৈদ্যুতিক বলরেখা দারা বৈদ্যুতিক ক্ষেত্রের প্রাবল্য ও অভিমুখ সম্পর্কে জানা যায়। এরকম কোনো বৈদ্যুতিক বা তড়িৎক্ষেত্রেকোনো একক পজিটিভ বা ধনাত্নক চার্জ কে স্থাপন করলে এটি যে পথে পরিভ্রমণ করে তাকে বৈদ্যুতিক বলরেখা বলে। বৈদ্যুতিক ক্ষেত্রের বেলায় বলুরেখা কে বলের টিউব ও বলে। চৌম্বক বা বৈদ্যুতিক ক্ষেত্রে বলরেখার সঙ্গে অঙ্কিত স্পর্শক চৌম্বক বা বৈক্ষেত্রেখেত্রের দিক নির্দেশ করে। এবং বলরেখার সঙ্গে লম্বভাবে অবস্থিত এক বর্গসেন্টিমিটার ক্ষেত্রফলের মধ্য দিয়ে অতিক্রান্ত বলরেখার সংখ্যা চৌম্বক বা বৈদ্যুতিক ক্ষেত্রে প্রাবল্যের মান নির্দেশ করে। বৈদ্যুতিক বলরেখা ধনাত্নক চার্জ থেকে বের হয়ে ঋনাত্নক চার্জে শেষ হয়। পরিবাহীর ভিতরে কোনো বৈদ্যুতিক বলরেখা থাকে না।